পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .
দয়াকরে অপেক্ষা করুন।
"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।
প্রশ্ন: ‘মাৎস্যন্যায়’ বাংলার কোন সময়কাল নির্দেশ করে? ৪১ তম বিসিএস
| (ক) ৮ম-৯ম শতক | (খ) ৭ম-৮ম শতক |
| (গ) ৫ম-৬ষ্ঠ শতক | (ঘ) ৬ষ্ঠ-৭ম শতক |
উত্তর: ৭ম-৮ম শতক
'মাৎস্যন্যায়' একটি বাংলা ভাষার শব্দ, যা মূলত একটি সামাজিক অবস্থা নির্দেশ করে যখন অদক্ষ এবং দুর্বল ব্যক্তিরা শক্তিশালী ও ক্ষমতাধারীদের দ্বারা শোষিত হয়। এটি ঐ সময়ের একটি প্রবাদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যা প্রধানত ৭ম-৮ম শতকের সময়কালকে নির্দেশ করে। এই সময়কাল ছিল পশ্চিমবঙ্গে রাজা-উজিরদের শাসনের কার্যকারিতা এবং সামাজিক অসাম্য বৃদ্ধি পাওয়ার সময়।
সুতরাং, ‘মাৎস্যন্যায়’ এর সঠিক উত্তর হলো ৭ম-৮ম শতক, কারণ এই সময়কালটিই এই ধরনের সামাজিক অসাম্যের প্রকাশ ঘটায়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: বাংলার কোন সুলতানের শাসনামলকে স্বর্ণযুগ বলা হয়? ৪১ তম বিসিএস
| (ক) শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ | (খ) আলাউদ্দিন হোসেন শাহ |
| (গ) গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ | (ঘ) নাসিরুদ্দীন মাহমুদ শাহ |
উত্তর: আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
বাংলায় স্বাধীন সুলতানদের মধ্যে হোসেন শাহী আমল ছিল সবচেয়ে কৃতিত্বের যুগ। হোসেন শাহ ছিলেন সে যুগের শ্রেষ্ঠ সুলতান। তিনি বিহারের বিস্তীর্ণ এলাকা দখল করেন। তিনি ছিলেন প্রজা দরদী ও বহুগুণের অধিকারী। তাঁর আমলে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের অনেক উন্নতি হয়। শ্রীচৈতন্য বৈষ্ণব ধর্ম প্রচার করেন তাঁর শাসনামলে। হোসেন শাহের পর আরও তিনজন সুলতান বাংলা শাসন করেন। তারা সবাই যোগ্য শাসক ছিলেন। তারাও উদারভাবে রাজ্য শাসন করেন। তারা সকলেই শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। এজন্য হোসেন শাহী আমলকে বাংলার মুসলমান শাসনের স্বর্ণযুগ বলা হয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় কে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন? ৪১ তম বিসিএস
| (ক) খাজা নাজিমুদ্দিন | (খ) স্যার সৈয়দ আহমেদ |
| (গ) নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ | (ঘ) নওয়াব আবদুল লতিফ |
উত্তর: নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় সবচেয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন ঢাকার নবাব স্যার খাজা সলিমুল্লাহ । বঙ্গভঙ্গ রদের পর পূর্ববঙ্গের মুসলমানদের শিক্ষার উন্নয়নের লক্ষ্যে তিনি বিশেষ ভূমিকা রাখেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য তাঁর নিজস্ব জমি (৬০০ একর) দান করেন । এছাড়াও নবাব সৈয়দ নবাব আলী চৌধুরী ও শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন? ৪১ তম বিসিএস
| (ক) লিয়াকত আলী খান | (খ) নুরুল আমিন |
| (গ) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ | (ঘ) খাজা নাজিম উদ্দীন |
উত্তর: খাজা নাজিম উদ্দীন
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমুদ্দিন । ১৯৫১ সালের অক্টোবর মাসে লিয়াকত আলী খানের হত্যাকাণ্ডের পর তিনি পাকিস্তানের দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন । ১৯৫২ সালের জানুয়ারিতে পল্টন ময়দানে তিনি পুনরায় উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ঘোষণা করেন, যা ভাষা আন্দোলনকে তীব্রতর করে ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: আলুটিলা প্রাকৃতিক গুহা কোথায় অবস্থিত? ৪১ তম বিসিএস
| (ক) রাঙ্গামাটি জেলায় | (খ) কক্সবাজার জেলায় |
| (গ) বান্দরবান জেলায় | (ঘ) খাগড়াছড়ি জেলায় |
উত্তর: খাগড়াছড়ি জেলায়
আলুটিলা প্রাকৃতিক গুহা (যা ‘মাতাই হাকড়’ বা ‘দেবতার গুহা’ নামেও পরিচিত) বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত। এটি খাগড়াছড়ি শহর থেকে প্রায় ৭-৮ কিলোমিটার পশ্চিমে মাটিরাঙ্গা উপজেলার আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্রের অন্তর্ভুক্ত আলুটিলা পাহাড়ে অবস্থিত। এটি প্রায় ৩৫০ ফুট দীর্ঘ একটি প্রাকৃতিক সুড়ঙ্গ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: বাংলায় সেন বংশের (১০৭০-১২৩০ খ্রিষ্টাব্দ) শেষ শাসনকর্তা কে ছিলেন? ৪১ তম বিসিএস
| (ক) বল্লাল সেন | (খ) কেশব সেন |
| (গ) হেমন্ত সেন | (ঘ) লক্ষণ সেন |
উত্তর: কেশব সেন
বাংলায় সেন বংশের শেষ উল্লেখযোগ্য শাসক ছিলেন লক্ষণ সেন, কিন্তু তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র কেশব সেন (এবং বিশ্বরূপ সেন) কিছুকাল পূর্ব ও দক্ষিণ বাংলায় শাসন চালিয়ে যান, যিনি প্রায় ১২৩০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন, যদিও মূল সেন সাম্রাজ্য মুসলিম শাসনের অধীনে চলে যায়; তাই, এই সময়কালের শেষ দিকের শাসক হিসেবে কেশব সেন-কেই বিবেচনা করা হয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদের নাম কী? ৪১ তম বিসিএস
| (ক) গৌড় | (খ) তাম্রলিপ্তি |
| (গ) হরিকেল | (ঘ) পুণ্ড্র |
উত্তর: পুণ্ড্র
বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদের নাম পুন্ড্র ।
প্ৰাচীনযুগে বাংলা নামে কোনো অখণ্ড রাষ্ট্ৰ ছিল না। বাংলার বিভিন্ন অংশ তখন বঙ্গ, পুণ্ড্ৰ, গৌড়, হরিকেল, সমতট, বরেন্দ্ৰ এরকম প্ৰায় ১৬টি জনপদে বিভক্ত ছিল। বাংলার বিভিন্ন অংশে অবস্থিত প্ৰাচীন জনপদগুলোর সীমা ও বিস্তৃতি সঠিকভাবে নির্ণয় করা অসম্ভব। কেননা বিভিন্ন সময়ে এসব জনপদের সীমানা হ্ৰাস অথবা বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে প্ৰাচীনতম হলো পুণ্ড্ৰ।
পৌন্দ্রিক শব্দ থেকে ‘পু নামের উৎপত্তি। এর অর্থ - আখ বা চিনি। বাংলাদেশের সর্বপ্রাচীন জনপদ হলাে পু। বগুড়া, রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অবস্থানভূমিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠে পুণ্ড্র জনপদ। প্রাচীন পুণ্ড রাজ্যের রাজধানী ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর। সম্রাট অশােকের রাজত্বকালে প্রাচীন পুণ্ডু রাজ্যের স্বাধীনতা বিলুপ্ত হয়। বর্তমান অবস্থান বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়। বৈদিক সাহিত্য ও মহাভারতে এ জাতির উল্লেখ আছে। পাল রাজারা উত্তরবঙ্গকে তাদের পিতৃভূমি মনে করত। সেজন্য এর নামকরণ করেছিল বারিন্দ্রী। এই বারিন্দ্রী থেকে বরেন্দ্র শব্দের উৎপত্তি। বর্তমান করতােয়া নদীর পশ্চিম তীরের লালমাটি সমৃদ্ধ অঞ্চলই বরেন্দ্রভূমি নামে পরিচিত। গঙ্গা ও করতােয়া নদীর পশ্চিমাংশের মধ্যবর্তী অংশকে রামায়ণে বারিন্দ্রীমণ্ডল বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: কাগমারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়- ৪১ তম বিসিএস
| (ক) সন্তোষে | (খ) সুনামগঞ্জে |
| (গ) রোজ গার্ডেনে | (ঘ) সিরাজগঞ্জে |
উত্তর: সন্তোষে
কাগমারী সম্মেলন ১৯৫৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে টাঙ্গাইলের অজপাড়াগাঁ সন্তোষ কাগমারীতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা ছিল মূলত আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশন ও সাংস্কৃতিক সম্মেলন, যেখানে মাওলানা ভাসানী পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন এবং জোটনিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতির দাবি তোলেন, যা পরবর্তীকালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ভিত্তি স্থাপন করে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: মুক্তিযুদ্ধকালে কোলকাতার ৮, থিয়েটার রোডে ‘বাংলাদেশ বাহিনী’ কখন গঠন করা হয়? ৪১ তম বিসিএস
| (ক) এপ্রিল ১০, ১৯৭১ | (খ) এপ্রিল ১৩, ১৯৭১ |
| (গ) এপ্রিল ১১, ১৯৭১ | (ঘ) এপ্রিল ১২, ১৯৭১ |
উত্তর: এপ্রিল ১১, ১৯৭১
৪ এপ্রিল বেসরকারিভাবে বাংলাদেশ বাহিনী গঠিত হয়। ১১ এপ্রিল এ বাহিনীকে সম্প্রসারণ করে পুনর্গঠন করা হয়। এরপর ১২ এপ্রিল লেফটেন্যান্ট কর্ণেল এম. এ. রবকে চিফ অব স্টাফ করে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বাহিনীর কার্যক্রম শুরু করা হয় এবং একই সাথে কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোডে বাংলাদেশ বাহিনীর সদর দপ্তর স্থাপিত হয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: কোন অনুচ্ছেদ বলে বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী পরিবর্তনযোগ্য নয়? ৪১ তম বিসিএস
| (ক) অনুচ্ছেদ ৮ | (খ) অনুচ্ছেদ ৭ (খ) |
| (গ) অনুচ্ছেদ ৭ (ক) | (ঘ) অনুচ্ছেদ ৭ |
উত্তর: অনুচ্ছেদ ৭ (খ)
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭খ (7B) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী বা মূল কাঠামো পরিবর্তনযোগ্য নয় । এই অনুচ্ছেদে প্রস্তাবনা, প্রথম ভাগ, দ্বিতীয় ভাগ, তৃতীয় ভাগের কিছু অনুচ্ছেদ এবং নবম-ক ভাগের বিধানসমূহ সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের অযোগ্য করে "অসংশোধনযোগ্য" হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: বাংলাদেশের সংবিধানের এয়োদশ সংশোধনীর মূল বিষয় কি ছিল? ৪১ তম বিসিএস
| (ক) সংসদে মহিলা আসন | (খ) বাকশাল প্রতিষ্ঠা |
| (গ) তত্ত্বাবধায়ক সরকার | (ঘ) বহুদলীয় ব্যবস্থা |
উত্তর: তত্ত্বাবধায়ক সরকার
বাংলাদেশের সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মূল বিষয় ছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকার। উলেখ্য, ১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চে সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নিরপেক্ষ - নিদলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী জসিম উদ্দন সরকার এই সংশোধনীটি উত্থাপন করেন। এটি ২৬৮ - ০ ভোটে পাস হয়। রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পায় ২৮ মার্চে। উচ্চ আদালতের আদেশে ২০১১ সালে এই সংশোধনীটি বাতিল হয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: সংবিধানের চেতনার বিপরীতে সামরিক শাসনকে বৈধতা দিতে কোন তফসিলের অপব্যবহার করা হয়? ৪১ তম বিসিএস
| (ক) ৭ম তফসিল | (খ) ৫ম তফসিল |
| (গ) ৬ষ্ঠ তফসিল | (ঘ) ৪র্থ তফসিল |
উত্তর: ৪র্থ তফসিল
বাংলাদেশের সংবিধানের চেতনার বিপরীতে সামরিক শাসনকে বৈধতা দিতে মূলত চতুর্থ তফসিলের (Fourth Schedule) অপব্যবহার করা হয় । এই তফসিলে সংবিধানের ১৫০ অনুচ্ছেদের অধীনে 'ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলি' অন্তর্ভুক্ত থাকে, যার দোহাই দিয়ে অতীতে সামরিক শাসকরা অবৈধভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল ও আইন বৈধ করার কাজ করেছে
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: কোন উপজাতিটির আবাসস্থল ‘বিরিশি’ নেত্রকোনায়? ৪১ তম বিসিএস
| (ক) সাঁওতাল | (খ) মুরং |
| (গ) খাসিয়া | (ঘ) গারো |
উত্তর: গারো
বিরিশিরি নেত্রকোনায় প্রধানত গারো এবং হাজং উপজাতির আবাসস্থল, যা দুর্গাপুর উপজেলায় অবস্থিত; এখানে তাদের নিজস্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও জীবনধারা দেখা যায় এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি ও তাদের গ্রামগুলো এই অঞ্চলের অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: বাংলাদেশের বাণিজ্য ভারসাম্য কীভাবে রক্ষা হয়? ৪১ তম বিসিএস
| (ক) প্রবাসীদের পাঠানো remittance- এর মাধ্যমে | (খ) IMF এর bailout package- এর মাধ্যমে |
| (গ) বিশ্বব্যাংকের bughetary support- এর মাধ্যমে | (ঘ) IDA credit- এর মাধ্যমে |
উত্তর: IMF এর bailout package- এর মাধ্যমে
বাণিজ্য ভারসাম্য (Balance of Trade) হচ্ছে কোন দেশের অর্থনীতির একটি নির্দিষ্ট সময়ের মোট রপ্তানি ও মোট আমদানির আর্থিক মূল্যের পার্থক্য। একে নীট রপ্তানিও বলা হয়ে থাকে। প্রকৃতপক্ষে এটি একটি দেশের আমদানি ও রপ্তানির মধ্যকার সম্পর্ক। ইতিবাচক ভারসাম্যকে বাণিজ্য উদ্বৃত্ত বলে যখন আমদানির থেকে রপ্তানি বেশি হয়; নেতিবাচক ভারসামকে বলা হয় বাণিজ্য ঘাটতি যা রপ্তানির থেকে আমদানি বেশি হলে। হয়। বাণিজ্য ভারসাম্যকে অনেক সময় পণ্য ও সেবার ভারসাম্য এ দুই ভাগে ভাগ করা হয়। আসুন এখানে একটি উদাহরণ নেওয়া যাক। মনে করুন যে ২০২০ সালে বাংলাদেশ ১০০ টাকার পণ্য ও পরিষেবাদি আমদানি করেছে। তবে, একই বছরে রফতানি করেছে ৫০ টাকা। এইভাবে, বাণিজ্য ভারসাম্য হবে - ৫০ টাকা। অর্থাৎ দেশটি বাণিজ্য ঘাটতির সম্মুখীন হবে। IMF - এর Bailout package - এর বেইল আউট হলো দেনার দায়ে বা মূলধন সংকটে পড়ে দেউলিয়া হওয়ার পথে কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে রাষ্ট্র বা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের তরফে আর্থিক সহায়তা করা। তবে রাষ্ট্রকেও অনেক সময় জাতীয় ব্যয় নির্বাহে বেইল আউটের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অর্থ ও অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তা নেওয়ার নজির রয়েছে। আর বাংলাদেশের বাণিজ্য ভারসাম্য রক্ষায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে প্রবাসীদের পাঠানো Remittance এবং অন্যান্য উৎস থেকে আসা বৈদেশিক মুদ্রা।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: অবিভক্ত বাংলার সর্বপ্রথম রাজা কাকে বলা হয়? ৪১ তম বিসিএস
| (ক) অশোক | (খ) মেগদা |
| (গ) ধর্মপাল | (ঘ) শশাঙ্ক |
উত্তর: শশাঙ্ক
অবিভক্ত বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম রাজা বলা হয় রাজা শশাঙ্ক-কে (রাজত্বকাল: আনুমানিক ৫৯০–৬২৫ খ্রিষ্টাব্দ) । তিনি সপ্তম শতাব্দীর শুরুর দিকে গৌড় (বর্তমান বাংলা অঞ্চল) অঞ্চলে স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন এবং বঙ্গ, সমতট ও গৌড় জনপদগুলোকে একত্রিত করে প্রথম বাঙালি সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন । তাঁর রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ (বর্তমান মুর্শিদাবাদ) ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityনতুন সরকারি ও বেসরকারি চাকরির সার্কুলার প্রকাশ হওয়ার সাথে সাথেই notification পাবেন। একদম ফ্রি।