পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .
দয়াকরে অপেক্ষা করুন।
"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।
প্রশ্ন: কোনটি অপাদান কারক? ৩৯তম বিসিএস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)
| (ক) বনে বাঘ আছে | (খ) ট্রেন স্টেশন ছেড়েছে |
| (গ) জিজ্ঞাসিব জনে জনে | (ঘ) গৃহহীনে গৃহ দাও |
উত্তর: ট্রেন স্টেশন ছেড়েছে
সঠিক উত্তর হল ট্রেন স্টেশন ছেড়েছে, কারণ এখানে 'ছেড়েছে' ক্রিয়াপদটি 'স্টেশন' থেকে বিচ্যুতি বা পৃথক হওয়া বোঝাচ্ছে, যা অপাদান কারকের (পঞ্চমী বিভক্তি) মূল ধর্ম; যেখানে 'হতে', 'থেকে', 'চেয়ে' বিভক্তি বা অনুসর্গ ব্যবহৃত হয়, যেমন 'গাছ থেকে পাতা পড়ে' বা 'ট্রেন স্টেশন থেকে ছেড়েছে' (এখানে 'থেকে' উহ্য)।
ব্যাখ্যা:
অপাদান কারক: যা থেকে কোনো কিছু উৎপন্ন, বিচ্যুত, বা গৃহীত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। এখানে 'থেকে' বা 'হতে' বিভক্তি (পঞ্চমী) যুক্ত থাকে।
ট্রেন স্টেশন ছেড়েছে: 'ছেড়েছে' ক্রিয়াটি 'স্টেশন' থেকে ট্রেনটির পৃথক হওয়া বা সরে যাওয়া বোঝাচ্ছে। যদিও 'থেকে' নেই, অন্তর্নিহিত অর্থ তাই, তাই এটি অপাদান কারক (পঞ্চমী বিভক্তি)।
গৃহহীনে গৃহ দাও: এটি সম্প্রদান কারক (চতুর্থী বিভক্তি), কারণ এখানে নিঃস্বার্থভাবে কাউকে কিছু দেওয়া হচ্ছে।
জিজ্ঞাসিব জনে জনে: এটি সম্বন্ধ পদ, কারণ 'জনে জনে' এখানে প্রশ্ন করার 'যোগ্যতা' বা 'কর্তা' বোঝাচ্ছে, যা বিভক্তিহীন সম্বন্ধ পদ (ষষ্ঠী বিভক্তির মতো)।
বনে বাঘ আছে: এটি অধিকরণ কারক, কারণ এখানে 'বনে' স্থান বোঝাচ্ছে
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: " বাঁধন হারা " কাজী নজরুল ইসলামের কোন ধরনের রচনা? ৩৯তম বিসিএস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)
| (ক) নাটক | (খ) কবিতা |
| (গ) উপন্যাস | (ঘ) ভ্রমণ কাহিনী |
উত্তর: উপন্যাস
কাজী নজরুল ইসলাম রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রোপন্যাস 'বাঁধন - হারা' (১৯২৭) ১৯২১ সালে 'মোসলেম ভারত' পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। এ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র : নুরুল হুদা, রাবেয়া, মাহবুবা। তার রচিত আরো দুটি উপন্যাস : মৃত্যুক্ষুধা ও কুহেলিকা ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: কোনটি ব্যতিহার বহুব্রীহির উদাহরণ? ৩৯তম বিসিএস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)
| (ক) আশীবিষ | (খ) অজানা |
| (গ) কানাকানি | (ঘ) দোতলা |
উত্তর: কানাকানি
যে বহুব্রীহি সমাসে দুটি একরুপ বিশেষ্য দিয়ে এক জাতীয় কাজ বোঝায় তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস বলে। যেমন: কানে কানে যে কথা = কানাকানি । আরো কয়েকটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস: হাতাহাতি হাসাহাসি , লাঠালাঠি, কোলাকুলি, চুলাচুলি। অন্যদিকে অজানা, দোতলা ও আশীবিষ যথাক্রমে নঞ্ , প্রত্যয়ান্ত ও ব্যধিকরণ বহুব্রীহি সমাস।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: " আগুন " -এর সমার্থক শব্দ কোনটি? ৩৯তম বিসিএস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)
