পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .
দয়াকরে অপেক্ষা করুন।
"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।
প্রশ্ন: ‘মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে’ কাব্যগ্রন্থের কবি কে? ৪৩তম বিসিএস
| (ক) রফিক আজাদ | (খ) শঙ্খ ঘোষ |
| (গ) শক্তি চট্টোপাধ্যায় | (ঘ) শামসুর রহমান |
উত্তর: শঙ্খ ঘোষ
বাংলা কবিতার জগতে শঙ্খ ঘোষ অপরিসীম অবদান রাখেন। 'দিনগুলি রাতগুলি', 'বাবরের প্রার্থনা', 'মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে', 'গান্ধর্ব কবিতাগুচ্ছ' তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী নিয়ে লেখা উপন্যাস কোনটি? ৪৩তম বিসিএস
| (ক) ‘ক্ষুধা ও আশা’ | (খ) ‘তেইশ নম্বর তৈলচিত্র’ |
| (গ) ‘কর্ণফুলি’ | (ঘ) ‘ধানকন্যা’ |
উত্তর: ‘কর্ণফুলি’
কর্ণফুলী আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত একটি উপন্যাস।
- এটি ১৯৬২ সালে প্রকাশিত হয়।
- ষাটের দশকে আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত তেইশ নম্বর তৈলচিত্র (১৯৬০) ও কর্ণফুলী উপন্যাসটি ব্যাপক সাড়া জাগায়।
- আলাউদ্দিন আল আজাদের লেখা এ উপন্যাসটিতে প্রাধান্য পেয়েছে আদিবাসী মানুষের জীবনচিত্র।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ‘নীল লোহিত’ কোন লেখকের ছদ্মনাম? ৪৩তম বিসিএস
| (ক) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় | (খ) অরুণ মিত্র |
| (গ) সমরেশ বনু | (ঘ) সমরেশ মজুমদার |
উত্তর: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
'নীললোহিত' হলো প্রখ্যাত সাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের একটি জনপ্রিয় ছদ্মনাম, যা তিনি বিভিন্ন লেখালেখিতে ব্যবহার করতেন এবং এই নামে তাঁর একটি বিখ্যাত চরিত্রও রয়েছে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ প্রতিষ্ঠিত হয়- ৪৩তম বিসিএস
| (ক) ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৯২৬ | (খ) ২৬ মার্চ ১৯২৭ |
| (গ) ১৯ জানুয়ারি ১৯২৬ | (ঘ) ১৯ মার্চ ১৯২৬ |
উত্তর: ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৯২৬
মুসলিম সাহিত্য সমাজ ছিল বাংলাদেশের একটি 'বুদ্ধির মুক্তি' আন্দোলনের দল বা সংগঠন। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সভাপতিত্বে ১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুসলিম হল ইউনিয়ন কক্ষে মুসলিম সাহিত্য সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজ (বর্তমান ঢাকা কলেজ) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন ছাত্র ও শিক্ষকের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়। মুসলিম সাহিত্য সমাজের কর্ণধার ছিলেন কাজী মোতাহার হোসেন, কাজী আবদুল ওদুদ এবং আবুল হুসেন। মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র ছিলো বার্ষিক প্রকাশিত শিখা পত্রিকা। ১৯৩৬ সাল পর্যন্ত মাত্র এক দশক চলেছিল এই ঢাকা কেন্দ্রিক গোষ্ঠীটির কার্যক্রম।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: কত সালে ‘দুর্গেশনন্দিনী’ উপন্যাস প্রথম প্রকাশিত হয়? ৪৩তম বিসিএস
| (ক) ১৮৬৫ | (খ) ১৮৬১ |
| (গ) ১৮৬০ | (ঘ) ১৮৬৭ |
উত্তর: ১৮৬৫
দুর্গেশনন্দিনী সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম উপন্যাস। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস। ১৮৬৫ সালের মার্চ মাসে এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়। দুর্গেশনন্দিনী বঙ্কিমচন্দ্রের চব্বিশ থেকে ছাব্বিশ বছর বয়সের রচনা। এই উপন্যাস প্রকাশিত হওয়ার পর বাংলা কথাসাহিত্যের ধারায় এক নতুন যুগ প্রবর্তিত হয়।
দুর্গেশনন্দিনী
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: বাংলা সাহিত্যে প্রথম মহিলা উপন্যাসিকের নাম কী? ৪৩তম বিসিএস
| (ক) কাদম্বরী দেবী | (খ) নূরন্নাহার ফয়জুন্নেসা |
| (গ) স্বর্ণকুমারী দেবী | (ঘ) বেগম রোকেরা |
উত্তর: স্বর্ণকুমারী দেবী
১৮৭৬ সালে স্বর্ণকুমারী দেবীর প্রথম উপন্যাস দীপনির্বাণ প্রকাশিত হয়। ইতিপূর্বে ১৮৫২ সালে হানা ক্যাথরিন মুলেনস তার ফুলমণি ও করুণার বৃত্তান্ত প্রকাশ করে বাংলা ভাষার প্রথম ঔপন্যাসিকের মর্যাদা লাভ করেছিলেন।; কিন্তু স্বর্ণকুমারী দেবীই ছিলেন প্রথম বাঙালি মহিলা ঔপন্যাসিক।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ‘আমার দেখা নয়াচীন’ কে লিখেছেন? ৪৩তম বিসিএস
| (ক) মওলানা ভাসানী | (খ) আবুল কজল |
| (গ) শহীদুল্লা কায়সার | (ঘ) শেখ মুজিবুর রহমান |
উত্তর: শেখ মুজিবুর রহমান
'আমার দেখা নয়াচীন ' বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের গণচীন ভ্রমণের অভিজ্ঞতার আলোকে লেখা একটি ডায়েরির পুস্তকি রূপ। এটি বঙ্গবন্ধু রচিত তৃতীয় গ্রন্থ। শেখ মুজিবের জন্মশতবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে বাংলা একাডেমি ২০২০ সালে বইটি প্রকাশ করে।
আমার দেখা নয়া চীন
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’ কার লেখা? ৪৩তম বিসিএস
| (ক) আবুল মনসুর আহমদ | (খ) আবুল হুসেন |
| (গ) এস. ওয়াজেদ আলী | (ঘ) জাবুল ছাসেম |
উত্তর: আবুল মনসুর আহমদ
'আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর' কালজয়ী রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক ও সাহিত্যিক আবুল মনসুর আহমদ-এর লেখা একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ । ১৯৬৯ সালে প্রকাশিত এই বইটিতে তিনি ১৯১০ থেকে ১৯৬০-এর দশক পর্যন্ত ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে পাকিস্তান আমলের রাজনৈতিক ঘটনাবলি নিজস্ব অভিজ্ঞতার আলোকে তুলে ধরেছেন ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ‘আসমান’ কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ? ৪৩তম বিসিএস
| (ক) ফরাসি | (খ) আরবি |
| (গ) পর্তুগিজ | (ঘ) ফারসি |
উত্তর: ফারসি
বাংলা ভাষা মিশ্রভাষা। এই ভাষায় রয়েছে বিভিন্ন বিদেশী ভাষার শব্দ। এসব বিদেশী শব্দের দ্বারা বাংলাভাষার ভান্ডার আজ সমৃদ্ধ। এগুলোর পরিচয় নিম্নে দেওয়া হলোঃ
ফারসি ভাষা থেকে আগত গুরুত্বপূর্ণ কিছু শব্দঃ আন্দাজ, আওয়াজ, আফসোস, আবহাওয়া, অজুহাত, আবাদ, আমদানি, আমেজ, আয়না, আরাম, আসমান, আস্তানা, আশকারা, ইয়ার, ওস্তাদ, কামাই, কারখানা, কারবার, কারিগর, কিনারা, কিশমিশ, কুস্তি, কোমর, খরচ, খঞ্জর, খরগোশ, খুব, কম, বেশি, জোড়, তোপ, চশমা, মোকদ্দমা, মালিক, সিপাহী, খোদা, দরিয়া, খাতা, গোলাপ, রোজ, গোয়েন্দা, চাকরি, চাঁদা, চাকর, চালাক, চেহারা, জবাব, দরজা, তীর (বাণ), তৈয়ার, দারোয়ান, বস্তা, বাজি, মজুর, ময়দা, মোরগ, মাহিনা, মিহি, মেথর, রপ্তানি, রাস্তা, রুমাল, রেশম, লাশ, শহর, শায়েস্তা, শিরনামা, সওদা, সবজি, সবুজ, সরকার, সর্দি, সাজা, সাদা, সানাই, সে (তিন), হপ্তা, হাজার, হিন্দু, হাঙ্গামা ইত্যাদি।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: নিম্নবিবৃত স্বরধ্বনি কোনটি? ৪৩তম বিসিএস
