পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .
দয়াকরে অপেক্ষা করুন।
"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।
প্রশ্ন: বহুমূত্র রোগে কোন হরমোনের দরকার? ১৯তম বিসিএস
| (ক) ইনসুলিন | (খ) এস্ট্রোজেন |
| (গ) থাইরক্সিন | (ঘ) এনড্রোজেন |
উত্তর: ইনসুলিন
বহুমূত্র রোগে (ডায়াবেটিস) মূলত ইনসুলিন (Insulin) নামক হরমোনের অভাব বা কার্যকারিতা হ্রাস পায়, যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে; তাই এই রোগে ইনসুলিন হরমোনের প্রয়োজন হয়, যা শরীর পর্যাপ্ত পরিমাণে তৈরি করতে পারে না বা তৈরি হলেও ঠিকমতো ব্যবহার করতে পারে না।
কেন ইনসুলিন দরকার:
শর্করা নিয়ন্ত্রণ: ইনসুলিন হরমোন আমাদের শরীরের কোষগুলোতে শর্করা (গ্লুকোজ) প্রবেশ করতে সাহায্য করে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
অভাব: যখন অগ্ন্যাশয় (pancreas) যথেষ্ট ইনসুলিন তৈরি করে না (টাইপ ১ ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে) অথবা শরীর উৎপাদিত ইনসুলিন সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারে না (টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে), তখন বহুমূত্র রোগ হয়
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: ওজোন স্তরের ফাটলের জন্য মুখ্যত দায়ী কোন গ্যাস? ১৯তম বিসিএস
| (ক) ক্লোরোফ্লুরো কার্বন | (খ) মিথেন |
| (গ) কার্বন মনোক্সাইড | (ঘ) কার্বন ডাই-অক্সাইড |
উত্তর: ক্লোরোফ্লুরো কার্বন
ওজোন স্তরের ফাটলের (ক্ষয়ের) জন্য মুখ্যত দায়ী গ্যাস হলো ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFCs) এবং হ্যালন ও কার্বন টেট্রাক্লোরাইডের মতো অন্যান্য হ্যালোজেনযুক্ত যৌগ, যা রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার, অ্যারোসল স্প্রে ও ফোমিং এজেন্ট থেকে নির্গত হয় এবং স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে গিয়ে ক্লোরিন পরমাণু মুক্ত করে ওজোন অণু ধ্বংস করে। মূল কারণ: CFCs (ক্লোরোফ্লুরোকার্বন): এই মনুষ্যসৃষ্ট গ্যাসগুলি ওজোন স্তরের ক্ষয়কারী প্রধান পদার্থ।কার্যপদ্ধতি: CFC অণুগুলি যখন অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে ভেঙে যায়, তখন মুক্ত হওয়া ক্লোরিন পরমাণু (Cl) ওজোন (\(O_{3}\)) অণুর সাথে বিক্রিয়া করে এটিকে ভেঙে দেয়। যেসব উৎস থেকে নির্গত হয়: রেফ্রিজারেটর ও এয়ার কন্ডিশনার (AC)অ্যারোসল স্প্রে (যেমন ডিওডোরেন্ট, কীটনাশক)ফোমিং এজেন্ট, দ্রাবক, অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: কোন জারক রস পাকস্থলীতে দুদ্ধ জমাট বাধায় ? ১৯তম বিসিএস
| (ক) পেপসিন | (খ) এমাইলেজ |
| (গ) রেনিন | (ঘ) ট্রিপসিন |
উত্তর: রেনিন
পাকস্থলীতে দুধ জমাট বাঁধায় রেনিন জারক রস। এটি দুধের প্রোটিন, কেসিনকে জমাট বাঁধিয়ে দেয়, যা হজমে সাহায্য করে। রেনিনকে কাইমোসিনও বলা হয়।
রেনিনের কাজ: রেনিন দুধে থাকা কেসিনোজেন নামক প্রোটিনকে ক্যালসিয়াম আয়নের উপস্থিতিতে জমাট বা দইয়ের মতো জমাট বাঁধার মতো কেসিন-এ রূপান্তরিত করে।
গুরুত্ব: এই জমাট বাঁধার প্রক্রিয়াটি নিশ্চিত করে যে দুধ পাকস্থলীতে যথেষ্ট সময় ধরে হজমকারী এনজাইমের সংস্পর্শে থাকে।
অন্যান্য এনজাইম: পেপসিন এবং ট্রিপসিন প্রোটিন পরিপাকে সাহায্য করে, এবং অ্যামাইলেজ কার্বোহাইড্রেট পরিপাকে সহায়তা করে
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: কোনটি তেজস্ক্রিয় পদার্থ নয়? ২০তম বিসিএস
| (ক) নেপচুনিয়াম | (খ) ইউরেনিয়াম |
| (গ) লৌহ | (ঘ) প্লুটোনিয়াম |
উত্তর: লৌহ
লৌহ তেজস্ক্রিয় পদার্থ নয়, কারণ এর পারমাণবিক সংখ্যা (\(26\)) ৮২-এর কম এবং এটি তেজস্ক্রিয়তা প্রদর্শন করে না। অন্যদিকে, ইউরেনিয়াম, প্লুটোনিয়াম এবং নেপচুনিয়ামের মতো মৌলগুলো তেজস্ক্রিয়
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: কোন পদার্থটির স্থিতিস্থাপকতা বেশি? ২০তম বিসিএস
| (ক) লৌহ | (খ) এলুমিনিয়াম |
| (গ) তামা | (ঘ) রাবার |
উত্তর: লৌহ
প্রদত্ত বিকল্পগুলির মধ্যে লৌহ-এর স্থিতিস্থাপকতা সবচেয়ে বেশি, কারণ স্থিতিস্থাপকতা মানে বল অপসারণের পর বস্তুর পূর্বাবস্থায় ফিরে আসার ক্ষমতা; লৌহ বা < ইস্পাত (লোহার সংকর) রাবারের চেয়ে অনেক কম বিকৃত হয় এবং দ্রুত আগের আকারে ফিরে আসে, তাই এদের স্থিতিস্থাপকতা বেশি।
ব্যাখ্যা: যে পদার্থকে বিকৃত করতে বেশি বল লাগে এবং বল সরানোর পর যে দ্রুত নিজের আসল রূপ ফিরে পায়, তার স্থিতিস্থাপকতা বেশি হয়।
রাবার: স্থিতিস্থাপক হলেও, লৌহের তুলনায় একই পরিমাণ বল প্রয়োগে রাবার অনেক বেশি বিকৃত হয় এবং ধীরে ধীরে আগের অবস্থায় ফেরে, তাই এটি কম স্থিতিস্থাপক।
লৌহ/ইস্পাত: এটি খুব দৃঢ় (rigid) এবং সামান্য বল প্রয়োগে খুব কম বিকৃত হয় ও দ্রুত আগের অবস্থায় ফেরে, তাই এর স্থিতিস্থাপকতা অনেক বেশি
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: কোনটি চৌম্বক পদার্থ নয়? ২০তম বিসিএস
| (ক) অ্যালুমিনিয়াম | (খ) কাঁচা লোহা |
| (গ) অ্যালুমিনিয়াম | (ঘ) কোবাল্টন |
উত্তর: অ্যালুমিনিয়াম
চৌম্বক পদার্থ নয় এমন একটি উদাহরণ হলো অ্যালুমিনিয়াম, এছাড়া পারদ, বিসমাথ, কাচ, তামা, পিতল, রুপা, সোনা ইত্যাদিও অচৌম্বক পদার্থ, যা চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট হয় না। লোহা, নিকেল, কোবাল্ট, ইস্পাত, এবং ম্যাঙ্গানিজ হলো চৌম্বক পদার্থ কারণ চুম্বক এদের আকর্ষণ করে।
অচৌম্বক পদার্থ (Non-magnetic materials): অ্যালুমিনিয়াম, তামা, সোনা, রুপা, পিতল, পারদ, কাচ, বিসমাথ।
চৌম্বক পদার্থ (Magnetic materials): লোহা, নিকেল, কোবাল্ট, ইস্পাত, ম্যাঙ্গানিজ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: যে মসৃণ তলে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে, তাকে কী বলে? ২০তম বিসিএস
| (ক) দর্পণ | (খ) লেন্স |
| (গ) প্রিজম | (ঘ) বিম্ব |
উত্তর: দর্পণ
যে মসৃণ তলে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে, তাকে দর্পণ (Mirror) বা আয়না বলা হয়, যা আলোকরশ্মিকে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে প্রতিফলিত করে এবং প্রতিবিম্ব গঠন করে।
দর্পণ (Mirror): একটি বিশেষভাবে তৈরি মসৃণ তল যা আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটায়।
উদাহরণ: একটি সাধারণ আয়না, যা আমাদের প্রতিবিম্ব দেখায়।
প্রতিফলনের প্রকার: যখন আলোকরশ্মি একটি মসৃণ পৃষ্ঠে প্রতিফলিত হয়ে সমান্তরালভাবে ফিরে আসে, তখন তাকে নিয়মিত প্রতিফলন (Regular Reflection) বলে, যা দর্পণে ঘটে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: রাডারে যে তড়িৎ চৌম্বক ব্যবহার করা হয় তার নাম কী? ২০তম বিসিএস
| (ক) মাইক্রোওয়েভ | (খ) আলোক তরঙ্গ |
| (গ) গামা রশ্মি | (ঘ) অবলোহিত বিকিরণ |
উত্তর: মাইক্রোওয়েভ
রাডারে যে তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ ব্যবহার করা হয় তার নাম মাইক্রোওয়েভ (Microwave) (ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বেতার তরঙ্গ), যা প্রতিফলিত হয়ে বস্তুর অবস্থান ও দূরত্ব নির্ণয়ে সাহায্য করে, কারণ এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হওয়ায় এটি সুনির্দিষ্টভাবে বস্তুর সাথে মিথস্ক্রিয়া করতে পারে এবং সহজে প্রতিফলিত হয়
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: মহাজাগতিক রশ্মির আবিষ্কার করে কোন বিজ্ঞানী নোবেল পান ? ২০তম বিসিএস
| (ক) টলেমী | (খ) হাবল |
| (গ) হেস | (ঘ) আইনস্টাইন |
উত্তর: হেস
মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের জন্য অস্ট্রীয়-মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস (Victor Francis Hess) ১৯৩৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান; তিনি কারl ডেভিড অ্যান্ডারসনের সাথে যৌথভাবে এই পুরস্কার লাভ করেন। হেস ১৯১২ সালে বেলুন পরীক্ষার মাধ্যমে মহাজাগতিক রশ্মির অস্তিত্ব প্রমাণ করেছিলেন
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: তড়িৎ শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয় কোন যন্ত্রের মাধ্যমে? ২০তম বিসিএস
| (ক) এ্যামপ্লিফায়ার | (খ) মাইক্রোফোন |
| (গ) জেনারেটর | (ঘ) লাউড স্পিকার |
উত্তর: লাউড স্পিকার
তড়িৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত করার প্রধান যন্ত্র হলো লাউডস্পিকার (Loudspeaker), যা বৈদ্যুতিক সংকেতকে কম্পনের মাধ্যমে শব্দ তরঙ্গে পরিণত করে; অপরদিকে মাইক্রোফোন (Microphone) এর বিপরীত কাজটি করে, অর্থাৎ শব্দ শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে।
লাউডস্পিকার যেভাবে কাজ করে:
বৈদ্যুতিক সংকেত: একটি বৈদ্যুতিক সংকেত (যেমন গান বা কথা) স্পিকারের কয়েলের মধ্য দিয়ে যায়।
চৌম্বক ক্ষেত্র ও কম্পন: এই কয়েল একটি স্থায়ী চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে থাকে, ফলে সংকেতের তারতম্য অনুযায়ী কয়েলটি আন্দোলিত হয় এবং স্পিকারের ডায়াফ্রাম (পর্দা) কাঁপতে শুরু করে।
শব্দ সৃষ্টি: ডায়াফ্রামের এই কম্পন সামনের বাতাসকে কম্পিত করে, যা শব্দ তরঙ্গের সৃষ্টি করে এবং আমরা শব্দ শুনতে পাই
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: সমুদ্রের গভীরতা মাপা হয় কোন যন্ত্র দিয়ে? ২০তম বিসিএস
| (ক) এ্যানিওমিটার | (খ) সাবমেরিন |
| (গ) ফ্যাদোমিটার | (ঘ) আইরোকম্পাস |
উত্তর: ফ্যাদোমিটার
সমুদ্রের গভীরতা মাপার প্রধান যন্ত্র হলো ফ্যাদোমিটার (Fathometer), যা শব্দের প্রতিফলন নীতি (echo sounding) ব্যবহার করে কাজ করে; এটি শব্দ তরঙ্গ পাঠিয়ে তা সমুদ্রের তলদেশ থেকে ফিরে আসতে যে সময় লাগে, তা মেপে গভীরতা নির্ণয় করে। আধুনিককালে মাল্টিবিম ইকোসাউন্ডার (Multibeam Echosounder) এর মতো উন্নত প্রযুক্তিও ব্যবহৃত হয়, যা আরও বিস্তারিত তথ্য দেয়
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: কোন হরমোনের অভাবে ডায়াবেটিস রোগ হয়? ২০তম বিসিএস
| (ক) ইনসুলিন | (খ) গ্লুয়াগন |
| (গ) এদ্রিনালিন | (ঘ) থাইবসিন |
উত্তর: ইনসুলিন
ডায়াবেটিস (মধুমেহ) রোগ মূলত ইনসুলিন নামক হরমোনের অভাবে বা শরীর পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি করতে না পারায় এবং উৎপাদিত ইনসুলিন কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে না পারায় হয়, যা রক্তে শর্করার (গ্লুকোজ) মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত এই হরমোন রক্ত থেকে কোষের চিনি পরিবহন করে শক্তি জোগাতে সাহায্য করে, আর এর ঘাটতি হলে এই প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: ‘ড্রাই আইস’ (dry ice) হল‒ ২১তম বিসিএস
| (ক) হাইড্রোজেন পার-অক্সাইডের কঠিন অবস্থা | (খ) কঠিন অবস্থায় কার্বন ডাই-অক্সাইড |
| (গ) কঠিন অবস্থায় সালফার ডাই-অক্সাইড | (ঘ) শূন্য ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রার নিচে বরফ |
উত্তর: কঠিন অবস্থায় কার্বন ডাই-অক্সাইড
ড্রাই আইস (Dry Ice) হলো কার্বন ডাই অক্সাইডের (\(CO_{2}\)) কঠিন রূপ, যা সাধারণ বরফের মতো গলে জল হয় না, বরং সরাসরি গ্যাসীয় অবস্থায় রূপান্তরিত হয় (sublimation)। এটি অত্যন্ত ঠান্ডা (প্রায় \(-78.5^{\circ }C\) বা \(-109.3^{\circ }F\)) থাকে এবং মূলত শীতলীকরণ এজেন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেমন খাবার সংরক্ষণ বা বিশেষ প্রভাব (ধোঁয়াশা) তৈরির জন্য। এটি বর্ণহীন, গন্ধহীন এবং অদাহ্য, কিন্তু ত্বকে লাগলে বা খেয়ে ফেললে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে কারণ এটি জলীয় বরফের চেয়ে অনেক বেশি ঠান্ডা
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: কোন জলজ জীবটি বাতাসে নিঃশ্বাস নেয়? ২১তম বিসিএস
| (ক) তিমি | (খ) হাঙ্গর |
| (গ) শুশুক | (ঘ) ইলিশ |
উত্তর: শুশুক
যে জলজ জীবটি বাতাসে নিঃশ্বাস নেয়, সেটি হলো শুশুক (Porpoise/Dolphin) এবং অন্যান্য জলজ স্তন্যপায়ী প্রাণী যেমন তিমি, যারা মাছের মতো ফুলকা দিয়ে নয়, বরং ফুসফুস ব্যবহার করে শ্বাস নেয় এবং অক্সিজেন নিতে নিয়মিত জলের উপরে ভেসে ওঠে।
শুশুক ও তিমি: এরা মাছ নয়, বরং স্তন্যপায়ী প্রাণী। এরা জলের নিচে ফুলকার সাহায্যে নয়, বরং ফুসফুস দিয়ে শ্বাস নেয়, তাই এদের নিয়মিত শ্বাস নেওয়ার জন্য পানির উপরে আসতে হয়।
অন্যান্য জলজ প্রাণী: বেশিরভাগ জলজ প্রাণী, যেমন মাছ, ফুলকার সাহায্যে জল থেকে দ্রবীভূত অক্সিজেন শোষণ করে
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: ডায়বেটিস রোগ সম্পর্কিত যে তথ্যটি সঠিক নয় - ২১তম বিসিএস
| (ক) এ রোগ মানবদেহের কিডনি নষ্ট করে | (খ) চিনি জাতীয় খাবার বেশি খেলে এ রোগ হয় |
| (গ) এ রোগ হলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় | (ঘ) ইনসুলিন নামক একটি হরমোন অভাবে এ রোগ হয় |
উত্তর: চিনি জাতীয় খাবার বেশি খেলে এ রোগ হয়
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityনতুন সরকারি ও বেসরকারি চাকরির সার্কুলার প্রকাশ হওয়ার সাথে সাথেই notification পাবেন। একদম ফ্রি।