পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .
দয়াকরে অপেক্ষা করুন।
"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের একজন ভোটারের সর্বনিম্ন বয়স কত? ১৯তম বিসিএস
| (ক) ২১ বছর | (খ) ১৮ বছর |
| (গ) ১৬ বছর | (ঘ) ২০ বছর |
উত্তর: ১৮ বছর
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: গ্রীন হাউস এফেক্টের জন্য বাংলাদেশে কোন ধরনের ক্ষতি হতে পারে ? ১৯তম বিসিএস
| (ক) ক্রমশ উত্তাপ বেড়ে যাবে | (খ) বৃষ্টিপাত কমে যাবে |
| (গ) উপরের সবগুলো | (ঘ) নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে |
উত্তর: বৃষ্টিপাত কমে যাবে
গ্রিন হাউস এফেক্টের কারণে বাংলাদেশে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, নিচু এলাকা প্লাবিত, সুন্দরবনের মতো বনভূমির ক্ষতি, লবণাক্ততা বৃদ্ধি, কৃষিতে বিরূপ প্রভাব, প্রাকৃতিক দুর্যোগের (বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড়) তীব্রতা বৃদ্ধি, বিশুদ্ধ পানির সংকট, এবং জীববৈচিত্র্যের হুমকিসহ নানা ধরনের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে, যা দেশের অর্থনীতি ও জীবনযাত্রাকে বিপর্যস্ত করবে।
সম্ভাব্য ক্ষতিসমূহ:
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও প্লাবন: তাপমাত্রা বাড়ার কারণে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে যাওয়ায় সমুদ্রের পানির উচ্চতা বাড়বে, ফলে বাংলাদেশের নিচু coastal অঞ্চল, বিশেষ করে সুন্দরবনের প্রায় ৭০% এলাকা প্লাবিত হয়ে যাবে।
কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা: লবণাক্ততা বৃদ্ধি, বন্যা ও খরা প্রবণতা বাড়ার কারণে ফসলের উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে, যা খাদ্য নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলবে।
প্রাকৃতিক সম্পদের বিনাশ: সুন্দরবনসহ অন্যান্য বনভূমি ধ্বংস হবে এবং অনেক দুর্লভ প্রজাতির প্রাণী ও উদ্ভিদ বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
বিশুদ্ধ পানির সংকট: লবণাক্ত পানির অনুপ্রবেশের ফলে ভূগর্ভস্থ মিঠা পানির উৎসগুলো দূষিত হবে, যা পানীয় জলের অভাব তৈরি করবে।
প্রাকৃতিক দুর্যোগের তীব্রতা: ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, খরা ও জলোচ্ছ্বাসের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের সংখ্যা ও তীব্রতা বাড়বে।
অর্থনৈতিক ক্ষতি: কৃষি, মৎস্য, পর্যটন ও অবকাঠামোগত ব্যাপক ক্ষতি হবে, যা দেশের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
জনস্বাস্থ্য: পানিবাহিত রোগ এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যগত সমস্যা বৃদ্ধি পাবে।
বাস্তুচ্যুতির ঝুঁকি: সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও ভূমিক্ষয়ের কারণে লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হতে পারে
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: কোন দেশের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য বনাঞ্চল প্রয়োজন মোট ভূমির‒ ১৯তম বিসিএস
| (ক) ২০ শতাংশ | (খ) ৩০ শতাংশ |
| (গ) ২৫ শতাংশ | (ঘ) ১৬ শতাংশ |
উত্তর: ২৫ শতাংশ
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য যেকোনো দেশের মোট ভূমির কমপক্ষে ২৫% থেকে ৩৩% বনভূমি থাকা জরুরি, যা প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা, বৃষ্টিপাত নিয়ন্ত্রণ, দূষণ কমানো ও জীববৈচিত্র্যের আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে, অন্যথায় পরিবেশগত ভারসাম্য নষ্ট হয়
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: বাংলাদেশে্র শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস- ১৯তম বিসিএস
| (ক) ১৪ ডিসেম্বর | (খ) ১৬ ডিসেম্বর |
| (গ) ৭ মার্চ | (ঘ) ২১ ফেব্রুয়ারি |
উত্তর: ১৪ ডিসেম্বর
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: মানুষের ক্রোমোজোমের সংখ্যা কত? ১৯তম বিসিএস
| (ক) ২৬ জোড়া | (খ) ২৫ জোড়া |
| (গ) ২৩ জোড়া | (ঘ) ২৪জোড়া |
উত্তর: ২৩ জোড়া
মানুষের প্রতিটি কোষে সাধারণত ২৩ জোড়া বা মোট ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে, যার মধ্যে ২২ জোড়া অটোজোম (শারীরিক বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে) এবং এক জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম (XX মহিলাদের জন্য, XY পুরুষদের জন্য) থাকে, যা লিঙ্গ নির্ধারণ করে।
বিস্তারিত:
মোট সংখ্যা: ৪৬টি ক্রোমোজোম।
জোড়া সংখ্যা: ২৩ জোড়া।
অটোসোম: ২২ জোড়া, যা পুরুষ ও মহিলা উভয়ের ক্ষেত্রে একই রকম।
সেক্স ক্রোমোজোম: ১ জোড়া (XX বা XY)।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: উত্তরা গণভবন কোথায় অবস্থিত? ১৯তম বিসিএস
| (ক) নাটোর | (খ) বগুড়া |
| (গ) রাজশাহী | (ঘ) নওগাঁ |
উত্তর: নাটোর
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: ১৯৯৮ সালে বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট কে পান? ১৯তম বিসিএস
| (ক) সুকের | (খ) জিদান |
| (গ) বেবেতো | (ঘ) রোনাল্ডো |
উত্তর: সুকের
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত? ১৯তম বিসিএস
| (ক) নিউইয়র্ক | (খ) অটোয়ায় |
| (গ) রোমে | (ঘ) জেনেভায় |
উত্তর: রোমে
বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (FAO) প্রধান কার্যালয় ইতালির রোম শহরে অবস্থিত, যা ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং এর মূল লক্ষ্য হলো ক্ষুধা ও অপুষ্টি দূর করা এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
বিস্তারিত:
অবস্থান: ইতালির রোম,।
প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৫ সালে কানাডার কুইবেকে।
মাতৃ সংস্থা: জাতিসংঘ।
লক্ষ্য: সকলের জন্য খাদ্য নিরাপত্তা, পর্যাপ্ত পুষ্টি এবং উন্নত জীবনমান নিশ্চিত করা
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশে কতগুলো সেক্তর ছিল? ১৯তম বিসিএস
| (ক) ১৪ টি | (খ) ১১ টি |
| (গ) ৪ টি | (ঘ) ৭ টি |
উত্তর: ১১ টি
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার জন্য ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল, যার মধ্যে ১০ নম্বর সেক্টরটি ছিল নৌ কমান্ডো ও বিশেষ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে, এবং প্রতিটি সেক্টরকে কয়েকটি করে সাব-সেক্টরেও ভাগ করা হয়েছিল, মোট সাব-সেক্টর ছিল ৬৪টি।
সেক্টর বিভাজনের মূল বিষয়:
মোট সেক্টর: ১১টি।
সাব-সেক্টর: ৬৪টি।
১০ নং সেক্টর: সরাসরি সর্বাধিনায়কের নিয়ন্ত্রণে ছিল, নৌ কমান্ডো ও বিশেষ বাহিনী এর অধীনে ছিল।
সেক্টর কমান্ডার: মোট ১৭ জন সেক্টর কমান্ডার দায়িত্ব পালন করেন।
বিভক্তির কারণ: সুষ্ঠুভাবে যুদ্ধ পরিচালনার কৌশলগত কারণে এই বিভাজন করা হয়েছিল।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: বাংলাদেশের জাতীয় পাখি‒ ১৯তম বিসিএস
| (ক) দোয়েল | (খ) ময়না |
| (গ) শালিক | (ঘ) কাক |
উত্তর: দোয়েল
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: বাংলাদেশের গণপ্রজাতন্ত্রী সংবিধানজক কার্যকর হয় কোন তারিখ থেকে - ২০তম বিসিএস
| (ক) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ | (খ) ২৬ মার্চ ১৯৭৩ |
| (গ) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ | (ঘ) ৭ মার্চ ১৯৭২ |
উত্তর: ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ঠা নভেম্বর গৃহীত হওয়ার পর, ডিসেম্বর ১৬, ১৯৭২ (বিজয় দিবসের প্রথম বার্ষিকী) থেকে কার্যকর (জারি) হয়, যা দেশের সর্বোচ্চ আইন হিসেবে বর্তমানেও বলবৎ আছে।
গৃহীত: ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর।
কার্যকর: ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: বাংলাদেশের জেলার সংখ্যা কত? ২০তম বিসিএস
| (ক) ৫৪ | (খ) ৪৪ |
| (গ) ৩৬ | (ঘ) ৬৪ |
উত্তর: ৬৪
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: বাংলাদেশের সংসদীয় ব্যবস্থা সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়? ২০তম বিসিএস
| (ক) অষ্টম | (খ) দ্বাদশ |
| (গ) একাদশ | (ঘ) নবম |
উত্তর: দ্বাদশ
বাংলাদেশের সংসদীয় ব্যবস্থা সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর (12th Amendment) মাধ্যমে ১৯৯১ সালে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়, যা দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থার পরিবর্তে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি ফিরিয়ে আনে এবং উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলুপ্ত করে।
সংশোধনী: দ্বাদশ সংশোধনী (12th Amendment)।
কার্যকর: ১৯৯১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতির অনুমোদন লাভ করে।
ফলাফল: এর মাধ্যমে বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি পুনঃপ্রবর্তন করা হয় এবং উপ-রাষ্ট্রপতি পদটি বিলুপ্ত করা হয়
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: বাংলার ফরায়েজী আন্দোলনের সূচনাকারী কে ? ২০তম বিসিএস
| (ক) তিতুমীর | (খ) সৈয়দ আহমদ |
| (গ) দুদু মিয়া | (ঘ) হাজী শরিয়তউল্লাহ |
উত্তর: হাজী শরিয়তউল্লাহ
বাংলার ফরায়েজী আন্দোলনের সূচনাকারী ছিলেন হাজী শরীয়তুল্লাহ। তিনি ১৮১৮ সালে এই আন্দোলন শুরু করেন।
এই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল বাংলার মুসলমানদের মধ্যে ইসলামের অবশ্য পালনীয় কর্তব্য বা 'ফরজ' বিধানগুলো পালনে উদ্বুদ্ধ করা এবং স্থানীয় লোকাচার ও কুসংস্কার দূর করা।
হাজী শরীয়তুল্লাহর মৃত্যুর পর তার পুত্র দুদু মিয়া এই আন্দোলনের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন এবং একে একটি আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপ দেন, যা জমিদার ও নীলকরদের শোষণের বিরুদ্ধে কৃষকদের সংগঠিত করেছিল
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: বাংলার প্রাচীনতম জায়গা কোনটি? ২০তম বিসিএস
| (ক) পুণ্ড্র | (খ) গোপালগঞ্জ |
| (গ) সোনারগাঁও | (ঘ) বিক্রমপুর |
উত্তর: পুণ্ড্র
পুণ্ড্র: প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন জনপদ ও রাজধানী ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা মহাস্থানগড়।
সোনারগাঁও ও বিক্রমপুর: এগুলোও প্রাচীন বাংলার গুরুত্বপূর্ণ স্থান হলেও পুণ্ড্রের মতো প্রাচীন নগরকেন্দ্র হিসেবে স্বীকৃত নয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityনতুন সরকারি ও বেসরকারি চাকরির সার্কুলার প্রকাশ হওয়ার সাথে সাথেই notification পাবেন। একদম ফ্রি।