পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .

দয়াকরে অপেক্ষা করুন।

"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।

সহায়িকা


সাধারন বিজ্ঞান পরমাণু ও তেজস্ক্রিয়তা পদার্থের অবস্থা বিদ্যুৎ ও চুম্বকত্ব শব্দ ও তরঙ্গ আলো তাপ ও তাপগতিবিদ্যা বল, গতি ও শক্তি দৈনন্দিন জীবনে রসায়ন জৈব রসায়ন রাসায়নিক বিক্রিয়া ধাতু ও অধাতু অ্যাসিড, ক্ষার ও লবণ পর্যায় সারণি মৌল ও যৌগ জেনেটিক্স ও বংশগতি রোগ ও প্রতিরোধ পুষ্টি ও ভিটামিন রক্ত ও সংবহনতন্ত্র মানবদেহ প্রাণিবিজ্ঞান উদ্ভিদবিজ্ঞান কোষ ও কলা আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মহাকাশ ও জ্যোতির্বিজ্ঞান পরিবেশ ও বাস্তুতন্ত্র ভূমিকম্প ও ভূবিজ্ঞান আবহাওয়া ও জলবায়ু
  • প্রশ্ন: কোথায় সাতার কাটা সহজ? ১৪তম বিসিএস

    (ক) নদীতে (খ) বিলে
    (গ) সাগরে (ঘ) পুকুরে
    close

    উত্তর: সাগরে

    • touch_app আরো ...

      সাগরে বা সমুদ্রের পানিতে সাঁতার কাটা সহজ, কারণ এতে লবণের পরিমাণ বেশি থাকায় পানির ঘনত্ব বেশি হয় এবং প্লবতা বেশি হওয়ায় শরীর হালকা লাগে। এই কারণে সাগরে সাঁতার কাটার সময় শরীর সহজে ভেসে থাকে এবং কম শক্তি খরচ হয়।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: ‘এভিকালচার’ বলতে কি বোঝায়? ১৪তম বিসিএস

    (ক) উড়োজাহাজ ব্যবস্হাপনা (খ) উড্ডয়ন সংক্রান্ত বিষয়াদী
    (গ) পাখি পালন বিষয়াদি (ঘ) বাজ পাখি পালন বিষয়াদি
    close

    উত্তর: পাখি পালন বিষয়াদি

    • touch_app আরো ...

      এভিকালচার হলো পাখি পালন, প্রজনন এবং তাদের যত্ন নেওয়ার বিদ্যা। এই শব্দটি ল্যাটিন 'এভিস' (পাখি) এবং 'কালচার' (সংস্কৃতি/যত্ন) থেকে এসেছে। এভিকালচারের মধ্যে বন্য পাখিদের বন্দী অবস্থায় পালন করাও অন্তর্ভুক্ত, যা পাখির আবাসস্থল সংরক্ষণ ও সচেতনতা বৃদ্ধির উপরও দৃষ্টি নিবদ্ধ করে


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: এক কুইন্টাল ওজনে কত কিলোগ্রাম হয়? ১৪তম বিসিএস

    (ক) ১০০০ কিলোগ্রাম (খ) ১০কিলোগ্রাম
    (গ) ১ কিলোগ্রাম (ঘ) ১০০ কিলোগ্রাম
    close

    উত্তর: ১০০ কিলোগ্রাম

    • touch_app আরো ...

      এক কুইন্টাল ওজনে ১০০ কিলোগ্রাম হয়। এই সম্পর্কটি সহজে মনে রাখার জন্য, 'কুইন্টাল' শব্দটি ব্যবহার করা হয়, যেখানে 'কুইন' (quin) মানে পাঁচ এবং 'টাল' (tal) মানে একটি টনের কাছাকাছি ওজন। ১ কুইন্টাল = ১০০ কেজি, যা 'এক কুইন্টাল'কে '১০০ কিলোগ্রাম'-এ রূপান্তরিত করতে সাহায্য করে।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: কোন রংয়ের কাপে চা তাড়াতাড়ি ঠান্ডা হয়? ১৪তম বিসিএস

    (ক) সাদা (খ) লাল
    (গ) কালো (ঘ) ধূসর
    close

    উত্তর: কালো

    • touch_app আরো ...

      কালো রঙের কাপে চা তাড়াতাড়ি ঠান্ডা হয় কারণ কালো রং তাপ শোষণ ও বিকিরণ উভয়ই বেশি করে। এই কারণে, কালো কাপের বাইরের পৃষ্ঠ থেকে তাপ দ্রুত বিকিরিত হয়ে যায়, যার ফলে ভেতরের চা তাড়াতাড়ি ঠান্ডা হয়


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: সাধারন বৈদ্যুতিক বাল্বের ভিতরে কি গ্যাস সাধারণত ব্যবহার করা হয়? ১৪তম বিসিএস

    (ক) নাইট্রোজেন (খ) অক্সিজেন
    (গ) হিলিয়াম (ঘ) নিয়ন
    close

    উত্তর: নাইট্রোজেন

    • touch_app আরো ...

      সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্বের ভেতরে সাধারণত নাইট্রোজেন বা আর্গন গ্যাস ব্যবহার করা হয়। এই নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলো টাংস্টেন ফিলামেন্টকে বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া (জারণ) থেকে রক্ষা করে এবং বাল্বের আয়ু বাড়াতে সাহায্য করে।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: রেলওয়ে স্টেশনে আগমনরত ইঞ্জিনে বাঁশি বাজাতে থাকলে প্লাটফর্মে দাড়ান ব্যাক্তির কাছে বাঁশীর কম্পনাঙ্ক ১৪তম বিসিএস

    (ক) আসলের সমান হবে (খ) আসলের চেয়ে কম হবে
    (গ) আসলের চেয়ে বেশী হবে (ঘ) আসল গতির সাথে সম্পর্কযুক্তভাবে কমে যাবে
    close

    উত্তর: আসলের চেয়ে বেশী হবে

    • touch_app আরো ...

      রেলওয়ে স্টেশনে আগমনরত ইঞ্জিনের বাঁশির শব্দ প্লাটফর্মে দাঁড়ানো ব্যক্তির কাছে ইঞ্জিনের আসল কম্পাঙ্কের চেয়ে বেশি শোনা যাবে, কারণ এটি ডপলার প্রভাব (Doppler Effect)-এর কারণে ঘটে, যেখানে উৎস শ্রোতার দিকে এলে কম্পাঙ্ক বৃদ্ধি পায় এবং শ্রোতা ইঞ্জিনের কাছাকাছি আসায় শব্দের তীক্ষ্ণতা বা তীক্ষ্ণতা বৃদ্ধি পায়, যা উচ্চ কম্পাঙ্ক নির্দেশ করে।
      ডপলার প্রভাব ব্যাখ্যা:
      আগত উৎস: যখন কোনো শব্দ উৎস (এখানে ইঞ্জিন) শ্রোতার (প্লাটফর্মে দাঁড়ানো ব্যক্তি) দিকে এগিয়ে আসে, তখন শব্দের তরঙ্গগুলো সংকুচিত হয়।
      কম্পাঙ্ক বৃদ্ধি: তরঙ্গ সংকোচন হওয়ায় প্রতি একক সময়ে শ্রোতার কানে পৌঁছানো তরঙ্গের সংখ্যা (কম্পাঙ্ক) বেড়ে যায়।
      ফলাফল: ফলে, ব্যক্তিটি আসল কম্পাঙ্কের চেয়ে বেশি কম্পাঙ্কের শব্দ শুনতে পান এবং বাঁশিটি আসল শব্দের চেয়ে তীক্ষ্ণ শোনায়।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: কোন মাধ্যম শব্দের গতি সবচেয়ে কম? ১৪তম বিসিএস

    (ক) কঠিন পদার্থে (খ) বায়বীয় পদার্থে
    (গ) শূণ্যতায় (ঘ) তরল পদার্থে
    close

    উত্তর: বায়বীয় পদার্থে

    • touch_app আরো ...

      শব্দের গতি সবচেয়ে কম বায়বীয় মাধ্যমে (gas), কারণ এর কণাগুলো দূরে দূরে থাকে, ফলে কম্পন বা তরঙ্গ সহজে এক কণা থেকে অন্য কণায় স্থানান্তরিত হতে পারে না; কঠিন মাধ্যমে গতি সবচেয়ে বেশি এবং তরল মাধ্যমে কঠিন ও বায়বীয়ের মাঝামাঝি।
      বায়বীয় মাধ্যম (Gas): শব্দের গতি সর্বনিম্ন। যেমন—বায়ু।
      তরল মাধ্যম (Liquid): বায়বীয় মাধ্যমের চেয়ে বেশি কিন্তু কঠিন মাধ্যমের চেয়ে কম গতিতে শব্দ চলে। যেমন—জল।
      কঠিন মাধ্যম (Solid): শব্দের গতি সবচেয়ে দ্রুত। যেমন—লোহা বা ইস্পাত।
      শূন্য মাধ্যম (Vacuum): শূন্য মাধ্যমে শব্দ চলাচল করতে পারে না, তাই সেখানে শব্দের গতি শূন্য


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: বজ্রপাতের সময় আপনি নিজের গাড়িতে করে যাচ্ছেন। নিজেকে সুরক্ষিত রাখার জন্য আপনি কোন উপায়টি গ্রহণ করবেন? ১৪তম বিসিএস

    (ক) বাইরে এসে মাটিতে উপুড় হয়ে শুয়ে পড়বেন (খ) গাড়ির মধ্যেই বসে থাকবেন
    (গ) কোন গাছের তলায় আশ্যয় নিবেন (ঘ) বাইরে এসে মাটিতে উপুড় হয়ে শুয়ে পড়বেন
    close

    উত্তর: গাড়ির মধ্যেই বসে থাকবেন

    • touch_app আরো ...

      বজ্রপাতের সময় গাড়িতে থাকলে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে গাড়ির মধ্যেই বসে থাকা সবচেয়ে ভালো উপায়, কারণ গাড়ির ধাতব কাঠামো এবং টায়ার এটিকে ভূমি থেকে বিচ্ছিন্ন রাখে, যা ফ্যারাডে খাঁচার মতো কাজ করে বিদ্যুৎকে বাইরে রাখে; এ সময় গাছের নিচে আশ্রয় নেওয়া বা মাটিতে উপুড় হয়ে থাকা বিপদজনক, এবং গাড়ির কাচে হাত দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।
      করণীয়:
      গাড়িতে থাকুন: যত দ্রুত সম্ভব নিরাপদ স্থানে (যেমন কোনো পাকা ছাউনির নিচে) গাড়ি থামিয়ে ভেতরে থাকুন।
      জানালা বন্ধ রাখুন: গাড়ির সমস্ত জানালা বন্ধ রাখুন।
      ধাতব অংশ স্পর্শ করবেন না: স্টিয়ারিং হুইল বা অন্য কোনো ধাতব অংশ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন।
      গাড়ি থেকে বের হবেন না: গাছ বা অন্য কোনো খোলা জায়গায় যাবেন না, কারণ সেগুলো বজ্রপাতের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
      কেন গাড়ি নিরাপদ?
      গাড়ির ধাতব কাঠামো বিদ্যুৎকে বাইরের পৃষ্ঠ দিয়ে চালিত করে এবং অপরিবাহী টায়ার এটিকে ভূমি থেকে আলাদা রাখে, ফলে ভেতরের মানুষ নিরাপদ থাকে (ফ্যারাডে খাঁচার নীতি)।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: কিসের সাহায্যে সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করা হয়? ১৪তম বিসিএস

    (ক) প্রতিসরণ (খ) প্রতিসরাঙ্ক
    (গ) প্রতিফলন (ঘ) প্রতিধ্বনি
    close

    উত্তর: প্রতিধ্বনি

    • touch_app আরো ...

      সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করা হয় ফ্যাদোমিটার নামক যন্ত্রের সাহায্যে, যা শব্দের প্রতিফলন বা প্রতিধ্বনি নীতির উপর ভিত্তি করে কাজ করে। এই যন্ত্রটি শব্দ তরঙ্গ পাঠিয়ে এবং সেই শব্দ সমুদ্রের তলদেশ থেকে প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসতে যে সময় লাগে, তা পরিমাপ করে গভীরতা নির্ণয় করে। কাজ করার পদ্ধতি:ফ্যাদোমিটার যন্ত্রটি সমুদ্রের গভীরে শব্দ তরঙ্গ প্রেরণ করে।শব্দ তরঙ্গ সমুদ্রের তলদেশে আঘাত করে প্রতিধ্বনি বা প্রতিফলন সৃষ্টি করে।এই প্রতিধ্বনি বা প্রতিফলিত শব্দ জাহাজে থাকা যন্ত্র দ্বারা গ্রহণ করা হয় এবং ফিরে আসতে ঠিক কত সময় লেগেছে তা রেকর্ড করা হয়।প্রাপ্ত সময় এবং জলে শব্দের গতি ব্যবহার করে গভীরতা নির্ণয় করা হয়। সূত্রটি হলো: =x/2। এখানে ২ দিয়ে ভাগ করা হয় কারণ শব্দটি যেতে এবং ফিরে আসতে মোট সময় লাগে।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: ডিজিট্যাল ঘড়ি বা ক্যালুকুলেটরে কালচে অনুজ্জ্বল যে লেখা ফুটে ওঠে তা কিসের ভিত্তিতে তৈরি? ১৫তম বিসিএস

    (ক) আইসি (খ) এলইডি
    (গ) সিলিকন চিপ (ঘ) এলসিডি
    close

    উত্তর: সিলিকন চিপ

    • touch_app আরো ...

      ডিজিটাল ঘড়ি বা ক্যালকুলেটরে কালচে অনুজ্জ্বল লেখা ফুটে ওঠে মূলত লিকুইড ক্রিস্টাল ডিসপ্লে (LCD) প্রযুক্তির কারণে, যেখানে তরল রাসায়নিক পদার্থ (Liquid Crystal) বিদ্যুৎপ্রবাহের প্রভাবে নির্দিষ্ট অংশে রঙ পরিবর্তন করে সংখ্যা বা অক্ষর তৈরি করে, যা সিলিকন চিপ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। এটি কোনো আলো তৈরি করে না, বরং বাইরের আলো শোষণ বা প্রতিফলিত করে অনুজ্জ্বল লেখা দেখায়।
      কিভাবে কাজ করে:
      LCD প্যানেল: দুটি পোলারাইজড কাঁচের স্তরের মধ্যে তরল ক্রিস্টালের একটি পাতলা স্তর থাকে।
      ইলেকট্রিক ফিল্ড: যখন নির্দিষ্ট অংশে বিদ্যুৎপ্রবাহ দেওয়া হয়, তখন তরল ক্রিস্টালগুলো বিন্যস্ত হয়ে আলোকরশ্মিকে আটকে দেয় বা যেতে দেয়।
      কালচে লেখা: আলো আটকে গেলে বা শোষিত হলে সেই অংশটি কালো দেখায়, আর বাকি অংশ স্বচ্ছ বা অনুজ্জ্বল থাকে, যা সংখ্যা বা অক্ষর তৈরি করে।
      নিয়ন্ত্রণ: সিলিকন চিপ (IC) বিদ্যুৎপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে এবং কোন অংশ কালো হবে তা নির্ধারণ করে।
      সুতরাং, এটি LCD প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে তৈরি, যা সিলিকন চিপ দ্বারা চালিত হয়।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: বাতাসের নাইট্রোজেন কীভাবে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে? ১৫তম বিসিএস

    (ক) মাটির অজৈব লবণনে পরিবর্তিত করে (খ) সরাসরি মাটিতে মিশ্রিত হয়ে জৈব প্রস্তুত করে
    (গ) ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে উদ্ভিদের গ্রহণ উপযোগী বস্তু প্রস্তুত করে (ঘ) পানিতে মিশে মাটিতে শোষিত হওয়ার ফলে
    close

    উত্তর: পানিতে মিশে মাটিতে শোষিত হওয়ার ফলে

    • touch_app আরো ...

      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: ‘গ্রীন হাউজ ইফেক্টের’ পরিণতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর প্রত্যক্ষ ক্ষতি কি হবে? ১৫তম বিসিএস

    (ক) সাইক্লোনের প্রবণতা বাড়বে (খ) নিন্মভূমি নিমজ্জিত হবে
    (গ) বৃষ্টিপাত কমে যাবে (ঘ) উত্তাপ অনেক বেড়ে যাবে
    close

    উত্তর: নিন্মভূমি নিমজ্জিত হবে

    • touch_app আরো ...

      গ্রিনহাউস প্রভাবের কারণে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর প্রত্যক্ষ ক্ষতি হলো সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, যার ফলে দেশের বিশাল নিম্নভূমি, বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চল প্লাবিত হয়ে যাবে, লক্ষ লক্ষ মানুষ বাস্তুচ্যুত হবে এবং দেশের ভূ-ভাগের একটি বড় অংশ পানির নিচে তলিয়ে যাবে, যা কৃষি ও অন্যান্য জীবনযাত্রাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করবে।
      প্রধান ক্ষতিগুলো হলো:
      উপকূলীয় নিমজ্জন: সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ার সাথে সাথে বাংলাদেশের নিচু এলাকা, বিশেষ করে সুন্দরবন ও উপকূলীয় জেলাগুলো স্থায়ীভাবে পানির নিচে তলিয়ে যাবে।
      জনসংখ্যার বাস্তুচ্যুতি: সমুদ্রের উচ্চতা ১ মিটার বাড়লে দেশের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ (২০%) মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং লক্ষ লক্ষ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে জলবায়ু শরণার্থীতে পরিণত হবে।
      কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা: লবণাক্ত পানি ঢুকে কৃষি জমি অনাবাদী হয়ে পড়বে, যা খাদ্য উৎপাদনে বড় ধরনের সংকট তৈরি করবে।
      অবকাঠামোগত ক্ষতি: রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি, এবং অন্যান্য অবকাঠামো প্লাবিত ও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
      জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব: অতিবৃষ্টি, খরা, এবং ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের তীব্রতা ও সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে, যা আরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটাবে


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: নিত্য ব্যবহার‌্য বহু ‘অ্যারোসলের’ কৌটায় এখন লেখা থাকে সি.এফ.সি বিহীন।সি.এফ.সি গ্যাস কেন ক্ষতিকারক? ১৫তম বিসিএস

    (ক) গ্রীন হাউজ এফেক্টে অবদান রাখে (খ) ফুসফুসে রোগ সৃষ্টি করে
    (গ) ওজোন স্তরে ফুটো তৈরি করে (ঘ) দাহ্য বলে অগ্নিকান্ডের সৃষ্টি করে
    close

    উত্তর: ওজোন স্তরে ফুটো তৈরি করে

    • touch_app আরো ...

      সি.এফ.সি (CFC - Chlorofluorocarbon) গ্যাস অত্যন্ত ক্ষতিকর কারণ এটি বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তর-কে ধ্বংস করে, যার ফলে সূর্য থেকে আসা ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি (UV rays) সরাসরি পৃথিবীতে পৌঁছায় এবং মানুষ ও পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করে, যেমন—ত্বকের ক্যান্সার, ছানি পড়া, ফসলহানি, এবং জলজ প্রাণীর ক্ষতি। এটি গ্রিনহাউস গ্যাস হিসেবেও কাজ করে, যা বৈশ্বিক উষ্ণায়নে অবদান রাখে। সি.এফ.সি গ্যাসের ক্ষতিকর দিক: ওজোন স্তর ক্ষয়: বায়ুমণ্ডলে নির্গত সি.এফ.সি গ্যাস উপরের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে পৌঁছায়। সেখানে অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে ক্লোরিন পরমাণু মুক্ত হয়, যা ওজোন (\(O_{3}\)) অণুকে ভেঙে দেয় এবং ওজোন স্তরে বড় ছিদ্র (ozone hole) তৈরি করে।স্বাস্থ্য ঝুঁকি: ওজোন স্তর ক্ষয় হওয়ায় ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি (UV-B) পৃথিবীতে আসে, যা ত্বকের ক্যান্সার, চোখের ছানি এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ার কারণ হতে পারে।পরিবেশগত প্রভাব: এটি গ্রিনহাউস গ্যাস হওয়ায় বৈশ্বিক উষ্ণায়নের সমস্যা বাড়ায় এবং পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে।নিরব ঘাতক: এটি নিজে দাহ্য বা বিষাক্ত না হলেও, ওজোন স্তরের ক্ষতি করার কারণে এটি 'নিরব ঘাতক' (silent killer) হিসেবে পরিচিত।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: আল্ট্রাসনোগ্রাফী কী? ১৫তম বিসিএস

    (ক) ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের শব্দের দ্বারা ইমেজিং (খ) শরীরের অভ্যন্তরের শব্দ বিশ্লেষণ
    (গ) নতুন ধরনের এক্সরে (ঘ) শক্তিশালী শব্দ দিয়ে পিত্তা পাথর বিচূর্ণকরণ
    close

    উত্তর: ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের শব্দের দ্বারা ইমেজিং

    • touch_app আরো ...

      আল্ট্রাসনোগ্রাম (Ultrasonogram) হলো এক ধরনের ডায়াগনস্টিক পরীক্ষা, যা উচ্চ-কম্পাঙ্কের শব্দ তরঙ্গ ব্যবহার করে শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ছবি তৈরি করে; একে আল্ট্রাসাউন্ড বা ইউএসজি (USG) নামেও ডাকা হয়, যা রোগ নির্ণয়, বিশেষত গর্ভবতী মা ও শিশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা, পেটে ব্যথা বা আঘাতের কারণ বোঝা এবং অঙ্গের আকার ও ঘনত্ব পর্যবেক্ষণে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: বাংলাদেশের তড়িৎ-এর কম্পাংক প্রতি সেকেন্ডে ৫০ সাইকেল-এর তাৎপর‌্য কি? ১৫তম বিসিএস

    (ক) প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ বার উঠানামা করে (খ) প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ বার দিক বদলায়
    (গ) প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ একক দৈর্ঘ্য অতিক্রম করে (ঘ) কোনটীই নয়
    close

    উত্তর: প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ বার দিক বদলায়

    • touch_app আরো ...

      বাংলাদেশের তড়িৎ-এর কম্পাঙ্ক প্রতি সেকেন্ডে ৫০ সাইকেল (50Hz) হওয়ার তাৎপর্য হলো, বিদ্যুৎ প্রবাহ প্রতি সেকেন্ডে ৫০ বার তার দিক পরিবর্তন করে বা উঠানামা করে, যা আমাদের घरों যন্ত্রপাতি (যেমন: পাখা, বাতি) সঠিকভাবে চালানোর জন্য একটি আদর্শ ও স্ট্যান্ডার্ড মান, যাতে যন্ত্রগুলো মসৃণভাবে ও নিরাপদে কাজ করতে পারে


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility