পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .

দয়াকরে অপেক্ষা করুন।

"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।

সহায়িকা


সাধারন বিজ্ঞান পরমাণু ও তেজস্ক্রিয়তা পদার্থের অবস্থা বিদ্যুৎ ও চুম্বকত্ব শব্দ ও তরঙ্গ আলো তাপ ও তাপগতিবিদ্যা বল, গতি ও শক্তি দৈনন্দিন জীবনে রসায়ন জৈব রসায়ন রাসায়নিক বিক্রিয়া ধাতু ও অধাতু অ্যাসিড, ক্ষার ও লবণ পর্যায় সারণি মৌল ও যৌগ জেনেটিক্স ও বংশগতি রোগ ও প্রতিরোধ পুষ্টি ও ভিটামিন রক্ত ও সংবহনতন্ত্র মানবদেহ প্রাণিবিজ্ঞান উদ্ভিদবিজ্ঞান কোষ ও কলা আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মহাকাশ ও জ্যোতির্বিজ্ঞান পরিবেশ ও বাস্তুতন্ত্র ভূমিকম্প ও ভূবিজ্ঞান আবহাওয়া ও জলবায়ু
  • প্রশ্ন: সুষম খাদ্যর উপাদান কয়টি? ২৯তম বিসিএস

    (ক) ৬ টি (খ) ৫ টি
    (গ) ৪ টি (ঘ) ৮ টি
    close

    উত্তর: ৬ টি

    • touch_app আরো ...

      মানবদেহের পুষ্টির চাহিদা সঠিকভাবে পূরণের জন্য সুষম খাদ্য গ্রহণ করা অপরিহার্য। সুষম খাদ্যের উপাদান ৬ টি। এগুলো হলো : শর্করা বা শ্বেতসার, আমিষ বা প্রোটিন, ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ, খনিজ লবণ, ফ্যাট বা চর্বি বা পানি।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: গ্রীন হাউজে গাছ লাগানো হয় কেন? ২৯তম বিসিএস

    (ক) উষ্ণতা থেকে রক্ষার জন্য (খ) ঝড় বৃষ্টি থেকে রক্ষার জন্য
    (গ) আলো থেকে রক্ষার জন্য (ঘ) অত্যাধিক ঠান্ডা থেকে রক্ষার জন্য
    close

    উত্তর: অত্যাধিক ঠান্ডা থেকে রক্ষার জন্য

    • touch_app আরো ...

      গ্রিনহাউজে গাছ লাগানো হয় কারণ এটি গাছপালার জন্য একটি নিয়ন্ত্রিত ও অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে, যা তাদের সারা বছর ধরে বৃদ্ধি পেতে সাহায্য করে, বিশেষত ঠান্ডা আবহাওয়ায়; এটি তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ও আলো নিয়ন্ত্রণ করে গাছকে প্রতিকূল আবহাওয়া (যেমন অতিরিক্ত ঠান্ডা, বৃষ্টি, ঝড়) থেকে রক্ষা করে এবং রোগ ও পোকার আক্রমণ কমায়, ফলে উচ্চ ফলন ও ভালো মানের ফসল পাওয়া যায়


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: পৃথিবির প্রথম বানিজ্যক যোগাযোগ কৃতিম উপগ্রহ কোনটি? ২৯তম বিসিএস

    (ক) ত্তবেরি হল (খ) এস্ট্রোলার হল
    (গ) কসমস (ঘ) আলিবার্ড হল
    close

    উত্তর: আলিবার্ড হল

    • touch_app আরো ...

      পৃথিবীর প্রথম বাণিজ্যিক যোগাযোগ কৃত্রিম উপগ্রহ হলো ইনটেলসেট - 1 যার আরেক নাম আর্লি বার্ড ( Early Bird) । এই কৃত্রিম উপগ্রহটি ৬ এপ্রিল ১৯৬৫ সালে মহাশূন্যে উৎক্ষেপণ করা হয়। এর আকার প্রায় ৭৬* ৬১ সেন্টিমিটার (২.৫ * ২) ফুট এবং ওজন ৩৪.৫ কেজি (৭৬ পাউন্ড) । এটি বর্তমানে কক্ষপথে অবস্থানে করলেও নিষ্ক্রিয় (inactive) অবস্থায় আছে।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: সূর্য পৃষ্টের উত্তাপ কত? ২৯তম বিসিএস

    (ক) ৬০০০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড (খ) ১২০০০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড
    (গ) ১০০০০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড (ঘ) ৮০০০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড
    close

    উত্তর: ৬০০০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড

    • touch_app আরো ...

      সূর্য পৃষ্ঠের উত্তাপ প্রায় ৬,০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড (সেলসিয়াস) বা ১০,০০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট এবং সূর্যের কেন্দ্রভাগের তাপমাত্রা প্রায় ১৫,০০০০০ কেলভিন । সূর্যের ভর প্রায় ১.৯৯ * ১০৩৩ কিলোগ্রাম । আমাদের পৃথিবীসহ সৌরজগতের অন্যান্য গ্রহ ও উপগ্রহের তাপ ও আলোর মূল উৎস হলো সূর্য ।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: জোয়ারের কত সময় পর ভাটার সৃষ্টি হয়? ২৯তম বিসিএস

    (ক) ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট (খ) ১২ ঘন্টা
    (গ) ৮ ঘন্টা (ঘ) ১৩ ঘন্টা ১৫ মিনিট
    close

    উত্তর: ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট

    • touch_app আরো ...

      জোয়ারের প্রায় ৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট বা ৬ ঘণ্টা ১২.৫ মিনিট পর ভাটার সৃষ্টি হয়, কারণ দুটি জোয়ারের মধ্যেকার মোট সময় প্রায় ১২ ঘণ্টা ২৫ মিনিট এবং এর ঠিক অর্ধেক সময় পর ভাটা শুরু হয়, যা মূলত চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ বলের কারণে ঘটে এবং প্রতিদিন এই সময় প্রায় ৫০ মিনিট করে পরিবর্তিত হয়।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: কোনটি বায়ুর উপাদান নহে--- ২৯তম বিসিএস

    (ক) কার্বন (খ) হাইড্রোজেন
    (গ) নাইট্রোজেন (ঘ) ফসফরাস
    close

    উত্তর: ফসফরাস

    • touch_app আরো ...

      বায়ুর প্রধান উপাদানগুলো হলো নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, আর্গন, কার্বন ডাই অক্সাইড এবং জলীয় বাষ্প, তাই ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইড (MgO) বা জল (H₂O)-এর মতো কঠিন বা তরল পদার্থ বায়ুর উপাদান নয়, বরং এমন কোনো গ্যাস যা বায়ুমণ্ডলে অনুপস্থিত, সেটাই হবে উত্তর


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: অ্যালিউমিনিয়াম সালফেট চলতি বাংলায় কি বলে? ২৯তম বিসিএস

    (ক) কস্টিক সোডা (খ) চুন
    (গ) সেভিং সোপ (ঘ) ফিটকিরি
    close

    উত্তর: ফিটকিরি

    • touch_app আরো ...

      পটাসিয়াম অ্যালিউমিনিয়াম সালফেটের কেলাসকে পটাস এলাম বলা হয়। বাংলা ভাষায় এর নাম ফিটকিরি এবং এর রাসায়নিক সংকেত হচ্ছে, Al2(SO4)3. K2SO4. 24H2O। চুন হচ্ছে মূলত ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH) হচ্ছে একটি ক্ষার , যা কস্টিক সোডা নামে পরিচিত।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: কোন কোন স্থানে সলিড ফিনাইল ব্যবহার করা হয়? ২৯তম বিসিএস

    (ক) নালায় (খ) পায়খানায় প্রসাবখানায়
    (গ) পুকুরে (ঘ) গোসলখানায়
    close

    উত্তর: পায়খানায় প্রসাবখানায়

    • touch_app আরো ...

      সলিড ফিনাইল প্রধানত পায়খানা এবং প্রস্রাবখানায় ব্যবহার করা হয় কারণ এটি একটি শক্তিশালী স্যানিটাইজার এবং ডিসইনফেকট্যান্ট। এটি ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস নির্মূল করতে সক্ষম এবং দুর্গন্ধ দূর করতে কার্যকরী। তাই এই ধরনের স্থানগুলিতে এটির প্রয়োগ সচরাচর দেখা যায়।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: ফটোইলেকট্রিক কোষের উপর আলো পড়লে কি তৈরি হয়? ২৯তম বিসিএস

    (ক) বিদুৎ (খ) চুম্বক
    (গ) তাপ (ঘ) কিছুই না
    close

    উত্তর: বিদুৎ

    • touch_app আরো ...

      ফটোইলেকট্রিক কোষ হলো বিশেষ এক ধরনের ডায়োড, যার ওপর আলোক পড়লে আলোক শক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রুপান্তরিত হয়। গতিশীল চার্জের কারণে চৌম্বক ক্ষেত্র সৃষ্টি হয়।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: যে সকল নিউক্লিয়াসের নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা সমান না তাদেরকে কি বলে? ২৯তম বিসিএস

    (ক) আইসোবার (খ) আইসোমার
    (গ) আইসোটোন (ঘ) আইসোটোপ
    close

    উত্তর: আইসোটোন

    • touch_app আরো ...

      যে সব নিউক্লিয়াসের প্রোটন সংখ্যা (পারমাণবিক সংখ্যা ) একই , কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে আইসোটোপ বলে। যেসব নিউক্লিয়াসের নিউট্রন সংখ্যা সমান, কিন্তু ভর সংখ্যা সমান নয় তাদেরকে আইসোটোন বলে। যেসব নিউক্লিয়াসের ভর সংখ্যা একই, কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ( পারমাণবিক সংখ্যা ) ভিন্ন তাদেরকে আইসোবার বলে। যেসব নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা ও ভর সংখ্যা একই , কিন্তু শক্তি অবস্থা (Energy state ) ভিন্ন তাদেরকে আইসোমার বলা হয়।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: চাঁদ দিগন্তের কাছে অনেক বড় দেখায় কেন? ২৯তম বিসিএস

    (ক) দৃষ্টিভ্রমে (খ) আলোর বিচ্ছুরনে
    (গ) অপাবর্তনে (ঘ) বায়ুমন্ডলীয় প্রতিসরনে
    close

    উত্তর: বায়ুমন্ডলীয় প্রতিসরনে

    • touch_app আরো ...

      চাঁদ থেকে আলোক রশ্মি পৃথিবীপৃষ্ঠে আসার সময় পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে আলোর প্রতিসরণ ঘটে অর্থাৎ আলোক রশ্মি বেঁকে যায়। চাঁদ যখন দিগন্তের কাছে থাকে তখন আলোক রশ্মি তুলনামূলকভাবে অধিক পরিমাণে বেঁকে যায়। এ কারণে দিগন্তের নিকটে চাঁদ ও সূর্যকে ডিম্বাকৃতি এবং তুলনামূলকভাবে বড় দেখা যায়।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: লাল আলোতে নীল রংয়ের বস্তু তেমন দেখায়? ২৯তম বিসিএস

    (ক) কালো (খ) বেগুনি
    (গ) কালো (ঘ) সবুজ
    close

    উত্তর: কালো

    • touch_app আরো ...

      কোনো নির্দিষ্ট রঙের বস্তু শুধু ঐ নির্দিষ্ট রঙের আলোক রশ্মিই প্রতিফলিত করে এবং বাকি সব রঙের আলোক রশ্মিই শোষণ করে নেয়। আমরা জানি সাদা আলাে হচ্ছে সাতটি ভিন্ন ভিন্ন রঙের আলোক রশ্মির মধ্য থেকে শুধু নীল আলোক রশ্মিই শোষণ করে নেয়। বস্তুটি থেকে নীল আলোক রশ্মি প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে আসার কারণে আমরা একে নীল দেখি। কিন্তু নীল রঙের বস্তুর ওপর লাল আলোক রশ্মি আপতিত। হলে বস্তুটি আলোই আর প্রতিফলিত করে না। এজন্য লাল আলোতে নীল রঙের বস্তু কালো দেখায়।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: বৈদুতিক ভাল্বের ফিলামেন্ট কি ধাতু দিয়ে তৈরি? ২৯তম বিসিএস

    (ক) সীসা (খ) টাংস্টেন
    (গ) সংকর ধাতু (ঘ) তামা
    close

    উত্তর: টাংস্টেন

    • touch_app আরো ...

      বৈদ্যুতিক বাল্বের (Electric bulb) ভিতরে ফিলামেন্ট নামক বিশেষ এক ধরনের তারের কুণ্ডলী থাকে, যার মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে তাপ ও আলো উৎপন্ন হয়। এ ফিলামেন্টটি টাংস্টেন নামক এক প্রকার ধাতুর তৈরি। তবে কখনো কখনো শুধূ টাংস্টেনের পরিবর্তে টাংস্টেন ও ট্যানটালাম ধাতুদ্বয়ের মিশ্রণ ব্যবহৃত হয়। তামা দিয়ে বিদ্যুৎবাহী তার, বৈদ্যুতিক কয়েল, বিভিন্ন সংকর ধাতু ইত্যাদি তৈরি করা হয়।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: জারন বিক্রিয়ায় কি ঘটে? ২৯তম বিসিএস

    (ক) ইলেকট্রন বর্জন (খ) ইলেকট্রন গ্রহন
    (গ) ইলেকট্রন আদানপ্রদান (ঘ) শুধু তাপ তৈরি হয়
    close

    উত্তর: ইলেকট্রন বর্জন

    • touch_app আরো ...

      •জারণ :- যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় কোনো অণু, পরমাণু বা আয়ন এক বা একাধিক ইলেকট্রন ত্যাগ করে তাকে জারণ বলে । জারণেরঅর্থ ইলেকট্রন ত্যাগ ।

      •বিজারণ :- যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় কোনো অণু, পরমাণু বা আয়ন এক বা একাধিক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে বিজারণ বলে । বিজারণের অর্থ ইলেকট্রন গ্রহণ ।

      জারক পদার্থ [Oxidising agents]:- যে পদার্থ রাসায়নিক বিক্রিয়া কালে অন্য পদার্থকে জারিত করে নিজে বিজারিত হয় তাকে জারক পদার্থ বলে।

      বিজারক পদার্থ [Reducing agents]:- রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় যে পদার্থ অন্য পদার্থকে বিজারিত করে নিজে জারিত হয় তাকে বিজারক পদার্থ বলে ।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: নিচের কোনটি ক্ষারকীয় পদার্থ? ২৯তম বিসিএস

    (ক) CO (খ) P4O10
    (গ) MgO (ঘ) ZnO
    close

    উত্তর: MgO

    • touch_app আরো ...

      MgO হলো একটি ক্ষারকীয় অক্সাইড


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility