পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .
দয়াকরে অপেক্ষা করুন।
"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।
প্রশ্ন: যা পূর্বে ছিল এখন নেই' -এক কথায় কী হবে? ১৩তম বিসিএস
| (ক) অদৃষ্টপূর্ব | (খ) অপূর্ব |
| (গ) ভূতপূর্ব | (ঘ) অভূতপূর্ব |
উত্তর: ভূতপূর্ব
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: কোন বাক্যে সমুচ্চয়ী অব্যয় ব্যবহৃত হয়েছে? ১৩তম বিসিএস
| (ক) তোমাকে দিয়ে কিছু হবে না | (খ) ঢং ঢং ঘন্টা বাজে |
| (গ) ধন অপেক্ষা মান বড় | (ঘ) লেখাপড়া কর,নতুবা ফেল করবে |
উত্তর: লেখাপড়া কর,নতুবা ফেল করবে
যে অব্যয় পদ একটি বাক্যের সঙ্গে অন্য একটি বাক্যের অথবা বাক্যস্থিত একটি পদের সঙ্গে অন্য একটি পদের সংযোজন, বিয়োজন বা সংকোচন ঘটায় তাকে সমুচ্চয়ী অব্যয় বলে। এখানে "নতুবা" শব্দটি দুটি বাক্যকে (লেখাপড়া কর + ফেল করবে) বিয়োজনমূলকভাবে সংযুক্ত করেছে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: ইসলামের ইতিহাস ও ঐতিহ্য কোন কাব্যের উপজীব্য? ১৩তম বিসিএস
| (ক) জিঞ্জীর-কাজী নজুরুল ইসলাম | (খ) নূরনামা-আবদুল হাকিম |
| (গ) দিলরুবা-আবদুল কাদির | (ঘ) সাত সাগরের মাঝি-ফররুক আহমদ |
উত্তর: সাত সাগরের মাঝি-ফররুক আহমদ
ফররুখ আহমদ-এর লেখা 'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থটি ইসলামের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের উপজীব্য। এই কাব্যটি ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে ইসলামি সংস্কৃতি, পুরাণ ও ইতিহাসকে তুলে ধরা হয়েছে।
কাব্যের নাম: সাত সাগরের মাঝি
কবি: ফররুখ আহমদ
বিষয়বস্তু: ইসলামের ইতিহাস ও ঐতিহ্য, আরবীয় ও পারস্য উপন্যাসের প্রভাব
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: ‘অনল-প্রবাহ’ রচনা করেন- ১৩তম বিসিএস
| (ক) সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজি | (খ) এয়াকুব আলী চৌধুরী |
| (গ) মুনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী | (ঘ) আবু সাইয়ীদ |
উত্তর: সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজি
'অনল প্রবাহ' রচনা করেন সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী। তিনি ছিলেন একজন বাঙালি লেখক ও কবি এবং বাঙালি মুসলিম পুনর্জাগরণের প্রবক্তাদের একজন।
লেখক: সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী।
বিষয়বস্তু: মুসলিমদের দুরবস্থা ও অধঃপতনের বর্ণনার মাধ্যমে ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও স্বাধীনতার তীব্র আকাঙ্খা এই কাব্যগ্রন্থে ফুটে উঠেছে।
গুরুত্ব: তাঁর এই কাব্যগ্রন্থটি ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করে এবং এর জন্য তাকে কারাদণ্ডও দেওয়া হয়
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: কোন বাক্যে অসমাপিকা ক্রিয়া ব্যবহৃত হয়েছে? ১৩তম বিসিএস
| (ক) আমি দুপুরে ভাত খাই | (খ) তাড়াতাড়ি ভাত খেয়ে ওঠ |
| (গ) আমি ভাত খাচ্ছি | (ঘ) আমি ভাত খেয়ে স্কুলে যাব |
উত্তর: আমি ভাত খেয়ে স্কুলে যাব
অসমাপিকা ক্রিয়া হলো সেই ক্রিয়াপদ যা বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করতে পারে না এবং বক্তার মনোভাব অসম্পূর্ণ থাকে, আরও কিছু বলার প্রয়োজন হয়।
"আমি ভাত খেয়ে" এই অংশটি বলার পর বাক্যটি অসম্পূর্ণ মনে হয়। "খেয়ে" অসমাপিকা ক্রিয়া, কারণ এর পরে মূল সমাপিকা ক্রিয়া "যাব" ব্যবহার করে বাক্যটি সম্পূর্ণ করা হয়েছে।
যে বাক্যে একটি অসমাপিকা ক্রিয়া এবং একটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাতে অসমাপিকা ক্রিয়া ব্যবহৃত হয়েছে বলা হয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: মৌলিক শব্দ কোনটি? ১৪তম বিসিএস
| (ক) গৌরব | (খ) নেয়ে |
| (গ) শীতল | (ঘ) গোলাপ |
উত্তর: গোলাপ
সঠিক উত্তর হল গোলাপ। যে শব্দকে ভাঙলে আর কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ পাওয়া যায় না, তাকে মৌলিক শব্দ বলা হয়। 'গোলাপ' একটি মৌলিক শব্দ, কারণ এটিকে আর বিশ্লেষণ করা যায় না।
গোলাপ: এটি একটি মৌলিক শব্দ।
শীতল: এটি একটি বিশেষণ পদ, যার মূল শব্দ 'শীতলতা' বা 'শীত' হতে পারে। এটি মৌলিক শব্দ নয়।
নেয়ে: এটি একটি ক্রিয়াপদ, যার মূল শব্দ 'নেওয়া'। এটি মৌলিক শব্দ নয়।
গৌরব: এটি একটি বিশেষ্য পদ, যার মূল শব্দ 'গৌরবান্বিত' বা 'গৌরব' হতে পারে। এটিও মৌলিক শব্দ নয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: যার কোন মূল্য নেই,তাকে বাগধারা দিয়ে প্রকাশ করলে কোনটা হয়? ১৪তম বিসিএস
| (ক) তামার বিষ | (খ) তুলসী বনের বাঘ |
| (গ) ডাকাবুকা | (ঘ) ঢাকের বাঁয়া |
উত্তর: ঢাকের বাঁয়া
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: ‘আমীর হামজা’ কাব্য রচনা করেন কে? ১৪তম বিসিএস
| (ক) রেজাউদ্দৌলা | (খ) সৈয়দ হামজা |
| (গ) আলাওল | (ঘ) ফকির গরীবুল্লাহ |
উত্তর: ফকির গরীবুল্লাহ
'আমীর হামজা' কাব্যটি প্রথম রচনা করেন চট্টগ্রামের কবি আবদুন নবী (১৬৮৪ সালে)। পরবর্তীতে ফকির গরিবুল্লাহ ও সৈয়দ হামজা একই বিষয়ে কাব্য রচনা করেন।
প্রথম রচনা: ১৬৮৪ সালে চট্টগ্রামের কবি আবদুন নবী ফারসি দস্তান-ই-আমীর হামজার অনুকরণে এই কাব্যটি প্রথম রচনা করেন।
পরবর্তী রচনা: এরপর ফকির গরিবুল্লাহ এবং সৈয়দ হামজা যৌথভাবে একই বিষয়ের উপর কাব্য রচনা করেন, যা মোট ৭০টি পর্বে সমাপ্ত হয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: বাংলা লিপির উৎস কী? ১৪তম বিসিএস
| (ক) সংস্কৃত লিপি | (খ) আরবি লিপি |
| (গ) চীনা লিপি | (ঘ) ব্রাহ্মী লিপি |
উত্তর: ব্রাহ্মী লিপি
বাংলা লিপির উৎস হলো ব্রাহ্মী লিপি, যা খ্রিষ্টপূর্ব দ্বিতীয়-প্রথম শতকে উত্তর ভারতীয় কুষাণ লিপি থেকে উদ্ভূত হয়েছিল এবং সময়ের সাথে সাথে বিবর্তিত হয়ে বর্তমান রূপ ধারণ করেছে। এই বিবর্তনের পথে গুপ্ত লিপি এবং সিদ্ধমাতৃকা লিপি থেকে বাংলা লিপির উদ্ভব হয়েছে।
প্রাচীনতম উৎস: বাংলা লিপির মূল উৎস প্রাচীন ভারতীয় লিপি 'ব্রাহ্মী লিপি'।
বিবর্তনের ধারা: ব্রাহ্মী লিপি থেকে কুষাণ লিপি, তারপর গুপ্ত লিপি এবং এর পরবর্তীতে সিদ্ধমাতৃকা লিপির জন্ম হয়।
ক্রমবিকাশ: সিদ্ধমাতৃকা লিপির ক্রমবিবর্তনের চূড়ান্ত পরিণতি হিসেবে বাংলা লিপি বর্তমান রূপ লাভ করে।
প্রাচীন রূপ: পূর্বী লিপি (ব্রাহ্মী লিপির একটি শাখা) থেকে বাংলা লিপির উদ্ভব হয়েছে বলে মনে করা হয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: কোনটি বিশেষণ বাক্যের শব্দ? ১৪তম বিসিএস
| (ক) জীবনী | (খ) জীবন |
| (গ) জীবিকা | (ঘ) জীবাণু |
উত্তর: জীবনী
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: বর্ণ হচ্ছে --- ১৪তম বিসিএস
| (ক) শব্দের ক্ষুদ্রতম অংশ | (খ) একসঙ্গে উচ্চারিত ধ্বনিগুচ্ছ |
| (গ) ধ্বনির শ্রুতিগ্রাহ্য রূপ | (ঘ) ধ্বনি নির্দেশক প্রতীক |
উত্তর: ধ্বনি নির্দেশক প্রতীক
বর্ণ হচ্ছে ধ্বনি নির্দেশক প্রতীক, অর্থাৎ মনের ভাব বা কথাকে লিখে প্রকাশ করার জন্য আমরা যে সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করি, যেমন 'ক', 'খ', 'অ', 'আ' ইত্যাদি—এগুলোই বর্ণ। এগুলো ধ্বনিকে লিখিত রূপ দেয়, শব্দের ক্ষুদ্রতম অংশ নয় এবং এগুলো নিজে নিজে উচ্চারিত হয় না, বরং ধ্বনির লিখিত প্রতীক
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: কবি জসীমউদ্দীনের জীবনকাল কোনটি? ১৪তম বিসিএস
| (ক) ১৯১০-১৯৮৭ ইং | (খ) ১৮৯৯-১৯৭৯ ইং |
| (গ) ১৯০৩-১৯৭৬ ইং | (ঘ) ১৮৮৯-১৯৬৬ ইং |
উত্তর: ১৯০৩-১৯৭৬ ইং
কবি জসীমউদ্দীনের জীবনকাল হলো ১ জানুয়ারি ১৯০৩ থেকে ১৪ মার্চ ১৯৭৬ পর্যন্ত, যিনি 'পল্লীকবি' নামে পরিচিত এবং গ্রামীণ জীবন ও প্রকৃতির রূপকার হিসেবে বাংলা সাহিত্যে এক অবিস্মরণীয় স্থান দখল করে আছেন।
মূল তথ্য:
জন্ম: ১ জানুয়ারি ১৯০৩, ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে (মাতুলালয়)।
মৃত্যু: ১৪ মার্চ ১৯৭৬।
পরিচিতি: পল্লীকবি, গীতিকার, ঔপন্যাসিক, লেখক।
জন্মস্থান (পৈতৃক): একই জেলার গোবিন্দপুর গ্রাম
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ' কবিতায় কবির উপলব্ধি হচ্ছে ---- ১৪তম বিসিএস
| (ক) প্রকৃতি বিপুল ঐশ্বর্যের অধিকারী | (খ) ভবিষ্যত বিচিত্র ও বিপুল সম্ভাবনাময় |
| (গ) বাধা-বিপত্তি প্রতিভাকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করে | (ঘ) ভাঙ্গার পরেই গড়ার কাজ শুরু হয় |
উত্তর: ভবিষ্যত বিচিত্র ও বিপুল সম্ভাবনাময়
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ’ কবিতায় কবির উপলব্ধি হলো আত্ম-উপলব্ধি ও আত্ম-জাগরণ, যেখানে তিনি নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করেন, নিজস্ব সৃষ্টিকে বিশ্বময় ছড়িয়ে দেওয়ার আকাঙ্ক্ষা অনুভব করেন এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে উপলব্ধি করেন, যা জীবনের বাধা-বিপত্তিকে অতিক্রম করে এক নতুন চেতনার উন্মোচন ঘটায়।
মূল উপলব্ধিগুলো হলো:
আত্ম-আবিষ্কার (Self-discovery): কবি বুঝতে পারেন যে তার মধ্যে এক বিশাল শক্তি ও সম্ভাবনা লুকিয়ে আছে, যা এতদিন 'স্বপ্নভঙ্গ'-এর আড়ালে ছিল।
সৃষ্টির প্রসারতা (Expansion of creation): তিনি তার ভেতরের প্রতিভাকে কেবল নিজের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বিশ্বময় ছড়িয়ে দিতে চান।
জীবনের নতুন তাৎপর্য (New meaning of life): স্বপ্নভঙ্গের মধ্য দিয়ে তিনি জীবনের প্রকৃত অর্থ ও উদ্দেশ্য খুঁজে পান।
ভবিষ্যতের সম্ভাবনা (Future potential): বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে এক বিরাট ও বিচিত্র ভবিষ্যতের দিকে যাত্রা করার প্রেরণা পান
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: জাতিবাচক বিশেষ্যের দৃষ্টান্ত- ১৪তম বিসিএস
| (ক) সমাজ | (খ) নদী |
| (গ) মিছিল | (ঘ) পানি |
উত্তর: নদী
জাতিবাচক বিশেষ্যের দৃষ্টান্ত হলো সেই শব্দগুলো যা কোনো প্রাণী, বস্তু বা শ্রেণির সামগ্রিক নাম বোঝায়। এর মধ্যে রয়েছে মানুষ, নদী, বই, বাঙালি, মুসলিম, রাজা, শিক্ষক, বালক, বালিকা ইত্যাদি।
জাতিবাচক বিশেষ্যের দৃষ্টান্ত
মানুষ: মানুষ একটি নির্দিষ্ট জাতি বা শ্রেণি বোঝায়। যেমন – "কবির একজন ভালো মানুষ"।
নদী: 'নদী' বলতে যেকোনো নদীকেই বোঝায়, যেমন - "নদীটি অনেক দীর্ঘ"।
বই: 'বই' বলতে যেকোনো বইকে বোঝানো হয়, যেমন - "আমার একটি নতুন বই আছে"।
শিক্ষক: 'শিক্ষক' বলতে যেকোনো শিক্ষককে বোঝানো হয়, যেমন - "শিক্ষক মহাশয় আজ একটি নতুন বিষয় পড়ালেন"।
বালক/বালিকা: 'বালক' ও 'বালিকা' দ্বারা ছেলে ও মেয়েদের সামগ্রিক শ্রেণি বোঝানো হয়, যেমন - "বালকটি খুব মনোযোগী"।
বাঙালি/মুসলিম/হিন্দু: এই শব্দগুলো নির্দিষ্ট জাতি বা ধর্মীয় গোষ্ঠী বোঝায়
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: ‘বউ কথা কও, বউ কথা কও, কও কথা অভিমানী, সেধে সেধে কেঁদে কেঁদে, যাবে কত যামিনী’- এই কবিতাংশটুকুর কবি কে? ১৪তম বিসিএস
| (ক) বেনজির আহমেদ | (খ) জীবনানন্দ দাস |
| (গ) কাজী নজরুল ইসলাম | (ঘ) শামসুর রাহমান |
উত্তর: কাজী নজরুল ইসলাম
'বউ কথা কও, বউ কথা কও, কও কথা অভিমানী, সেধে সেধে কেঁদে কেঁদে, যাবে কত যামিনী'- এই বিখ্যাত কবিতাংশটুকুর কবি হলেন বাংলাদেশের জাতীয় কবি, কাজী নজরুল ইসলাম। এটি তার 'নজরুল গীতিকা' গ্রন্থের একটি অংশ, যা এক প্রকার গানের কথা, যা নজরুলগীতি হিসেবে পরিচিত
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityনতুন সরকারি ও বেসরকারি চাকরির সার্কুলার প্রকাশ হওয়ার সাথে সাথেই notification পাবেন। একদম ফ্রি।