পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .
দয়াকরে অপেক্ষা করুন।
"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।
প্রশ্ন: বাংলাসাহিত্যে ভোরের পাখি কাকে বলে? ১৪তম বিসিএস
| (ক) বিহারিলাল চক্রবতি | (খ) কাজী নজরুল ইসলাম |
| (গ) জীবনানন্দ দাশ | (ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর |
উত্তর: বিহারিলাল চক্রবতি
বাংলা সাহিত্যে বিহারীলাল চক্রবর্তীকে 'ভোরের পাখি' বলা হয়, কারণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাকে বাংলা গীতি কাব্য ধারার এই উপাধি দিয়েছিলেন। বিহারীলাল চক্রবর্তী ছিলেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম গীতি-কবি, যিনি আধুনিক গীতিকবিতার স্রষ্টা হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর কাব্য ছিল ভোরের প্রথম পাখির ডাকের মতো যা নতুন দিনের আগমনী বার্তা বহন করেছিল।
উপাধি প্রদানকারী: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
কারণ: তাঁর গীতিকাব্য নতুন যুগের সূচনা করেছিল।
সাহিত্যিক পরিচয়: তিনি ছিলেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম গীতি-কবি এবং আধুনিক গীতিকবিতার স্রষ্টা
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: বাংলাসাহিত্যে প্রথম মুসলিম নাট্যকার রচিত নাট্যগ্রন্হ কোনটি? ১৪তম বিসিএস
| (ক) আয়না | (খ) জগৎ মোহিনী |
| (গ) বসন্ত কুমারি | (ঘ) মোহিনী প্রেমপাস |
উত্তর: বসন্ত কুমারি
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম নাট্যকার মীর মশাররফ হোসেন এবং তাঁর রচিত প্রথম নাট্যগ্রন্থ হলো 'বসন্ত কুমারী' (১৮৭৩), যা সামাজিক বাস্তবতার চিত্র তুলে ধরে এবং মুসলিম সাহিত্যিকদের মধ্যে নাট্য রচনার পথিকৃৎ হিসেবে বিবেচিত হয়
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: কোন বানানটি শুদ্ধ? ১৪তম বিসিএস
| (ক) বিভিসিকা | (খ) বীভিশিকা |
| (গ) বিভীষিকা | (ঘ) বিভীষিকা |
উত্তর: বিভীষিকা
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: কোন খ্যাতিমান লেখক ‘বীরবল’ ছদ্মনামে লিখতেন? ১৪তম বিসিএস
| (ক) প্রেমেন্দ্র মিত্র | (খ) প্রথম নাথ বিশী |
| (গ) প্রথম নাথ বসু | (ঘ) প্রমথ চৌধুরী |
উত্তর: প্রমথ চৌধুরী
খ্যাতিমান বাঙালি লেখক প্রমথ চৌধুরী 'বীরবল' ছদ্মনামে লিখতেন। তিনি ছিলেন একজন প্রাবন্ধিক, কবি ও ছোটগল্পকার যিনি 'সবুজপত্র' পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন এবং বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষারীতি প্রবর্তনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।
প্রমথ চৌধুরী (Pramatha Chaudhuri): তিনি বিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগের একজন প্রভাবশালী সাহিত্যিক ছিলেন।
'বীরবল' ছদ্মনাম: তিনি তাঁর সাহিত্যকর্মের জন্য এই ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন।
'সবুজপত্র' পত্রিকা: তিনি এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, যা বাংলা সাহিত্যে একটি নতুন গদ্যধারা সূচনা করে।
অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাজ: তিনি বাংলা সাহিত্যে ইতালীয় সনেটের প্রবর্তক এবং কলকাতা হাইকোর্টে আইন ব্যবসা ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনাও করেছেন
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: বাংলা ভাষার আদি স্তরের স্হিতিকাল কোনটি? ১৪তম বিসিএস
| (ক) দশম থেকে চতুর্দশ শতাব্দী | (খ) ত্রয়োদশ থেকে সপ্তদশ শতাব্দী |
| (গ) দ্বাদশ থেকে ষোড়শ শতাব্দী | (ঘ) একাদশ থেকে পঞ্চদশ শতাব্দী |
উত্তর: দশম থেকে চতুর্দশ শতাব্দী
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: যৌগিক বাক্যের অন্যতম গুণ কি? ১৪তম বিসিএস
| (ক) দুটি মিশ্র বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন | (খ) একটি সংযুক্ত ও একটি বিযুক্ত বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন |
| (গ) দুটি সরল বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন | (ঘ) একটি জটিল ও একটি সরল বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন |
উত্তর: দুটি সরল বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন
যৌগিক বাক্যের অন্যতম গুণ হলো দুটি বা ততোধিক স্বাধীন বা নিরপেক্ষ বাক্য একটি সংযোজক অব্যয় (যেমন এবং, কিন্তু, অথবা) অথবা সেমিকোলন দ্বারা যুক্ত থাকে। এই ধরনের বাক্যে প্রতিটি স্বাধীন অংশ নিজেই একটি সম্পূর্ণ বাক্য হিসেবে অর্থ প্রকাশ করতে পারে এবং এদের একটির ওপর অন্যটি নির্ভরশীল নয়।
যৌগিক বাক্যের মূল গুণাবলি:
দুটি বা ততোধিক স্বাধীন বা নিরপেক্ষ বাক্য: যৌগিক বাক্যে কমপক্ষে দুটি স্বাধীন বাক্য বা পদ থাকে, যা একে অপরের থেকে স্বাধীন।
সংযোজক অব্যয়: এই স্বাধীন বাক্যগুলো প্রায়শই "এবং", "কিন্তু", "অথবা", "তাই", "তথাপি" ইত্যাদি সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়।
সেমিকোলন: সংযোজক অব্যয় ছাড়াও একটি সেমিকোলন (;) ব্যবহার করে দুটি স্বাধীন বাক্যকে জোড়া লাগানো যেতে পারে।
উদাহরণ: "তিনি আমাকে পাঁচটি টাকা দিলেন এবং বাড়ি যেতে বললেন।" (এখানে 'তিনি আমাকে পাঁচটি টাকা দিলেন' এবং 'বাড়ি যেতে বললেন' দুটিই স্বাধীন বাক্য)।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: ‘রাবণের চিতা’ বাগধারা টির অর্থ কী? ১৪তম বিসিএস
| (ক) সামান্য কিছু নিয়ে ঝগড়া | (খ) অনিষ্ট ইষ্ট লাভ |
| (গ) চির অশান্তি | (ঘ) অরাজক দেশ |
উত্তর: চির অশান্তি
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: কোনটি ইব্রাহিম খাঁর গ্রন্থ নয়? ১৪তম বিসিএস
| (ক) ইস্তাম্বুল যাত্রীর পত্র | (খ) কুচবরণ কণ্যা |
| (গ) আনোয়ার পাশা | (ঘ) সোনার শিকল |
উত্তর: কুচবরণ কণ্যা
'কুঁচবরণ কন্যা' ইব্রাহিম খাঁর গ্রন্থ নয়, এটি বন্দে আলী মিয়ার লেখা একটি শিশুতোষ গ্রন্থ। ইব্রাহিম খাঁর উল্লেখযোগ্য কিছু গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে 'কামাল পাশা', 'আনোয়ার পাশা', 'কাফেলা', 'বো বেগম', 'আল বোখরা', 'বাতায়ন', 'ইস্তাম্বুল যাত্রীর পত্র' এবং 'ইসলামের মর্মকথা'।
কুঁচবরণ কন্যা: বন্দে আলী মিয়া
ইব্রাহিম খাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
কামাল পাশা
আনোয়ার পাশা
কাফেলা
বো বেগম
আল বোখরা
বাতায়ন
ইস্তাম্বুল যাত্রীর পত্র
ইসলামের মর্মকথা
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: কোন প্রবচনটি ‘হতভাগ্য’ অর্থে ব্যবহৃত? ১৪তম বিসিএস
| (ক) আট কপালে | (খ) ভূশন্ডির কাক |
| (গ) উড়নচন্ডী | (ঘ) ছা-পোষা |
উত্তর: আট কপালে
"আট কপালে" প্রবচনটি "হতভাগ্য" অর্থে ব্যবহৃত হয়। এই প্রবচনটি দ্বারা এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝানো হয় যার দুর্ভাগ্য বা কপালে মন্দ ভাগ্য আছে।
আট কপালে: হতভাগ্য বা দুর্ভাগ্যবান।
অন্যান্য বিকল্প:
উড়নচণ্ডী: অমিতব্যয়ী বা অপব্যয়ী।
ছা-পোষা: অত্যন্ত গরিব।
ভূশন্ডির কাক: দীর্ঘজীবী
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: কার সম্পাদনায় ‘সংবাদ প্রভাকর’ প্রথম প্রকাশিত হয়? ১৪তম বিসিএস
| (ক) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত | (খ) প্রমথ নাথ চৌধুরী |
| (গ) প্যারীচাঁদ মিত্র | (ঘ) দীনবন্ধু মিত্র |
উত্তর: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত-এর সম্পাদনায় প্রথম 'সংবাদ প্রভাকর' প্রকাশিত হয়েছিল। ১৮৩১ সালে একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা হিসেবে এটি যাত্রা শুরু করে এবং ১৮৩৯ সালে একটি দৈনিক সংবাদপত্রে রূপান্তরিত হয়।
সম্পাদক: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত।
প্রকাশকাল: প্রথম প্রকাশিত হয় ২৮ জানুয়ারি, ১৮৩১ তারিখে।
পত্রিকার ধরন: শুরুতে সাপ্তাহিক ছিল, পরে ১৮৩৯ সালে দৈনিক হয়।
সহযোগী: পত্রিকাটির প্রকাশে পাথুরিয়াঘাটার যোগেন্দ্রমোহন ঠাকুরের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতা ছিল।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: ‘ঠক চাচা’ চরিত্রটি কোন উপন্যাসে পাওয়া যায়? ১৫তম বিসিএস
| (ক) হাজার বছর ধরে | (খ) মৃত্যুক্ষুধা |
| (গ) জোহরা | (ঘ) আলালের ঘরের দুলাল |
উত্তর: আলালের ঘরের দুলাল
ঠকচাচা চরিত্রটি প্যারীচাঁদ মিত্রের বিখ্যাত উপন্যাস আলালের ঘরের দুলাল-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। এই উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস হিসেবে পরিচিত এবং এটি ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত হয়
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকা কোন সালে প্রথম প্রকাশিত হয়? ১৫তম বিসিএস
| (ক) ১৮৬৫ | (খ) ১৯৮১ |
| (গ) ১৯৭৫ | (ঘ) ১৮৭২ |
উত্তর: ১৮৭২
বঙ্গদর্শন পত্রিকা ১৮৭২ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এই মাসিক পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন এবং এটি ১২৭৯ বঙ্গাব্দের ১লা বৈশাখ (১২ এপ্রিল, ১৮৭২) প্রকাশিত হয়।
প্রকাশের বছর: ১৮৭২ খ্রিস্টাব্দ।
সম্পাদক: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
বাংলা সাল: ১২৭৯ বঙ্গাব্দ, ১লা বৈশাখ
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: ট্রাজেডি,কমেডি ও ফার্সের মূল্ পার্থক্য- ১৫তম বিসিএস
| (ক) কাহিনীর সরলতা ও জটিলতায় | (খ) দৃষ্টিভঙ্গির সূক্ষতায় |
| (গ) ভাষার প্রকারভেদ | (ঘ) জীবনানুভূতির গভীরতায় |
উত্তর: জীবনানুভূতির গভীরতায়
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার পার্থক্য ১৫তম বিসিএস
| (ক) শব্দের কথ্য ও লেখ্য রূপে | (খ) বাক্যের সরলতা ও জটিলতায় |
| (গ) অধ তৎসম ও তৎসম শব্দের ব্যবহারে | (ঘ) ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপে |
উত্তর: ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপে
সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য হলো এদের প্রয়োগের ক্ষেত্র, গঠন ও শব্দচয়ন। সাধু ভাষা লিখিত ও সাহিত্যিক কাজে ব্যবহৃত হয় এবং এতে ব্যাকরণের কঠোর নিয়ম অনুসরণ করা হয়, যেখানে চলিত ভাষা সাধারণ কথাবার্তা ও লেখার কাজে ব্যবহৃত হয়, যা তুলনামূলকভাবে সহজ ও সংক্ষিপ্ত।
সাধু ভাষা
ব্যবহার: এটি একটি মার্জিত এবং সর্বজনীন লিখিত ভাষা, যা মূলত সাহিত্য রচনায় ব্যবহৃত হয়।
গঠন: এটি ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট ও সুনির্ধারিত নিয়মের অনুসারী এবং এতে দীর্ঘ ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ ব্যবহৃত হয়।
বৈশিষ্ট্য: এটি গুরুগম্ভীর এবং অপরিবর্তনীয় প্রকৃতির, যা কথ্য ভাষার জন্য খুব একটা সুবিধাজনক নয়।
চলিত ভাষা
ব্যবহার: এটি শিক্ষিত ও সাধারণ মানুষেরা দৈনন্দিন কথাবার্তা এবং লেখায় ব্যবহার করে।
গঠন: এটি ব্যাকরণের কঠোর নিয়ম মেনে চলে না এবং এতে সর্বনাম, অনুসর্গ ও ক্রিয়াপদের সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহার করা হয়, যেমন: তাকে, দেখলাম, নেই, নয়।
বৈশিষ্ট্য: এটি সহজবোধ্য ও মুখের ভাষার কাছাকাছি, যা সহজে কথোপকথনের জন্য সুবিধাজনক।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: ‘সমকাল’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন- ১৫তম বিসিএস
| (ক) সিকান্দার আবু জাফর | (খ) মোহাম্মদ আকরাম খাঁ |
| (গ) বিনয় ঘোষ | (ঘ) তফাজ্জল হোসেন |
উত্তর: সিকান্দার আবু জাফর
বর্তমানে দৈনিক সমকাল পত্রিকার সম্পাদক হলেন শাহেদ মুহাম্মদ আলী। তিনি ২০২৩ সালের মার্চ মাসে এই পদে যোগদান করেন। পূর্বে, 'সমকাল' নামে একটি বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা ছিল যার সম্পাদক ছিলেন কবি সিকানদার আবু জাফর।
বর্তমান সম্পাদক: শাহেদ মুহাম্মদ আলী
প্রতিষ্ঠাতা (দৈনিক সমকাল): গোলাম সারওয়ার
ঐতিহাসিক সাহিত্য পত্রিকা 'সমকাল'-এর সম্পাদক: সিকানদার আবু জাফর
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityনতুন সরকারি ও বেসরকারি চাকরির সার্কুলার প্রকাশ হওয়ার সাথে সাথেই notification পাবেন। একদম ফ্রি।