পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .
দয়াকরে অপেক্ষা করুন।
"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।
| (ক) ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপে | (খ) অধ তৎসম ও তৎসম শব্দের ব্যবহারে |
| (গ) শব্দের কথ্য ও লেখ্য রূপে | (ঘ) বাক্যের সরলতা ও জটিলতায় |
ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপে
সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য হলো এদের প্রয়োগের ক্ষেত্র, গঠন ও শব্দচয়ন। সাধু ভাষা লিখিত ও সাহিত্যিক কাজে ব্যবহৃত হয় এবং এতে ব্যাকরণের কঠোর নিয়ম অনুসরণ করা হয়, যেখানে চলিত ভাষা সাধারণ কথাবার্তা ও লেখার কাজে ব্যবহৃত হয়, যা তুলনামূলকভাবে সহজ ও সংক্ষিপ্ত।
সাধু ভাষা
ব্যবহার: এটি একটি মার্জিত এবং সর্বজনীন লিখিত ভাষা, যা মূলত সাহিত্য রচনায় ব্যবহৃত হয়।
গঠন: এটি ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট ও সুনির্ধারিত নিয়মের অনুসারী এবং এতে দীর্ঘ ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ ব্যবহৃত হয়।
বৈশিষ্ট্য: এটি গুরুগম্ভীর এবং অপরিবর্তনীয় প্রকৃতির, যা কথ্য ভাষার জন্য খুব একটা সুবিধাজনক নয়।
চলিত ভাষা
ব্যবহার: এটি শিক্ষিত ও সাধারণ মানুষেরা দৈনন্দিন কথাবার্তা এবং লেখায় ব্যবহার করে।
গঠন: এটি ব্যাকরণের কঠোর নিয়ম মেনে চলে না এবং এতে সর্বনাম, অনুসর্গ ও ক্রিয়াপদের সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহার করা হয়, যেমন: তাকে, দেখলাম, নেই, নয়।
বৈশিষ্ট্য: এটি সহজবোধ্য ও মুখের ভাষার কাছাকাছি, যা সহজে কথোপকথনের জন্য সুবিধাজনক।