পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .
দয়াকরে অপেক্ষা করুন।
"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।
প্রশ্ন: “সব কটা জানালা খুলে দাও না” – এর গীতিকার কে? ১৬তম বিসিএস
| (ক) মরহুম ড. আবু হেনা মোস্তফা কামাল | (খ) ড. মনিরুজ্জামান |
| (গ) মরহুম নজরুল ইসলাম বাবু | (ঘ) মরহুম আলতাফ মাহমুদ |
উত্তর: মরহুম নজরুল ইসলাম বাবু
"সব কটা জানালা খুলে দাও না" গানটির গীতিকার হলেন নজরুল ইসলাম বাবু। এই গানটি ১৯৮২ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনের জন্য নির্মিত একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের জন্য তৈরি করা হয়েছিল এবং এটি একটি দেশাত্মবোধক গান।
গীতিকার: নজরুল ইসলাম বাবু
সুরকার: আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল
গানটির ধরন: দেশাত্মবোধক
প্রকাশকাল: ১৯৮২
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: যা চিরস্থায়ী নয়- ১৬তম বিসিএস
| (ক) নশ্বর | (খ) ক্ষণস্হায়ী |
| (গ) ক্ষণিক | (ঘ) অস্থায়ী |
উত্তর: নশ্বর
যা চিরস্থায়ী নয়, তার এক কথায় প্রকাশ হলো নশ্বর বা অস্থায়ী; এর অন্যান্য প্রতিশব্দগুলো হলো ক্ষণস্থায়ী, অনিত্য, ক্ষয়শীল বা ভঙ্গুর, যা বোঝায় যা বিনষ্ট হতে পারে বা স্থায়ী নয়।
উদাহরণ:
নশ্বর: যা চিরস্থায়ী নয়।
অস্থায়ী: যা স্থায়ী নয়।
ক্ষণস্থায়ী: যা ক্ষণকালের জন্য স্থায়ী।
অনিত্য: যা নিত্য বা চিরন্তন নয়
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: ‘Intellectual’ শব্দের বাংলা অর্থ- ১৬তম বিসিএস
| (ক) মননশীল | (খ) মেধাবী |
| (গ) বুদ্ধিমান | (ঘ) বুদ্ধিজীবী |
উত্তর: বুদ্ধিজীবী
'Intellectual' শব্দের বাংলা অর্থ হলো বুদ্ধিজীবী, মনীষী, মননশীল, মেধাবী, বা বুদ্ধিবৃত্তিক; এটি বুদ্ধি বা জ্ঞানের সাথে সম্পর্কিত এবং উচ্চ চিন্তাভাবনায় নিযুক্ত ব্যক্তিকে বোঝায়।
কিছু প্রচলিত বাংলা প্রতিশব্দ:
বুদ্ধিজীবী: এটি সবচেয়ে প্রচলিত এবং সঠিক প্রতিশব্দ, বিশেষত যখন ব্যক্তিবিশেষকে বোঝানো হয়।
মননশীল: চিন্তাভাবনা ও গভীর অনুধ্যানে মগ্ন এমন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
মেধাবী: উচ্চ মেধা বা বুদ্ধি সম্পন্ন বোঝায়, although this can also mean 'intelligent' or 'bright'।
বুদ্ধিবৃত্তিক: যখন বিশেষণ হিসেবে 'বুদ্ধির সাথে সম্পর্কিত' বোঝায় (যেমন: intellectual activity)
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: ‘অবমূল্যায়ন’ ও ‘অবদান’ শব্দ দুটিতে ‘অব’ উপসর্গটি সম্পর্কে কোন মন্তব্যটি ঠিক? ১৬তম বিসিএস
| (ক) দুটি শব্দে উপসর্গটির অর্থ দুই রকম | (খ) দুটি শব্দে উপসর্গটির অর্থ আপাত-বিচারে ভিন্ন হলেও আসলে এক |
| (গ) শব্দ দুটিতে উপসর্গটি একই অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে | (ঘ) শব্দ দুটিতে উপসর্গটি মোটামুটি একই অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে |
উত্তর: দুটি শব্দে উপসর্গটির অর্থ দুই রকম
‘অবমূল্যায়ন’ ও ‘অবদান’ শব্দ দুটিতে ‘অব’ উপসর্গটির সঠিক মন্তব্য হলো: দুটি শব্দে উপসর্গটির অর্থ দুই রকম; কারণ 'অবমূল্যায়ন'-এ 'অব' উপসর্গটি 'অভাব' বা 'মন্দ' অর্থ দিচ্ছে (মূল্যায়নের অভাব), আর 'অবদান'-এ এটি 'উৎকর্ষ' বা 'শ্রেষ্ঠত্ব' অর্থ দিচ্ছে (শ্রেষ্ঠ দান)।
অবমূল্যায়ন: 'অব' (অভাব/মন্দ) + 'মূল্যায়ন' = সঠিক মূল্যায়ন না হওয়া বা কম মূল্যায়ন করা (underestimation)।
অবদান: 'অব' (উৎকর্ষ/শ্রেষ্ঠত্ব) + 'দান' = শ্রেষ্ঠ বা গুরুত্বপূর্ণ দান (valuable contribution)
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: “জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব।”- এ উক্তিটি কোন পত্রিকার প্রতি সংখ্যায় লেখা থাকত? ১৬তম বিসিএস
| (ক) শিখা | (খ) সমকাল |
| (গ) মোহাম্মদী | (ঘ) সওগাত |
উত্তর: শিখা
“জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব।” – এই উক্তিটি 'শিখা' পত্রিকার প্রতি সংখ্যায় লেখা থাকত, যা ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র ছিল এবং ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়। এই স্লোগানটি বাঙালি মুসলিম সমাজে নতুন যুগের হাওয়া আনতে এবং বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের প্রতীক হিসেবে পরিচিত।
পত্রিকা: শিখা
সংগঠন: ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ
উদ্দেশ্য: বুদ্ধির মুক্তি ও নবজাগরণ
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: ‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে’ লাইনটি নিন্মোক্ত একজনের কাব্যে পাওয়া যায়- ১৭তম বিসিএস
| (ক) মদনমোহন তর্কালংকার | (খ) ভারতচন্দ্র রায় |
| (গ) কামিনী রায় | (ঘ) মুকুন্দুরাম চক্রবর্তী |
উত্তর: ভারতচন্দ্র রায়
‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে’ লাইনটি বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত কবি ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর-এর কাব্যে পাওয়া যায়, যা তাঁর 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যের অংশ এবং এটি বাঙালির ঐতিহ্যবাহী সুখ ও সমৃদ্ধির আকাঙ্ক্ষার প্রতীক।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: f(x) = x^2 + 1x +1 এর অনুরূপ কোনটি? ১৭তম বিসিএস
| (ক) f(1) = 1 | (খ) f(0) = 1 |
| (গ) f(1) = 3 | (ঘ) f(-1) = 3 |
উত্তর: f(1) = 3
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: পর্তুগিজ ভাষা থেকে নিন্মোক্ত একটি শব্দ বাংলা ভাষায় আত্তীকরণ করা হয়েছে? ১৭তম বিসিএস
| (ক) শরবত | (খ) চেয়ার |
| (গ) বালতি | (ঘ) টেবিল |
উত্তর: বালতি
পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আত্তীকৃত (adopted) অনেক শব্দ আছে, যেমন - জানালা, গামলা, চাবি, ফিতা, পাউরুটি (Pão থেকে), কপি (Couve থেকে), আনারস, আলমারি, বালতি, কেরানি, গির্জা ইত্যাদি, যা পর্তুগিজদের বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক প্রভাবে এসেছে এবং বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করেছে।
এখানে কিছু উদাহরণ দেওয়া হলো:
আনারস (Ananás)
আলপিন (Alfinete)
আলমারি (Armário)
কাজু (Caju)
কামরা (Câmara)
কপি (Couve, বাঁধাকপি)
গির্জা (Igreja)
গুদাম (Gudão)
চাবি (Chave)
তোয়ালে (Toalha)
পাদ্রি (Padre)
পাউরুটি (Pão)
বালতি (Balde)
বারান্দা (Varanda)
পেয়ারা (Pera)
ফিতা (Fita)
** janela (জানালা)**
এই শব্দগুলো এখন বাংলা ভাষার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যা বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারে পর্তুগিজ প্রভাবের একটি বড় নিদর্শন।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: 'লাঠালাঠি'- এটি কোন সমাস ? ১৭তম বিসিএস
