পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .
দয়াকরে অপেক্ষা করুন।
"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।
প্রশ্ন: বর্তমানে বিদেশ থেকে কত টাকার গুরদুধ আমদানি করা হয়? ১৯তম বিসিএস
| (ক) ৩০০ কোটি টাকা | (খ) ৪০০ কোটি টাকা |
| (গ) ৭৫০ কোটি টাকা | (ঘ) ৫০০ কোটি টাকা |
উত্তর: ৭৫০ কোটি টাকা
বাংলাদেশ প্রতি বছর বিদেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকার গুঁড়া দুধ আমদানি করে, যেমন ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রায় ৪,৮১৯ কোটি টাকার এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা বেড়ে ৫,৫৮৬ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে, যা স্থানীয় চাহিদার একটি বড় অংশ মেটাতে ব্যবহৃত হয়, যদিও কিছু প্রতিবেদনে মূল্যস্ফীতির কারণে আমদানি কমে আসার খবরও রয়েছে।
সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান (২০২৩-২৪ এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরের আংশিক):
২০২৩-২৪ অর্থবছরের: প্রায় ৪,৮১৯ কোটি টাকার গুঁড়া দুধ আমদানি করা হয়েছিল।
২০২৪-২৫ অর্থবছরের (চলমান): আমদানি বেড়ে প্রায় ৫,৫৮৬ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।
মূল বিষয়:
আমদানি নির্ভরতা: দেশের গুঁড়া দুধের চাহিদার একটি বড় অংশ আমদানির মাধ্যমে পূরণ হয়, বিশেষ করে বিশ্ববাজারের দাম ও স্থানীয় চাহিদার ওপর নির্ভর করে এই পরিমাণ ওঠানামা করে।
অর্থনৈতিক প্রভাব: উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং বিশ্ববাজারে দাম বৃদ্ধির কারণে গুঁড়া দুধের আমদানি ব্যয় অনেক বেশি।
বাজারের অবস্থা: যদিও আমদানি বেড়েছে, কিছু সময় মূল্যস্ফীতির কারণে চাহিদা অনুযায়ী আমদানি কিছুটা কমও হতে পারে, যা আট বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন আমদানির রেকর্ডও তৈরি করেছে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন খামার কোথায় অবস্থিত? ১৯তম বিসিএস
| (ক) চট্টগ্রাম | (খ) রাজশাহী |
| (গ) সিলেট | (ঘ) সাভার |
উত্তর: সাভার
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামারটি ঢাকার সাভার উপজেলায় অবস্থিত, যা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপরীত দিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক সংলগ্ন। এটি একটি গবেষণা ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠান, যা গবাদিপশুর জাত উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করে।
অবস্থান: সাভার, ঢাকা (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপরীত পাশে)
প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য: গবাদিপশুর জাত উন্নয়ন ও দুগ্ধ উৎপাদন
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: বাংলাদেশের জাতীয় পশু কোনটি? ১৯তম বিসিএস
| (ক) গরু | (খ) ছাগল |
| (গ) রয়েল বেঙ্গল টাইগার | (ঘ) গয়াল |
উত্তর: রয়েল বেঙ্গল টাইগার
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: রপ্তানি আয়ে বর্তমানে প্রানিসম্পদের অবদান কত? ১৯তম বিসিএস
| (ক) ৪.৯৫ শতাংশ | (খ) ৭.৮৭ শতাংশ |
| (গ) ৫.০১ শতাংশ | (ঘ) ২.৪৫ শতাংশ |
উত্তর: ৪.৯৫ শতাংশ
২০১৭ - ১৮ অর্থবছরে রপ্তানি আয়ে প্রাণিসম্পদের (মৎস ও চামড়া) অবদান ছিল ৪.৭৯ শতাংশ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: দেশের রপ্তানি আয়ের মধ্যে চামড়ার অবস্থান কত? ১৯তম বিসিএস
| (ক) ২য় | (খ) ৩য় |
| (গ) ১ম | (ঘ) ৫ম |
উত্তর: ৩য়
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৮ - এর তথ্য মতে, দেশের মোট রপ্তানি আয়ের মধ্যে চামড়ার অবস্থান তৃতীয়।
দেশের রপ্তানি আয়ের মধ্যে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের অবস্থান দ্বিতীয়। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এই খাত থেকে প্রায় ১.১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি আয় হয়েছে, যা মোট রপ্তানি আয়ের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: ক্লোনিং পদ্ধতিতে জন্মগ্রহণকারী ভেড়ার নাম কি? ১৯তম বিসিএস
| (ক) শেলী | (খ) ডলি |
| (গ) নেলী | (ঘ) মলি |
উত্তর: ডলি
ক্লোনিং পদ্ধতিতে জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ভেড়াটির নাম হলো ডলি (Dolly), যা ১৯৯৬ সালে স্কটল্যান্ডের রোজলিন ইনস্টিটিউটে একটি প্রাপ্তবয়স্ক কোষ থেকে ক্লোন করা প্রথম স্তন্যপায়ী প্রাণী হিসেবে পরিচিত। ডলি ভেড়াটি একটি প্রাপ্তবয়স্ক স্তন্যপায়ী প্রাণী থেকে ক্লোন করা হয়েছিল, যা আগে সম্ভব হয়নি এবং এর নামকরণ করা হয়েছিল বিখ্যাত গায়িকা ডলি পার্টনের নামে।
জন্ম: ৫ জুলাই, ১৯৯৬।
গুরুত্ব: একটি প্রাপ্তবয়স্ক দেহকোষ থেকে ক্লোন করা প্রথম স্তন্যপায়ী প্রাণী।
পদ্ধতি: সোম্যাটিক সেল নিউক্লিয়ার ট্রান্সফার (SCNT) ব্যবহার করা হয়েছিল।
মৃত্যু: ২০০৩ সালে ফুসফুসের জটিলতায় মারা যায়
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বপ্রথম উপাচার্য কে ছিলেন? ১৯তম বিসিএস
| (ক) ড. কাজী ফজলুর রহিম | (খ) ড. ওসমান গনি |
| (গ) অধ্যাপক মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরীন | (ঘ) ড. এস ডি চৌধুরী |
উত্তর: ড. ওসমান গনি
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য ছিলেন ড. ওসমান গণি। তিনি ১৯৬১ থেকে ১৯৬৩ সাল পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করেন।
প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৬১ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।
প্রথম উপাচার্য: ড. ওসমান গণি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান।
কার্যকাল: তিনি ১৯৬১ সাল থেকে ১৯৬৩ সাল পর্যন্ত উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেন
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: সাম্প্রতিকালে নোবেল পুরষ্কার প্রাপ্ত কোন কৃষি বিজ্ঞানী বাংলাদেশ সফর করেন? ১৯তম বিসিএস
| (ক) ড. সবমিনাথর | (খ) প্রফেসর ড. আব্দুস সালাম |
| (গ) ড. আব্দুস কাদের | (ঘ) প্রফেসর নরম্যান বোরলগ |
উত্তর: প্রফেসর নরম্যান বোরলগ
সাম্প্রতিককালে নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত কৃষিবিজ্ঞানী বাংলাদেশ সফর করেন প্রফেসর নরম্যান বোরলগ।
নরম্যান বোরলাউগ (মার্চ ২৫, ১৯১৪ – সেপ্টেম্বর ১২, ২০০৯) বিখ্যাত মার্কিন কৃষিবিজ্ঞানী এবং শান্তিতে নোবেল বিজয়ী, যিনি সবুজ বিপ্লবের জনক হিসেবে খ্যাত।
বোরলাউগ পাঁচ জনের মধ্যে একজন তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার, প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম এবং কংগ্রেসনাল গোল্ড মেডেল তিনটি পদক লাভ করেছেন। এছাড়াও তিনি ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা পদ্মভূষণ লাভ করেন।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: গবাদিপশুর জাত উন্নয়নে পাক ভারত উপমহাদেশে কোন ব্রিটিশ প্রথম অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন? ১৯তম বিসিএস
| (ক) লর্ড লিনলিথগো | (খ) লর্ড ক্লাইভ |
| (গ) মি. জে এইচ বি হেলেন | (ঘ) ওয়ারেন হেস্টিংস |
উত্তর: লর্ড লিনলিথগো
গবাদিপশুর জাত উন্নয়নে পাক-ভারত উপমহাদেশে প্রথম অগ্রণী ভূমিকা পালনকারী ব্রিটিশ ব্যক্তি হলেন লর্ড লিনলিথগো (Lord Linlithgow). তিনি ভিক্টর আলেকজান্ডার জন হোপ, লিনলিথগোর ২য় মার্কেস হিসেবে পরিচিত এবং ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় থাকাকালীন এই ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন, যা প্রশ্ন ও সমাধানভিত্তিক বিভিন্ন পরীক্ষায় এসেছে.
লর্ড লিনলিথগো: তাঁর সময়ে গবাদিপশুর জাত উন্নয়ন ও গবেষণার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে গোচারণের জন্য বাথান আছে? ১৯তম বিসিএস
| (ক) বরিশাল | (খ) সিরাজগঞ্জ |
| (গ) ফরিদপুর | (ঘ) দিনাজপুর |
উত্তর: সিরাজগঞ্জ
বাংলাদেশের গো - চারণের জন্য বাথান আছে সিরাজগঞ্জ অঞ্চলে। শাহজাদপুরের অনেক ঐতিহ্যের মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখ করার মতো এখানকার অসাধারণ বৈশিষ্ট্য মণ্ডিত বাথান ভূমি - অর্থাৎ বিশাল সুবিস্তৃত গো - চারণ ভূমি। বাংলাদেশে আর কোথাও এতো বড় এতো উর্বর গো - চারণ ভূমি বোধ হয় নেই। এর আয়তন প্রায় ১, ২০০ (বারশো) একর।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: বিশ্বব্যাংকের ১৯৯৭ সালের হিসাব অনুসারে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় কত? ১৯তম বিসিএস
| (ক) ২০০ মার্কিন ডলার | (খ) ২৪০ মার্কিন ডলার |
| (গ) ২২৫ মার্কিন ডলার | (ঘ) ২৬০ মার্কিন ডলার |
উত্তর: ২৬০ মার্কিন ডলার
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: বাংলাদেশে পার্বত্য শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়‒ ১৯তম বিসিএস
| (ক) ২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ | (খ) ৩ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ |
| (গ) ৩ জানুয়ারি, ১৯৯৮ | (ঘ) ২২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ |
উত্তর: ২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
বাংলাদেশে পার্বত্য শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে। এই চুক্তিটি বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল, যার লক্ষ্য ছিল পার্বত্য চট্টগ্রামের সংঘাতের অবসান ঘটানো এবং শান্তি প্রতিষ্ঠা করা
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: জাতিসংঘের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত? ১৯তম বিসিএস
| (ক) প্যারিস | (খ) নিউইয়র্ক |
| (গ) লন্ডন | (ঘ) মস্কো |
উত্তর: নিউইয়র্ক
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ কোনটি? ১৯তম বিসিএস
| (ক) কয়লা | (খ) সাদামাটি |
| (গ) চুনাপাথর | (ঘ) গ্যাস |
উত্তর: গ্যাস
বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ হলো গ্যাস (প্রাকৃতিক গ্যাস), যা দেশের জ্বালানি, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রধান ভূমিকা পালন করে, যদিও কয়লা, চুনাপাথর, সাদামাটি, চিনা মাটি, গ্লাসের বালি এবং অন্যান্য খনিজ সম্পদও দেশে রয়েছে।
প্রাকৃতিক গ্যাস (ঘ): দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটানো এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনে এর ব্যবহার সবচেয়ে বেশি, তাই এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
অন্যান্য খনিজ: কয়লা, চুনাপাথর, সাদামাটি, কাচের বালি (glass sand), তেল, এবং অন্যান্য খনিজ সম্পদও রয়েছে, তবে গ্যাসের গুরুত্ব অপরিসীম
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্টের নাম কী? ১৯তম বিসিএস
| (ক) জর্জ ওয়াশিংটন | (খ) কেনেডী |
| (গ) আব্রাহাম লিংকন | (ঘ) রুজভেল্ট |
উত্তর: আব্রাহাম লিংকন
যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্টের নাম হলো আব্রাহাম লিংকন (Abraham Lincoln), যিনি ১৮৬৩ সালে 'মুক্তির ঘোষণাপত্র' (Emancipation Proclamation) জারি করেন এবং পরবর্তীতে ১৩তম সংশোধনী পাসের মাধ্যমে দেশে দাসপ্রথার পুরোপুরি অবসান ঘটান, যা তাকে এই ঐতিহাসিক ভূমিকার জন্য স্মরণীয় করে রেখেছে।
মূল বিষয়:
আব্রাহাম লিংকন: যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট, যিনি দাসপ্রথা বিলোপের প্রধান কারিগর ছিলেন।
মুক্তির ঘোষণাপত্র (Emancipation Proclamation): ১৮৬৩ সালের ১ জানুয়ারি লিংকন এটি জারি করেন, যা বিদ্রোহী রাজ্যগুলোর দাসদের মুক্তি দেয়।
১৩তম সংশোধনী: এটি ১৮৬৫ সালে পাস হয় এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথাকে পুরোপুরি নিষিদ্ধ করে, যার পেছনে লিংকনেরও বড় অবদান ছিল
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityনতুন সরকারি ও বেসরকারি চাকরির সার্কুলার প্রকাশ হওয়ার সাথে সাথেই notification পাবেন। একদম ফ্রি।