পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .
দয়াকরে অপেক্ষা করুন।
"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।
প্রশ্ন: কোন বানান টি শুদ্ধ? ১৮তম বিসিএস
| (ক) সমীচিন | (খ) সমীচীন |
| (গ) সমিচিন | (ঘ) সমিচীন |
উত্তর: সমীচীন
সঠিক বানানটি হলো ক. সমীচীন, যেখানে 'ম'-এর সাথে দীর্ঘ ঈ-কার (ী) এবং 'চ'-এর সাথে দীর্ঘ ঈ-কার (ী) ব্যবহৃত হয়; এর অর্থ সঙ্গত, উচিত বা উপযুক্ত।
সঠিক: সমীচীন (সঙ্গতঃ উচিত, উপযুক্ত)
ভুল: সমিচীন, সমীচিন, সমিচিন
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: কোন বইটি কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত নয়? ১৮তম বিসিএস
| (ক) সোনারতরী | (খ) দোলনচাঁপা |
| (গ) মানসী | (ঘ) শেষের কবিতা |
উত্তর: দোলনচাঁপা
সঠিক উত্তর হলো দোলনচাঁপা, কারণ এটি কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ, যেখানে শেষের কবিতা, সোনারতরী এবং মানসী হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত সৃষ্টি।
শেষের কবিতা, সোনারতরী, মানসী: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: কাজী ইমদাদুল হকের 'আব্দুল্লাহ' উপন্যাসের উপজীব্য কী? ১৮তম বিসিএস
| (ক) মুসলিম জমিদার শ্রেণীর জীবন কাহিনী | (খ) কৃষক সমাজের সংগ্রামশীল জীবন |
| (গ) চাষী জীবনের করুণ চিত্র | (ঘ) তৎকালীন মুসলিম মধ্যবিত্ত সমাজের চিত্র |
উত্তর: তৎকালীন মুসলিম মধ্যবিত্ত সমাজের চিত্র
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি কবি নজরুল ইসলামের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত? ১৯তম বিসিএস
| (ক) বিষের বাঁশি | (খ) বাঁধনহারা |
| (গ) দোলনচাঁপা | (ঘ) অগ্নিবীণা |
উত্তর: অগ্নিবীণা
‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নি-বীণা'-এর অন্তর্গত, যা তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ এবং ১৩২৯ বঙ্গাব্দের কার্তিক মাসে (১৯২২) প্রকাশিত হয়েছিল।
কাব্যগ্রন্থ: অগ্নি-বীণা
প্রকাশকাল: ১৩২৯ বঙ্গাব্দ (অক্টোবর, ১৯২২)
বিশেষত্ব: এটি নজরুলের প্রথম ও সবচেয়ে জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থগুলোর একটি, যেখানে 'বিদ্রোহী' কবিতাটি দ্বিতীয় কবিতা হিসেবে স্থান পেয়েছে
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’র রচিয়তা কে ? ১৯তম বিসিএস
| (ক) আবদুল গাফফার চৌধুরী | (খ) আলতাফ মাহমুদ |
| (গ) হাসান হাফিজুর রহমান | (ঘ) শামসুর রহমান |
উত্তর: আবদুল গাফফার চৌধুরী
‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটির রচয়িতা হলেন সাংবাদিক ও লেখক ** আব্দুল গাফফার চৌধুরী** এবং গানটির সুর করেছেন ** আলতাফ মাহমুদ** (বর্তমানে প্রচলিত সুর). এটি ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত একটি কালজয়ী গান, যা ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসকে ধারণ করে.
রচয়িতা: আব্দুল গাফফার চৌধুরী
সুরকার: আলতাফ মাহমুদ (বর্তমানে বহুল প্রচলিত সুরটি)
প্রকাশকাল: ১৯৫৩ সালে হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত 'একুশে ফেব্রুয়ারি' নামক সংকলনে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম হল? ১৯তম বিসিএস
| (ক) ভানুসিংহ ঠাকুর | (খ) মুকুন্দরাম |
| (গ) বনফুল | (ঘ) টেকচাঁদ |
উত্তর: ভানুসিংহ ঠাকুর
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সবচেয়ে পরিচিত ছদ্মনাম হলো ভানুসিংহ ঠাকুর, যা তিনি কৈশোরে বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে কবিতা লেখার সময় ব্যবহার করতেন; এছাড়াও তিনি আন্নাকালী পাকড়াশী, দিকশূন্য ভট্টাচার্য, অকপটচন্দ্র ভাস্কর, এবং নারীদের ছদ্মনাম যেমন শ্রীমতী কনিষ্ঠা ও শ্রীমতী মধ্যমা** সহ আরও কিছু ছদ্মনাম ব্যবহার করেছেন।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ ছদ্মনাম:
ভানুসিংহ ঠাকুর: তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত ছদ্মনাম, যা 'ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী' নামে প্রকাশিত হয়েছিল।
আন্নাকালী পাকড়াশী: এটিও একটি পরিচিত ছদ্মনাম।
দিকশূন্য ভট্টাচার্য: এটিও তাঁর ব্যবহৃত ছদ্মনামগুলির মধ্যে অন্যতম।
অকপটচন্দ্র ভাস্কর: আরেকটি উল্লেখযোগ্য ছদ্মনাম
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: ‘দ্য লিবারেশন অফ বাংলাদেশ’ গ্রন্থের রচয়িতা‒ ১৯তম বিসিএস
| (ক) মেজর জেনারেল সুখওয়ান্ত সিং | (খ) রফিকুল ইসলাম |
| (গ) কর্নেল সিদ্দিক মালিক | (ঘ) রশীদ করিম |
উত্তর: মেজর জেনারেল সুখওয়ান্ত সিং
"দ্য লিবারেশন অব বাংলাদেশ" গ্রন্থের রচয়িতা হলেন মেজর জেনারেল সুখওয়ান্ত সিং। তিনি ১৯৭৮ সালে বইটি রচনা করেন এবং এতে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ও ১৬ ডিসেম্বরের আত্মসমর্পণের ঘটনাগুলো তুলে ধরেন।
লেখক: মেজর জেনারেল সুখওয়ান্ত সিং (ভারতীয় সেনাবাহিনী)
প্রকাশকাল: ১৯৭৮ সাল
বিষয়বস্তু: ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং ১৬ ডিসেম্বরের আত্মসমর্পণের ঘটনা
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: বাগেরহাট খানজাহান আলীর প্রতিষ্ঠিত মসজিদটি কত গম্বুজ বিশিষ্ট? ১৯তম বিসিএস
| (ক) আশি | (খ) ষাট |
| (গ) সাতাশি | (ঘ) একাশি |
উত্তর: একাশি
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: 'পদ' বলতে কি বোঝায়? ২০তম বিসিএস
| (ক) বিভক্তিযুক্ত শব্দ বা ধাতু | (খ) প্রত্যয়ান্ত শব্দ বা ধাতু |
| (গ) যে কোন শব্দ | (ঘ) কবিতার চরণ |
উত্তর: বিভক্তিযুক্ত শব্দ বা ধাতু
'পদ' বলতে বোঝায় বাক্যে ব্যবহৃত বিভক্তিযুক্ত শব্দ বা ধাতুকে, যা বাক্যের অর্থ প্রকাশে সাহায্য করে; এটি ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা মূলত বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম ও ক্রিয়া—এই চার ভাগে বিভক্ত এবং একটি ভাষার গঠন বুঝতে সাহায্য করে।
মূল বিষয়:
সংজ্ঞা: শব্দ যখন বাক্যে ব্যবহৃত হয় এবং তার সাথে বিভক্তি যুক্ত হয়, তখন সেই শব্দকে 'পদ' বলা হয়।
উদাহরণ: 'আমি' একটি শব্দ, কিন্তু 'আমি যাই' বাক্যে 'আমি' ও 'যাই' উভয়ই পদ।
প্রকারভেদ: পদ প্রধানত দুই প্রকার (সব্যয় ও অব্যয়) এবং সব্যয় পদ আবার চার প্রকার:
বিশেষ্য (Noun): নাম বোঝায় (যেমন: রহিম, ঢাকা, বই)।
বিশেষণ (Adjective): বিশেষ্য বা সর্বনামের দোষ, গুণ, অবস্থা বোঝায় (যেমন: সুন্দর, নীল, ভালো)।
সর্বনাম (Pronoun): বিশেষ্যের পরিবর্তে বসে (যেমন: সে, তিনি, আমি)।
ক্রিয়া (Verb): কাজ করা বা ঘটা বোঝায় (যেমন: খাওয়া, যাওয়া, পড়া)
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: কোন বানাটি শুদ্ধ? ২০তম বিসিএস
| (ক) শুশ্রুষা | (খ) সুশ্রুষা |
| (গ) সুশ্রুষা | (ঘ) শুশ্রূষা |
উত্তর: শুশ্রূষা
শুশ্রূষা বানানটি-ই একমাত্র শুদ্ধ বানান। এই শব্দটির অর্থ হল রোগীর পরিচর্যা বা সেবা করা, অথবা শোনার ইচ্ছা।
কেন অন্য অপশনগুলো ভুল
সুশ্রুষা - এই বানানে প্রথম 'স'-তে হ্রস্ব উ-কার এবং শেষ 'ষ'-তে হ্রস্ব আ-কার ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
সুশ্রুসা - এই বানানে প্রথম 'স'-তে হ্রস্ব উ-কার এবং শেষ 'স'-তে দন্ত্য 'স' ব্যবহার করা হয়েছে, যা ভুল।
শুশ্রুষা - এই বানানে প্রথম 'শ'-তে হ্রস্ব উ-কার এবং শেষ 'ষ'-তে হ্রস্ব আ-কার ব্যবহার করা হয়েছে। যদিও কিছু ক্ষেত্রে এটি সঠিক বানান হিসেবে দেখানো হয়েছে, তবে প্রমিত বাংলা বানানে দীর্ঘ ঊ-কার (ূ) এবং মূর্ধন্য 'ষ' (ষ) ব্যবহৃত হয়, অর্থাৎ শুশ্রূষা
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: ‘ঠোঁট-কাটা’ বলতে কী বোঝায়? ২০তম বিসিএস
| (ক) মিথ্যাবাদী | (খ) স্পষ্টভাষী |
| (গ) অহংকারী | (ঘ) পক্ষপাতদুষ্ট |
উত্তর: স্পষ্টভাষী
'ঠোঁট কাটা' বাগধারাটির অর্থ হলো স্পষ্টভাষী, অর্থাৎ যে ব্যক্তি কোনো কিছু বলতে দ্বিধা করে না এবং সরাসরি ও নির্ভয়ে কথা বলে, তাকেই 'ঠোঁট কাটা' বলা হয়; এর আরেকটি অর্থ বেহায়া বা নির্লজ্জও হতে পারে। এটি এমন ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি যা মনে আসে তাই বলে দেন, কোনো রাখঢাক করেন না
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: ‘বিষাদ সিন্ধু’ কার রচনা? ২০তম বিসিএস
| (ক) ইসমাইল হোসেন সিরাজী | (খ) কায়কোবাদ |
| (গ) মোজাম্মেল হক | (ঘ) মীর মশাররফ হোসেন |
উত্তর: মীর মশাররফ হোসেন
'বিষাদ সিন্ধু' রচনা করেছেন মীর মশাররফ হোসেন। এটি একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস, যা কারবালার যুদ্ধকে কেন্দ্র করে রচিত।
লেখক: মীর মশাররফ হোসেন।
বিষয়বস্তু: কারবালার যুদ্ধ এবং এর পূর্বাপর ঘটনাবলী।
ধরণ: এটি একটি মহাকাব্যিক উপন্যাস এবং বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রাচীন উপন্যাস হিসেবে বিবেচিত হয়।
প্রকাশ: উপন্যাসটি তিনটি পর্বে প্রকাশিত হয়েছিল: 'মহরম পর্ব' (১৮৮৫), 'উদ্ধার পর্ব' (১৮৮৭), এবং 'এজিদবধ পর্ব' (১৮৯১)
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: কোনটি কাব্যগ্রন্থ? ২০তম বিসিএস
| (ক) শেষ লেখা | (খ) শেষের পরিচয় |
| (গ) শেষ প্রশ্ন | (ঘ) শেষের কবিতা |
উত্তর: শেষ লেখা
শেষ লেখা হল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত একটি বাংলা কাব্যগ্রন্থ, যা তাঁর মৃত্যুর পর ১৯৪১ সালে প্রকাশিত হয়। এটি তাঁর লেখা সর্বশেষ কাব্যগ্রন্থ এবং এতে পনেরোটি কবিতা রয়েছে
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: নজরুল ইসলামের প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ কোনটি? ২০তম বিসিএস
| (ক) নবযুগ | (খ) অগ্নিবীণা |
| (গ) ব্যথার দান | (ঘ) রাজবন্দীর জবানবন্দী |
উত্তর: ব্যথার দান
ব্যথার দান (ফেব্রুয়ারি, ১৯২২) কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ এবং এটি একটি গল্পগ্রন্থ।
কেন অন্য বিকল্পগুলো ভুল
অগ্নিবীণা কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ (অক্টোবর, ১৯২২)।
রাজবন্দীর জবানবন্দী তাঁর একটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ।
নবযুগ কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় প্রকাশিত একটি পত্রিকা
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস? ২০তম বিসিএস
| (ক) আগুণের পরশমণি | (খ) চিলেকোঠার সেপাই |
| (গ) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় | (ঘ) একাত্তরের দিনগুলো |
উত্তর: আগুণের পরশমণি
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের উদাহরণ হলো হুমায়ূন আহমেদের 'আগুনের পরশমণি', শওকত ওসমানের 'নেকড়ে অরণ্য' বা 'জলাঙ্গী', সৈয়দ শামসুল হকের 'নিষিদ্ধ লোবান', এবং আনোয়ার পাশার 'রাইফেল রোটি আওরাত'—যা মুক্তিযুদ্ধের প্রথম উপন্যাস হিসেবে পরিচিত। এই উপন্যাসগুলো মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়, মানবিক সংকট ও বীরত্বকে ভিন্ন ভিন্ন আঙ্গিকে তুলে ধরেছে
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityনতুন সরকারি ও বেসরকারি চাকরির সার্কুলার প্রকাশ হওয়ার সাথে সাথেই notification পাবেন। একদম ফ্রি।