| (ক) জ্যা | (খ) আ |
| (গ) ই | (ঘ) এ |
উত্তর: আ
নিম্ন স্বরধবনি- যে স্বরধবনি উচ্চারণের সময় জিহ্বা নিচে নেমে আসে তাকে নিম্ন স্বরধ্বনি বলে।
যেমনঃ- আ।
বিবৃত স্বরধবনি- যে স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় মুখবিবর একেবারে ‘হাঁ’ করা বিবৃত অবস্থায় থাকে তাকে বিবৃত স্বরধ্বনি বলে। যেমনঃ- আ।
অতএব, ‘আ’ নিম্নবিবৃত স্বরধ্বনি।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ‘জিজীবিষা’ শব্দটির অর্থ কী? ৪৩তম বিসিএস
| (ক) জীবনকে জানার ইচ্ছা | (খ) বেঁচে থাকার ইচ্ছা |
| (গ) জীবন-জীবিকার পথ | (ঘ) জীবননাশের ইচ্ছা |
উত্তর: বেঁচে থাকার ইচ্ছা
জয় করিবার ইচ্ছা = জিগীষা
বেঁচে থাকার ইচ্ছা='জিজীবিষা'
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: বড়>বড্ড এটি কোন ধরনের পরিবর্তন? ৪৩তম বিসিএস
| (ক) ব্যঞ্জনদ্বিত্ব | (খ) ব্যঞ্জন-বিকৃতি |
| (গ) সমীভবন | (ঘ) বিষমীভবন |
উত্তর: ব্যঞ্জনদ্বিত্ব
কখনো কখনো জোর দেয়ার জন্য শব্দের অন্তর্গত ব্যঞ্জনের দ্বিত্ব উচ্চারণ হয়, তাকে বাঞ্জনদ্বিত্ব বা বাঞ্জনদ্বিত্বতা বলে। যেমন: বড় > বগুড়, পাঞ্চা > পাক্কা, সকাল > সাল।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ‘সপ্তকাণ্ড রামায়ণ’ বাগধারার অর্থ কী? ৪৩তম বিসিএস
| (ক) রামায়ণে বর্ণিত বৃক্ষ | (খ) বৃহৎ বিষয় |
| (গ) রামায়ণে বর্ণিত সাতটি সমুদ্র | (ঘ) রামায়ণের সাত পর্ব |
উত্তর: বৃহৎ বিষয়
'সন্তকাও রামায়ণ' বাগধারার অর্থ বৃহৎ বিষয়। ১৪শ শতকে মাধব কন্দলী অসমীয়া ভাষায় সম্ভকাও রামায়ণ নামে বাল্মীকি রামায়ণ অনুবাদ করেন। এটি সাতটি খণ্ডে বিভক্ত ছিল এবং আকার ছিল বড় ও বিস্তৃত। ফলে কোনো বৃহৎ বিষয়কে বোঝানোর জন্য পৌরাণিক অনুষঙ্গটি ব্যবহৃত হয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ‘Attested’ শব্দের বাংলা পরিভাষা কী? ৪৩তম বিসিএস
| (ক) সত্যায়িত | (খ) প্রতারিত |
| (গ) সত্যয়িত | (ঘ) প্রত্যায়িত |
উত্তর: সত্যায়িত
বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রকাশিত 'প্রশাসনিক পরিভাষা' অনুযায়ী, Altested বাংলা অর্থ সত্যায়িত Certified এর বাংল অর্থ - প্রত্যায়িত: Attestation এর বাংলা অর্থ সত্যায়ন বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রকাশিত ‘আধুনিক বাংলা অভিধান অনুযায়ী, Attested এর বাংলা অর্থ সত্যায়িত/প্রত্যায়িত। ড. হায়াৎ মামুনের 'ভাষা শিক্ষা গ্রন্থ অনুযায়ী, Attested এর বাংলা অর্থ প্রত্যয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ‘ডেকে ডেকে হয়রান হচ্ছি।’-এ বাক্যে ‘ডেকে ডেকে’ কোন অর্থ প্রকাশ করে? ৪৩তম বিসিএস
| (ক) পৌনঃপুনিকতা | (খ) বিরক্তি |
| (গ) অসহায়ত্ব | (ঘ) কালের বিস্তার |
উত্তর: পৌনঃপুনিকতা
বাংলা ভাষায় কোনো কোনো শব্দ, পদ বা অনুকার শব্দ একবার ব্যবহার করলে যে অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে দুইবার ব্যবহার করলে অন্য কোনো সম্প্রসারিত অর্থ প্রকাশ করে। এ ধরনের শব্দের পরপর দুইবার প্রয়োগেই দ্বিরুক্ত শব্দ গঠিত হয়। একই শব্দ পরপর দুই বার ব্যবহৃত হলে তাকে দ্বিরুক্ত শব্দ বলে। যেমন: ঢেকে ডেকে হয়রান হচ্ছি। প্রসন্ত বাক্যে 'ডেকে ঢেঙে দ্বিরুক্ত শব্দ দ্বারা ক্রিয়াবাচক শব্দের পৌনঃপুনিকতা বোঝানো হয়েছে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।