পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .

দয়াকরে অপেক্ষা করুন।

"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।

সহায়িকা


সাধারন বিজ্ঞান পরমাণু ও তেজস্ক্রিয়তা পদার্থের অবস্থা বিদ্যুৎ ও চুম্বকত্ব শব্দ ও তরঙ্গ আলো তাপ ও তাপগতিবিদ্যা বল, গতি ও শক্তি দৈনন্দিন জীবনে রসায়ন জৈব রসায়ন রাসায়নিক বিক্রিয়া ধাতু ও অধাতু অ্যাসিড, ক্ষার ও লবণ পর্যায় সারণি মৌল ও যৌগ জেনেটিক্স ও বংশগতি রোগ ও প্রতিরোধ পুষ্টি ও ভিটামিন রক্ত ও সংবহনতন্ত্র মানবদেহ প্রাণিবিজ্ঞান উদ্ভিদবিজ্ঞান কোষ ও কলা আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মহাকাশ ও জ্যোতির্বিজ্ঞান পরিবেশ ও বাস্তুতন্ত্র ভূমিকম্প ও ভূবিজ্ঞান আবহাওয়া ও জলবায়ু
  • প্রশ্ন: মোবাইল টেলিফোনের লাইনের মধ্যদিয়ে প্রবাহিত হয়- ৩৬তম বিসিএস

    (ক) আলোক শক্তি (খ) চৌম্বক শক্তি
    (গ) তড়িৎ শক্তি (ঘ) শব্দ শক্তি
    close

    উত্তর: তড়িৎ শক্তি

    • touch_app আরো ...

      মোবাইল টেলিফোনের লাইনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় শব্দশক্তি তড়িৎশক্তিতে রুপান্তরিত হয় । এই তড়িৎশক্তি আবার শব্দশক্তিতে রুপান্তরিত হয়ে শ্রোতার কানে পৌঁছায় । অতএব মোবাইল টেলিফোনের লাইনের মধ্যদিয়ে তড়িৎশক্তি প্রবাহিত হয়।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: জীব জগতের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর রশ্মি কোনটি? ৩৬তম বিসিএস

    (ক) আলফা রশ্মি (খ) আলট্রাভয়োলেট রশ্মি
    (গ) গামা রশ্মি (ঘ) বিটা রশ্মি
    close

    উত্তর: গামা রশ্মি

    • touch_app আরো ...

      গামারশ্মি।

      জীবজগতের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর রশ্মি গামা ( Y) । এর ভেদন ক্ষমতা মহাবিশ্বের যেকোনো কণা বা তরঙ্গের থেকে বেশি।

      তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে গামা বিকিরণ নির্গত হয়। এটি প্রাণিদেহ বা উদ্ভিদ দেহের মধ্য দিয়ে গমনকালে স্থায়ী ক্ষতি সাধন করে ।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: কোন রং বেশি দূর থেকে দেখা যায়? ৩৬তম বিসিএস

    (ক) কালো (খ) হলুদ
    (গ) লাল (ঘ) সাদা
    close

    উত্তর: লাল

    • touch_app আরো ...

      লাল রঙের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বড় এবং বিক্ষেপণ সবচেয়ে কম । তাই লাল রং বেশি দূর থেকে দেখা যায় । অন্যদিকে সাদা ও কালো কোনো রং নয়। সবগুলো রং যেখান থেকে প্রতিফলিত হয় তাকে দেখা যায় এবং যেখানে সবগুলো রং শোষিত হয় তাকে কালো দেখা যায় । হলুদ রঙের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য লাল ও কমলা রঙের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য থেকে ছোট।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত গামা বিকিরণের উৎস হলো- ৩৬তম বিসিএস

    (ক) রাসায়নিক পদার্থ (খ) আইসোটোপ
    (গ) আইসোটোন (ঘ) আইসোবার
    close

    উত্তর: আইসোটোপ

    • touch_app আরো ...

      ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত গামা বিকিরণের উৎস একই কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাকে আইসোটোপ বলে। ক্যান্সার চিকিৎসায় সাধারণত কোবাল্ট ৬০ (60C0) আইসোটোপ ব্যবহার করা যায়।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: আকাশের রংধনু সৃষ্টির কারণ- ৩৭তম বিসিএস

    (ক) অতিবেগুণী রশ্মি (খ) বায়ুস্তর
    (গ) ধুলিকণা (ঘ) বৃষ্টির কণা
    close

    উত্তর: বৃষ্টির কণা

    • touch_app আরো ...

      বৃষ্টির পর আকাশ পরিষ্কার মনে হয়। কিন্তু কিছু কিছু পানির কণা তখনও বাতাসে ভাসতে থাকে। সূর্যের আলো এ পানির কণা ভেদ করে পৃথিবীতে আসে। পানির কণা ভেদ করার সময় সূর্যের আলো বেঁকে যায়। আর সূর্যের সাদা রং সাতটি রঙে ভাগ হয়ে যায়। এ রঙগুলো হলো - বেগুনি নীল, আসমানি, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল। এ সাতটি রঙকে আমরা রংধনুর আকারে আকাশে দেখি।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: ঈষ্টের সংশ্লিষ্টতা নেই কোন শিল্পে? ৩৭তম বিসিএস

    (ক) সাইট্রিক এসিড (খ) এক কোষীয় প্রোটিন (Single-cell-protein) তৈরীতে
    (গ) রুটি শিল্পে (Bakery) (ঘ) মদ্য শিল্পে (Wine industry)
    close

    উত্তর: সাইট্রিক এসিড

    • touch_app আরো ...

      ইস্ট একধরনের আদিকোষী অণুজীব যা প্রকৃতিতে খুবই সহজলভ্য। এটা বেকারি শিল্পে পাউরুটি , কেকসহ নানা খাবার তৈরি , চােলাই বিয়ার ও মদ্য তৈরি ইত্যাদি ক্ষেত্রে বহুল ব্যবহৃত হয়। সাইট্রিক এসিড উৎপাদনে ইস্টের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। সাইট্রিক এসিড উৎপাদনে ব্যবহার করা হয় পেনিসিলিয়াম ।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: চন্দ্রে কোন বস্তুর ওজন পৃথিবীর ওজনের- ৩৭তম বিসিএস

    (ক) চার ভাগের একভাগ (খ) ছয় ভাগের একভাগ
    (গ) দশ ভাগের একভাগ (ঘ) তিন ভাগের একভাগ
    close

    উত্তর: ছয় ভাগের একভাগ

    • touch_app আরো ...

      চাঁদ বনাম পৃথিবী:

      চাঁদের ভর 1/100 গুণ এবং চাঁদের ব্যাসার্ধ পৃথিবীর 1/4 গুণ।
      যেহেতু চাঁদের অভিকর্ষের কারণে ত্বরণ পৃথিবীর তুলনায় ছয় ভাগের এক ভাগ।
      সুতরাং চাঁদে যেকোনো বস্তুর ওজন = 1/6 × পৃথিবী পৃষ্ঠের উপর থাকা যেকোনো বস্তুর ওজন।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: মানবদেহে রোগ প্রতিরোধে প্রাথমিক প্রতিরক্ষাস্তরের (First line defence) অন্তভূক্ত নয় কোনটি? ৩৭তম বিসিএস

    (ক) লিম্ফোসাইট(LYMPHOCYTES) (খ) গ্যাসট্রিক জুস (GASTRIC JUICE)
    (গ) লাইসোজাইম (LYSOZYME) (ঘ) সিলিয়া (CILIA)
    close

    উত্তর: লিম্ফোসাইট(LYMPHOCYTES)

    • touch_app আরো ...

      মানবদেহে রোগ প্রতিরোধ প্রাথমিক প্রতিক হলো ত্বক, অশ্রু, শ্লেষ্মা, মুখের লালা, চোখের (cilia), পাকস্থলি এসিড ইত্যাদি। অশ্রু, শ্লেষ্মা বিদ্যমান একপ্রকার এনজাইম হলো লাইসোজাইম । লিম্ফোসাইট হলো একপ্রকার শ্বেত রক্তকণিকা তৃতীয় প্রতিরক্ষা স্তরের অন্তর্ভুক্ত।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: নীচের কোনটি ভাইরাসের (VIRUS) জন্য সত্য নয়? ৩৭তম বিসিএস

    (ক) রাইবোজোম (Ribosome) থাকে (খ) শুধুমাত্র জীবদেহের অভ্যন্তরে সংখ্যাবৃদ্ধি করে
    (গ) স্ফটিক দানায় রূপান্তরিত (CRYSTALIATION) (ঘ) ডি. এন. এ বা আর. এন. এ থাকে
    close

    উত্তর: রাইবোজোম (Ribosome) থাকে

    • touch_app আরো ...

      অকোষীয় অণুজীব ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য হলো - DNA বা RNA আছে, জীবদেহের অভ্যন্তরে সংখ্যাবৃদ্ধি করতে পারে, এদেরকে crystal বা স্ফটি দানায় রুপান্তরিত করা যায়। এদের সাইটোপ্লাজ , নিউক্লিয়াস, কোষীয় ক্ষুদ্রাঙ্গ এবং বিপাকীয় এনজাইম নেই। সুতরাং এখানে রাইবোজোম ও থাকবে না।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: তাপ ইঞ্জিনের কাজ – (Heat Engine) ৩৭তম বিসিএস

    (ক) তাপ শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর (খ) যান্ত্রিক শক্তিকে তাপশক্তিতে রূপান্তর
    (গ) তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর (ঘ) বিদ্যুৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর
    close

    উত্তর: তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর

    • touch_app আরো ...

      তাপ ইঞ্জিন - এর কাজ হলো তাপশক্তিকে যান্ত্রিকশক্তিতে রুপান্তরিত করা। অন্যদিকে বৈদ্যুতিক মোটর বিদ্যুৎশক্তিকে যান্ত্রিকশক্তিতে, হাতে হাত ঘষলে যান্ত্রিকশক্তি তাপশক্তিতে এবং দুটি ভিন্ন ধাতব পদার্থের সংযোগস্থলে তাপ প্রয়োগ করলে তাপশক্তি বিদ্যূৎশক্তিতে রুপান্তরিত হয়।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ কত? ৩৭তম বিসিএস

    (ক) ০ m/s (খ) ১১২০ m/s
    (গ) ২৮০ m/s (ঘ) ৩৩২ m/s
    close

    উত্তর: ০ m/s

    • touch_app আরো ...

      মাধ্যম ছাড়া শব্দ চলতে পারে না। তাই শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ হবে শুণ্য । কঠিন মাধ্যমে শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি। বায়বীয় মাধ্যমে শব্দের বেগ সবচেয়ে কম। উল্লেখ্য, বাতাসে শব্দের বেগ ৩৩২ মি/সি।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: দৈনিক খাদ্য তালিকায় সামুদ্রিক মাছ/শৈবালের অন্তর্ভুক্তি, কোন রোগের প্রাদুর্ভাব কমাতে সাহায্য করবে? ৩৭তম বিসিএস

    (ক) এমিয়া (খ) রাতকানা
    (গ) হাইপো-থাইরয়ডিজম (HYPOTHYROIDSIM) (ঘ) কোয়াশিয়রকর (KWASHIORKOY)
    close

    উত্তর: হাইপো-থাইরয়ডিজম (HYPOTHYROIDSIM)

    • touch_app আরো ...

      কোনো কারণে থাইরয়েড গ্রন্থির হরমোন উৎপাদন কমে গেলে তাকে হাইপো - থাইরয়ডিজম বলে। বাংলাদেশে প্রধানত খাদ্যে আয়োডিনের ঘাটতির কারণে এ হরমোন উৎপাদন ব্যাহত হয়। দৈনন্দিন খাবারের সঙ্গে বেশি পরিমাণ আয়োডিনযুক্ত খাদ্য (শাকসবজি, ফলমূল, সামুদ্রিক মাছ ও শৈবাল) ও আয়োডিনযুক্ত লবণ খেয়ে এ রোগ থেকে আরোগ্য লাভ করা যায়।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: গ্রীন হাউজ কি? ৩৭তম বিসিএস

    (ক) সবুজ ভবনের নাম (খ) সবুজ গাছপালা
    (গ) সবুজ আলোর আলোকিত ঘর (ঘ) কাঁচের তৈরী ঘর
    close

    উত্তর: কাঁচের তৈরী ঘর

    • touch_app আরো ...

      গ্রিন হাউজ হলো কাঁচ নির্মিত সবুজ ঘর।

      গ্রিন হাউজ বা গ্রীনহাউজ হলো একটি কাঁচের বা প্লাস্টিকের আবরণযুক্ত ঘর যেখানে বিভিন্ন প্রকার গাছপালা রাখা হয়। এটি তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, আলো সরবরাহ, এবং পরিবেশের অন্যান্য উপাদানের ওপর নিয়ন্ত্রণ রেখে গাছপালার বৃদ্ধি এবং উৎপাদন বাড়ানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।

      শীতপ্রধান দেশগুলোর তাপমাত্রা বেশির ভাগ সময়েই শাক-সবজি উৎপাদনের অনুকূলে থাকে না৷ তাই এসব শীতপ্রধান দেশে বিশেষ ধরনের কাঁচের তৈরি ঘরে কৃত্রিম উষ্ণ পরিবেশে শাকসবজি ও বিভিন্ন ফুল-ফলের চাষাবাদ করা হয়ে থাকে। এই কাঁচের তৈরি ঘরগুলোই গ্রীন হাউজ নামে পরিচিত।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: কোনটি জারক পদার্থ নয়? ৩৭তম বিসিএস

    (ক) ক্লোরিন (খ) অক্সিজেন
    (গ) হাইড্রোজেন (ঘ) ব্রোমিন
    close

    উত্তর: হাইড্রোজেন

    • touch_app আরো ...

      জারক পদার্থগুলো ইলেকট্রন গ্রহণ করে অন্যকে জারিত করে ও নিজে বিজারিত হয়। অক্সিজেন ,ক্লোরিন ও ব্রোমিন প্রত্যেকই ইলেক্ট্রন গ্রহণ করে, তাই এরা জারক পদার্থ। অন্যদিকে হাইড্রোজেন ইলেকট্রন ত্যাগ করে তাই এটা জারক নয় , বিজারক ।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: নিউক্লিয়াসের বিভাজনকে কি বলা হয়? ৩৭তম বিসিএস

    (ক) ফিউশন (খ) মেসন
    (গ) ফিউশন ও মেসন (ঘ) ফিশন
    close

    উত্তর: ফিশন

    • touch_app আরো ...

      যে নিউক্লীয় বিক্রিয়ায় একটি নিউক্লিয়াস বিভাজিত হয়ে দুটি নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় তাকে ফিশন বিক্রিয়া বলে। অন্যদিকে দুটি নিউক্লিয়াসের সংযোগে একটি নিউক্লিয়াস তৈরি হওয়াকে ফিউশন বিক্রিয়া বলে। মেসন হলো মৌলের ক্ষুদ্রতম কণিকা।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility