পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .
দয়াকরে অপেক্ষা করুন।
"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।
প্রশ্ন: ‘একুশে ফেব্রুয়ারী’ গ্রন্থের সম্পাদক কে ছিলেন? ১৬তম বিসিএস
| (ক) বেগম সুফিয়া কামাল | (খ) হাসান হাফিজুর রহমান |
| (গ) মুনীর চৌধুরী | (ঘ) আবুল বরকত |
উত্তর: হাসান হাফিজুর রহমান
'একুশে ফেব্রুয়ারি' গ্রন্থের সম্পাদক ছিলেন হাসান হাফিজুর রহমান। এই সংকলনটি ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত হয়েছিল এবং এটি ভাষা আন্দোলনের উপর ভিত্তি করে রচিত প্রথম সাহিত্য সংকলন
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: 'রোহিণী' চরিত্রটি কোন উপন্যাসে পাওয়া যায়? ১৬তম বিসিএস
| (ক) সংশপ্তক | (খ) কৃষ্ণকান্তের উইল |
| (গ) চরিত্রহীন | (ঘ) গৃহদাহ |
উত্তর: কৃষ্ণকান্তের উইল
রোহিণী চরিত্রটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস 'কৃষ্ণকান্তের উইল'-এ পাওয়া যায়। এই উপন্যাসে রোহিণী, গোবিন্দলাল এবং ভ্রমরের মধ্যে ত্রিভুজ প্রেমের কাহিনি বর্ণিত হয়েছে
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতে কোন বিষয়টি প্রধানভাবে আছে? ১৬তম বিসিএস
| (ক) বাংলার প্রকৃতির কথা | (খ) বাংলার ইতিহাসের কথা |
| (গ) বাংলার সাংস্কৃতির কথা | (ঘ) বাংলার মানুষের কথা |
উত্তর: বাংলার প্রকৃতির কথা
রোহিণী চরিত্রটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস 'কৃষ্ণকান্তের উইল'-এ পাওয়া যায়। এই উপন্যাসে রোহিণী, গোবিন্দলাল এবং ভ্রমরের মধ্যে ত্রিভুজ প্রেমের কাহিনি বর্ণিত হয়েছে
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: জীবনানন্দ দাশের জন্মস্থান কোন জেলায়? ১৬তম বিসিএস
| (ক) ঢাকা জেলা | (খ) রাজশাহী জেলা |
| (গ) বরিশাল জেলা | (ঘ) ফরিদপুর জেলা |
উত্তর: বরিশাল জেলা
জীবনানন্দ দাশের জন্মস্থান হলো বরিশাল জেলা, যা ব্রিটিশ আমলে বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির অন্তর্ভুক্ত ছিল এবং বর্তমানে বাংলাদেশে অবস্থিত। তিনি ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশাল শহরের এক বৈদ্য পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন এবং তার পরিবার বরিশাল থেকেই এসেছিলেন
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: ‘মানুষের মাঝে স্বর্গ নরক, মানুষেতে সুরাসুর’- এ পঙক্তিটি কার রচনা? ১৬তম বিসিএস
| (ক) শামসুর রাহমান | (খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর |
| (গ) শেখ ফজলুল করিম | (ঘ) কাজী নজরুল ইসলাম |
উত্তর: শেখ ফজলুল করিম
‘মানুষের মাঝে স্বর্গ নরক, মানুষেতে সুরাসুর’—এই বিখ্যাত পঙক্তিটি বাংলা সাহিত্যের কবি শেখ ফজলল করিমের লেখা, যা তাঁর বিখ্যাত 'স্বর্গ ও নরক' কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। এটি মানুষের ভেতরের ভালো ও মন্দ সত্তা এবং কর্মফলের ওপর স্বর্গ ও নরকের অবস্থানকে নির্দেশ করে।
বিস্তারিত:
কবি: শেখ ফজলল করিম (১৮৮২-১৯৩৬)।
কবিতা: 'স্বর্গ ও নরক'।
মূল ভাব: মানুষ তার নিজের কর্মের ফলেই স্বর্গ বা নরকের অভিজ্ঞতা লাভ করে, স্বর্গ-নরক দূরে কোথাও নয়, বরং মানুষের মধ্যেই তার অবস্থান
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: 'বাংলা একাডেমী' কোন বছর প্রতিষ্ঠিত হয়? ১৬তম বিসিএস
| (ক) ১৩৫২ বঙ্গাব্দ | (খ) ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দ |
| (গ) ১৩৫৫ বঙ্গাব্দ | (ঘ) ১৩৫২ বঙ্গাব্দ |
উত্তর: ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দ
বাংলা একাডেমি ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের চর্চা, গবেষণা এবং প্রসারের লক্ষ্যে এই প্রতিষ্ঠানটি ঢাকায় যাত্রা শুরু করে, যা পরবর্তীকালে বাংলাদেশের ভাষানিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।
প্রতিষ্ঠা: ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর।
প্রতিষ্ঠার কারণ: ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের ফলস্বরূপ, পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) ভাষা ও সংস্কৃতিকে রক্ষা এবং বিকাশের উদ্দেশ্যে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
ঠিকানা: ঢাকার বর্ধমান হাউসে এর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
গুরুত্ব: এটি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের সবচেয়ে বড় গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং একুশে বইমেলার আয়োজক।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার পার্থক্য- ১৬তম বিসিএস
| (ক) বাক্যের সরল ও জটিল রূপ | (খ) ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতায় |
| (গ) শব্দের রূপগত ভিন্নতায় | (ঘ) বাক্যের সরল ও জটিল রূপ |
উত্তর: ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতায়
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: সমগ্র পবিত্র কুরআনের প্রথম বাংলা অনুবাদ কে করেন? ১৬তম বিসিএস
| (ক) গোলাম মোস্তফা | (খ) সুনিতিকুমার চট্টোপাধ্যায় |
| (গ) ফররুখ আহমদ | (ঘ) ভাই গিরীশচন্দ্র সেন |
উত্তর: ভাই গিরীশচন্দ্র সেন
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: 'সমকাল' পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন? ১৬তম বিসিএস
| (ক) সিকানদার আবু জাফর | (খ) নাসিরুদ্দীন |
| (গ) তফাজ্জল হোসেন | (ঘ) মোহাম্মদ আকরম খাঁ |
উত্তর: সিকানদার আবু জাফর
'সমকাল' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন কবি সিকান্দার আবু জাফর। এটি ছিল ভারত বিভাগ-পরবর্তী পূর্ব পাকিস্তান থেকে প্রকাশিত একটি বিখ্যাত বাংলা সাহিত্য পত্রিকা, যা ১৯৫৭ সাল থেকে প্রকাশিত হয়ে আসছিল।
সম্পাদক: সিকান্দার আবু জাফর
প্রকাশকাল: ১৯৫৭ (১৩৬৩ বঙ্গাব্দ)
ধরন: সাহিত্য পত্রিকা (ত্রৈমাসিক)
বিশেষত্ব: সিকান্দার আবু জাফর এই পত্রিকার সম্পাদনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: সওগাত পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন? ১৬তম বিসিএস
| (ক) সিকান্দার আবু জাফর | (খ) কাজী আব্দুল ওদুদ |
| (গ) মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন | (ঘ) আবুল কালাম শামসুদ্দিন |
উত্তর: মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন
সওগাত পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন। তিনি ১৯১৮ সালে কলকাতা থেকে এই মাসিক পত্রিকাটি প্রকাশ করা শুরু করেন।
সম্পাদক: মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন।
প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯১৮ সাল।
প্রকাশনা স্থান: কলকাতা।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: Which of the following sentences is correct? ১৬তম বিসিএস
| (ক) I forbade him going | (খ) I forbade him to go |
| (গ) I forbade him not to go | (ঘ) I forbade him from going |
উত্তর: I forbade him to go
The verb "forbade" (past tense of "forbid") is typically followed by an object and an infinitive verb (to + base verb). The correct structure is "forbid + object + to-infinitive".
Why other options are incorrect
I forbade him from going: While "from" + gerund (going) is used after verbs like "prevent", "prohibit", and "refrain" (e.g., I prevented him from going), it is not the standard or most grammatically correct construction with "forbid" in formal English.
I forbade him going: This structure is not grammatically correct with the verb "forbid".
I forbade him not to go: "Forbid" already has a negative meaning (to order not to do something), so using "not to go" creates a redundant double negative (unless a specific emphasis is intended, which is rare and not the standard form). The "forbade him to go" already means that the action of "going" was not allowed
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: কোন গ্রন্থটি ঢাকা হতে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল? ১৬তম বিসিএস
| (ক) মেঘনাদবধ কাব্য | (খ) অগ্নিবীণা |
| (গ) নীলদর্পণ | (ঘ) দুর্গেশ নন্দিনী |
উত্তর: নীলদর্পণ
ঢাকা থেকে প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ হলো দীনবন্ধু মিত্র রচিত নাটক 'নীলদর্পণ' (১৮৬০), যা নীল চাষীদের ওপর ইংরেজ শাসকদের অত্যাচার ও নিপীড়ন নিয়ে লেখা হয়েছিল এবং এটি ঢাকার বাংলাবাজারস্থ বাঙালাযন্ত্রে রামচন্দ্র ভৌমিক কর্তৃক মুদ্রিত হয়েছিল, যা বাংলাদেশের সাহিত্য ও ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: “পথিক তুমি পথ হারাইয়াছ” – কথাটি কার? ১৬তম বিসিএস
| (ক) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় | (খ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় |
| (গ) মীর মোশাররফ হোসেন | (ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর |
উত্তর: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
"পথিক তুমি পথ হারাইয়াছ" উক্তিটি < বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'কপালকুণ্ডলা' উপন্যাসের বিখ্যাত উক্তি, যা কপালকুণ্ডলা চরিত্রটি নবকুমার-কে বলেছিল, যখন সে গভীর অরণ্যে পথ হারিয়েছিল, বলে
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: প্রত্যয়গতভাবে শুদ্ধ কোনটি? ১৬তম বিসিএস
| (ক) উৎকৃষ্টতা | (খ) উৎকৃষ্ট |
| (গ) উৎকর্ষতা | (ঘ) উৎকর্ষ |
উত্তর: উৎকৃষ্ট
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: ‘অচিন’ শব্দের ‘অ’ উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত? ১৬তম বিসিএস
| (ক) অজানা | (খ) নঞর্থক |
| (গ) নেতিবাচক | (ঘ) বিয়োগান্ত |
উত্তর: নঞর্থক
'অচিন' শব্দের 'অ' উপসর্গটি নঞর্থক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
উপসর্গ (বাংলা ব্যাকরণ)
‘উপসর্গ’ কথাটির মূল অর্থ ‘উপসৃষ্ট’। এর কাজ হলো নতুন শব্দ গঠন করা। উপসর্গের নিজস্ব কোন অর্থ নেই, তবে এগুলো অন্য শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে থাকে। মনে রাখতে হবে, উপসর্গ সব সময় মূল শব্দ বা ধাতুর পূর্বে যুক্ত হয়।
‘তাপ’ (বিশেষ্য পদ) তৎসম পদ। ‘তাপ’ অর্থ উষ্ণতা বা উত্তাপ। এর পূর্বে ‘প্র’ বা ‘অনু’ যুক্ত হয়ে যথাক্রমে প্রতাপ (প্র + তাপ) যার অর্থ পরাক্রান্ত বা বীরত্ব। অনুতাপ (অনু + তাপ) যার অর্থ অনুশোচনা বা আফসোস ইত্যাদি নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে এবং ‘তাপ’ শব্দের অর্থের পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। আবার ‘প্র’ বা ‘অনু’ এর নিজস্ব কোন অর্থ নেই বা এগুলো স্বাধীনভাবে কোন বাক্যেও ব্যবহৃত হতে পারে না। তাই ভাষাবিদগণ এরূপ অব্যয়সূচক শব্দ বা শব্দাংশের নাম দিয়েছেন 'উপসর্গ'। যেমন - ‘হার’ একটি শব্দ। এর সাথে উপ, আ, প্র, বি উপসর্গ যুক্ত হয়ে যথাক্রমে উপহার, আহার, প্রহার, বিহার শব্দ গঠিত হয়েছে। এভাবে উপসর্গের সাহায্যে নতুন নতুন শব্দ গঠন করে বাংলা ভাষার শব্দ সম্ভার সমৃদ্ধি লাভ করেছে। অতএব, কতকগুলো অব্যয় নামবাচক বা কৃদান্ত শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরির্বতন সাধন করে, এগুলোকে উপসর্গ বলে।
ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, “সংস্কৃতে কতগুলো অব্যয় শব্দ আছে, এগুলো ধাতুর পূর্বে বসে এবং ধাতুর মূল ক্রিয়ার গতি নির্দেশ করে এর অর্থের প্রসারণ, সঙ্কোচন বা অন্য পরিবর্তন আনয়ন করে দেয়। এরূপ অব্যয় শব্দকে উপসর্গ বলে।”
ড. মুহাম্মদ এনামুল হকের মতে, “যেসব অব্যয় শব্দ কৃদান্ত বা নামপদের পূর্বে বসে শব্দগুলোর অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা অন্য কোন পরিবর্তন সাধন করে, ঐ সব অব্যয় শব্দকে বাংলা ভাষায় উপসর্গ বলে।”
অশোক মুখোপাধ্যায়ের মতে, “বাংলা ভাষায় কিছু অব্যয় আছে যারা ধাতু বা শব্দের আগে যুক্ত হয়ে তাদের অর্থ বদল করে দেয়। এদেরই বলা হয় উপসর্গ।”
উপসর্গের প্রকারভেদ
উপসর্গ সাধারণত তিন প্রকার।
বাংলা উপনর্গ
সংস্কৃত উপসর্গ
বিদেশি উপসর্গ
সংস্কৃত উপসর্গ
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityনতুন সরকারি ও বেসরকারি চাকরির সার্কুলার প্রকাশ হওয়ার সাথে সাথেই notification পাবেন। একদম ফ্রি।