| (ক) কর্মধারয় সমাস | (খ) তৎপুরুষ সমাস |
| (গ) প্রাদিসমাস | (ঘ) বহূব্রীহি সমাস |
উত্তর: বহূব্রীহি সমাস
'লাঠালাঠি' শব্দটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস, যার ব্যাসবাক্য হলো 'লাঠিতে লাঠিতে যে যুদ্ধ বা প্রহার' এবং এটি পরস্পর ক্রিয়া বোঝায়, যেখানে দুটি পদেরই পুনরাবৃত্তি ও পারস্পরিক ক্রিয়া প্রধান।
ব্যাখ্যা:
ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস: এই সমাসে পারস্পরিক বা পুনরাবৃত্তিমূলক ক্রিয়া বোঝাতে 'এ' বিভক্তি যোগ হয় এবং পূর্বপদ ও পরপদ উভয়ই প্রাধান্য পায়, কিন্তু কোনো একটি পদ প্রধান না হয়ে তৃতীয় একটি অর্থ প্রকাশ পায় (যেমন: হাতে হাতে, কানে কানে)।
উদাহরণ: 'লাঠিতে লাঠিতে যে যুদ্ধ' বা 'লাঠি দিয়ে পরস্পর যে প্রহার'—এখানে 'লাঠি' এবং ক্রিয়ার পুনরাবৃত্তি ও পারস্পরিকতা স্পষ্ট
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়েছে নিম্মোক্ত একটি ভাষা থেকে - ১৭তম বিসিএস
| (ক) প্রাকৃত | (খ) প্রাকৃত |
| (গ) সংস্কৃত | (ঘ) অপভ্রংশ |
উত্তর: প্রাকৃত
বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়েছে প্রাকৃত ভাষা থেকে। প্রাকৃত ছিল প্রাচীন ভারতীয় উপমহাদেশে সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রচলিত স্বাভাবিক ভাষা, যা ইন্দো-ইউরোপীয় পরিবারের ইন্দো-আর্য শাখার অন্তর্ভুক্ত। এই প্রাকৃত ভাষা থেকেই পরবর্তীতে অপভ্রংশ রূপের মাধ্যমে বাংলা ভাষার বিকাশ ঘটে।
প্রাকৃত ভাষা: প্রাচীনকালে এই অঞ্চলে প্রচলিত সাধারণ মুখের ভাষা, যেমন মাগধী প্রাকৃত, থেকে বাংলা ভাষার উৎপত্তি হয়েছে।
অপভ্রংশ: প্রাকৃত ভাষার পরবর্তী বিবর্তিত রূপ হলো অপভ্রংশ, এবং এই অপভ্রংশ থেকেই আধুনিক বাংলা ভাষার বিকাশ হয়েছে
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: শব্দার্থ অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমষ্টিকে ভাগ করা যায় - ১৭তম বিসিএস
| (ক) দুই ভাগে | (খ) পাঁচ ভাগে |
| (গ) তিন ভাগে | (ঘ) চার ভাগে |
উত্তর: তিন ভাগে
শব্দার্থ অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দ সমষ্টিকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়: যৌগিক, রূঢ় বা রূঢ়ি এবং যোগরূঢ় শব্দ।
যৌগিক শব্দ: যে শব্দ দুটি বা ততোধিক পদের সমন্বয়ে গঠিত হয় এবং পদগুলো তাদের নিজস্ব অর্থ বজায় রাখে, তাদের যৌগিক শব্দ বলে। যেমন: রঙিন, সদয়।
রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ: যে শব্দ দুটি বা ততোধিক পদের সমন্বয়ে গঠিত হলেও পরে একটি বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং পদগুলো তাদের নিজস্ব অর্থ হারায়, তাদের রূঢ় শব্দ বলে। যেমন: সন্দেশ (যা সম্ এবং দেশ থেকে এসেছে), হস্তী।
যোগরূঢ় শব্দ: যে শব্দ দুটি বা ততোধিক পদের সমন্বয়ে গঠিত হয় এবং পরবর্তীতে একটি বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু সেই অর্থটি শব্দগুলোর নিজস্ব অর্থের সমষ্টি নয়, তাকে যোগরূঢ় শব্দ বলে। যেমন: পঙ্কজ (যা পঙ্ক এবং জ থেকে এসেছে, কিন্তু পঙ্কজ বলতে পদ্মের মতো বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়)।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: ‘মানবজীবন’, ‘মহৎজীবন’, ‘উন্নতজীবন’ ইত্যাদি গ্রন্থের রচয়িতা কে ১৭তম বিসিএস
| (ক) এস ওয়াজেদ আলী | (খ) ওয়াজেদ আলী |
| (গ) এয়াকুব আলী | (ঘ) মোঃ লুতফর রহমান |
উত্তর: মোঃ লুতফর রহমান
‘মানবজীবন’, ‘মহৎজীবন’, ‘উন্নতজীবন’ ইত্যাদি গ্রন্থের রচয়িতা হলেন ডাক্তার মোহাম্মদ লুৎফর রহমান (Dr. Mohammad Lutfor Rahman), যিনি একজন চিন্তাশীল, যুক্তিবাদী প্রাবন্ধিক এবং সমাজকর্মী ছিলেন, যিনি জ্ঞান ও প্রেমকে জীবনের মূল ভিত্তি হিসেবে দেখতেন।
অন্যান্য তথ্য:
তিনি তার জীবনদর্শন ও আদর্শের জন্য পরিচিত ছিলেন এবং তার লেখায় জ্ঞান, প্রেম ও উন্নত জীবনের বার্তা থাকত।
তার অন্যান্য বিখ্যাত রচনার মধ্যে রয়েছে ‘উচ্চজীবন’।
তিনি 'ডাক্তার' উপাধি ব্যবহার করলেও নামের সাথে কৌলিক উপাধি 'জরদার' ব্যবহার করতেন না।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: (SAARC) এর ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল - ১৭তম বিসিএস
| (ক) মালেতে | (খ) কাঠমুন্ডতে |
| (গ) দিল্লীতে | (ঘ) কলম্বোতে |
উত্তর: কলম্বোতে
SAARC-এর ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলন কলম্বো, শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এটি ছিল শ্রীলঙ্কার আয়োজনে প্রথম শীর্ষ সম্মেলন, যা ১৯৮৯ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল (অন্যান্য উৎস অনুযায়ী নভেম্বর, ১৯৮৯-এ)।
স্থান: কলম্বো, শ্রীলঙ্কা
বছর: ১৯৮৯
মূল বিষয়: এই সম্মেলনে SAARC-এর কার্যক্রমের গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল, যা মালা声明 (Male Declaration) নামে পরিচিত
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: ‘সিরাজাম মুনীরা’ কাব্যের রচয়িতার নাম- ১৭তম বিসিএস
| (ক) গোলাম মোস্থফা | (খ) তালিম হোসেন |
| (গ) ফররুখ আহমদ | (ঘ) আবুল হোসেন |
উত্তর: ফররুখ আহমদ
সিরাজাম মুনীরা কাব্যগ্রন্থের রচয়িতার নাম হলো ফররুখ আহমদ। এটি তাঁর একটি বিখ্যাত ইসলামি কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৫২ সালে প্রকাশিত হয়েছিল এবং এতে ইসলামের গৌরবময় ইতিহাস ও ঐতিহ্য স্থান পেয়েছে।
মূল বিষয়:
রচয়িতা: ফররুখ আহমদ.
প্রকাশকাল: ১৯৫২ সাল.
বিষয়বস্তু: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: ‘ষড়ঋতু’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ- ১৭তম বিসিএস
| (ক) ষট + ঋতু | (খ) ষড় + ঋতু |
| (গ) ষট্ + ঋতু | (ঘ) ষড় + ঋতু |
উত্তর: ষট্ + ঋতু
ষড়ঋতু শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ হলো ষট্ + ঋতু। এই সন্ধিটি একটি ব্যঞ্জনসন্ধির উদাহরণ, যেখানে বর্গের প্রথম বর্ণ (এখানে 'ট') স্বরবর্ণ ('ঋ')-এর সাথে যুক্ত হয়ে বর্গের তৃতীয় বর্ণে ('ড়') রূপান্তরিত হয়।
ষট্ (st) + ঋতু (ri) = ষড়ঋতু (sôṛritu)
এটি একটি ব্যঞ্জনসন্ধি।
সন্ধির নিয়ম অনুসারে, 'ট' বর্গের প্রথম বর্ণ এবং 'ঋ' একটি স্বরবর্ণ।
এই নিয়মানুসারে, 'ট' পরিবর্তিত হয়ে 'ড়' হয়ে যায়, ফলে 'ষট্' ও 'ঋতু' মিলে 'ষড়ঋতু' গঠিত হয়
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityনতুন সরকারি ও বেসরকারি চাকরির সার্কুলার প্রকাশ হওয়ার সাথে সাথেই notification পাবেন। একদম ফ্রি।