পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .

দয়াকরে অপেক্ষা করুন।

"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।

সহায়িকা


বাংলা ভাষা পদ প্রকরণ ক্রিয়াপদ কাল, পুরুষ এবং কালের বিশিষ্ট প্রয়োগ সমাপিকা, অসমাপিকা ও যৌগিক ক্রিয়ার প্রয়োগ বাংলা অনুজ্ঞা ক্রিয়া বিভক্তি :সাধু ও চলিত কারক ও বিভক্তি এবং সম্বন্ধ পদ ও সম্বোধন পদসন্ধি বাক্য প্রকরণ শব্দের যোগ্যতার বিকাশ ও বাগধারা বাচ্য ও বাচ্য পরিবর্তন উক্তি পরিবর্তন সন্ধি সমাস প্রত্যয় উপসর্গ অনুসর্গ ণত্ব ও ষত্ব বিধান বানান শুদ্ধি বাক্য শুদ্ধি প্রয়োগ-অপপ্রয়োগ ধ্বনি ও বর্ণ শব্দ লিঙ্গ বচন পুরুষ ও স্ত্রীবাচক শব্দ সংখ্যাবাচক শব্দ পদাশ্রিত নির্দেশক সমার্থক শব্দ বিপরীতার্থক শব্দ বাগধারা প্রবাদ-প্রবচন এককথায় প্রকাশ পরিভাষা শব্দের উৎস বাংলা অনুবাদ প্রাচীন ও মধ্যযুগের সাহিত্য আধুনিক যুগের সাহিত্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাজী নজরুল ইসলাম মাইকেল মধুসূদন দত্ত বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কবি ও সাহিত্যিক পরিচিতি গ্রন্থ ও রচয়িতা উপাধি ও ছদ্মনাম পত্রিকা ও সাময়িকী মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্য ছন্দ ও অলংকার বাক্যের শ্রেণিবিভাগ পদ পরিবর্তন শব্দের শ্রেণিবিভাগ বর্ণ ও ধ্বনির উচ্চারণ যতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্ন পত্র লিখন Sentence Transformation ইংরেজি বাগধারা ও idiom সারাংশ ও ভাবসম্প্রসারণ লিখন ডাক ব্যবস্থা ও পোস্টাল কোড সংগীত ও সংস্কৃতি সম্পর্কিত শব্দ
  • প্রশ্ন: ‘রুখের তেন্তুলি কুমীরে খাই’ এর অর্থ কী? ৪৩তম বিসিএস

    (ক) বৃক্ষের শাখায় পাকা তেঁতুল (খ) তেজি কুমিরকে রুখে দিই
    (গ) গাছের তেঁতুল কুমিরে খায় (ঘ) ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হয়
    close

    উত্তর: গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়

    • touch_app আরো ...

      'রুখের তেন্তুলি কুমীরে খাই' চর্যাপদের একটি বিখ্যাত পঙক্তি, যার আক্ষরিক অর্থ গাছের তেঁতুল কুমিরে খায় । এটি চর্যাপদের মহিলা কবি কুক্কুরীপা রচিত পদে পাওয়া যায় । এই বাক্যাংশটি মূলত অসম্ভব বা অদ্ভুত কোনো পরিস্থিতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: মনসা দেবীকে নিয়ে লেখা বিজয়গুপ্তের মঙ্গলকাব্যের নাম কী? ৪৩তম বিসিএস

    (ক) ‘পদ্মপুরাণ’ (খ) ‘পদ্মাবতী’
    (গ) ‘মনসামঙ্গল’ (ঘ) ‘মনসাবিজয়
    close

    উত্তর: ‘পদ্মপুরাণ’

    • touch_app আরো ...

      - বাংলা সাহিত্যে মঙ্গলকাব্য ধারার প্রাচীনতম কাব্য 'মনসামঙ্গল' ।
      - সাপের দেবী মনসার স্তব, স্তুতি, কাহিনী ইত্যাদি নিয়ে রচিত কাব্য মনসামঙ্গল।
      - 'মনসামঙ্গল' কাব্যের অপর নাম 'পদ্মাপুরাণ' ।
      - মনসামঙ্গল কাব্যের আদি কবি - কানাহরি দত্ত;
      - শ্রেষ্ঠ কবি হিসাবে বিবেচনা করা হয় - দ্বিজ বংশীদাশকে।
      - এই কাব্যের চরিত্রঃ বেহুলা, দেবী মনসা, লক্ষীন্দর, চাঁদ সওদাগর প্রমুখ।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: দৌলত উজির বাহরাম খাম সাহিত্যসৃষ্টিতে কার পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেন? ৪৩তম বিসিএস

    (ক) কোরেশী মাগন ঠাকুর (খ) সুলতান খিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
    (গ) সুলতান বরবক শাহ (ঘ) জমিদার নিজাম শাহ
    close

    উত্তর: জমিদার নিজাম শাহ

    • touch_app আরো ...

      যোগ শতকের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার মুসলিম কবি দৌলত উজির বাহরাম খান। তিনি চট্টগ্রামের জাফরাবাদের শাসনকর্তা জমিদার নিজাম শাহের দেওয়ান ছিলেন। তিনি নিজাম শাহের পৃষ্ঠপোষকতায় পারসিয়ান কবি জামির আরবি লোকগাথা পায় থেকে বাংলায় 'লায়লী - মজনু' অনুবাদ করেন। তাঁর প্রকৃত নাম বাহরাম খান। জমিদার নিজাম শাহ তাকে দৌলান করেন। গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আহাম শাহের পৃষ্ঠপোষকতায় শাহ মুহম্মদ সগীর ‘ইউসুফ - জোলেখা রচনা করেন। করুনউদ্দিন বরবক শাহের পৃষ্ঠপোষকতায় মালাধর বসু 'শ্রীকৃষ্ণবিজয়' কাব্য রচনা করেন। কোরেশী মাগন ঠাকুরের উৎসাহে আলাওল 'পদ্মাবতী' কাবা রচনা করেন।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: চর্যাপদে’র প্রাপ্তিস্থান কোথায়? ৪৩তম বিসিএস

    (ক) উড়িষ্যা (খ) বাংলাদেশ
    (গ) নেপাল (ঘ) ভুটান
    close

    উত্তর: নেপাল

    • touch_app আরো ...

      প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদ। ১৮৮২ সালে বিবিয়াম পত্রিকার সম্পাদক রাজেন্দ্রলাল মিত্র Sanskrit Buddhist Literature in Nepal' গ্রন্থে নেপালে থা সংস্কৃত ভাষায় রচিত বিভিন্ন বৌদ্ধতান্ত্রিক সাহিত্যের কথা প্রকাশ করেন। রাজেন্দ্রলালের মৃত্যুর পর তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার বাংলা, বিহার ও আসাম অঞ্চলের পুঁথি সপ্তাহের দায়িত্ব দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মহামহোপাধ্যায় হরপ্রস শাস্ত্রীর উপর। তিনি তৃতীয়বারের প্রচেষ্টা ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের সন্থাগারে (রয়েল লাইব্রেরি) নতুন কিছু পুঁথির সন্ধান পান, মা 'চর্যাচর্যবিনিশ্চয়', 'ডাকার্ণব’, ‘সরহপানের দোহা' ও 'কৃষ্ণপাদের দোহা নামে পরিচিত। পরবর্তীতে এগুলো তাঁর সম্পাদনায় ১৯১ খ্রিষ্টাব্দে (১৩২৩ ব.) কলকাতার 'বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ' থেকে 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা' নামে প্রকাশিত হয়।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কোথায় জন্মগ্রহণ করেন? ৪৩তম বিসিএস

    (ক) চৌবেরিয়া গ্রাম, নদীয়া (খ) দেবানন্দপুন গ্রাম, হুগলি
    (গ) কীঠালপাড়া রাম, চব্বিশ পরগনা (ঘ) বীরসিংহ গ্রাম, মেদিনীপুর
    close

    উত্তর: বীরসিংহ গ্রাম, মেদিনীপুর

    • touch_app আরো ...

      বীরসিংহ হল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ঘাটাল মহকুমার ঘাটাল ব্লকের অন্তর্গত একটা বড়ো গ্রাম। বীরসিংহ গ্রামের প্রথম পরিচয় হল এটা বাংলার স্বনামধন্য সমাজ সংস্কারক তথা বাংলা বর্ণপরিচয় প্রণেতা পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মস্থান।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: ‘তোমারেই যেন ভালোবাসিয়াছি শত রূপে শত বার/জনমে জনমে যুগে যুগে অনিবার।’-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন কবিতার অংশ? ৪৩তম বিসিএস

    (ক) ‘অনন্ত প্রেম’ (খ) ‘উপহার’
    (গ) ‘শেষ উপহার’ (ঘ) ‘ব্যক্ত প্রেম’
    close

    উত্তর: ‘অনন্ত প্রেম’

    • touch_app আরো ...

      “তোমারেই যেন ভালোবাসিয়াছি. শত রূপে শত বার. জনমে জনমে, যুগে যুগে অনিবার।” কাব্যাংশটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মানসী কাব্যগ্রন্থের অনন্ত প্রেম কবিতার অংশ।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর উপাধি কী? ৪৩তম বিসিএস

    (ক) মহামহোপাধ্যায় (খ) বিদ্যাসাগর
    (গ) পণ্ডিত (ঘ) শাস্ত্রজ্ঞ
    close

    উত্তর: মহামহোপাধ্যায়

    • touch_app আরো ...

      হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর প্রধান উপাধিগুলো হলো শাস্ত্রী এবং মহামহোপাধ্যায়, যা তাঁর গভীর পাণ্ডিত্য ও সংস্কৃত শাস্ত্রে দক্ষতার জন্য দেওয়া হয়েছিল; তিনি "মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী" হিসেবেই অধিক পরিচিত। তাঁর পারিবারিক নাম ছিল ভট্টাচার্য, কিন্তু তিনি Sanskrit College থেকে MA ডিগ্রি ও 'শাস্ত্রী' উপাধি লাভ করার পর থেকেই এই নামে পরিচিত হন


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: “‌ঐ ক্ষেপেছে পাগলি মায়ের দামাল ছেলে”-কে এই দামান ছেলে? ৪৩তম বিসিএস

    (ক) কামাল পাশা (খ) সুভাষ বসু
    (গ) কাজী নজরুল ইসলাম (ঘ) চিত্তরঞ্জন দাস
    close

    উত্তর: কামাল পাশা

    • touch_app আরো ...

      "ঐ ক্ষেপেছে পাগলী মায়ের দামাল ছেলে" বলতে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কবিতা "কামাল পাশা"-এর নায়ক, তুর্কি বীর মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক-কে বোঝানো হয়েছে, যিনি মাতৃভূমিকে রক্ষা ও আধুনিকীকরণে এক অপ্রতিরোধ্য শক্তি ছিলেন, তাই তাঁকে 'দামাল ছেলে' বলা হয়েছে।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: সজনীকন্ত দাস সম্পাদিত পত্রিকার নাম কী? ৪৩তম বিসিএস

    (ক) রবিবারের ডাক (খ) বঙ্গদর্শন
    (গ) শনিবারের চিঠি (ঘ) বিজলি
    close

    উত্তর: রবিবারের ডাক

    • touch_app আরো ...

      শনিবারের চিঠি বাংলাভাষার অন্যতম বিখ্যাত সাহিত্য-সাময়িকী, যা বিংশ শতকের প্রথমার্ধে ১৯২৪ খ্রিষ্টাব্দে প্রবর্তিত হয়েছিল। এটি ছিল একটি সাপ্তাহিক কাগজ এবং এর মূল স্বত্বাধিকারী ছিলেন অশোক চট্টোপাধ্যায় যোগানন্দ দাস এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক। তবে আদ্যোপান্ত শনিবারের চিঠি'র প্রাণপুরুষ ছিলেন কবি-সাহিত্যিক সজনীকান্ত দাস।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: ‘মানুষের মৃত্যু হলে তবুও মানব থেকে যায়’-কে রচনা করেন এই কাব্যাংশ? ৪৩তম বিসিএস

    (ক) প্রেমেন্দ্র মিত্র (খ) জীবনানন্দ দাশ
    (গ) সমর সেন (ঘ) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
    close

    উত্তর: জীবনানন্দ দাশ

    • touch_app আরো ...

      এই পঙক্তিটি জীবনানন্দ দাসের। জীবনানন্দ দাশ ‘মানুষের মৃত্যু হ’লে’ কবিতায় বলেছেন, ‘মানুষের মৃত্যু হ’লে তবুও মানব থেকে যায়; অতীতের থেকে উঠে আজকের মানুষের কাছে/প্রথমত চেতনার পরিমাপ নিতে আসে।’


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস? ৪৩তম বিসিএস

    (ক) ‘কাদো নদী কাদো’ (খ) ‘রাঙা প্রভাত’
    (গ) ‘প্রদোষে প্রাকৃতজন’ (ঘ) ‘নেকড়ে অরণ্য’
    close

    উত্তর: ‘নেকড়ে অরণ্য’

    • touch_app আরো ...

      মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস রচনায় শওকত ওসমান (১৯১৭-৯৮) এর অবদান অবিস্মরণীয়। তাঁর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের সংখ্যা চারটি। ‘জাহান্নাম হইতে বিদায়’ (১৯৭১), ‘নেকড়ে অরণ্য’ (১৯৭৩) ‘দুই সৈনিক’ (১৯৭২), ‘জলাঙ্গী’ (১৯৭৩)।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: ‘মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে’ কাব্যগ্রন্থের কবি কে? ৪৩তম বিসিএস

    (ক) শঙ্খ ঘোষ (খ) শামসুর রহমান
    (গ) রফিক আজাদ (ঘ) শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    close

    উত্তর: শঙ্খ ঘোষ

    • touch_app আরো ...

      বাংলা কবিতার জগতে শঙ্খ ঘোষ অপরিসীম অবদান রাখেন। 'দিনগুলি রাতগুলি', 'বাবরের প্রার্থনা', 'মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে', 'গান্ধর্ব কবিতাগুচ্ছ' তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী নিয়ে লেখা উপন্যাস কোনটি? ৪৩তম বিসিএস

    (ক) ‘কর্ণফুলি’ (খ) ‘ক্ষুধা ও আশা’
    (গ) ‘তেইশ নম্বর তৈলচিত্র’ (ঘ) ‘ধানকন্যা’
    close

    উত্তর: ‘কর্ণফুলি’

    • touch_app আরো ...

      কর্ণফুলী আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত একটি উপন্যাস।
      - এটি ১৯৬২ সালে প্রকাশিত হয়।
      - ষাটের দশকে আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত তেইশ নম্বর তৈলচিত্র (১৯৬০) ও কর্ণফুলী উপন্যাসটি ব্যাপক সাড়া জাগায়।
      - আলাউদ্দিন আল আজাদের লেখা এ উপন্যাসটিতে প্রাধান্য পেয়েছে আদিবাসী মানুষের জীবনচিত্র।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: ‘নীল লোহিত’ কোন লেখকের ছদ্মনাম? ৪৩তম বিসিএস

    (ক) অরুণ মিত্র (খ) সমরেশ বনু
    (গ) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (ঘ) সমরেশ মজুমদার
    close

    উত্তর: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    • touch_app আরো ...

      'নীললোহিত' হলো প্রখ্যাত সাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের একটি জনপ্রিয় ছদ্মনাম, যা তিনি বিভিন্ন লেখালেখিতে ব্যবহার করতেন এবং এই নামে তাঁর একটি বিখ্যাত চরিত্রও রয়েছে।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ প্রতিষ্ঠিত হয়- ৪৩তম বিসিএস

    (ক) ১৯ মার্চ ১৯২৬ (খ) ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৯২৬
    (গ) ১৯ জানুয়ারি ১৯২৬ (ঘ) ২৬ মার্চ ১৯২৭
    close

    উত্তর: ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৯২৬

    • touch_app আরো ...

      মুসলিম সাহিত্য সমাজ ছিল বাংলাদেশের একটি 'বুদ্ধির মুক্তি' আন্দোলনের দল বা সংগঠন। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সভাপতিত্বে ১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুসলিম হল ইউনিয়ন কক্ষে মুসলিম সাহিত্য সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজ (বর্তমান ঢাকা কলেজ) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন ছাত্র ও শিক্ষকের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়। মুসলিম সাহিত্য সমাজের কর্ণধার ছিলেন কাজী মোতাহার হোসেন, কাজী আবদুল ওদুদ এবং আবুল হুসেন। মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র ছিলো বার্ষিক প্রকাশিত শিখা পত্রিকা। ১৯৩৬ সাল পর্যন্ত মাত্র এক দশক চলেছিল এই ঢাকা কেন্দ্রিক গোষ্ঠীটির কার্যক্রম।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility