পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .
দয়াকরে অপেক্ষা করুন।
"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।
প্রশ্ন: কোন খ্যাতিমান লেখক ‘বীরবল’ ছদ্মনামে লিখতেন? ১৭তম বিসিএস
| (ক) প্রমথ চৌধুরী | (খ) প্রথম নাথ বসু |
| (গ) প্রথম নাথ বিশী | (ঘ) প্রেমেন্দ্র মিত্র |
উত্তর: প্রমথ চৌধুরী
খ্যাতিমান বাঙালি লেখক প্রমথ চৌধুরী 'বীরবল' ছদ্মনামে লিখতেন। তিনি ছিলেন একজন প্রাবন্ধিক, কবি ও ছোটগল্পকার যিনি 'সবুজপত্র' পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন এবং বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষারীতি প্রবর্তনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।
প্রমথ চৌধুরী (Pramatha Chaudhuri): তিনি বিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগের একজন প্রভাবশালী সাহিত্যিক ছিলেন।
'বীরবল' ছদ্মনাম: তিনি তাঁর সাহিত্যকর্মের জন্য এই ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন।
'সবুজপত্র' পত্রিকা: তিনি এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, যা বাংলা সাহিত্যে একটি নতুন গদ্যধারা সূচনা করে।
অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাজ: তিনি বাংলা সাহিত্যে ইতালীয় সনেটের প্রবর্তক এবং কলকাতা হাইকোর্টে আইন ব্যবসা ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনাও করেছেন
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: ‘লাপাত্তা’ শব্দের ‘লা’ উপসর্গটি বাংলায় এসেছে- ১৭তম বিসিএস
| (ক) ফরাসি ভাষা থেকে | (খ) আরবি ভাষা থেকে |
| (গ) উর্দু ভাষা থেকে | (ঘ) হিন্দি ভাষা থেকে |
উত্তর: আরবি ভাষা থেকে
বাংলা ভাষায় আগত আরবি উপসর্গ: আম, খাস, গর, লা।
- আরবি ‘লা’ উপসর্গযোগে ‘না’ অর্থে লাপাত্তা, লাজওয়াব, লাখেরাজ, লাওয়ারিশ প্রভৃতি শব্দ গঠিত হয়েছে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: ১৯৯৪ সালে যে প্রবন্ধকার বাংলা একাডেমি পুরষ্কার পেয়েছেন- ১৭তম বিসিএস
| (ক) ওয়াকিল আহমদ | (খ) আহমদ রফিক |
| (গ) আবদুল মতিন খান | (ঘ) হুমায়ূন আজাদ |
উত্তর: ওয়াকিল আহমদ
১৯৯৪ সালে প্রবন্ধকার ওয়াকিল আহমদ বাংলা একাডেমি পুরস্কার পেয়েছেন।
পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি: ওয়াকিল আহমদ
পুরস্কার: বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার
সাল: ১৯৯৪
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: 'কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়, তাইতো জাত ভিন্ন বলায়' এই পংক্তি নিচের কার লেখা -- ১৭তম বিসিএস
| (ক) সিরাজ সাই | (খ) পাগলা কানাই |
| (গ) লালন শাহ্ | (ঘ) মদন বাউল |
উত্তর: লালন শাহ্
'কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়, তাইতো জাত ভিন্ন বলায়' -- এই বিখ্যাত পংক্তিটি লিখেছেন বাউল সাধক লালন শাহ (Fakir Lalon Shah), যা তাঁর মানবতাবাদী দর্শন ও জাতপাতের ঊর্ধ্বে উঠে সাম্যবাদ ও মানবধর্মের প্রচারে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: অক্ষির সমীপে- এর সংক্ষেপণ হল- ১৭তম বিসিএস
| (ক) নিরপেথক | (খ) প্রত্যক্ষ |
| (গ) পরোক্ষ | (ঘ) সমক্ষ |
উত্তর: সমক্ষ
'অক্ষির সমীপে' (চোখের সামনে বা চোখের কাছে) এর সঠিক সংক্ষেপণ হলো সমক্ষ। এটি এক কথায় প্রকাশ, যা কোনো কিছু চোখের সামনে থাকা বোঝায়, যেমন 'সাক্ষাতে' বা 'সামনে'.
অক্ষির সমীপে: সমক্ষ (চোখের সামনে)
অক্ষির সম্মুখে: প্রত্যক্ষ (সরাসরি দেখা)
অক্ষির আগোচরে: পরোক্ষ (চোখের আড়ালে)
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: ‘হযরত মোহাম্মদ (সঃ) ছিলেন আদর্শ মানব’- বাক্যটি নিন্মোক্ত একটি শ্রেণীর- ১৭তম বিসিএস
| (ক) যৌগিক | (খ) সরল |
| (গ) মিশ্র | (ঘ) জটিল |
উত্তর: সরল
‘হযরত মোহাম্মদ (সঃ) ছিলেন আদর্শ মানব’—এই বাক্যটি সরল বাক্যের একটি উদাহরণ, কারণ এতে একটি মাত্র উদ্দেশ্য (হযরত মুহাম্মদ সঃ) ও একটি মাত্র বিধেয় (ছিলেন আদর্শ মানব) রয়েছে এবং একটি সমাপিকা ক্রিয়া আছে, যা গঠন অনুসারে বাক্যকে সরল, জটিল ও যৌগিক—এই তিন ভাগে ভাগ করে।
ব্যাখ্যা:
সরল বাক্য: যে বাক্যে একটিমাত্র উদ্দেশ্য (কর্তা) ও একটিমাত্র বিধেয় (সমাপিকা ক্রিয়া) থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে। এখানে 'হযরত মুহাম্মদ (সঃ)' হলো উদ্দেশ্য এবং 'আদর্শ মানব ছিলেন' হলো বিধেয়
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: ”মধুরচেয়ে আছে মধুর সে আমার এই দেশের মাটি আমার দেশের পথের ধুলা খাঁটি সোনার চেয়ে খাঁটি” । কবিতার এই অংশবিশেষের রচিয়তা - ১৭তম বিসিএস
| (ক) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত | (খ) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান |
| (গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | (ঘ) নির্মেলেন্দু গুণ |
উত্তর: সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: বাংলা ভাষায় প্রথম কাব্য সংকলন ‘চর্যাপদ’ এর আবিষ্কারক- ১৭তম বিসিএস
| (ক) ডঃ সুকুমার সেন | (খ) হরপ্রসাদ শাস্রী |
| (গ) ডঃ সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় | (ঘ) ডঃ মুহাম্মাদ শহীদুল্লাহ |
উত্তর: হরপ্রসাদ শাস্রী
প্রত্যেক পদ গাইবার পর শ্রোতাকে আকৃষ্ট করার জন্য বারবার ধ্রুবপদ গাইবার রীতি ছিল। বাংলা ভাষা ও সঙ্গীতের প্রাচীন নিদর্শন চর্যাপদ। ১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজগ্রন্থাগার থেকে এর পুথি আবিষ্কার করেন
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: হিন্দি ‘পদুমাবৎ’ এর অবলম্বনে ‘পদ্মাবতী’ কাব্যের রচয়িতা- ১৭তম বিসিএস
| (ক) দৌলত উজীর বাহরাম খান | (খ) আব্দুল করিম সাহিত্যবিশারদ |
| (গ) আলাওল | (ঘ) সৈয়দ সুলতান |
উত্তর: আলাওল
হিন্দি ‘পদুমাবৎ’ (Padmavat)-এর অবলম্বনে বাংলা ‘পদ্মাবতী’ কাব্যের রচয়িতা হলেন মধ্যযুগের বিখ্যাত কবি আলাওল (Alaol), যিনি মালিক মুহম্মদ জয়সীর মূল হিন্দি মহাকাব্যটি অনুবাদ করেছিলেন।
রচয়িতা: আলাওল (মধ্যযুগের কবি)।
মূল কাব্য: মালিক মুহম্মদ জয়সীর হিন্দি 'পদুমাবৎ'।
প্রেক্ষাপট: আলাওল আরাকানের বৌদ্ধ রাজার রাজসভার অমাত্য মাগন ঠাকুরের নির্দেশে এই অনুবাদ করেছিলেন
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা’ প্রথম প্রকাশিত হয়- ১৭তম বিসিএস
| (ক) ১৮৫০ সালে | (খ) ১৮৪২ সালে |
| (গ) ১৮৪১ সালে | (ঘ) ১৮৪৩ সালে |
উত্তর: ১৮৪৩ সালে
তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ১৮৪৩ সালের ১৬ আগস্ট, অক্ষয়কুমার দত্তের সম্পাদনায়, দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের সার্বিক তত্ত্বাবধানে, ব্রাহ্মধর্মের প্রচার ও তত্ত্ববোধিনী সভাের মুখপত্র হিসেবে।
মূল বিষয়:
প্রকাশের তারিখ: ১৮৪৩ সালের ১৬ আগস্ট।
সম্পাদক: অক্ষয়কুমার দত্ত।
তত্ত্বাবধায়ক: দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর।
উদ্দেশ্য: ব্রাহ্মধর্মের প্রচার এবং সভার সদস্যদের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: উপসর্গের সঙ্গে প্রত্যয়ের পার্থক্য- ১৭তম বিসিএস
| (ক) অব্যয় ও শব্দাংশ | (খ) ভিন্ন অর্থ প্রকাশে |
| (গ) উপসর্গ থাকে সামনে, প্রত্যায় থাকে পেছনে | (ঘ) নূতন শব্দ গঠনে |
উত্তর: উপসর্গ থাকে সামনে, প্রত্যায় থাকে পেছনে
উপসর্গ (Prefix) শব্দের শুরুতে বসে অর্থের পরিবর্তন ঘটায়, আর প্রত্যয় (Suffix) শব্দের শেষে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, কখনো অর্থের পরিবর্তন করে বা নতুন রূপ দেয়; যেমন 'প্র'-উপসর্গ যুক্ত হয়ে 'প্রহার' (আঘাত) আর '-অ' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'পড়া' (পড়া ক্রিয়া) তৈরি হয়, মূল পার্থক্যটি হলো তাদের অবস্থান ও কাজ – উপসর্গ সামনে, প্রত্যয় পেছনে।
প্রধান পার্থক্য:
অবস্থান:
উপসর্গ: মূল শব্দ বা ধাতুর আগে বসে (যেমন: 'বি-' + 'ফল' = 'বিফল')।
প্রত্যয়: মূল শব্দ বা ধাতুর পরে বসে (যেমন: 'চল' + '-ন্ত' = 'চলন্ত')।
প্রকৃতি:
উপসর্গ: সাধারণত অব্যয় (যেমন: 'পরি-', 'উপ-', 'স-')।
প্রত্যয়: বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি (যেমন: '-ক', '-তা', '-ত্ব')।
কাজ:
উপসর্গ: মূল শব্দের অর্থকে ব্যাপক পরিবর্তন করে বা বিপরীত অর্থ তৈরি করে (যেমন: 'জয়' থেকে 'পরাজয়')।
প্রত্যয়: মূল শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ (বিশেষ্য, বিশেষণ, ক্রিয়া) গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন বা প্রসারণ ঘটায় (যেমন: 'সুন্দর' থেকে 'সৌন্দর্য')।
উদাহরণ:
উপসর্গ: অ + জানা = অজানা (অজানা অর্থে)।
প্রত্যয়: কাজ + ল = কাজল (কাজ করার জিনিস অর্থে)।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: যে ছন্দের মূল পর্বের মাত্রা সংখ্যা চার, তাকে বলা হয়- ১৭তম বিসিএস
| (ক) মাত্রাবৃত্ত | (খ) পয়ার |
| (গ) স্বরবৃত্ত | (ঘ) অক্ষরবৃত্ত |
উত্তর: স্বরবৃত্ত
যে ছন্দের মূল পর্বের মাত্রা সংখ্যা চার, তাকে স্বরবৃত্ত ছন্দ বলা হয়, যেখানে মুক্তাক্ষর ও বদ্ধাক্ষর উভয়কেই ১ মাত্রা ধরা হয় এবং উচ্চারণ দ্রুত লয়ের হয়।
মূল বিষয়:
ছন্দ: স্বরবৃত্ত.
পর্ব: মূল পর্ব বা পূর্ণপর্ব ৪ মাত্রার হয়.
মাত্রা: অক্ষর বা সিলেবল (দল) অনুযায়ী মাত্রা নির্ধারিত হয়, মুক্তাক্ষর ও বদ্ধাক্ষর উভয়েরই ১ মাত্রা.
লয়: দ্রুত লয়ের ছন্দ.
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: 'শাহানামা' এর লেখক কে? ১৮তম বিসিএস
| (ক) কবি জামি | (খ) কবি নিজামী |
| (গ) কবি ফেরদৌসী | (ঘ) মওলানা রুমী |
উত্তর: কবি ফেরদৌসী
শাহনামা গ্রন্থের রচয়িতা হলেন পারস্যের বিখ্যাত কবি মহাকবি ফেরদৌসী (আবু আল-কাসিম ফেরদৌসী)। তিনি প্রায় ৩০ বছর ধরে এই মহাকাব্যটি রচনা করেন, যা প্রায় ৬০,০০০ শ্লোক নিয়ে গঠিত এবং ইরানি ইতিহাস ও সংস্কৃতির এক বিশাল আখ্যান তুলে ধরেছে।
রচয়িতা: মহাকবি ফেরদৌসী (Hakim Abul-Qasim Ferdowsi Tusi)।
সময়কাল: তিনি ৯৭৭ থেকে ১০১০ সালের মধ্যে এটি রচনা করেন।
মূল বিষয়: শাহনামা পারস্যের (বর্তমান ইরান) প্রাক-ইসলামী যুগ থেকে শুরু করে সপ্তম শতাব্দী পর্যন্ত রাজাদের ইতিহাস ও বীরত্বগাথা নিয়ে রচিত
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাবিহীন বর্ণের সংখ্যা কয়টি? ১৮তম বিসিএস
| (ক) ৮টি | (খ) ৯টি |
| (গ) ১১টি | (ঘ) ১০টি |
উত্তর: ১০টি
বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাবিহীন বর্ণের সংখ্যা ১০টি, যার মধ্যে ৪টি স্বরবর্ণ (এ, ঐ, ও, ঔ) এবং ৬টি ব্যঞ্জনবর্ণ (ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ) রয়েছে।
মাত্রাহীন বর্ণসমূহ:
স্বরবর্ণ: এ, ঐ, ও, ঔ (৪টি)
ব্যঞ্জনবর্ণ: ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ (৬টি)
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: 'তার বয়স বেড়েছে কিন্তু বুদ্ধি বাড়েনি'-এটি কোন ধরনের বাক্য? ১৮তম বিসিএস
| (ক) সাধারণ বাক্য | (খ) মিশ্র বাক্য |
| (গ) যৌগিক বাক্য | (ঘ) সরল বাক্য |
উত্তর: যৌগিক বাক্য
'তার বয়স বেড়েছে কিন্তু বুদ্ধি বাড়েনি'- এটি একটি যৌগিক বাক্য, কারণ এখানে দুটি সরল বাক্য ('তার বয়স বেড়েছে' এবং 'বুদ্ধি বাড়েনি') 'কিন্তু' (একটি সংযোজক অব্যয়) দ্বারা যুক্ত হয়েছে, যা একাধিক স্বাধীন বাক্যকে একসাথে প্রকাশ করে।
যৌগিক বাক্য: যখন একাধিক স্বাধীন বাক্য (সরল বাক্য) কোনো সংযোজক অব্যয় (যেমন: ও, এবং, কিন্তু, অথবা) দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি বাক্য গঠন করে, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityনতুন সরকারি ও বেসরকারি চাকরির সার্কুলার প্রকাশ হওয়ার সাথে সাথেই notification পাবেন। একদম ফ্রি।