| (ক) ভাতি | (খ) অনল |
| (গ) জ্যোতি | (ঘ) অংশ |
উত্তর: অনল
অগ্নি /বিশেষ্য পদ/ আগুন, অনল, পাবক, বহ্নি, হুতাশন, বৈশ্বানর।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: প্রতাপ আদিত্য কে ছিলেন? ৩৯তম বিসিএস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)
| (ক) মোগল সেনাপতি | (খ) বাংলার বারো ভুঁইঞাদের একজন |
| (গ) মোগল সেনাপতি | (ঘ) রাজপুত রাজা |
উত্তর: বাংলার বারো ভুঁইঞাদের একজন
বাংলার ইতিহাসে ষোড়শ শতক থেকে সপ্তদশ শতকের মধ্যবর্তী সময়ে বাংলার যেসব বড় বড় জমিদার মুঘলদের অধীনতা মেনে নেননি এবং শক্তিশালী সৈন্য ও নৌ - বহর নিয়ে স্বাধীনতা রক্ষার জন্য একজোট হয়ে মুঘল সেনাপতির বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তেন তারাই বার ভূইয়া নামে পরিচিত। যশোরের রাজা প্রতাপ্রাদিত্য বার ভূইয়াদের মধ্যে সর্বাধিক সম্পদশালী ও প্রভাবশালী ছিলেন। ১৬০০ খ্রিষ্টাব্দে প্রতাপের ক্ষমতা ও খ্যাতি পুরো ভারতবর্ষে ছড়িয়ে পড়েছিল।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: কোন শব্দটি উপসর্গ দিয়ে গঠিত হয়েছে? ৩৯তম বিসিএস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)
| (ক) আনন | (খ) আঘাটা |
| (গ) সব গুলোই | (ঘ) আষাঢ় |
উত্তর: আঘাটা
সঠিক উত্তর হলো আঘাটা, কারণ 'আঘাটা' শব্দটি বাংলা 'আ' উপসর্গ যোগে 'ঘাটা' শব্দের সাথে গঠিত হয়েছে, যেখানে 'আনন' এবং 'আষাঢ়' উপসর্গযুক্ত শব্দ নয়, তাই সবগুলো সঠিক নয়।
আঘাটা: 'আ' (উপসর্গ) + 'ঘাটা' = আঘাটা (উপসর্গ দিয়ে গঠিত)।
আনন: এটি একটি বিশেষ্য পদ (মুখ), উপসর্গ দিয়ে গঠিত নয়।
আষাঢ়: এটি একটি মাসের নাম, কোনো উপসর্গ যুক্ত নেই
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: "Hand out" - এর শুদ্ধ বাংলা পরিভাষা হচ্ছে: ৩৯তম বিসিএস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)
| (ক) হস্তপত্র | (খ) জ্ঞাপনপত্র |
| (গ) প্রচারপত্র | (ঘ) তথ্যপত্র |
উত্তর: জ্ঞাপনপত্র
প্রশ্ন: স্বাধীনতা পদক প্রাপ্ত ব্যক্তিত্ব হলেন__ ৩৯তম বিসিএস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)
| (ক) সৈয়দ শামসুল হক | (খ) সতীন সরকার |
| (গ) বাতিল করা হয়েছে” | (ঘ) সৈয়দ আলী আহসান |
উত্তর: বাতিল করা হয়েছে”
প্রশ্নে উল্লিখিত চারজনই বিভিন্ন সময়ে স্বাধীনতা পদক লাভ করেছেন। যেমন: সৈয়দ আলী আহসান (১৯৮৭), শামসুর রাহমান (১৯৯১), সৈয়দ শামসুল হক (২০০০), যতীন সরকার (২০১০)। প্রশ্নটি সুনির্দিষ্ট না হওয়ায় পিএসসি কর্তৃক বাতিল করা হয়েছে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য কোন পদে বেশি বেশি দেখা যায়? সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য কোন পদে বেশি বেশি দেখা যায়?
| (ক) ক্রিয়া ও সর্বনাম | (খ) বিশেষণ ও ক্রিয়া |
| (গ) বিশেষ্য ও বিশেষণ পদে | (ঘ) বিশেষ্য ও ক্রিয়া |
উত্তর: ক্রিয়া ও সর্বনাম
সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য সর্বনাম ও ক্রিয়াপদে বেশি দেখা যায়। সাধুরীতিতে ব্যবহৃত সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ চলিত রীতিতে পরিবর্তিত ও সহজতর রুপ লাভ করে। যেমন - ভাষারীতি : সর্বনাম বিশেষ্য ক্রিয়া সাধু: তাহারা ভাত খাইতেছিল তারা ভাত খাচ্ছিল
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: চর্যাপদে কোন ধর্মমতের কথা আছে? ৪০ তম বিসিএস
| (ক) বৌদ্ধধর্ম | (খ) খ্রিস্টধর্ম |
| (গ) প্যাগনিজম | (ঘ) জৈনধর্ম |
উত্তর: বৌদ্ধধর্ম
১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আবিষ্কৃত "চর্যাপদ" হল বৌদ্ধ সহজিয়া পন্থীদের দেহ সাধনার বই। চর্যাপদের ধর্মমত নিয়ে প্রথম আলোচনা করেন ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ১৯২৭ সালে। বৌদ্ধ ধর্মমতে - শূন্যতা + করূণা = বোধিসত্ত্বলাভ ইহ জগতের সবকিছুই মূল্যহীন এই উপলব্ধি হচ্ছে - শূন্যতা। আর বস্তু জগতের লোভ লালসা থেকে মুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে বলে - করূণা। এই দুয়ের সমন্বয়ে সাধনার চরম স্তরে পৌঁছানো যায়। অর্থাৎ বোধিসত্ত্ব লাভ হয়। ১ সংখ্যক চর্যায় লুইপা লিখেছেন, "কাআ তরুবর পঞ্চ বি ডাল চঞ্চল চিএ পইঠা কাল।।" অর্থাৎ দেহ হল তরুর মত পাঁচটা যার ডাল চঞ্চল চিত্তে প্রবেশ করে কাল। চর্যাপদে দেহ সাধনার কথা লেখা হয়েছে গূঢ় রহস্যপূর্ণ ভাষায় - যা সাধারণ মানুষের পক্ষে বোঝা প্রায় অসম্ভব।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: উল্লিখিতদের মধ্যে কে প্রাচীন যুগের কবি নন? ৪০ তম বিসিএস
| (ক) রমনীপাদ | (খ) কাহ্নপাদ |
| (গ) শান্তিপাদ | (ঘ) লুইপাদ |
উত্তর: রমনীপাদ
কাহ্নপাদ বা কাহ্ন পা বা কৃষ্ণপাদ বা কৃষ্ণাচার্য্য চুরাশিজন বৌদ্ধ মহাসিদ্ধদের মধ্যে একজন ছিলেন। তিনি চর্যাপদের তেরোটি পদ রচনা করেন। তবে কাহ্নপা রচিত ২৪তম পদটি পাওয়া যায়নি। চর্যাপদে শান্তি পার একটি পদ গৃহীত হয়েছে। শান্তি পা বিক্রমশিলা বিহারের দ্বারপণ্ডিত ছিলেন। দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান অতীশ তার শিষ্য। এগার শতকের প্রথমে তিনি জীবিত ছিলেন। তার চর্যাপদের ভাষা প্রাচীন মৈথিলি। শান্তি পা রত্নাকর শান্তির সংক্ষিপ্ত নাম। চর্যাপদের প্রথম এবং ঊনত্রিশতম পদ লুই পার রচনা ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: উল্লিখিত কোন রচনাটি পুঁথি সাহিত্যের অন্তগর্ত নয়? ৪০ তম বিসিএস
| (ক) ময়মনসিংহ গীতিকা | (খ) ইউসুফ জুলেখা |
| (গ) লাইলী মজনু | (ঘ) পদ্মাবতী |
উত্তর: ময়মনসিংহ গীতিকা
১৯১৬ সালে ময়মনসিংহের কবি চন্দ্রকুমার দে প্রথম সেই এলাকার প্রচলিত পালাগান বা গাথাগুলি সংগ্রহ করেছিলেন | আচার্য দীনেশচন্দ্র সেনের উত্সাহে তা পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত হয় | এই সমস্ত পালা ময়মনসিংহ গীতিকা নামেই পরিচিতি লাভ করে |এটি লোকসাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: জীবনীকাব্য রচনার জন্য বিখ্যাত : ৪০ তম বিসিএস
| (ক) বিপ্রদাস পিপিলাই | (খ) ফকির গরীবুল্লাহ |
| (গ) নরহরি চক্রবর্তী | (ঘ) বৃন্দাবন দাস |
উত্তর: বৃন্দাবন দাস
বৃন্দাবন দাস একজন মধ্যযুগীয় এবং পদাবলী সাহিত্যের বিখ্যাত কবি ছিলেন। বর্ধমানের কাছে দেনুর গ্রামে ১৬ শতকের শুরুতে জন্ম। তাঁর রচিত শ্রীচৈত্যন্যদেবের জীবনী চৈত্যন্যভাগবত সবচেয়ে পুরোনো যা বৈষ্ণব সমাজে বেদব্যাস হিসাবে বিখ্যাত। তাঁর রচিত গোপিকামোহন কাব্যও বৈষ্ণব সমাজের আদরের বস্তু। তিনি কৃষ্ণকর্ণামৃতটীকা, নিত্যানন্দযুগলাষ্টক, রসকল্পসারস্তব, রামানুজগুরু - পরম্পরা প্রভৃতি কয়েকটি সংস্কৃত কাব্য রচনা করে যশ লাভ করেন।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: বৈষ্ণব পদাবলির সঙ্গে কোন ভাষা সম্পর্কিত? ৪০ তম বিসিএস
| (ক) অধিভাষা | (খ) ব্রজবুলি |
| (গ) সংস্কৃত ভাষা | (ঘ) সন্ধ্যাভাষা |
উত্তর: ব্রজবুলি
ব্রজবুলি মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের দ্বিতীয় কাব্যভাষা বা উপভাষা। ব্রজবুলি মূলত এক ধরনের কৃত্রিম মিশ্রভাষা। মৈথিলি ও বাংলার মিশ্রিত রূপ হলো ব্রজবুলি ভাষা। মিথিলার কবি বিদ্যাপতি (আনু. ১৩৭৪ - ১৪৬০) এর উদ্ভাবক। তার পদের ভাব ও ভাষার অনুসরণে বাংলা, উড়িষ্যা ও আসামে পঞ্চদশ শতাব্দীর শেষ ভাগে ব্রজবুলি ভাষার সৃষ্টি হয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: বাংলা আধুনিক উপন্যাস-এর প্রবর্তক ছিলেন– ৪০ তম বিসিএস
| (ক) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর | (খ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় |
| (গ) প্যারীচাঁদ মিত্র | (ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর |
উত্তর: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (২৬ জুন ১৮৩৮ - ৮ এপ্রিল ১৮৯৪) ছিলেন উনিশ শতকের বিশিষ্ট বাঙালি ঔপন্যাসিক। বাংলা গদ্য ও উপন্যাসের বিকাশে তার অসীম অবদানের জন্যে তিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অমরত্ব লাভ করেছেন। তাকে সাধারণত প্রথম আধুনিক বাংলা ঔপন্যাসিক হিসেবে গণ্য করা হয়। তিনি বাংলা ভাষার আদি সাহিত্যপত্র বঙ্গদর্শনের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। তিনি ছদ্মনাম হিসেবে কমলাকান্ত নামটি বেছে নিয়েছিলেন। তাকে বাংলা সাহিত্যের সাহিত্য সম্রাট বলা হয়। বঙ্কিমচন্দ্র রচিত আনন্দমঠ (১৮৮২) উপন্যাসের কবিতা বন্দে মাতরম ১৯৩৭ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস কর্তৃক ভারতের জাতীয় স্তোত্র হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityনতুন সরকারি ও বেসরকারি চাকরির সার্কুলার প্রকাশ হওয়ার সাথে সাথেই notification পাবেন। একদম ফ্রি।