পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .
দয়াকরে অপেক্ষা করুন।
"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।
প্রশ্ন: ‘কুসীদজীবী’ বলতে কাদের বুঝায়? ৪১ তম বিসিএস
| (ক) কৃষিজীবী | (খ) সাপুড়ে |
| (গ) চারণকবি | (ঘ) সুদখোর |
উত্তর: সুদখোর
‘কুসীদজীবী' অর্থ সুদখোর; যে সুদের টাকা ধার দিয়ে জীবিকা অর্জন করে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: ‘অভাব’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে কোন উপসর্গটি? ৪১ তম বিসিএস
| (ক) আলুনি | (খ) অকাজ |
| (গ) আবছায়া | (ঘ) নিখুঁত |
উত্তর: আলুনি
প্রশ্ন: কোন বানানটি শুদ্ধ? ৪১ তম বিসিএস
| (ক) স্বত্ব | (খ) আবিস্কার |
| (গ) পুরষ্কার | (ঘ) সময়পোযোগী |
উত্তর: স্বত্ব
শুদ্ধ বানান হলো ‘স্বত্ব’ যার অর্থ হলোঃ অধিকার; মালিকানা। আর ‘পুরষ্কার’ এর শুদ্ধরূপ পুরস্কার:‘সময়পোযোগী' এর শুদ্ধরূপ সময়োপযোগী; আবিস্কার এর শুদ্ধরূপ আবিষ্কার।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: ‘ডিঙি টেনে বের করতে হবে।’-কোন ধরনের বাক্যের উদাহরণ? ৪১ তম বিসিএস
| (ক) কর্মকর্তৃবাচ্য | (খ) কর্মবাচ্য |
| (গ) যৌগিক | (ঘ) ভাববাচ্য |
উত্তর: ভাববাচ্য
‘ডিঙি টেনে বের করতে হবে।’—এটি একটি ভাববাচ্য (Impersonal Voice) এর উদাহরণ।
ব্যাখ্যা: যে বাচ্যে কর্তার চেয়ে কাজের ধরন বা ক্রিয়ার অর্থই বিশেষভাবে প্রকাশ পায় এবং বাক্যে কোনো নির্দিষ্ট কর্তা থাকে না, তাকে ভাববাচ্য বলে।
উদাহরণ: "ডিঙি টেনে বের করতে হবে" বাক্যে কে ডিঙি বের করবে তা স্পষ্ট নয়, মূলত 'ডিঙি বের করার' কাজের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: উদ্বাসন শব্দের অর্থ কী? ৪২ তম বিসিএস
| (ক) অজ্ঞাত বিষয় প্রকাশ করা | (খ) বাসভুমির সম্মুখস্ত ভূমি |
| (গ) বাসভুমি থেকে বিতাড়িত হওয়া | (ঘ) বিকাশ |
উত্তর: বাসভুমি থেকে বিতাড়িত হওয়া
উদ্বাসন এর বাংলা অর্থ
[উদ্বাশন্] (বিশেষ্য) ১ বাস্তত্যাগ; স্বদেশ বা বাসভূমি থেকে বিতাড়িত হওয়া।
২ বিসর্জন; ত্যাগ।
(তৎসম বা সংস্কৃত)উৎ+√বস্+ণিচ্+অন(ল্যুট্)
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনী প্রথম প্রকাশিত হয় কত সালে? ৪২ তম বিসিএস
| (ক) ২০১১ সালে | (খ) ২০১০ সালে |
| (গ) ২০১২ সালে | (ঘ) ২০১৫ সালে |
উত্তর: ২০১২ সালে
বঙ্গবন্ধুর 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' প্রথম প্রকাশিত হয় ২০১২ সালের জুন মাসে। এটির প্রকাশক দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড। একই সময়ে বইটি ইংরেজি ভাষায় ও প্রকাশিত হয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: কিত্তনখেলা নাটকটির বিষয়বস্তু কী? ৪২ তম বিসিএস
| (ক) লোকায়ত জীবন-সংস্কৃতি | (খ) যন্ত্রণাদগ্ধ জীবন |
| (গ) স্নিগ্ধ শ্যামল প্রকৃতির রূপ | (ঘ) দেশ বিভাগজনিত জীবন যন্ত্রণা |
উত্তর: লোকায়ত জীবন-সংস্কৃতি
সেলিম আল দীন রচিত ‘কিত্তনখোলা’ (১৯৮১) নাটকটির মূল বিষয়বস্তু হলো বাংলাদেশের লোকায়ত সংস্কৃতি, নদী তীরবর্তী নামহীন-গোত্রহীন সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম, এবং একটি শোষণমুখী সমাজের রূপান্তরের প্রক্রিয়া । কিত্তনখোলা মেলার পটভূমিতে বাউল, বেদে, যাত্রা শিল্পী ও গ্রামীণ মানুষের জীবনের বঞ্চনা, প্রেম, সংগ্রাম এবং তাদের নিজস্ব দেশজ সংস্কৃতির আখ্যান এতে ফুটে উঠেছে ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস কোনটি? ৪২ তম বিসিএস
| (ক) কুসুমের মতো কোমল=কুসুমকোমল | (খ) সিংহ চিহ্নিত আসন=সিংহাসন |
| (গ) জায়া ও পতি=দম্পতি | (ঘ) মহান যে পুরুষ=মহাপুরুষ |
উত্তর: সিংহ চিহ্নিত আসন=সিংহাসন
যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ বা মধ্যপদ লোপ পায় (উধাও হয়ে যায়), তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে। জনপ্রিয় উদাহরণগুলোর মধ্যে রয়েছে: সিংহাসন (সিংহ চিহ্নিত আসন), সাহিত্যসভা (সাহিত্য বিষয়ক সভা), স্মৃতিসৌধ (স্মৃতি রক্ষার্থে সৌধ), পলান্ন (পল মিশ্রিত অন্ন), এবং হাতঘড়ি (হাতে পরার ঘড়ি) ।
কয়েকটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ:
সিংহাসন = সিংহ চিহ্নিত আসন
সাহিত্যসভা = সাহিত্য বিষয়ক সভা
পলান্ন = পল (মাংস) মিশ্রিত অন্ন
চালকুমড়া = চালে আশ্রিত কুমড়া
ঘৃতান্ন = ঘৃত মিশ্রিত অন্ন
পদ্মানদী = পদ্মা নাম্নী নদী
বিয়েপাগলা = বিয়েতে পাগলা
বৌভাত = বৌ-কে ভাত পরিবেশনের অনুষ্ঠান
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: বাক্যের দুটি অংশ কী কী? ৪২ তম বিসিএস
| (ক) প্রসাদগুণ, মাধুর্যগুণ | (খ) উদ্দেশ্য, বিধেয় |
| (গ) সাধু, চলিত | (ঘ) উপমা, অলংকার |
উত্তর: উদ্দেশ্য, বিধেয়
প্রতিটি বাক্যে দুটি অংশ থাকে। একটি হলো ‘উদ্দেশ্য' এবং অপরটি হলো ‘বিধেয়'। বাক্যের যে অংশে কাউকে উদ্দেশ্য করে কিছু বলা হয়, তাকে উদ্দেশ্য এবং উদ্দেশ্য সম্বন্ধে যা বলা হয়, তাকে বিধেয় বলা হয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: যিনি ন্যায় শাস্ত্র জানেন তাঁকে কী বলা হয়? ৪২ তম বিসিএস
| (ক) ন্যায়পাল | (খ) নৈয়ায়িক |
| (গ) ন্যায়ঋগ্ধ | (ঘ) ন্যায়বাগীশ |
উত্তর: নৈয়ায়িক
যিনি ন্যায়শাস্ত্র জানেন = নৈয়ায়িক। ন্যায়শাস্ত্রে সুপণ্ডিত = ন্যায়বাগীশ। দেশের প্রশাসন ও বিচারবিভাগের অতিরিক্ত বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন বিচারক = ন্যায়পাল ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: মহাকবি আলাওল রচিত কাব্য কোনটি? ৪২ তম বিসিএস
| (ক) চন্দ্রাবতী | (খ) লাইলী মজনু |
| (গ) মধুমালতী | (ঘ) পদ্মাবতী |
উত্তর: পদ্মাবতী
মহাকবি আলাওল রচিত সবচেয়ে বিখ্যাত ও শ্রেষ্ঠ কাব্য হলো ‘পদ্মাবতী’ (১৬৪৮ খ্রিষ্টাব্দ) । এটি হিন্দি কবি মালিক মুহম্মদ জায়সীর ‘পদুমাবত’ অবলম্বনে রচিত একটি রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: বাংলা আদি অধিবাসীগণ কোন ভাষাভাষী ছিলেন? ৪২ তম বিসিএস
| (ক) অস্ট্রিক | (খ) হিন্দি |
| (গ) সংস্কৃত | (ঘ) বাাংলা |
উত্তর: অস্ট্রিক
নৃতাত্ত্বিকদের মতে অস্ট্রেলিয়া এবং ইন্দোনেশিয়া থেকে আসাম হয়ে বাংলায় প্রবেশ করে অস্ট্রিক জাতি নেগ্রিটোদের উত্থান করে। তাই বলা হয়ে থাকে বাঙালি জাতির প্রধান অংশ গড়ে ওঠেছে অস্ট্রিক জাতি থেকে এবং তাদেরকে 'নিষাদ জাতি' বলা হয়। অস্ট্রিক জাতির কিছু পরে দ্রাবিড় জাতি এদেশে আসে এবং সভ্যতার উন্নতির বলে তারা অস্ট্রিক জাতিকে গ্রাস করে। অস্ট্রিক ও দ্রাবিড় জাতির সংমিশ্রণেই সৃষ্টি হয়েছে আর্যপূর্ব বাঙালী জনগোষ্ঠী। আর্যপূর্ব জনগোষ্ঠীর ভাষা ছিল ‘অস্ট্রিক'।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: সঠিক বানান নয় কোনটি? ৪২ তম বিসিএস
| (ক) প্রানী | (খ) ধরণি |
| (গ) গুণ | (ঘ) মূর্ছা |
উত্তর: প্রানী
সংস্কৃত ইন্ - প্রত্যয়ান্ত শব্দের দীর্ঘ ঈ - কারান্ত রূপ সমাসবদ্ধ হলে সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সেগুলিতে হ্রস্ব ই - কার হয়। যেমনঃ প্রাণী = প্রাণিবিদ্যা । গুণী = গুণিজন । মন্ত্রী = মন্ত্রিপরিষদ ইত্যাদি।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: কোনটি শুদ্ধ নয়? ৪২ তম বিসিএস
| (ক) সহযোগিতা | (খ) যন্ত্রনা |
| (গ) শূভ্র | (ঘ) স্বতঃ স্ফূর্ত |
উত্তর: যন্ত্রনা
যন্ত্রনা: এটি একটি অশুদ্ধ বানান। সঠিক বানানটি হবে দন্ত্য-ন (ন) এর পরিবর্তে মূর্ধন্য-ণ (ণ) ব্যবহার করে: যন্ত্রণা
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: কোন সাহিত্যকর্মে সান্ধ্য ভাষার প্রয়োগ আছে? ৪২ তম বিসিএস
| (ক) চৈতন্যজীবনী | (খ) গীতগোবিন্দ |
| (গ) পদাবলী | (ঘ) চর্যাপদ |
উত্তর: চর্যাপদ
চর্যাপদের শব্দগুলো অপরিচিত, শব্দ ব্যবহারের রীতি বর্তমানে রীতি থেকে ভিন্ন - তাই এর কবিতাগুলো পড়ে বুঝতে কষ্ট হয়। চর্যাপদের ভাষাকে ‘সন্ধ্যা ভাষা বা সান্ধ্য ভাষা' বলা হয়। সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় তাঁর *বাঙলা ভাষার উৎপত্তি ও বিকাশ' (The Origin and Development of the Bengali Language) নামক গ্রন্থে ধ্বনিতত্ত্ব ব্যাকরণ ও ছন্দ বিচার করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন যে, পদসংকলনটি আদি বাংলা ভাষায় রচিত। আধুনিক ছন্দের বিচারে চর্যাপদের ছন্দকে মাত্রাবৃত্ত ছন্দ বলা যায়। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সম্পাদিত 'চর্যাপদ' বিষয়ক গ্রন্থের নাম 'Buddhist Mystic Songs'. তাঁর মতে চর্যাপদের ভাষা বঙ্গ - কামরূপী
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityনতুন সরকারি ও বেসরকারি চাকরির সার্কুলার প্রকাশ হওয়ার সাথে সাথেই notification পাবেন। একদম ফ্রি।