পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .
দয়াকরে অপেক্ষা করুন।
"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।
প্রশ্ন: ভুল বানান কোনটি? ৪৩তম বিসিএস
| (ক) অদ্ভুত | (খ) অন্তঃসার |
| (গ) ভূবন | (ঘ) মুহূর্ত |
উত্তর: ভূবন
শুদ্ধ বানান ভুবন (পৃথিবী)।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ‘যিনি বিদ্বান, তিনি সর্ব আদরণীয়।’- এটি কোন ধরনের বাক্য? ৪৩তম বিসিএস
| (ক) সরল বাক্য | (খ) যৌগিক বাক্য |
| (গ) জটিল বাক্য | (ঘ) খণ্ড বাক্য |
উত্তর: জটিল বাক্য
যে বাক্যে একটি স্বাধীন বাক্য এবং এক বা একাধিক অধীন বাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে ব্যবহৃত হয়, তাকে জটিল বাক্য বা মিশ্র বাক্য বলে। যেমন : যিনি পরের উপকার করেন, তাঁকে সবাই শ্রদ্ধা করে। কোথাও পথ না পেয়ে তোমার কাছে এসেছি।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ‘চিকিৎসাশাস্ত্র’ কোন সমাস? ৪৩তম বিসিএস
| (ক) তৎপুরুষ | (খ) কর্মধারয় |
| (গ) অব্যয়ীভাব | (ঘ) বহুব্রীহি |
উত্তর: কর্মধারয়
বিশেষ্য ও বিশেষণ পদ মিলে যে সমাস হয় এবং বিশেষ্য বা পরপদের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকেই কর্মধারয় সমাস বলে। কর্মধারয় সমাসে পরপদের অর্থই প্রধান। ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ লোপ পেয়ে যে সমাস হয়, তাই মধ্যপনলোপী কর্মধারয় সমাস। যেমন: সিংহ চিহ্নিত আসন সিংহ। চিকিৎসা বিষয়ক শাস্ত্র = চিকিৎসাশাস্ত্র।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: কোনটি নামধাতুর উদাহরণ? ৪৩তম বিসিএস
| (ক) কর্ | (খ) পড়্ |
| (গ) বেতা | (ঘ) চল্ |
উত্তর: বেতা
বিশেষ্য, বিশেষণ এবং অনুকার অব্যয়ের পরে 'আ' প্রত্যয় যোগ করে যে নতুন ধাতুটি গঠিত হয়, তাই নাম ধাতু যেমন: বেত (বিশেষ্য) + (প্রায়) = বেতা (নামধাতু)। শিক্ষক ছাত্রটিকে বেতাচ্ছেন। আমাকে ধমকিও না ("ধমক' থেকে নাম ধাতু 'ধর্মকা')। কর, পড়, চল মৌলিক বাংলা ধাতু।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ‘গড্ডালিকা প্রবাহ’ বাগধারায় ‘গড্ডল’ শব্দের অর্থ কী? ৪৩তম বিসিএস
| (ক) স্রোত | (খ) ভেড়া |
| (গ) ভাসা | (ঘ) একত্র |
উত্তর: ভেড়া
'গড্ডল্' শব্দের অর্থ ভেড়া। সাধারণত ভেড়া অনুকরণপ্রিয় প্রাণী। এদের একজন যেদিকে যায়, অন্যগুলোও বাছবিচার না করে সেদিকেই যায়। গড্ডলিকা প্রবাহ বাগধারার অর্থ - অন্ধ অনুকরণ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ‘তাতে সমাজজীবন চলে না।’-এ বাকাটির অস্তিবাচক রূপ কোনটি? ৪৩তম বিসিএস
| (ক) তাতে সমাজনজীবন অচল হয়ে পড়ে। | (খ) তাতে সমাজজীবন চলে । |
| (গ) তাতে না সমাজজীবন চলে । | (ঘ) তাতে সমাজজীবন সচল হয়ে পড়ে। |
উত্তর: তাতে সমাজনজীবন অচল হয়ে পড়ে।
নেতিবাচক বাক্যকে অস্তিবাচক বাক্যে রূপান্তর করতে হলে বাক্যের মূল অর্থ অপরিবর্তিত রেখে না, নি, নেই , হে ইত্যাদি নর্থক অব্যয় উঠিয়ে দিতে হয়। শব্দের পরিবর্তন ঘটিয়ে বাকো হাঁ - সূচক ভাব ফুটিয়ে তুলতে হয়। বাক্যের বিশেষণ পদটিকে বিপরীত শব্দে রূপান্তর করতে হয়। এরপর বাক্যের গঠ অনুযায়ী নেতিবাচক শব্দের বাক্যাংশকে অস্তিবাচক শব্দ প্রয়োগ করে অস্তিবাচক বাক্যে রূপান্তর করতে হয়। যেমন: তাতে সমাজজীবন চলে না (নেতিবাচক)। তাতে সমাজজীবন অচল হয়ে পড়ে (অস্তিবাচক)। সে ক্লাসে উপস্থিত ছিল না। (নেতিবাচক)। সে ক্লাসে অনুপস্থিত ছিল (অস্তিবাচক)।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: বাগবন্ত্রের অংশ কোনটি? ৪৩তম বিসিএস
| (ক) উপরের সবকটি | (খ) দাত |
| (গ) স্বরযন্ত্র | (ঘ) ফুসফুস |
উত্তর: উপরের সবকটি
ফুসফুস, স্বরযন্ত্র, জিভ, দাঁত, ঠোঁট, তালু, আলজিভ, মুখগহ্বর ইত্যাদি প্রত্যঙ্গ নিয়ে বাগযন্ত্র গঠিত হয়। বাগ্যন্ত্রের প্রধান প্রত্যঙ্গটি হলো ফুসফুস।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: রবীন্দ্রনাথ কোন কারক বাদ দিতে চেয়েছিলেন? ৪৩তম বিসিএস
| (ক) অপাদান কারক | (খ) সম্প্রদান কারক |
| (গ) অধিকরণ কারক | (ঘ) করণ কারক |
উত্তর: সম্প্রদান কারক
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ব্যাকরণ থেকে সম্প্রদান কারক বাদ দিতে চেয়েছিলেন । তাঁর মতে, সম্প্রদান কারক আলাদা রাখার প্রয়োজন নেই, কারণ এটি কর্ম কারকের (কর্ম কারক) মধ্যেই অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।