পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .

দয়াকরে অপেক্ষা করুন।

"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।

সহায়িকা


সাধারণ জ্ঞান ইতিহাস বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রাকৃতিক দুর্যোগ সাহিত্য আন্তর্জাতিক দিবস ডাক ব্যবস্থা বাংলাদেশের ভূগোল
  • প্রশ্ন: নিম্নের মোঘল সম্রাটদের মাঝে কে প্রথম আত্মজীবনী লিখেছিলেন? ৩৮তম বিসিএস

    (ক) শাহজাহান (খ) হুমায়ন
    (গ) আকবর (ঘ) বাবর
    close

    উত্তর: বাবর

    • touch_app আরো ...

      মোগল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা জহিরউদ্দিন মুহম্মদ বাবর তুর্কি ভাষায় 'তুজুক - ই - বাবুরী ' বা বাবরনামা নামে তার জীবন স্মৃতি রচনা করেন। তিনিই প্রথম আত্মজীবনী রচনাকারী মোগল সম্রাট। এটি মোগল রাজ কর্মকর্তা বৈরাম খান - ই - খানানের পুত্র আবদুর রহিম খান - ই - খানান কর্তৃক ফারসি ভাষায় অনূদিত হয়। এছাড়া মোগল সম্রাট জাহাঙ্গীরের আত্মচরিত বা স্মৃতিকথা রচিত হয় 'তুজুক - ই - জাহাঙ্গীরী 'নামে। আর খ্রিষ্টীয় ষোড়শ শতাব্দীতে রচিত সম্রাট আকবরের প্রশাসনের বিস্তারিত বর্ণনা সমৃদ্ধ একটি নথি 'আইন - ই - আকবরী'।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: ঐতিহাসিক ছয় দফা ঘোষণা করা হয় ১৯৬৬ সালের---- ৩৮তম বিসিএস

    (ক) জুলাই মাসে (খ) আগস্ট মাসে
    (গ) ফেব্রুয়ারিতে (ঘ) মে মাসে
    close

    উত্তর: ফেব্রুয়ারিতে

    • touch_app আরো ...

      বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৫ - ৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬ পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলসমূহের জাতীয় সম্মেলনের বিষয় নির্বাচনী কমিটিতে 'বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ' নামে খ্যাত ঐতিহাসিক 'ছয় দফা' ঘোষণা করেন। এ দফাকে যুক্তরাজ্যের প্রথম সাংবিধানিক দলিল ১৫ জুন ১২১৫ স্বাক্ষরিত ম্যাগনাকার্টার সাথে তুলনা করা হয়। ছয় দফার প্রতম দফায় বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানকে একটি সত্যিকার ফেডারেশন রুপে গড়ে তোলা এবং সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার দাবি করেন। ছয় দফার শেষ দফা ছিল পূর্ব পাকিস্তানের জন্য মিলিশিয়া বা প্যারামিলিটারি রক্ষীবাহিনী গঠন।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: মুজিবনগর সরকারে্র ত্রান ও পুর্নবাসন মন্ত্রী কে ছিলেন? ৩৮তম বিসিএস

    (ক) খন্দকার মোশতাক আহমদ (খ) তাজউদ্দীন আহমদ
    (গ) এম মনসুর আলী (ঘ) এ এইচ এম কামরুজ্জামান
    close

    উত্তর: এ এইচ এম কামরুজ্জামান

    • touch_app আরো ...

      ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় এবং ১৭ এপ্রিল এ সরকার শপথ গ্রহণ করে।
      রাষ্ট্রপতি নিযুক্ত হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
      উপ-রাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
      প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমেদ।
      অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী এম মনসুর আলী।
      স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষি মন্ত্রী ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান এবং
      পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ছিলেন খন্দকার মুশতাক আহমেদ।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: কিসের ভিত্তিতে পূর্ব বাংলার ভাষা আন্দোলন হয়েছিল? ৩৮তম বিসিএস

    (ক) বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ (খ) দ্বি-জাতি তত্ত্ব
    (গ) অসাম্প্রদায়িকতা (ঘ) সামাজিক চেতনা
    close

    উত্তর: বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ

    • touch_app আরো ...

      পাকিস্তান সৃষ্টির পর যখন বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির উপর প্রথম আঘাত আসে, তখন বাঙালি জনগণ বিশেষ করে যুবসম্প্রদায় ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি রক্ষার জন্য ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে। শুরু হয় ভাষা আন্দোলন। মূলত তখন থেকেই বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা পূর্ব বাংলার ভাষা আন্দোলন পরবর্তীতে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ জন্মের পথ সুগম করে। এ আন্দোলনের পরিসমাপ্তি ঘটে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি সালাম, বরকত, রফিক ,জব্বারসহ নাম না জানা অনেকের জীবন বিসর্জনের মধ্য দিয়ে।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: ১৯৫৪ সালের পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্ত ছিলেন না-- ৩৮তম বিসিএস

    (ক) মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী (খ) নবাব স্যার সলিমুল্লাহ
    (গ) শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক (ঘ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
    close

    উত্তর: নবাব স্যার সলিমুল্লাহ

    • touch_app আরো ...

      পাকিস্তান সরকার ১৯৫৪ সালের মার্চে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে /পূর্ব বাংলায় প্রাদেশিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার ঘোষণা দেয়। এ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের বিরুদ্ধে বিজয় নিশ্চিত করতে ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর পূর্ব বাংলার কয়েকটি বিরোধী দলের সমন্বয়ে 'যুক্তফ্রন্ট নামে একটি ঐক্যজোট গঠিত হয়। যুক্তফ্রন্টের দলগুলো ছিল আওয়ামী মুসলিম লীগ ,কৃষক - শ্রমিক পার্টি, নেজামে ইসলাম ও গণতন্ত্রী দল। মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, হোসেন শহীদ সোহরায়ার্দী ,শেরে বাংলা এ কে. ফজলুল হক ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান 'যুক্তফ্রন্ট' প্রদত্ত ২১ দফা পূর্ব বাংলার জনসমক্ষে তুলে ধরেন। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের কারণে নির্বাচন যুক্তফ্রন্ট ২২৩ টি আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে। নবাব স্যার সলিমুল্লাহ ১৯০৬ সালে 'অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ' প্রতিষ্ঠা করেন।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: জুম চাষ হয়-- ৩৮তম বিসিএস

    (ক) বরিশালে (খ) ময়মনসিংহে
    (গ) দিনাজপুরে (ঘ) খাগড়াছড়িতে
    close

    উত্তর: খাগড়াছড়িতে

    • touch_app আরো ...

      জুম চাষ মূলত বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম (বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি) এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের পাহাড়ি ও বনভূমি অঞ্চলে হয়, যেখানে পাহাড়ের ঢালে জঙ্গল কেটে পুড়িয়ে 'স্ল্যাশ-অ্যান্ড-বার্ন' পদ্ধতিতে এই স্থানান্তর কৃষিকাজ করা হয়, যা মূলত চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরার মতো উপজাতিদের ঐতিহ্যবাহী জীবনযাত্রার অংশ।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: চাকমা জনগোষ্ঠির লোকসংখ্যা সর্বাধিকা-- ৩৮তম বিসিএস

    (ক) সিলেট জেলায় (খ) রাঙ্গামাটি জেলায়
    (গ) খাগড়াছড়ি জেলায় (ঘ) বান্দরবন জেলায়
    close

    উত্তর: রাঙ্গামাটি জেলায়

    • touch_app আরো ...

      চাকমা জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় এবং বৃহত্তম, বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে তাদের লোকসংখ্যা সর্বাধিক, যেখানে রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়িতে তাদের প্রধান বসতি। ভারতে মিজোরামের চাকমা স্বায়ত্তশাসিত জেলা परिषদেও তারা সংখ্যাগরিষ্ঠ এবং সামগ্রিকভাবে এই গোষ্ঠীটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং মায়ানমারের কিছু অংশে বিস্তৃত


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারী হয়- ৩৮তম বিসিএস

    (ক) ১৯৭৪ সালে (খ) ১৯৭৯ সালে
    (গ) ১৯৭২ সালে (ঘ) ১৯৭৩ সালে
    close

    উত্তর: ১৯৭৪ সালে

    • touch_app আরো ...

      একটি দেশের জনসংখ্যার সরকারি গণরাই আদমশুমারি। স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে। দেশে সর্বশেষ পঞ্চম আদমশুমারি করা হয় ১৫ - ১৯ মার্চ ২০১১। বাংলাদেশে আদমশুমারি পরিচালনা করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) ।

      দেশে সর্বশেষ ষষ্ঠ আদমশুমারি করা হয় ১৫ জুুন ২০২২ ।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: বাংলাদেশে মোট দেশজ উৎপাদিত কৃষিখতের অবদান-- ৩৮তম বিসিএস

    (ক) অপরিবর্তিত থাকছে (খ) ক্রমহাসমান
    (গ) অনিয়মিতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে (ঘ) নিয়মিতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে
    close

    উত্তর: ক্রমহাসমান

    • touch_app আরো ...

      বাংলাদেশে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) কৃষিখাতের অবদান ক্রমশ হ্রাস পেলেও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত; recent data sources2023-24 অর্থবছরের আনুমানিক হিসাব অনুযায়ী, জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান প্রায় ১১.০২ শতাংশ (শস্য, বনায়ন ও মৎস্যসহ) ছিল, যা শিল্প ও সেবা খাতের তুলনায় কম হলেও খাদ্য নিরাপত্তা ও গ্রামীণ কর্মসংস্থানে এর ভূমিকা অপরিহার্য।
      সাম্প্রতিক চিত্র:
      ২০২৩-২৪ অর্থবছরের আনুমানিক হিসাব: broad agriculture-এর অবদান ছিল ১১.০২%।
      ২০২২-২৩ অর্থবছরে: পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাব অনুযায়ী, কৃষিখাতের অবদান ছিল প্রায় ১১.৩৮% (শস্য, বনায়ন ও মৎস্য)।
      ২০২৩ সালের পরিসংখ্যান: কৃষিখাতের অবদান ছিল ১১%


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: বাংলাদেশের অন্যতম বিশেষায়িত ব্যাংক--- ৩৮তম বিসিএস

    (ক) বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক (খ) অগ্রণী ব্যাংক
    (গ) রূপালী ব্যাংক (ঘ) সোনালী ব্যাংক
    close

    উত্তর: বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক

    • touch_app আরো ...

      বাংলাদেশের অন্যতম বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক (BKB), যা কৃষি খাতে অর্থায়নের জন্য পরিচিত এবং গ্রামীণ ব্যাংক (Grameen Bank), যা ক্ষুদ্রঋণ (microfinance) প্রদানের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়া, শিল্প অর্থায়নের জন্য বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক (Bangladesh Shilpa Bank) এবং শরিয়া-ভিত্তিক ব্যাংকিংয়ের জন্য ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড-এর মতো প্রতিষ্ঠানও বিশেষায়িত ব্যাংকের উদাহরণ, যা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিভিন্ন খাতকে সহায়তা করে


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন ধারায় সকল নাগরিককে আইনের দৃষ্টিতে সমতার কথা বলা হয়েছে? ৩৮তম বিসিএস

    (ক) ধারা ২৯ (খ) ধারা ২৬
    (গ) ধারা ৩১ (ঘ) ধারা ২৭
    close

    উত্তর: ধারা ২৭

    • touch_app আরো ...

      গণপ্রজাতনন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগের ২৭ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে। 'সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী'। আন্তর্জাতিক শান্তি নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়নের কথা বলা হয়েছে ২৫ নম্বর অনুচ্ছেদে। সংবিধানের ২৯ অনুচ্ছেদ সরকারি নিয়োগ লাভে সুযোগের সমতা সম্পর্কিত। ৩১ ধারায় বলা হয়েছে আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার সম্পর্কে।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: বাংলাদেশ ইকোনমিক রিভিউ, ২০১৬ অনুসারে বাংলাদেশের শিশু মৃত্যুর হার ( প্রতি হাজারে জীবিত জন্মে) ৩৮তম বিসিএস

    (ক) ৩০ (খ) ২৭
    (গ) ২৯ (ঘ) ২৫
    close

    উত্তর: ৩০

    • touch_app আরো ...

      বাংলাদেশ ইকোনমিক রিভিউ, ২০১৬ অনুযায়ী, প্রতি ১০০০ জীবিত জন্মে বাংলাদেশের শিশুমৃত্যুর হার ছিল ৩০ জন, যা একটি নির্দিষ্ট সময়ের (সাধারণত ১ বছর বয়সের নিচে) মৃত্যুহার নির্দেশ করে এবং এটি বিসিএস পরীক্ষার প্রশ্ন ও বিভিন্ন সোর্সে উল্লেখিত আছে।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মেয়াদে প্রতিবছর বাংলাদেশের গড় প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষমাত্রা-- ৩৮তম বিসিএস

    (ক) ৭.৩০ % (খ) ৭.৪০ %
    (গ) ৭.০০ % (ঘ) ৭.১২ %
    close

    উত্তর: ৭.৪০ %

    • touch_app আরো ...

      (২০১৬-২০২০) মেয়াদে বাংলাদেশের গড় প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭.২ থেকে ৭.৪ শতাংশ। পরিকল্পনাটির মূল লক্ষ্য ছিল এই সময়ের মধ্যে প্রতি বছর গড়ে ৭.২% হারে প্রবৃদ্ধি অর্জন করা এবং শেষ বছরগুলোতে (যেমন ২০২০ সালের মধ্যে) তা ৭.৪% পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া, যা কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও মানবসম্পদ উন্নয়নে সহায়তা করবে


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের গড় মূল্যস্ফীতি ছিল - ৩৮তম বিসিএস

    (ক) ৬.০% (খ) ৫.৯২%
    (গ) ৬.৪৩% (ঘ) ৬.৪১%
    close

    উত্তর: ৫.৯২%

    • touch_app আরো ...

      ২০১৩ - ১৪ অর্থবছরের শুরু থেকেই দেশে মূল্যস্ফীতির হার হ্রাস পেতে থাকে। বার্ষিক গড় মূল্যস্ফীতির হার ২০১৩ - ১৪ অর্থবছরে ৭.৩৫ শতাংশ থেকে হ্রাস পেয়ে ২০১৪ - ১৫ তে দাঁড়ায় ৬.৪১ শতাংশ এবং ২০১৫ - ১৬ অর্থবছরে তা নেমে আসে ৫.৯২ শতাংশে। আর ২০১৭ - ১৮ (জুলাই - এপ্রিল ২০১৮) অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৫.৮৩ শতাংশ।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানি হিসেবে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয় -- ৩৮তম বিসিএস

    (ক) কয়লা (খ) ডিজেল
    (গ) ফার্নেস অয়েল (ঘ) প্রাকৃতিক গ্যাস
    close

    উত্তর: প্রাকৃতিক গ্যাস

    • touch_app আরো ...

      বার্মা ওয়েল কোম্পানির হাত ধরে এ দেশে প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার হয় ১৯৫৫ সালে। দেশের শিল্পখাতে গ্যাস সংযোগ দেয়া হয় সর্বপ্রথম ছাতক গ্যাসক্ষেত্র থেকে ১৯৫৯ সালে। শিল্পখাতে গ্যাসের প্রধান ব্যবহার হয় বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে। বর্তমানে উৎপাদিত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় ৮০% ব্যবহৃত হয় শক্তি উৎপাদন ও সার উৎপাদনের কাজে । দেশের মোট ব্যবহৃত গ্যাসের খাতওয়ারি হার হচ্ছে : বিদ্যুৎ উৎপাদন ৪০.৭৮% , সার ৫.০২% এবং শিল্প ,বাণিজ্য ও গার্হস্থ্য ৩৩.১৪% ।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility