পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .
দয়াকরে অপেক্ষা করুন।
"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।
প্রশ্ন: বাংলায় সেন বংশের (১০৭০-১২৩০ খ্রিষ্টাব্দ) শেষ শাসনকর্তা কে ছিলেন? ৪১ তম বিসিএস
| (ক) লক্ষণ সেন | (খ) বল্লাল সেন |
| (গ) কেশব সেন | (ঘ) হেমন্ত সেন |
উত্তর: কেশব সেন
বাংলায় সেন বংশের শেষ উল্লেখযোগ্য শাসক ছিলেন লক্ষণ সেন, কিন্তু তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র কেশব সেন (এবং বিশ্বরূপ সেন) কিছুকাল পূর্ব ও দক্ষিণ বাংলায় শাসন চালিয়ে যান, যিনি প্রায় ১২৩০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন, যদিও মূল সেন সাম্রাজ্য মুসলিম শাসনের অধীনে চলে যায়; তাই, এই সময়কালের শেষ দিকের শাসক হিসেবে কেশব সেন-কেই বিবেচনা করা হয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদের নাম কী? ৪১ তম বিসিএস
| (ক) তাম্রলিপ্তি | (খ) পুণ্ড্র |
| (গ) হরিকেল | (ঘ) গৌড় |
উত্তর: পুণ্ড্র
বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদের নাম পুন্ড্র ।
প্ৰাচীনযুগে বাংলা নামে কোনো অখণ্ড রাষ্ট্ৰ ছিল না। বাংলার বিভিন্ন অংশ তখন বঙ্গ, পুণ্ড্ৰ, গৌড়, হরিকেল, সমতট, বরেন্দ্ৰ এরকম প্ৰায় ১৬টি জনপদে বিভক্ত ছিল। বাংলার বিভিন্ন অংশে অবস্থিত প্ৰাচীন জনপদগুলোর সীমা ও বিস্তৃতি সঠিকভাবে নির্ণয় করা অসম্ভব। কেননা বিভিন্ন সময়ে এসব জনপদের সীমানা হ্ৰাস অথবা বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে প্ৰাচীনতম হলো পুণ্ড্ৰ।
পৌন্দ্রিক শব্দ থেকে ‘পু নামের উৎপত্তি। এর অর্থ - আখ বা চিনি। বাংলাদেশের সর্বপ্রাচীন জনপদ হলাে পু। বগুড়া, রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অবস্থানভূমিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠে পুণ্ড্র জনপদ। প্রাচীন পুণ্ড রাজ্যের রাজধানী ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর। সম্রাট অশােকের রাজত্বকালে প্রাচীন পুণ্ডু রাজ্যের স্বাধীনতা বিলুপ্ত হয়। বর্তমান অবস্থান বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়। বৈদিক সাহিত্য ও মহাভারতে এ জাতির উল্লেখ আছে। পাল রাজারা উত্তরবঙ্গকে তাদের পিতৃভূমি মনে করত। সেজন্য এর নামকরণ করেছিল বারিন্দ্রী। এই বারিন্দ্রী থেকে বরেন্দ্র শব্দের উৎপত্তি। বর্তমান করতােয়া নদীর পশ্চিম তীরের লালমাটি সমৃদ্ধ অঞ্চলই বরেন্দ্রভূমি নামে পরিচিত। গঙ্গা ও করতােয়া নদীর পশ্চিমাংশের মধ্যবর্তী অংশকে রামায়ণে বারিন্দ্রীমণ্ডল বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: কাগমারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়- ৪১ তম বিসিএস
| (ক) সিরাজগঞ্জে | (খ) রোজ গার্ডেনে |
| (গ) সুনামগঞ্জে | (ঘ) সন্তোষে |
উত্তর: সন্তোষে
কাগমারী সম্মেলন ১৯৫৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে টাঙ্গাইলের অজপাড়াগাঁ সন্তোষ কাগমারীতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা ছিল মূলত আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশন ও সাংস্কৃতিক সম্মেলন, যেখানে মাওলানা ভাসানী পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন এবং জোটনিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতির দাবি তোলেন, যা পরবর্তীকালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ভিত্তি স্থাপন করে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: মুক্তিযুদ্ধকালে কোলকাতার ৮, থিয়েটার রোডে ‘বাংলাদেশ বাহিনী’ কখন গঠন করা হয়? ৪১ তম বিসিএস
| (ক) এপ্রিল ১০, ১৯৭১ | (খ) এপ্রিল ১১, ১৯৭১ |
| (গ) এপ্রিল ১৩, ১৯৭১ | (ঘ) এপ্রিল ১২, ১৯৭১ |
উত্তর: এপ্রিল ১১, ১৯৭১
৪ এপ্রিল বেসরকারিভাবে বাংলাদেশ বাহিনী গঠিত হয়। ১১ এপ্রিল এ বাহিনীকে সম্প্রসারণ করে পুনর্গঠন করা হয়। এরপর ১২ এপ্রিল লেফটেন্যান্ট কর্ণেল এম. এ. রবকে চিফ অব স্টাফ করে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বাহিনীর কার্যক্রম শুরু করা হয় এবং একই সাথে কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোডে বাংলাদেশ বাহিনীর সদর দপ্তর স্থাপিত হয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: কোন অনুচ্ছেদ বলে বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী পরিবর্তনযোগ্য নয়? ৪১ তম বিসিএস
| (ক) অনুচ্ছেদ ৮ | (খ) অনুচ্ছেদ ৭ (ক) |
| (গ) অনুচ্ছেদ ৭ (খ) | (ঘ) অনুচ্ছেদ ৭ |
উত্তর: অনুচ্ছেদ ৭ (খ)
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭খ (7B) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী বা মূল কাঠামো পরিবর্তনযোগ্য নয় । এই অনুচ্ছেদে প্রস্তাবনা, প্রথম ভাগ, দ্বিতীয় ভাগ, তৃতীয় ভাগের কিছু অনুচ্ছেদ এবং নবম-ক ভাগের বিধানসমূহ সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের অযোগ্য করে "অসংশোধনযোগ্য" হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের সংবিধানের এয়োদশ সংশোধনীর মূল বিষয় কি ছিল? ৪১ তম বিসিএস
| (ক) বাকশাল প্রতিষ্ঠা | (খ) তত্ত্বাবধায়ক সরকার |
| (গ) বহুদলীয় ব্যবস্থা | (ঘ) সংসদে মহিলা আসন |
উত্তর: তত্ত্বাবধায়ক সরকার
বাংলাদেশের সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মূল বিষয় ছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকার। উলেখ্য, ১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চে সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নিরপেক্ষ - নিদলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী জসিম উদ্দন সরকার এই সংশোধনীটি উত্থাপন করেন। এটি ২৬৮ - ০ ভোটে পাস হয়। রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পায় ২৮ মার্চে। উচ্চ আদালতের আদেশে ২০১১ সালে এই সংশোধনীটি বাতিল হয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: সংবিধানের চেতনার বিপরীতে সামরিক শাসনকে বৈধতা দিতে কোন তফসিলের অপব্যবহার করা হয়? ৪১ তম বিসিএস
| (ক) ৭ম তফসিল | (খ) ৬ষ্ঠ তফসিল |
| (গ) ৪র্থ তফসিল | (ঘ) ৫ম তফসিল |
উত্তর: ৪র্থ তফসিল
বাংলাদেশের সংবিধানের চেতনার বিপরীতে সামরিক শাসনকে বৈধতা দিতে মূলত চতুর্থ তফসিলের (Fourth Schedule) অপব্যবহার করা হয় । এই তফসিলে সংবিধানের ১৫০ অনুচ্ছেদের অধীনে 'ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলি' অন্তর্ভুক্ত থাকে, যার দোহাই দিয়ে অতীতে সামরিক শাসকরা অবৈধভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল ও আইন বৈধ করার কাজ করেছে
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: কোন উপজাতিটির আবাসস্থল ‘বিরিশি’ নেত্রকোনায়? ৪১ তম বিসিএস
| (ক) মুরং | (খ) সাঁওতাল |
| (গ) খাসিয়া | (ঘ) গারো |
উত্তর: গারো
বিরিশিরি নেত্রকোনায় প্রধানত গারো এবং হাজং উপজাতির আবাসস্থল, যা দুর্গাপুর উপজেলায় অবস্থিত; এখানে তাদের নিজস্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও জীবনধারা দেখা যায় এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি ও তাদের গ্রামগুলো এই অঞ্চলের অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের বাণিজ্য ভারসাম্য কীভাবে রক্ষা হয়? ৪১ তম বিসিএস
| (ক) প্রবাসীদের পাঠানো remittance- এর মাধ্যমে | (খ) বিশ্বব্যাংকের bughetary support- এর মাধ্যমে |
| (গ) IMF এর bailout package- এর মাধ্যমে | (ঘ) IDA credit- এর মাধ্যমে |
উত্তর: IMF এর bailout package- এর মাধ্যমে
বাণিজ্য ভারসাম্য (Balance of Trade) হচ্ছে কোন দেশের অর্থনীতির একটি নির্দিষ্ট সময়ের মোট রপ্তানি ও মোট আমদানির আর্থিক মূল্যের পার্থক্য। একে নীট রপ্তানিও বলা হয়ে থাকে। প্রকৃতপক্ষে এটি একটি দেশের আমদানি ও রপ্তানির মধ্যকার সম্পর্ক। ইতিবাচক ভারসাম্যকে বাণিজ্য উদ্বৃত্ত বলে যখন আমদানির থেকে রপ্তানি বেশি হয়; নেতিবাচক ভারসামকে বলা হয় বাণিজ্য ঘাটতি যা রপ্তানির থেকে আমদানি বেশি হলে। হয়। বাণিজ্য ভারসাম্যকে অনেক সময় পণ্য ও সেবার ভারসাম্য এ দুই ভাগে ভাগ করা হয়। আসুন এখানে একটি উদাহরণ নেওয়া যাক। মনে করুন যে ২০২০ সালে বাংলাদেশ ১০০ টাকার পণ্য ও পরিষেবাদি আমদানি করেছে। তবে, একই বছরে রফতানি করেছে ৫০ টাকা। এইভাবে, বাণিজ্য ভারসাম্য হবে - ৫০ টাকা। অর্থাৎ দেশটি বাণিজ্য ঘাটতির সম্মুখীন হবে। IMF - এর Bailout package - এর বেইল আউট হলো দেনার দায়ে বা মূলধন সংকটে পড়ে দেউলিয়া হওয়ার পথে কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে রাষ্ট্র বা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের তরফে আর্থিক সহায়তা করা। তবে রাষ্ট্রকেও অনেক সময় জাতীয় ব্যয় নির্বাহে বেইল আউটের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অর্থ ও অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তা নেওয়ার নজির রয়েছে। আর বাংলাদেশের বাণিজ্য ভারসাম্য রক্ষায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে প্রবাসীদের পাঠানো Remittance এবং অন্যান্য উৎস থেকে আসা বৈদেশিক মুদ্রা।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: অবিভক্ত বাংলার সর্বপ্রথম রাজা কাকে বলা হয়? ৪১ তম বিসিএস
| (ক) অশোক | (খ) মেগদা |
| (গ) ধর্মপাল | (ঘ) শশাঙ্ক |
উত্তর: শশাঙ্ক
অবিভক্ত বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম রাজা বলা হয় রাজা শশাঙ্ক-কে (রাজত্বকাল: আনুমানিক ৫৯০–৬২৫ খ্রিষ্টাব্দ) । তিনি সপ্তম শতাব্দীর শুরুর দিকে গৌড় (বর্তমান বাংলা অঞ্চল) অঞ্চলে স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন এবং বঙ্গ, সমতট ও গৌড় জনপদগুলোকে একত্রিত করে প্রথম বাঙালি সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন । তাঁর রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ (বর্তমান মুর্শিদাবাদ) ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: বঙ্গভঙ্গ রদ কে ঘোষণা করেন? ৪১ তম বিসিএস
| (ক) লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন | (খ) লর্ড কার্জন |
| (গ) লর্ড ওয়াভেল | (ঘ) রাজা পঞ্চম জর্জ |
উত্তর: রাজা পঞ্চম জর্জ
১৯১১ সালের ১২ ডিসেম্বর দিল্লির দরবারে ব্রিটিশ ভারতের সম্রাট পঞ্চম জর্জ (King George V) আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গভঙ্গ রদ বা বাতিলের ঘোষণা করেন । তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জের সুপারিশে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ঢাকা শহরের গোড়াপত্তন হয়- ৪১ তম বিসিএস
| (ক) সুলতানি আমলে | (খ) মুঘল আমলে |
| (গ) ব্রিটিশ আমলে | (ঘ) স্বাধীন নবাবী আমলে |
উত্তর: মুঘল আমলে
ঢাকা শহরের গোড়াপত্তন হয় মোগল আমলে, ১৬১০ (মতান্তরে ১৬০৮) সালে । মোগল সুবাদার ইসলাম খান চিশতি বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামানুসারে এর নাম রাখেন 'জাহাঙ্গীরনগর'। বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে স্থাপিত এই শহরটি দ্রুতই মোগল সুবাহ বাংলার বাণিজ্যিক ও রাজনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত হয় ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: স্টিভ চেন ও চাড হারলির সাথে যৌথভাবে কোন বাংলাদেশী ইউটিউব (Youtube) প্রতিষ্ঠা করেন? ৪১ তম বিসিএস
| (ক) ফজলুল করিম | (খ) জাবেদ করিম |
| (গ) মঞ্জুরুল করিম | (ঘ) জাওয়াদুল করিম |
উত্তর: জাবেদ করিম
২০০৫ সালে পেপ্যাল প্রতিষ্ঠানের তিনজন প্রাক্তন চাকুরীজীবী চ্যড হারলি, স্টিভ চান এবং বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত জাভেদ করিম কর্তৃক ইউটিউব প্রতিষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য, ইউটিউব একটি ভিডিও শেয়ারিং করার ওয়েবসাইট। এটি অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সাইট। এর মাধ্যমে ভিডিও আপলোড, শেয়ার এবং ভিডিও দেখার সুবিধা রয়েছে। তাছাড়া ভিডিও পর্যালোচনা, অভিমত প্রদানসহ আরো অনেক সুবিধা রয়েছে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: পাকিস্তান কবে বাংলাদেশকে একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়? ৪১ তম বিসিএস
| (ক) ফেব্রুয়ারি ২২, ১৯৭৪ | (খ) ফেব্রুয়ারি ২০, ১৯৭৪ |
| (গ) ফেব্রুয়ারি ২৩, ১৯৭৪ | (ঘ) ফ্রেব্রুয়ারি ২১, ১৯৭৪ |
উত্তর: ফেব্রুয়ারি ২২, ১৯৭৪
পাকিস্তান ১৯৭৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি প্রদান করে । তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টো লাহোরে আয়োজিত ইসলামী সম্মেলন সংস্থায় (OIC) বাংলাদেশের যোগদানের সুবিধার্থে এবং আন্তর্জাতিক চাপের মুখে এই স্বীকৃতি প্রদান করেন ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: কে বীরশ্রেষ্ঠ নন? ৪১ তম বিসিএস
| (ক) মোস্তফা কামাল | (খ) হামিদুর রহমান |
| (গ) মুন্সী আব্দুর রহিম | (ঘ) নূর মোহাম্মদ শেখ |
উত্তর: মুন্সী আব্দুর রহিম
নূর মোহাম্মদ শেখ, হামিদুর রহমান এবং মোস্তফা কামাল সকলে বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব প্রাপ্ত। শুধুমাত্র মুন্সী আব্দুর রহিম বীরশ্রেষ্ঠ নন নাম
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।