পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .

দয়াকরে অপেক্ষা করুন।

"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।

সহায়িকা


সাধারন বিজ্ঞান পরমাণু ও তেজস্ক্রিয়তা পদার্থের অবস্থা বিদ্যুৎ ও চুম্বকত্ব শব্দ ও তরঙ্গ আলো তাপ ও তাপগতিবিদ্যা বল, গতি ও শক্তি দৈনন্দিন জীবনে রসায়ন জৈব রসায়ন রাসায়নিক বিক্রিয়া ধাতু ও অধাতু অ্যাসিড, ক্ষার ও লবণ পর্যায় সারণি মৌল ও যৌগ জেনেটিক্স ও বংশগতি রোগ ও প্রতিরোধ পুষ্টি ও ভিটামিন রক্ত ও সংবহনতন্ত্র মানবদেহ প্রাণিবিজ্ঞান উদ্ভিদবিজ্ঞান কোষ ও কলা আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মহাকাশ ও জ্যোতির্বিজ্ঞান পরিবেশ ও বাস্তুতন্ত্র ভূমিকম্প ও ভূবিজ্ঞান আবহাওয়া ও জলবায়ু
  • প্রশ্ন: পানির ছোট ফোঁটা পানির যে গুনের জন্য গোলাকৃতি হয়- ১৭তম বিসিএস

    (ক) আদ্রতা (খ) স্থিতিস্থাপকতা
    (গ) প্লবতা (ঘ) পৃষ্টটান
    close

    উত্তর: পৃষ্টটান

    • touch_app আরো ...

      পানির ছোট ফোঁটা পৃষ্ঠটান (surface tension) নামক ধর্মের জন্য গোলাকৃতি হয়। এই ধর্মের কারণে তরল পদার্থের অণুগুলো একে অপরের সাথে এমনভাবে যুক্ত থাকে যে, তারা পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল সর্বনিম্ন করতে চায়, এবং গোলকাকৃতির মাধ্যমে তা সম্ভব হয়।
      পৃষ্ঠটানের মূল কারণ
      অণুগুলির আকর্ষণ: পানির অণুগুলোর মধ্যে একটি আকর্ষণ বল (cohesion) থাকে, যা পৃষ্ঠটানের মূল কারণ।
      ন্যূনতম ক্ষেত্রফল: পৃষ্ঠটানের প্রভাবে, একটি ফোঁটা তার আয়তন ও ক্ষেত্রফলকে সর্বনিম্ন অবস্থায় রাখার চেষ্টা করে। এর জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত আকার হলো গোলক।
      ছোট ফোঁটা: ছোট ফোঁটার ক্ষেত্রে পৃষ্ঠটান বল মাধ্যাকর্ষণ বলের চেয়ে বেশি প্রভাবশালী হয়, তাই ফোঁটাটি গোলাকার হয়। বড় ফোঁটা হলে, মাধ্যাকর্ষণ ও বায়ুর বাধার কারণে এটি ডিম্বাকার বা চ্যাপ্টা হয়ে যেতে পারে


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: মুক্তা হলো ঝিনুকের- ১৭তম বিসিএস

    (ক) প্রদাহের ফল (খ) খোলসের টুকরা
    (গ) জমাট হরমোন (ঘ) চোখের মণি
    close

    উত্তর: প্রদাহের ফল

    • touch_app আরো ...

      সঠিক উত্তর হলো গ. প্রদাহের ফল, কারণ মুক্তা তৈরি হয় যখন কোনো বহিরাগত বস্তু ঝিনুকের নরম অংশে প্রবেশ করে, তখন ঝিনুক নিজেকে রক্ষা করতে সেই বস্তুর চারপাশে ন্যাক্র (nacre) নামক পদার্থ জমা করে, যা এক ধরনের প্রদাহের ফলস্বরূপ মুক্তা হিসেবে গঠিত হয়।
      বর্ণনা: ঝিনুকের খোলসের ভেতরে কোনো বালি বা পরজীবী ঢুকলে ঝিনুক সেই অস্বস্তিকর বস্তুকে ঘিরে এক প্রকার আঠালো পদার্থ (ন্যাক্র) জমা করতে শুরু করে, যা ধীরে ধীরে জমাট বেঁধে মুক্তায় পরিণত হয়


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: 'Existentialism' কী? ১৮তম বিসিএস

    (ক) পদার্থবিদ্যার একটি তত্ত্ব (খ) একটি দার্শনিক মতবাদ
    (গ) প্রাণীবিদ্যার একটি তত্ত্ব (ঘ) ভূ-বিদ্যার একটি তত্ত্ব
    close

    উত্তর: একটি দার্শনিক মতবাদ

    • touch_app আরো ...

      অস্তিত্ববাদ (Existentialism) হলো একটি দার্শনিক মতবাদ যা মানুষের ব্যক্তিগত অস্তিত্ব, স্বাধীনতা, এবং পছন্দের উপর জোর দেয়; এটি বলে যে মানুষ প্রথমে পৃথিবীতে আসে ("অস্তিত্ব"), তারপর সে নিজের পছন্দ ও কাজের মাধ্যমে নিজের অর্থ ও সারসত্তা তৈরি করে ("সারসত্তা অস্তিত্বের পরে আসে")। এই দর্শন মহাবিশ্বের অন্তর্নিহিত কোনো পূর্বনির্ধারিত অর্থ নেই ধরে নিয়ে মানুষের নিজস্ব জীবনের উদ্দেশ্য খুঁজে বের করা, দায়িত্ব নেওয়া, এবং নিজেদের মূল্যবোধ অনুযায়ী জীবন যাপন করার গুরুত্ব তুলে ধরে, যেখানে ব্যক্তিই তার নিজের জীবনের স্রষ্টা


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: ‘Adult Cell’ ক্লোন করে কোন দেশে একটি ভেড়ার জন্ম হয়েছে? ১৮তম বিসিএস

    (ক) যুক্তরাষ্ট্রে (খ) অস্ট্রেলিয়া
    (গ) ফ্রাঞ্ছে (ঘ) যুক্তরাজ্যে
    close

    উত্তর: যুক্তরাজ্যে

    • touch_app আরো ...

      প্রাপ্তবয়স্ক কোষ থেকে ক্লোন করা প্রথম ভেড়া, ডলি, স্কটল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করে। এটি ১৯৯৬ সালের ৫ জুলাই স্কটল্যান্ডের রোজলিন ইনস্টিটিউটে জন্মায়


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: ‘Adult Cell’ ক্লোন করে যে ভেড়ার জন্ম হয়েছে তার নাম কি? ১৮তম বিসিএস

    (ক) মলি (খ) নেলি
    (গ) ডলি (ঘ) শেলি
    close

    উত্তর: ডলি

    • touch_app আরো ...

      ‘Adult Cell’ ক্লোন করে জন্ম নেওয়া ভেড়াটির নাম হলো ডলি (Dolly), যা ১৯৯৬ সালে স্কটল্যান্ডের রোজলিন ইনস্টিটিউটে ক্লোনিং পদ্ধতির মাধ্যমে তৈরি করা প্রথম স্তন্যপায়ী প্রাণী ছিল এবং এটি একটি প্রাপ্তবয়স্ক কোষ (স্তন্যপায়ী গ্রন্থি থেকে নেওয়া) থেকে ক্লোন করা হয়েছিল।
      গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
      নাম: ডলি।
      জন্ম: ৫ জুলাই, ১৯৯৬।
      পদ্ধতি: সোম্যাটিক সেল নিউক্লিয়ার ট্রান্সফার (SCNT)।
      গুরুত্ব: এটি প্রমাণ করে যে একটি বিশেষায়িত প্রাপ্তবয়স্ক কোষ থেকে একটি সম্পূর্ণ নতুন প্রাণী তৈরি করা সম্ভব, যা জীববিজ্ঞানে একটি যুগান্তকারী ঘটনা ছিল


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে কত সময় লাগে? ১৮তম বিসিএস

    (ক) ২০ মিনিট ৮ সেকেন্ড (খ) ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড
    (গ) ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট (ঘ) ৮ মিনিট ৩২ সেকেন্ড
    close

    উত্তর: ৮ মিনিট ৩২ সেকেন্ড

    • touch_app আরো ...

      বিস্তারিত:
      দূরত্ব: পৃথিবী থেকে সূর্যের গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার (বা ৯ কোটি ৩০ লক্ষ মাইল)।
      আলোর গতি: আলোর গতি প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার।
      হিসাব: এই দূরত্ব এবং গতি অনুসারে, সূর্য থেকে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৫০০ সেকেন্ড, যা ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড বা ৮.৩২ মিনিটের সমান


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: কোনটি স্তন্যপায়ী প্রাণী নয়? ১৮তম বিসিএস

    (ক) তিমি (খ) হাতী
    (গ) বাদুর (ঘ) কুমির
    close

    উত্তর: কুমির

    • touch_app আরো ...

      স্তন্যপায়ী প্রাণী নয় এমন প্রাণীর মধ্যে আছে হাঙ্গর, কুমির, এবং অন্যান্য সরীসৃপ, পাখি, মাছ ও উভচর প্রাণী। স্তন্যপায়ী প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য হলো এদের দেহে পশম বা চুল থাকে, এরা স্তন্যগ্রন্থি থেকে শাবকদের দুধ পান করায়, এবং এদের একটি চার প্রকোষ্ঠের হৃৎপিণ্ড ও জটিল মস্তিষ্ক থাকে


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: এ শতাব্দীর সবচেয়ে উজ্জ্বল ধূমকেতু কোনটি? ১৮তম বিসিএস

    (ক) শুমেকার লেভী ধূমকেতু (খ) হ্যালীর ধূমকেতু
    (গ) কোনটিই নয় (ঘ) হেল-বপ ধূমকেতু
    close

    উত্তর: হেল-বপ ধূমকেতু

    • touch_app আরো ...

      এই শতাব্দীর (২১ শতক) সবচেয়ে উজ্জ্বল ধূমকেতু কোনটি তা সুনির্দিষ্টভাবে বলা কঠিন, তবে বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে উজ্জ্বল ও বহুল পরিচিত ধূমকেতু ছিল হেল-বপ ধূমকেতু (Hale-Bopp Comet), যা ১৯৯০-এর দশকে দেখা গিয়েছিল এবং ২১ শতকের প্রথম দিকেও এর প্রভাব ছিল, আর বর্তমানে (২০২৫-২৬) ধূমকেতু শ্যামাসে (Comet Tsuchinshan-ATLAS) ২০২৬ সালের শুরুতে উজ্জ্বল হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা একটি বড় আকর্ষণ হতে পারে


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: 'গ্যালিলিও' কী? ১৮তম বিসিএস

    (ক) শনি গ্রহের একটি উপগ্রহ (খ) মঙ্গল গ্রহের একটি উপগ্রহ
    (গ) বৃহস্পতি গ্রহের একটি উপগ্রহ (ঘ) পৃথিবী থেকে পাঠানো বৃহস্পতির একটি কৃত্রিম উপগ্রহ
    close

    উত্তর: পৃথিবী থেকে পাঠানো বৃহস্পতির একটি কৃত্রিম উপগ্রহ

    • touch_app আরো ...

      গ্যালিলিও হলো সার্বিক দিকনির্নয় সম্পর্কিত একটি কৃত্রিম উপগ্রহ পদ্ধতি যা বাস্তবায়ন হয় ২০১৬ সালে । এটি ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছিলো। এর নাম করণ বিখ্যাত বিজ্ঞানী গ্যালিলিও গ্যালিলাইর নাম করণে করা হয়েছে।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: বিদ্যুৎকে সাধারণ মানুষের কাজে লাগানোর জন্য কোন বৈজ্ঞানিকের অবদান সবচেয়ে বেশি? ১৮তম বিসিএস

    (ক) বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন (খ) ভোল্টা
    (গ) টমাস এডিসন (ঘ) আইজ্যাক নিউটন
    close

    উত্তর: টমাস এডিসন

    • touch_app আরো ...

      বিদ্যুৎকে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন কাজে সহজলভ্য ও ব্যবহারযোগ্য করে তোলার ক্ষেত্রে টমাস আলভা এডিসনের (Thomas Alva Edison) অবদান সবচেয়ে বেশি, বিশেষ করে তাঁর বাণিজ্যিক বৈদ্যুতিক বাতি (আলোকসজ্জা), বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং অন্যান্য ব্যবহারিক বৈদ্যুতিক যন্ত্রের উদ্ভাবনের মাধ্যমে তিনি এই কাজটি সম্ভব করে তুলেছিলেন, যদিও বৈদ্যুতিক বাতির প্রাথমিক ধারণা অন্যান্য বিজ্ঞানীরও ছিল।
      এডিসনের প্রধান অবদান:
      বাণিজ্যিকভাবে কার্যকর বৈদ্যুতিক বাতি (Incandescent Light Bulb): ১৮৭৯ সালে তিনি একটি দীর্ঘস্থায়ী কার্বন ফিলামেন্টের বৈদ্যুতিক বাতি তৈরি করেন, যা সাধারণ মানুষের বাড়িতে ব্যবহার করা সম্ভব ছিল, যা ছিল তাঁর সবচেয়ে বড় অবদান।
      বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণ ব্যবস্থা: তিনি প্রথম বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র (পাওয়ার প্ল্যান্ট) স্থাপন করেন এবং ডিসি (DC) বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা গড়ে তোলেন, যা শহরগুলোকে আলোকিত করতে সাহায্য করে।
      অন্যান্য উদ্ভাবন: গ্রামোফোন, ভিডিও ক্যামেরা, বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যাটারি, এবং ধারণযোগ্য সংগীত ও ছবির যন্ত্র আবিষ্কারের মাধ্যমে তিনি বিদ্যুতের ব্যবহারকে আরও বিস্তৃত করেন।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: ভূপৃষ্ঠের সৌরদীপ্ত ও অন্ধকারাছন্ন অংশের সংযোগস্থলকে কী বলে? ১৮তম বিসিএস

    (ক) গোধূলি (খ) গুরুবৃত্ত
    (গ) ঊষা (ঘ) ছায়াবৃত্ত
    close

    উত্তর: ছায়াবৃত্ত

    • touch_app আরো ...

      ভূপৃষ্ঠের সৌরদীপ্ত ও অন্ধকারাচ্ছন্ন অংশের সংযোগস্থলকে ছায়াবৃত্ত (Terminator) বলা হয়। এই বৃত্তাকার রেখাটি পৃথিবীর যে অর্ধেক আলোকিত এবং যে অর্ধেক অন্ধকার, তার মধ্যে বিভাজন তৈরি করে।
      ছায়াবৃত্ত: এই অংশটি সৌরদীপ্ত এবং অন্ধকারাচ্ছন্ন অংশের মধ্যে অবস্থিত একটি কাল্পনিক রেখা, যা সময়ের সাথে সাথে পৃথিবীর আবর্তনের কারণে পরিবর্তিত হয়।
      প্রভাত ও গোধূলি: ছায়াবৃত্তের কাছাকাছি থাকা অঞ্চলগুলিতে যথাক্রমে ঊষা (প্রভাতের পূর্বের হালকা আলো) এবং গোধূলি (সন্ধ্যার পূর্বের হালকা আলো) দেখা যায়


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: সমুদ্র পৃষ্ঠে বায়ুর স্বাভাবিক চাপ কত? ১৮তম বিসিএস

    (ক) ৭৭ সেমি (খ) ৭৫ সেমি
    (গ) ৭২ সেমি (ঘ) ৭৬ সেমি
    close

    উত্তর: ৭৬ সেমি

    • touch_app আরো ...

      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: আকাশের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র কোনটি? ১৮তম বিসিএস

    (ক) লুব্ধক (খ) ধ্রুবতারা
    (গ) পুলহ (ঘ) প্রক্সিমা সেন্টারাই
    close

    উত্তর: লুব্ধক

    • touch_app আরো ...

      রাতের আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র হলো লুব্ধক (Sirius), যা ক্যানিস মেজর (Canis Major) নক্ষত্রমণ্ডলে অবস্থিত এবং এটি একটি যুগ্মতারা; এটি পৃথিবী থেকে মাত্র ৮.৬ আলোকবর্ষ দূরে থাকায় এবং এর নিজস্ব উজ্জ্বলতার কারণে এত উজ্জ্বল দেখায়।
      আরও কিছু তথ্য:
      অন্যান্য নাম: লুব্ধককে ইংরেজিতে 'সিরিয়াস' (Sirius) বা 'ডগ স্টার' (Dog Star) বলা হয়।
      উজ্জ্বলতার কারণ: এর অসাধারণ উজ্জ্বলতার কারণ হলো এর নিজস্ব উজ্জ্বলতা এবং পৃথিবীর খুব কাছে অবস্থান (মাত্র ৮.৬ আলোকবর্ষ দূরে)।
      সূর্য: যদিও লুব্ধক রাতের আকাশের উজ্জ্বলতম তারা, কিন্তু সূর্য আমাদের দিনের আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র, কারণ এটি আমাদের সবচেয়ে কাছে অবস্থিত।
      দ্বিতীয় উজ্জ্বল নক্ষত্র: রাতের আকাশের দ্বিতীয় উজ্জ্বল নক্ষত্র হলো ক্যানোপাস (Canopus)।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: জোয়ার ভাটার তেজ কটাল কখন হয়? ১৮তম বিসিএস

    (ক) একাদশীতে (খ) পঞ্চমীতে
    (গ) অমাবস্যায় (ঘ) অষ্টমীতে
    close

    উত্তর: অমাবস্যায়

    • touch_app আরো ...

      অমাবস্যা এবং পূর্ণিমা তিথিতে তেজকটাল (বা ভরা কটাল) হয়, যখন চাঁদ, সূর্য এবং পৃথিবী একই সরলরেখায় থাকে। এই সময়ে সূর্য ও চাঁদের মিলিত মহাকর্ষীয় আকর্ষণ বলের প্রভাবে সবচেয়ে তীব্র জোয়ারের সৃষ্টি হয়।
      অমাবস্যা ও পূর্ণিমা: এই দুটি তিথি তেজকটাল বা ভরা কটাল হওয়ার জন্য প্রধান কারণ।
      একই সরলরেখায় অবস্থান: পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য যখন একই সরলরেখায় থাকে, তখন এদের মিলিত আকর্ষণ বল সবচেয়ে বেশি হয়।
      তেজ জোয়ার: এই সম্মিলিত বলের প্রভাবে সমুদ্রের জল अत्यधिक পরিমাণে ফুলে ওঠে, যা 'তেজ কটাল' বা 'ভরা কটাল' নামে পরিচিত।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: প্রাণীর মলমূত্র থেকে ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে ফারমেন্টেশন প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন হয়‒ ১৯তম বিসিএস

    (ক) বিউটেন (খ) ইথেন
    (গ) মিথেন (ঘ) এমোনিয়া
    close

    উত্তর: মিথেন

    • touch_app আরো ...

      প্রাণীর মলমূত্র থেকে ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে ফারমেন্টেশন প্রক্রিয়ায় মূলত মিথেন গ্যাস (বায়োগ্যাস) এবং বিভিন্ন ধরনের জৈব যৌগ (যেমন ল্যাকটিক অ্যাসিড, অ্যাসিটিক অ্যাসিড, ইথানল) উৎপন্ন হয়, যা জৈব পদার্থকে ভেঙে পুষ্টি উপাদান (নাইট্রোজেন, ফসফরাস) পুনরায় প্রকৃতিতে ফিরিয়ে দিতে সাহায্য করে। এটি একটি অ্যানেরোবিক প্রক্রিয়া, যেখানে অক্সিজেনের অভাবে ব্যাকটেরিয়া জৈব পদার্থকে পচিয়ে শক্তি উৎপাদন করে। উৎপন্ন প্রধান উপাদান: মিথেন গ্যাস (\(CH_{4}\)): বায়োগ্যাসের প্রধান উপাদান, যা জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।কার্বন ডাইঅক্সাইড (\(CO_{2}\)): মিথেন গ্যাসের সঙ্গে উৎপন্ন হয়।ল্যাকটিক অ্যাসিড, অ্যাসিটেট, ইথানল: অন্যান্য গাঁজন প্রক্রিয়ায় (যেমন ল্যাকটিক অ্যাসিড গাঁজন) উৎপন্ন হতে পারে।পুষ্টি উপাদান: নাইট্রোজেন, ফসফরাস ইত্যাদি যা সার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। প্রক্রিয়া: অ্যানেরোবিক হজম: ব্যাকটেরিয়ারা (যেমন ল্যাকটিক অ্যাসিড ব্যাকটেরিয়া) অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে পশুর সার ও অন্যান্য জৈব পদার্থ ভেঙে ফেলে।গ্লাইকোলাইসিস: এই প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ, যেখানে পাইরুভিক অ্যাসিড তৈরি হয়।চূড়ান্ত উৎপাদিত পণ্য: পাইরুভেটকে তখন মিথেন, ল্যাকটিক অ্যাসিড, ইথানল বা অন্যান্য যৌগে রূপান্তরিত করা হয়


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility