পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .
দয়াকরে অপেক্ষা করুন।
"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।
প্রশ্ন: কোন ধাতু পানি অপেক্ষা হালকা? ২৯তম বিসিএস
| (ক) ক্যালসিয়াম | (খ) পটাসিয়াম |
| (গ) ম্যগনেসিয়াম | (ঘ) সোডিয়াম |
উত্তর: সোডিয়াম
সোডিয়াম (Na), ম্যাগনেসিয়াম (Mg) , পটাশিয়াম (K) ও ক্যালসিয়াম (Ca) - এর পারমাণবিক সংখ্যা যথাক্রমে 11, 12, 19, ও 20 এবং এদের আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর যথাক্রমে 23.0, 24.3, 39.1 ও 40.1 । উল্লিখিত ধাতুসমূহের মধ্যে সোডিয়ামের আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর সবচেয়ে কম হওয়ায় এটি অন্য তিনটি ধাতু অপেক্ষা হালকা এবং সোডিয়াম পানি অপেক্ষা ও হালকা।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: রাসায়নিক অগ্নিনির্বাপক কাজ করে অগ্নিতে- ৩০তম বিসিএস
| (ক) হাইড্রোজেন সরবরাহ করে | (খ) অক্রিজেন সরবরাহে প্রতিবদ্ধকতা সৃষ্টি করে |
| (গ) অক্রিজেন সরবরাহ করে | (ঘ) নাইট্রোজেন সরবরাহ করে |
উত্তর: অক্রিজেন সরবরাহে প্রতিবদ্ধকতা সৃষ্টি করে
রাসায়নিক অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র আগুন নেভাতে মূলত অক্সিজেনের সরবরাহ বন্ধ করে (যেমন CO2), জ্বালানি ও অক্সিজেনের মধ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় বাধা দেয় (যেমন ABC ড্রাই কেমিক্যাল), বা আগুনকে শীতল করে কাজ করে, যা আগুন নেভানোর জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো (অক্সিজেন, জ্বালানি, তাপ) থেকে আগুনকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: গ্রীনহাউস ইফেষ্টের পরিণতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর ক্ষতি কী হবে ? ৩০তম বিসিএস
| (ক) উত্তাপ অনেক বেড়ে যাবে | (খ) নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে |
| (গ) বৃষ্টিপাত কমে যাবে | (ঘ) সাইক্লোনের প্রবণতা বাড়বে |
উত্তর: নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
পৃথিবীর তাপমাত্রা বেড়ে গেলে পাহাড়ের শীর্ষে এবং মেরু অঞ্চলে জমে থাকা বরফ গলে গিয়ে সমুদ্রতলের উচ্চতা বেড়ে যেতে পারে। ফলে, সমুদ্র উপকূলবর্তী নিম্নভূমি নিমজ্জিত হতে পারে। গ্রীন হাউস ইফেক্টের পরিণতিতে বাংলাদেশের নিম্নভূমি নিমজ্জিত হতে পারে। বিগত ১০০ বছরে বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ০.০৭ ডিগ্রি বৃদ্ধি পেয়েছে। জাতিসংঘের আন্তরাষ্ট্রীয় জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত প্যানেল(IPCC) তৃতীয় সমীক্ষা প্রতিবেদন অনুযায়ী, সমুদ্র পৃষ্ঠে পানির উচ্চতা ৪৫ সেমি বাড়লে বাংলাদেশের ১১% ভূমি সমুদ্র গর্ভে নিমজ্জিত হবে। রিপোর্টে আরও বলা হয় ২১০০ সালের মধ্যে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা ১৮ সেমি হতে ৫৯ সেমি এ উন্নীত হবে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: সংকর ধাতু পিতলের উপাদান ? ৩০তম বিসিএস
| (ক) তামা ও সিসা | (খ) তামা ও টিন |
| (গ) তামা ও নিকেল | (ঘ) তামা ও দস্তা |
উত্তর: তামা ও দস্তা
সংকর ধাতু পিতলের উপাদান তামা ও দস্তা।
তামা ও টিন মিশিয়ে ব্রোঞ্জ বা কাঁসা প্রসতুত করা হয়।
পিতল = তামা (৮০%) + দস্তা/জিংক (২০%) [Trick: পিতাজি - পিতল তামা জিংক]
ব্রোঞ্জ/কাঁসা = তামা (৯০%) + টিন (১০%)
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: বৈদ্যুৎতিক পাখা ধীরে ধীরে ধুরলে বিদ্যুৎ খরচ- ৩০তম বিসিএস
| (ক) খুব কম হয় | (খ) কম হয় |
| (গ) বেশী হয় | (ঘ) একই হয় |
উত্তর: একই হয়
- রেগুলেটরের মাধ্যমে বৈদ্যুতিক পাখায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
- যখন বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ঘুরানোর জন্য বিদ্যুৎ প্রবাহ কমানো হয় তখন অতিরিক্ত বিদ্যুৎ রেগুলেটরে তাপ সৃষ্টি করে।
- যার ফলে বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ঘুরলেও বিদ্যুৎ খরচ একই হয় কারণ সবসময় বিদ্যুৎ প্রবাহ একই থাকে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: রঙ্গিন টেলিভিশন থেকে ক্ষতিকর রশ্মি বের হয় ? ৩০তম বিসিএস
| (ক) রঞ্জন রশ্মি | (খ) বিটা রশ্মি |
| (গ) কসমিক রশ্মি | (ঘ) গামা রশ্মি |
উত্তর: গামা রশ্মি
বাজারে প্রচলিত অনেক গাইড বইয়ে এটার উত্তর 'গামা' দেওয়া আছে যা ভুল। আমরা জানি 'গামা' একটা তেজস্ক্রিয় রশ্মি যেটা উচ্চ পারমাণবিকসংখ্যা ও উচ্চ পারমাণবিক ভরসংখ্যা বিশিষ্ট মৌলিক পদার্থ থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে নির্গত হয়। রঙিন টেলিভিশন Cathode Ray Tube ব্যবহিত হয়, এই Cathode Ray Tube হতে মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর মৃদু রঞ্জন রশ্মি তৈরি হয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: ডায়াবেটিস রোগ সম্পর্কে যে তথ্যটি সত্য নয় তা হলো- ৩০তম বিসিএস
| (ক) ইনসুলিনের অভাবে এ রোগ হয় | (খ) এ রোগ হলে রক্তে গুকোজের মাএা বৃদ্ধি পায় |
| (গ) চিনি জাতীয় খাবার বেশী খেলে এ রোগ হয় | (ঘ) এ রোগ মানবদেহের কিডনি নষ্ট করে |
উত্তর: চিনি জাতীয় খাবার বেশী খেলে এ রোগ হয়
ইনসুলিনের ঘাটতিই হল এ রোগের মূল কথা। অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত হরমোন ইনসুলিন, যার সহায়তায় দেহের কোষগুলো রক্ত থেকে গ্লুকোজকে নিতে সমর্থ হয় এবং একে শক্তির জন্য ব্যবহার করতে পারে। ইনসুলিন উৎপাদন বা ইনসুলিনের কাজ করার ক্ষমতা - এর যেকোনো একটি বা দুটোই যদি না হয়, তাহলে রক্তে বাড়তে থাকে গ্লুকোজ। আর একে নিয়ন্ত্রণ না করা গেলে ঘটে নানা রকম জটিলতা, দেহের টিস্যু ও যন্ত্র বিকল হতে থাকে।
বৈশিষ্ট্য ও বিভিন্ন জটিলতা
অতিরিক্ত মেদ এ রোগের অন্যতম কারণ ;
উপসর্গহীনতা বা অসচেতনতার কারণে চিকিৎসার অভাব ;
কিডনি বা বৃক্কের অক্ষমতার অন্যতম মূল কারণ ডায়াবেটিস ;
অন্ধত্ব বা দৃষ্টিবিচ্যূতির অন্যতম মূল কারণ ডায়াবেটিস ;
বিনা দুর্ঘটনায় অঙ্গচ্ছেদের অন্যতম মূল কারণ ডায়াবেটিস।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: এনজিওপ্লাস্টি হচ্ছে- ৩০তম বিসিএস
| (ক) হৃৎপিণ্ডের বদ্ধ শিরা বেলুনের সাহায্যে ফুলানো | (খ) হৃৎপিণ্ডের টিস্যুতে নতুন টিস্যু সংযোজন |
| (গ) হৃৎপিণ্ডের মৃত টিস্যু কেটে ফেলে দেয়া | (ঘ) হৃৎপিণ্ডে নতুন শিরা সংযোজন |
উত্তর: হৃৎপিণ্ডের বদ্ধ শিরা বেলুনের সাহায্যে ফুলানো
‘অ্যাঞ্জিও’ কথার অর্থ হল রক্তবাহ এবং ‘প্লাস্টি’ শব্দটির অর্থ হল খুলে দেওয়া। অ্যানজিওপ্লাস্টি হল করোনারি হার্ট ডিজিজের একটি বহুল প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতি। ধমনীর ভিতরের দিকে ‘প্লাক’ জমলে এই পদ্ধতিতে বন্ধ হয়ে যাওয়া ধমনী খুলে দেওয়া হয়। ‘প্লাক’ রক্তে অতিরিক্ত কোলেস্টেরলের ফলে তৈরী হয়। ধমনীর এই রকম বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনাকে মেডিকেলের ভাষায় বলে ‘অ্যার্থেরোসক্লেরেসিস’।হার্ট অ্যাটাকের ফলে জমে যাওয়া প্লাকগুলো ভেঙে যায় এবং ধমনীর নানা অংশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে যায়। সেগুলোকে বেলুন সার্জারির সাহায্যে অপসারণ করা হয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: আ্যলুমিনিয়াম সালফেটকে চলতি বাংলায় কী বলে ? ৩০তম বিসিএস
| (ক) সেভিং সোপ | (খ) কস্টিক সোডা |
| (গ) ফিটকিরি | (ঘ) চুন |
উত্তর: ফিটকিরি
অ্যালুমিনিয়াম সালফেটকে চলতি বাংলায় বলা হয় ফিটকিরি। পটাশিয়াম সালফেট, অ্যালুমিনিয়াম সালফেট এবং ২৪ অণু পানির মিশ্রণে তৈরি হয় ফিটকিরি। ক্যালসিয়াম অক্সাইডের ব্যবহারিক নাম চুন। সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড এবং সোডিয়াম বাই - কার্বনেটের ব্যবহারিক নাম যথাক্রমে কস্টিকসোডা এবং বেকিং পাউডার।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: ডেঙ্গু জ্বরের বাহক কোন মশা ? ৩০তম বিসিএস
| (ক) কিউলেক্র | (খ) এডিস |
| (গ) সব ধরনের মশা | (ঘ) সেভিং সোপ |
উত্তর: এডিস
ডেঙ্গু জ্বর (সমার্থক ভিন্ন বানান ডেঙ্গি) একটি এডিস মশা বাহিত ডেঙ্গু ভাইরাস জনিত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় রোগ। এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে ভাইরাস সংক্রমণের তিন থেকে পনেরো দিনের মধ্যে সচরাচর ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গগুলো দেখা দেয়। উপসর্গগুলির মাঝে রয়েছে জ্বর, মাথাব্যথা, বমি, পেশিতে ও গাঁটে ব্যথা এবং গাত্রচর্মে ফুসকুড়ি। দুই থেকে সাত দিনের মাঝে সাধারণত ডেঙ্গু রোগী আরোগ্য লাভ করে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে রোগটি মারাত্মক রক্তক্ষরী রূপ নিতে পারে যাকে ডেঙ্গু রক্তক্ষরী জ্বর (ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভার) বলা হয়। এর ফলে রক্তপাত হয়, রক্ত অনুচক্রিকার মাত্রা কমে যায় এবং রক্ত প্লাজমার নিঃসরণ ঘটে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে কখনোবা ডেঙ্গু শক সিনড্রোম দেখা দেয়। ডেঙ্গু শক সিনড্রোমে রক্তচাপ বিপজ্জনকভাবে কমে যায়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: সুনামির (Tsumami)কারণ হলো- ৩০তম বিসিএস
| (ক) সমুদ্র তলদেশের ভূমিকম্প | (খ) ঘূর্ণিঝড় |
| (গ) চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ | (ঘ) আগ্নেয়গিরির অগ্যুৎপাত |
উত্তর: সমুদ্র তলদেশের ভূমিকম্প
সুনামি বিভিন্ন কারণে সৃষ্টি হতে পারে। কারণগুলোর মধ্যে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত, ভূমিধ্বস অন্যতম। তন্মধ্যে দুটি কারণ উল্লেখযোগ্য:
সমুদ্রসমতলের ২০ - ৩০ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্প সংঘটন;
টেকটনিক প্লেটের আকস্মিক উত্থান - পতন
সমুদ্রসমতলের ২০ - ৩০ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্প হলে তা সমুদ্র তলদেশের মাটিকে যেমন নাড়িয়ে দেয়, তেমনি খুব স্বাভাবিকভাবেই তার সাথে সম্পর্কিত জলকে নাড়িয়ে দেয়। ভূমির কম্পন যখন জলে সঞ্চালিত হয়, তখন তার ফলে সুনামির উৎপত্তি হতে পারে। এছাড়াও সাধারণত কার্বন চক্রের প্রভাবে ভূ - অভ্যন্তরে টেকটনিক প্লেটের নড়াচড়া হতে থাকে। এভাবে কখনও কোনো একটি প্লেট অপর প্লেটের দিকে অনবরত ধাক্কা দিতে থাকলে একসময় একটি আরেকটির উপরে উঠে যায়। তখন ঐ স্থানের ভূত্বক আচমকা উঁচু হয়ে যায়, এমনকি এভাবে ছোট টিলা থেকে পাহাড় সমান পর্যন্ত হঠাৎ ভূত্বক উঁচু হয়ে যেতে পারে। সমুদ্র, নদী, জলাশয় কিংবা অন্য কোনো বৃহৎ জলক্ষেত্রের নিচের ভূত্বক এভাবে ফুলে উঠলে তখন ঐ জলক্ষেত্রের পানিও হঠাৎ ফুলে উঠে সুনামির সৃষ্টি হয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: কত বছর পর পর হ্যালির ধূমকেতু দেখা যায় ? ৩০তম বিসিএস
| (ক) ৭৬ বছর | (খ) ৬৫ বছর |
| (গ) ৮০ বছর | (ঘ) ৭০ বছর |
উত্তর: ৭৬ বছর
হ্যালির ধূমকেতু সাধারণত ৭৫ থেকে ৮৬ বছর পর পর দেখা যায়, তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ৭৬ বছর অন্তর এটি পৃথিবীর আকাশে আসে। এটি শেষবার দেখা গিয়েছিল ১৯৮৬ সালে এবং পরবর্তী সময়ে ২০৬১ সালের মাঝামাঝি সময়ে দেখা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: জমির লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ করে কোনটি ? ৩০তম বিসিএস
| (ক) কৃএিম সার প্রয়োগ | (খ) প্রাকৃতিক সার প্রয়োগ |
| (গ) পানি সেচ | (ঘ) জমিতে নাইট্রোজেন ধরে রাখা |
উত্তর: পানি সেচ
পানি সেচ জমির লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ করে।
- কৃত্রিম সার প্রয়োগ জমির লবণাক্ততা কিছুটা বৃদ্ধি করে।
- জমির লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণে প্রাকৃতিক সারের কোনো প্রত্যক্ষ ভূমিকা নেই।
- জমিতে নাইট্রোজেন ধরে রাখার সাথেও জমির লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণের কোনো সম্পর্ক নেই।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: কিসের অভাবে ফসলের পরিপক্বতা বিলম্বত হয় ? ৩০তম বিসিএস
| (ক) পটাশিয়াম | (খ) সালফার |
| (গ) দস্তা | (ঘ) নাইট্রোজেন |
উত্তর: সালফার
সালফারের অভাবজনিত লক্ষণ নাইট্রোজেনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ; তবে পার্থক্য হলো নাইট্রোজেনের অভাবে প্রথমে গাছের পুরাতন পাতা হলুদ হয়ে যায় এবং সালফারের অভাবে গাছের নতুন গজানো পাতা হলুদ হয়। ধান গাছের উচ্চতা, কুশির সংখ্যা, শিষের আকার খাটো এবং প্রতি শিষে দানার সংখ্যা কমে যাওয়াসহ জমির ধান সাধারণত ১ - ২ সপ্তাহ পরে পাকে। বীজতলায় এর অভাব হলে চারা হলুদ হয়ে যায়।
চারা রোপণের ২ - ৪ সপ্তাহ পরে ধান গাছে দস্তার অভাব দেখা যায় এবং সে ক্ষেত্রে কচি পাতার গোড়া সাদা হয়ে যায়। পুরাতন পাতা মরচে পড়া বাদামি থেকে হলদে কমলা লেবুর মতো রঙ ধারণ করে। পাতার আকার ছোট ও সরু হয়। গাছের বৃদ্ধি সুষম হয় না। মাঠের মধ্যে স্থানে স্থানে উচ্চতার ভিন্নতা দেখে মনে হয় গাছগুলো মাঝে মাঝে বসে গেছে। গাছে রোগবালাইয়ের প্রকোপ বেশি দেখা যায়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: নবায়নযোগ্য জ্বালানি কোনটি ? ৩০তম বিসিএস
| (ক) পরামাণু শক্তি | (খ) পেট্রোল |
| (গ) কয়লা | (ঘ) প্রাকৃতিক গ্যাস |
উত্তর: পরামাণু শক্তি
নবায়নযোগ্য জ্বালানি বা রিনিউয়েবল এনার্জি হলো এমন শক্তির উৎস যা স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পুনরায় ব্যবহার করা যায় এবং এর ফলে শক্তির উৎসটি নিঃশেষ হয়ে যায় না। বিভিন্ন প্রাকৃতিক উৎস যেমন: সূর্যের আলো ও তাপ, বায়ু প্রবাহ, জলপ্রবাহ, জৈব শক্তি ( বায়োগ্যাস, বায়োম্যাস, বায়োফুয়েল), ভূ - তাপ, সমুদ্র তরঙ্গ, সমুদ্র - তাপ, জোয়ার - ভাটা, শহুরে আবর্জনা, হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল ইত্যাদি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityনতুন সরকারি ও বেসরকারি চাকরির সার্কুলার প্রকাশ হওয়ার সাথে সাথেই notification পাবেন। একদম ফ্রি।