পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .

দয়াকরে অপেক্ষা করুন।

"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।

সহায়িকা


বাংলা ভাষা পদ প্রকরণ ক্রিয়াপদ কাল, পুরুষ এবং কালের বিশিষ্ট প্রয়োগ সমাপিকা, অসমাপিকা ও যৌগিক ক্রিয়ার প্রয়োগ বাংলা অনুজ্ঞা ক্রিয়া বিভক্তি :সাধু ও চলিত কারক ও বিভক্তি এবং সম্বন্ধ পদ ও সম্বোধন পদসন্ধি বাক্য প্রকরণ শব্দের যোগ্যতার বিকাশ ও বাগধারা বাচ্য ও বাচ্য পরিবর্তন উক্তি পরিবর্তন সন্ধি সমাস প্রত্যয় উপসর্গ অনুসর্গ ণত্ব ও ষত্ব বিধান বানান শুদ্ধি বাক্য শুদ্ধি প্রয়োগ-অপপ্রয়োগ ধ্বনি ও বর্ণ শব্দ লিঙ্গ বচন পুরুষ ও স্ত্রীবাচক শব্দ সংখ্যাবাচক শব্দ পদাশ্রিত নির্দেশক সমার্থক শব্দ বিপরীতার্থক শব্দ বাগধারা প্রবাদ-প্রবচন এককথায় প্রকাশ পরিভাষা শব্দের উৎস বাংলা অনুবাদ প্রাচীন ও মধ্যযুগের সাহিত্য আধুনিক যুগের সাহিত্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাজী নজরুল ইসলাম মাইকেল মধুসূদন দত্ত বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কবি ও সাহিত্যিক পরিচিতি গ্রন্থ ও রচয়িতা উপাধি ও ছদ্মনাম পত্রিকা ও সাময়িকী মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্য ছন্দ ও অলংকার বাক্যের শ্রেণিবিভাগ পদ পরিবর্তন শব্দের শ্রেণিবিভাগ বর্ণ ও ধ্বনির উচ্চারণ যতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্ন পত্র লিখন Sentence Transformation ইংরেজি বাগধারা ও idiom সারাংশ ও ভাবসম্প্রসারণ লিখন ডাক ব্যবস্থা ও পোস্টাল কোড সংগীত ও সংস্কৃতি সম্পর্কিত শব্দ
  • প্রশ্ন: ‘প্রভাত চিন্তা’,‘নিভৃত চিন্তা’,‘নিশীথ চিন্তা’ প্রভৃতি গ্রন্থের রচয়িতা- ১৫তম বিসিএস

    (ক) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার (খ) কালীপ্রসন্ন ঘোষ
    (গ) এস ওয়াজেদ আলী (ঘ) কালীপ্রসন্ন
    close

    উত্তর: কালীপ্রসন্ন ঘোষ

    • touch_app আরো ...

      'প্রভাত চিন্তা', 'নিভৃত চিন্তা' এবং 'নিশীথ চিন্তা' প্রভৃতি গ্রন্থের রচয়িতা হলেন কালীপ্রসন্ন ঘোষ। তিনি মূলত দর্শন ও সমাজ বিষয়ক প্রবন্ধ লিখতেন এবং তাঁর লেখাগুলো গুরুগম্ভীর বিদ্যাসাগরী রীতিতে রচিত হতো।
      কালীপ্রসন্ন ঘোষ ছিলেন এই চিন্তামূলক প্রবন্ধগুলোর লেখক।
      তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে 'ভক্তির জয়' (১৮৯৫), 'জানকীর অগ্নিপরীক্ষা' (১৯০৫) এবং 'ছায়া দর্শন' (১৯১০)।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: “সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত”-এই উক্তিটি কার? ১৫তম বিসিএস

    (ক) মোহাম্মদ লুৎফর রহমান (খ) প্রমথ চেীধুরী
    (গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (ঘ) কাজী আব্দুল ওদুদ
    close

    উত্তর: প্রমথ চেীধুরী

    • touch_app আরো ...

      "সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত" - এই উক্তিটি করেছেন প্রমথ চৌধুরী। এই কথাটির অর্থ হলো, একজন প্রকৃত সুশিক্ষিত ব্যক্তি নিজের চেষ্টায় বা স্ব-উদ্যোগে শিক্ষা অর্জন করেন, কেবল পাঠ্যবই বা পরীক্ষা পাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ থেকে নয়। এই উক্তিটি তার 'বই পড়া' নামক প্রবন্ধের অন্তর্গত।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: শুদ্ধ বানানটি নির্দেশ কর? ১৫তম বিসিএস

    (ক) মূহুর্মুহু (খ) মুহুর্মুহু
    (গ) র্হুর্মূহু (ঘ) মুর্হুমূর্হু
    close

    উত্তর: মুহুর্মুহু

    • touch_app আরো ...

      সঠিক বানানটি হলো মুহুর্মুহু, যার অর্থ বারবার বা ঘনঘন, এবং এটি একটি অব্যয় পদ যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শুদ্ধ বানান হিসেবে আসে।
      বিশ্লেষণ:
      মুহুর্মুহু: এটি সঠিক বানান। এতে 'মুহ' এর পর 'র্' (র-ফলা) এবং 'মু' এর পরে 'র্' (র-ফলা) যুক্ত হয়।
      মূহুর্মুহু: ভুল। 'মু' এর আগে 'হ্রস্ব-উ' কার (ু) থাকবে, 'দীর্ঘ-উ' কার (ূ) নয়।
      মুর্হুমূর্হু
      মুর্হুর্মূহু: এই বানানগুলো ভুল। 'মুহুর্মুহু' শব্দটিতে 'র্' (র-ফলা) এর সঠিক ব্যবহার 'মুহ' অংশের সাথে হয়


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: ‘দ্যুলোক’ শব্দের যথার্থ সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি? ১৫তম বিসিএস

    (ক) দ্বি+লোক (খ) দি+লোক
    (গ) দুঃ+লোক (ঘ) দিব্+লোক
    close

    উত্তর: দিব্+লোক

    • touch_app আরো ...

      দ্যুলোক শব্দের যথার্থ সন্ধি বিচ্ছেদ হলো দিব্ + লোক। এটি একটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি, যার অর্থ এটি ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম মেনে গঠিত হয়নি।
      সন্ধি বিচ্ছেদ: দিব্ + লোক
      সন্ধির প্রকার: নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জন সন্ধি


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: ‘তাপ’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ- ১৫তম বিসিএস

    (ক) উত্তাৎ (খ) হিম
    (গ) শৈত্য (ঘ) শীতল
    close

    উত্তর: শৈত্য

    • touch_app আরো ...

      'তাপ' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হলো 'শীতল' বা 'শৈত্য'। এই শব্দগুলো 'তাপ' শব্দের বিপরীত অর্থ বহন করে, যেমন 'ঠান্ডা' বা 'শীতলতা'।
      শীতল: ঠান্ডা, শান্ত, বা শীতল অনুভূতি।
      শৈত্য: শীত, শৈত্য বা শীতলতার অবস্থা।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: ‘ইচ্ছা’ বিশেষ্যের বিশেষণটি নির্দেশ কর। ১৫তম বিসিএস

    (ক) ইচ্ছুক (খ) অনিচ্ছা
    (গ) ঐচ্ছিক (ঘ) ইচ্ছাময়
    close

    উত্তর: ঐচ্ছিক

    • touch_app আরো ...

      ‘ইচ্ছা’ বিশেষ্য পদের বিশেষণ হলো 'ইচ্ছুক' বা 'ঐচ্ছিক', যা কোনো কিছু করার বা পাওয়ার বাসনা বা অভিলাষকে বোঝায়, যেমন: 'সে একটি ইচ্ছুক ছাত্র' অথবা 'ঐচ্ছিক বিষয় নির্বাচন করা'।
      ব্যাখ্যা:
      ইচ্ছুক (Ishchuk): এটি 'ইচ্ছা' থেকে গঠিত একটি বিশেষণ, যার অর্থ 'ইচ্ছা আছে এমন' বা 'বাসনাযুক্ত'।
      ঐচ্ছিক (Oicchik): এটিও 'ইচ্ছা' থেকে আসা বিশেষণ, যা 'ইচ্ছা অনুযায়ী' বা 'পছন্দ অনুযায়ী' বোঝায় (যেমন, ঐচ্ছিক বিষয়)।
      উদাহরণ:
      "সে একজন ইচ্ছুক কর্মী।" (এখানে 'ইচ্ছুক' শব্দটি 'কর্মী' বিশেষ্যকে বিশেষিত করছে)।
      "গণিত একটি ঐচ্ছিক বিষয়।" (এখানে 'ঐচ্ছিক' শব্দটি 'বিষয়' বিশেষ্যকে বিশেষিত করছে)।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: কোন ব্যাকটিতে সমধাতুজ কর্ম আছে? ১৫তম বিসিএস

    (ক) সে গভীর চিন্তায় মগ্ন (খ) সে ঘুমিয়ে আছে
    (গ) সেই বই পড়ছে (ঘ) সে যে চাল চেলেছে তাতে তাকে ষড়যন্ত্রকারী ছাড়া আর ‍কিছু বলা যায় না
    close

    উত্তর: সে যে চাল চেলেছে তাতে তাকে ষড়যন্ত্রকারী ছাড়া আর ‍কিছু বলা যায় না

    • touch_app আরো ...

      সঠিক উত্তর হলো সে যে চাল চেলেছে তাতে তাকে ষড়যন্ত্রকারী ছাড়া আর ‍কিছু বলা যায় না, কারণ এখানে 'চাল' (কর্মপদ) এবং 'চেলেছে' (ক্রিয়াপদ) একই ধাতু (চ 'ল') থেকে গঠিত, যা সমধাতুজ কর্মের উদাহরণ।
      ব্যাখ্যা:
      সমধাতুজ কর্ম বলতে বোঝায় যখন বাক্যের কর্মপদ ও ক্রিয়াপদ একই ধাতু বা শব্দমূল থেকে উৎপন্ন হয়।
      উদাহরণে: 'চাল' (কর্ম) এবং 'চেলেছে' (ক্রিয়াপদ) উভয়ই 'চ 'ল' ধাতু থেকে এসেছে। তাই এটি একটি সমধাতুজ কর্ম।
      অন্যান্য বিকল্পে এমন সম্পর্ক নেই (যেমন: 'পড়ছে'-এর 'পড়া', 'মগ্ন'-এর 'মগ্ন হওয়া', 'ঘুমিয়ে'-এর 'ঘুমানো')


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: ‘সুন্দর হে, দাও দাও সুন্দর জীবন।হউক দূর অকল্যাণ সকল অশোভন।’-চরণ দুটি কার লেখা? ১৫তম বিসিএস

    (ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (খ) গোলাম মোস্তফা
    (গ) শেখ ফজলল করিম (ঘ) কাজী নজরুল ইসলাম
    close

    উত্তর: কাজী নজরুল ইসলাম

    • touch_app আরো ...

      "সুন্দর হে, দাও দাও সুন্দর জীবন। হউক দূর অকল্যাণ সকল অশোভন।"—চরণ দুটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা। এই পঙ্ক্তিগুলো তাঁর 'চন্দ্রবিন্দু' নামক কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে, যা ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
      কবি: কাজী নজরুল ইসলাম
      কবিতা: চন্দ্রবিন্দু (১৯৩১)
      সম্পূর্ণ অংশ:
      "সুন্দর হে, দাও দাও সুন্দর জীবন।
      হউক দূর অকল্যাণ সকল অশোভন।
      এ প্রাণ প্রভাতি-তারার প্রায়
      ফুটুক উদয়-গগন-গায়,
      দুঃখ-নিশায় আনো পূর্ণ চাঁদের স্বপন॥


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: ‘অপমান’ শব্দের ‘অপ’ উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত? ১৫তম বিসিএস

    (ক) নিকৃষ্ট (খ) বিপরীত
    (গ) বিকৃত (ঘ) অভাব
    close

    উত্তর: বিপরীত

    • touch_app আরো ...

      'অপমান' শব্দের 'অপ' উপসর্গটি বিপরীত অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। এটি 'সম্মান' শব্দের বিপরীত হিসেবে কাজ করে, যেখানে 'অপ' উপসর্গটি বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে।
      উদাহরণ: 'অপমান' মানে সম্মানের বিপরীত।
      অন্যান্য উদাহরণ: 'অপ' উপসর্গটি 'নিকৃষ্ট', 'বিকৃত' বা 'অভাব' অর্থেও ব্যবহৃত হয়, যেমন 'অপচয়' (অভাব), 'অপকার' (নিকৃষ্ট/বিপরীত), 'অপবাদ' (বিকৃত/নিকৃষ্ট)


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: ‘সোনালী কাবিন’-এর রচয়িতা কে? ১৫তম বিসিএস

    (ক) হাসান হাফিজুর রহমান (খ) শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    (গ) আল মাহমুদ (ঘ) হুমায়ুন আজাদ
    close

    উত্তর: আল মাহমুদ

    • touch_app আরো ...

      'সোনালী কাবিন' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন বিখ্যাত বাংলা কবি আল মাহমুদ। ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত এই সনেট-জাতীয় কাব্যটি বাংলা সাহিত্যে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয় এবং আল মাহমুদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও পরিচিত সৃষ্টি।
      লেখক: আল মাহমুদ
      প্রকাশকাল: ১৯৭৩ (১৯৭১ সালে পুস্তিকা আকারে প্রথম প্রকাশিত হয়)
      ধরণ: সনেট-জাতীয় কাব্য
      গুরুত্ব: এই কাব্যগ্রন্থটি আল মাহমুদকে বাংলা কাব্যে সুপ্রতিষ্ঠিত করে এবং এতে বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রাম ও শ্রমজীবী মানুষের জীবনের কথা উঠে এসেছে


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর রচিত কোন নাটকটি কাজী নজরুল ইসলাম কে উৎসর্গ করেছিলেন? ১৫তম বিসিএস

    (ক) বিসর্জন (খ) ডাকঘর
    (গ) অচলায়তন (ঘ) বসন্ত
    close

    উত্তর: বসন্ত

    • touch_app আরো ...

      রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর রচিত 'বসন্ত' গীতিনাট্যটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছিলেন; এটি ছিল তাঁর পরিবারের বাইরের কাউকে উৎসর্গ করা প্রথম কাজ, যা রবীন্দ্রনাথের স্নেহের ও শ্রদ্ধার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
      গ্রন্থ: 'বসন্ত' (গীতিনাট্য)
      উৎসর্গ: কাজী নজরুল ইসলামকে
      গুরুত্ব: এটি ছিল রবীন্দ্র পরিবারের বাইরে প্রথম কোনো বই উৎসর্গীকরণের ঘটনা, যা দুই কবির গভীর সম্পর্কের পরিচায়ক


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকার নাম- ১৫তম বিসিএস

    (ক) লোকায়ত (খ) কিছুধ্বনি
    (গ) উত্তরাধিকার (ঘ) সুন্দরম
    close

    উত্তর: উত্তরাধিকার

    • touch_app আরো ...

      বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকাগুলোর মধ্যে ধানশালিকের দেশ (শিশু-কিশোরদের জন্য) এবং লেখা (যা এখন 'বাংলা একাডেমি বার্তা' নামে ত্রৈমাসিক মুখপত্র) উল্লেখযোগ্য, তবে পূর্বে উত্তরাধিকার ত্রৈমাসিক হিসেবে প্রকাশিত হলেও বর্তমানে মাসিক হিসেবে বের হয়, আর এছাড়াও অন্যান্য পত্রিকাও রয়েছে, তবে মূল ত্রৈমাসিক হিসেবে ধানশালিকের দেশ একটি পরিচিত নাম।
      ধানশালিকের দেশ: এটি শিশু-কিশোরদের জন্য প্রকাশিত একটি ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকা।
      লেখা / বাংলা একাডেমি বার্তা: এটি একাডেমির ত্রৈমাসিক মুখপত্র, যা ২০০৯ সাল থেকে 'বাংলা একাডেমি বার্তা' নামে প্রকাশিত হচ্ছে।
      অতীতে উত্তরাধিকার ত্রৈমাসিক ছিল, কিন্তু এখন এটি মাসিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হয়


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: ‘ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ এর প্রধান লেখক ছিলেন- ১৫তম বিসিএস

    (ক) কাজী ইমদাদুল হক,মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী প্রমুখ (খ) মোহাম্মদ বরকতউল্লাহ,আবুল কালাম শামসুদ্দীন প্রমুখ
    (গ) কাজী আবদুল ওদুদ, আবুল হুসেন প্রমুখ (ঘ) মোহাম্মদ আকরাম হক,মুহম্মদ শহীদুল্লাহ প্রমুখ
    close

    উত্তর: কাজী আবদুল ওদুদ, আবুল হুসেন প্রমুখ

    • touch_app আরো ...

      ‘ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ’-এর প্রধান লেখক এবং মূল চালিকাশক্তি ছিলেন কাজী আবদুল ওদুদ, আবুল হুসেন এবং কাজী মোতাহার হোসেন-এর মতো ব্যক্তিত্বরা, যারা ‘শিখা’ পত্রিকা ও ‘বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন’-এর নেতৃত্ব দেন, যেখানে যুক্তিবাদী ও প্রগতিশীল চিন্তাধারার বিকাশ ঘটেছিল।
      মূল ব্যক্তিগণ:
      কাজী আবদুল ওদুদ: এই আন্দোলনের প্রধান ব্যক্তিত্ব ও অন্যতম প্রধান লেখক, যিনি প্রবন্ধ, উপন্যাস, নাটক ও সমালোচনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
      আবুল হুসেন: 'শিখা' পত্রিকার প্রথম সম্পাদক এবং সমাজের অন্যতম প্রধান উদ্যোক্তা।
      কাজী মোতাহার হোসেন: মুসলিম সাহিত্য সমাজের অন্যতম প্রধান কর্ণধার ও প্রভাবশালী লেখক।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: কবি কাজী নজরুল ইসলাম 'সঞ্চিতা' কাব্যগ্রন্থটি কাকে উৎসর্গ করেছিলেন? ১৬তম বিসিএস

    (ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে (খ) বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে
    (গ) বীরজাসুন্দরী দেবীকে (ঘ) মুজাফফর আহমদকে
    close

    উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে

    • touch_app আরো ...

      কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর 'সঞ্চিতা' কাব্যগ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেছিলেন। এটি ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয়, যেখানে কবি নিজে বিভিন্ন কাব্যগ্রন্থ থেকে ৭৮টি কবিতা নির্বাচন করেছিলেন


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: কোন উপন্যাসটির রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ? ১৬তম বিসিএস

    (ক) গণদেবতা (খ) বিষবৃক্ষ
    (গ) ঘরে বাইরে (ঘ) আরণ্যক
    close

    উত্তর: ঘরে বাইরে

    • touch_app আরো ...

      রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মোট ১৪টি উপন্যাস লিখেছেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো গোরা, ঘরে-বাইরে, চোখের বালি, নৌকাডুবি, যোগাযোগ, শেষের কবিতা, চতুরঙ্গ, দুই বোন, মালঞ্চ, চার অধ্যায়, বৌ-ঠাকুরাণীর হাট, রাজর্ষি, করুণা এবং প্রজাপতির নির্বন্ধ।
      গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাসসমূহ:
      বৌ-ঠাকুরাণীর হাট (১৮৮৩): তাঁর প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস। Satt Academy
      চোখের বালি (১৯০৩): আধুনিক বাংলা উপন্যাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সৃষ্টি।
      গোরা (১৯১০): দেশপ্রেম ও আত্মানুসন্ধানের এক বিশাল আখ্যান।
      ঘরে-বাইরে (১৯১৬): চলিত ভাষায় লেখা তাঁর প্রথম উপন্যাস, যেখানে রাজনীতি ও সম্পর্কের টানাপোড়েন দেখানো হয়েছে


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility