পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .
দয়াকরে অপেক্ষা করুন।
"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।
প্রশ্ন: কোন তারিখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের উপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা পুণরায় আরোপ করে? ৪২ তম বিসিএস
| (ক) ১৮ অক্টোবর,২০২০ | (খ) ২০ আগস্ট,২০২০ |
| (গ) ১৫ জুলাই,২০২০ | (ঘ) ১৯ সেপ্টেম্বর,২০২০ |
উত্তর: ১৫ জুলাই,২০২০
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০১৮ সালে ইরানের উপর পুনরায় কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, যার প্রথম ধাপটি ৭ আগস্ট ২০১৮ এবং দ্বিতীয় বা প্রধান ধাপটি ৫ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে কার্যকর হয়। তৎকালীন ট্রাম্প প্রশাসন পারমাণবিক চুক্তি (JCPOA) থেকে বেরিয়ে গিয়ে এই নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করে, যা ইরানের তেল, ব্যাংকিং এবং পরিবহন খাতকে লক্ষ্য করে করা হয়েছিল।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: IUCN এর কাজ হলো- ৪২ তম বিসিএস
| (ক) পরিবেশ দূষণ রোধ | (খ) পানি সম্পদ রক্ষা করা |
| (গ) প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা করা | (ঘ) সন্ত্রাস দমন করা |
উত্তর: প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা করা
IUCN এর পূর্ণরূপ International Union for Conservation of Nature. এটি হলো প্রকৃতি সংরক্ষণের জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থা। ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থাটির সদর দপ্তর হলো গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ডে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: কার্টাগানা প্রটোকল কোন সালে সাক্ষরিত হয়? ৪২ তম বিসিএস
| (ক) ২০০০ | (খ) ২০০১ |
| (গ) ২০০৩ | (ঘ) ২০০৫ |
উত্তর: ২০০০
কার্টাগেনা প্রটোকল হলো জৈবনিরাপত্তা (Biosafety) বিষয়ক একটি চুক্তি। এটি স্বাক্ষরিত হয়। কানাডার মন্ট্রিলে ২৯ জানুয়ারি ২০০০ সালে যা কার্যকর হয় ১১ সেপ্টেম্বর ২০০৩ সাল থেকে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: কেন্তমের কোন দুটি শাখা এশিয়ার অন্তর্গত? ৪৩তম বিসিএস
| (ক) মাগধী ও গৌড়ী | (খ) হিত্তিক ও তুখারিক |
| (গ) তামিল ও দ্রাবিড় | (ঘ) আর্য ও অনার্য |
উত্তর: হিত্তিক ও তুখারিক
পৃথিবীর সমস্ত ভাষাকে কয়েকটি ভাষাবৃক্ষে বিভক্ত করা যায়। এ ভাষাবৃক্ষগুলোর মূলভাষার একটি ইন্দো - ইউরোপীয়। ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে ইউরোপ পর্যন্ত মধ্যবর্তী সব ভাষাকে এই ভাষাবংশের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এ ভাষা বংশের শাখা দুইটি। যথা: কেম ও শতম। তামিল, দ্রাবিড়, আর্য, অনার্য, মাগধী ও গৌড়ী শতম শাখার অন্তর্ভুক্ত। হিত্তিক ও তুখারিক কেন্দ্রম শাখার অন্তর্ভূক্ত। কেপ্তম শাখার অধিকাংশ ভাষাই ইউরোপের বিভিন্ন অঞ্চলের হলেও তুখারিক ভাষা প্রচলিত ছিল এশিয়ার তারিম নদী অববাহিকা (চীনের জিনজিয়াং) অঞ্চলে এবং হিত্তিক ভাষা প্রচলিত ছিল পশ্চিম এশিয়ার আনাতোলিয়া (তুরস্ক) অঞ্চলে। উল্লেখ্য, বাংলা ভাষার উদ্ভব ইন্দো - ইউরোপীয় ভাষার শতম শাখা থেকে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ‘রুখের তেন্তুলি কুমীরে খাই’ এর অর্থ কী? ৪৩তম বিসিএস
| (ক) বৃক্ষের শাখায় পাকা তেঁতুল | (খ) তেজি কুমিরকে রুখে দিই |
| (গ) ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হয় | (ঘ) গাছের তেঁতুল কুমিরে খায় |
উত্তর: গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়
'রুখের তেন্তুলি কুমীরে খাই' চর্যাপদের একটি বিখ্যাত পঙক্তি, যার আক্ষরিক অর্থ গাছের তেঁতুল কুমিরে খায় । এটি চর্যাপদের মহিলা কবি কুক্কুরীপা রচিত পদে পাওয়া যায় । এই বাক্যাংশটি মূলত অসম্ভব বা অদ্ভুত কোনো পরিস্থিতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: মনসা দেবীকে নিয়ে লেখা বিজয়গুপ্তের মঙ্গলকাব্যের নাম কী? ৪৩তম বিসিএস
| (ক) ‘পদ্মপুরাণ’ | (খ) ‘মনসাবিজয় |
| (গ) ‘পদ্মাবতী’ | (ঘ) ‘মনসামঙ্গল’ |
উত্তর: ‘পদ্মপুরাণ’
- বাংলা সাহিত্যে মঙ্গলকাব্য ধারার প্রাচীনতম কাব্য 'মনসামঙ্গল' ।
- সাপের দেবী মনসার স্তব, স্তুতি, কাহিনী ইত্যাদি নিয়ে রচিত কাব্য মনসামঙ্গল।
- 'মনসামঙ্গল' কাব্যের অপর নাম 'পদ্মাপুরাণ' ।
- মনসামঙ্গল কাব্যের আদি কবি - কানাহরি দত্ত;
- শ্রেষ্ঠ কবি হিসাবে বিবেচনা করা হয় - দ্বিজ বংশীদাশকে।
- এই কাব্যের চরিত্রঃ বেহুলা, দেবী মনসা, লক্ষীন্দর, চাঁদ সওদাগর প্রমুখ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: দৌলত উজির বাহরাম খাম সাহিত্যসৃষ্টিতে কার পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেন? ৪৩তম বিসিএস
| (ক) সুলতান খিয়াসউদ্দিন আজম শাহ | (খ) সুলতান বরবক শাহ |
| (গ) কোরেশী মাগন ঠাকুর | (ঘ) জমিদার নিজাম শাহ |
উত্তর: জমিদার নিজাম শাহ
যোগ শতকের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার মুসলিম কবি দৌলত উজির বাহরাম খান। তিনি চট্টগ্রামের জাফরাবাদের শাসনকর্তা জমিদার নিজাম শাহের দেওয়ান ছিলেন। তিনি নিজাম শাহের পৃষ্ঠপোষকতায় পারসিয়ান কবি জামির আরবি লোকগাথা পায় থেকে বাংলায় 'লায়লী - মজনু' অনুবাদ করেন। তাঁর প্রকৃত নাম বাহরাম খান। জমিদার নিজাম শাহ তাকে দৌলান করেন। গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আহাম শাহের পৃষ্ঠপোষকতায় শাহ মুহম্মদ সগীর ‘ইউসুফ - জোলেখা রচনা করেন। করুনউদ্দিন বরবক শাহের পৃষ্ঠপোষকতায় মালাধর বসু 'শ্রীকৃষ্ণবিজয়' কাব্য রচনা করেন। কোরেশী মাগন ঠাকুরের উৎসাহে আলাওল 'পদ্মাবতী' কাবা রচনা করেন।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: চর্যাপদে’র প্রাপ্তিস্থান কোথায়? ৪৩তম বিসিএস
| (ক) নেপাল | (খ) উড়িষ্যা |
| (গ) ভুটান | (ঘ) বাংলাদেশ |
উত্তর: নেপাল
প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদ। ১৮৮২ সালে বিবিয়াম পত্রিকার সম্পাদক রাজেন্দ্রলাল মিত্র Sanskrit Buddhist Literature in Nepal' গ্রন্থে নেপালে থা সংস্কৃত ভাষায় রচিত বিভিন্ন বৌদ্ধতান্ত্রিক সাহিত্যের কথা প্রকাশ করেন। রাজেন্দ্রলালের মৃত্যুর পর তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার বাংলা, বিহার ও আসাম অঞ্চলের পুঁথি সপ্তাহের দায়িত্ব দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মহামহোপাধ্যায় হরপ্রস শাস্ত্রীর উপর। তিনি তৃতীয়বারের প্রচেষ্টা ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের সন্থাগারে (রয়েল লাইব্রেরি) নতুন কিছু পুঁথির সন্ধান পান, মা 'চর্যাচর্যবিনিশ্চয়', 'ডাকার্ণব’, ‘সরহপানের দোহা' ও 'কৃষ্ণপাদের দোহা নামে পরিচিত। পরবর্তীতে এগুলো তাঁর সম্পাদনায় ১৯১ খ্রিষ্টাব্দে (১৩২৩ ব.) কলকাতার 'বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ' থেকে 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা' নামে প্রকাশিত হয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কোথায় জন্মগ্রহণ করেন? ৪৩তম বিসিএস
| (ক) কীঠালপাড়া রাম, চব্বিশ পরগনা | (খ) চৌবেরিয়া গ্রাম, নদীয়া |
| (গ) দেবানন্দপুন গ্রাম, হুগলি | (ঘ) বীরসিংহ গ্রাম, মেদিনীপুর |
উত্তর: বীরসিংহ গ্রাম, মেদিনীপুর
বীরসিংহ হল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ঘাটাল মহকুমার ঘাটাল ব্লকের অন্তর্গত একটা বড়ো গ্রাম। বীরসিংহ গ্রামের প্রথম পরিচয় হল এটা বাংলার স্বনামধন্য সমাজ সংস্কারক তথা বাংলা বর্ণপরিচয় প্রণেতা পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মস্থান।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ‘তোমারেই যেন ভালোবাসিয়াছি শত রূপে শত বার/জনমে জনমে যুগে যুগে অনিবার।’-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন কবিতার অংশ? ৪৩তম বিসিএস
| (ক) ‘অনন্ত প্রেম’ | (খ) ‘ব্যক্ত প্রেম’ |
| (গ) ‘শেষ উপহার’ | (ঘ) ‘উপহার’ |
উত্তর: ‘অনন্ত প্রেম’
“তোমারেই যেন ভালোবাসিয়াছি. শত রূপে শত বার. জনমে জনমে, যুগে যুগে অনিবার।” কাব্যাংশটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মানসী কাব্যগ্রন্থের অনন্ত প্রেম কবিতার অংশ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর উপাধি কী? ৪৩তম বিসিএস
| (ক) মহামহোপাধ্যায় | (খ) শাস্ত্রজ্ঞ |
| (গ) বিদ্যাসাগর | (ঘ) পণ্ডিত |
উত্তর: মহামহোপাধ্যায়
হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর প্রধান উপাধিগুলো হলো শাস্ত্রী এবং মহামহোপাধ্যায়, যা তাঁর গভীর পাণ্ডিত্য ও সংস্কৃত শাস্ত্রে দক্ষতার জন্য দেওয়া হয়েছিল; তিনি "মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী" হিসেবেই অধিক পরিচিত। তাঁর পারিবারিক নাম ছিল ভট্টাচার্য, কিন্তু তিনি Sanskrit College থেকে MA ডিগ্রি ও 'শাস্ত্রী' উপাধি লাভ করার পর থেকেই এই নামে পরিচিত হন
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: “ঐ ক্ষেপেছে পাগলি মায়ের দামাল ছেলে”-কে এই দামান ছেলে? ৪৩তম বিসিএস
| (ক) চিত্তরঞ্জন দাস | (খ) কাজী নজরুল ইসলাম |
| (গ) সুভাষ বসু | (ঘ) কামাল পাশা |
উত্তর: কামাল পাশা
"ঐ ক্ষেপেছে পাগলী মায়ের দামাল ছেলে" বলতে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কবিতা "কামাল পাশা"-এর নায়ক, তুর্কি বীর মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক-কে বোঝানো হয়েছে, যিনি মাতৃভূমিকে রক্ষা ও আধুনিকীকরণে এক অপ্রতিরোধ্য শক্তি ছিলেন, তাই তাঁকে 'দামাল ছেলে' বলা হয়েছে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: সজনীকন্ত দাস সম্পাদিত পত্রিকার নাম কী? ৪৩তম বিসিএস
| (ক) রবিবারের ডাক | (খ) বঙ্গদর্শন |
| (গ) বিজলি | (ঘ) শনিবারের চিঠি |
উত্তর: রবিবারের ডাক
শনিবারের চিঠি বাংলাভাষার অন্যতম বিখ্যাত সাহিত্য-সাময়িকী, যা বিংশ শতকের প্রথমার্ধে ১৯২৪ খ্রিষ্টাব্দে প্রবর্তিত হয়েছিল। এটি ছিল একটি সাপ্তাহিক কাগজ এবং এর মূল স্বত্বাধিকারী ছিলেন অশোক চট্টোপাধ্যায় যোগানন্দ দাস এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক। তবে আদ্যোপান্ত শনিবারের চিঠি'র প্রাণপুরুষ ছিলেন কবি-সাহিত্যিক সজনীকান্ত দাস।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ‘মানুষের মৃত্যু হলে তবুও মানব থেকে যায়’-কে রচনা করেন এই কাব্যাংশ? ৪৩তম বিসিএস
| (ক) প্রেমেন্দ্র মিত্র | (খ) সমর সেন |
| (গ) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত | (ঘ) জীবনানন্দ দাশ |
উত্তর: জীবনানন্দ দাশ
এই পঙক্তিটি জীবনানন্দ দাসের। জীবনানন্দ দাশ ‘মানুষের মৃত্যু হ’লে’ কবিতায় বলেছেন, ‘মানুষের মৃত্যু হ’লে তবুও মানব থেকে যায়; অতীতের থেকে উঠে আজকের মানুষের কাছে/প্রথমত চেতনার পরিমাপ নিতে আসে।’
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস? ৪৩তম বিসিএস
| (ক) ‘রাঙা প্রভাত’ | (খ) ‘কাদো নদী কাদো’ |
| (গ) ‘প্রদোষে প্রাকৃতজন’ | (ঘ) ‘নেকড়ে অরণ্য’ |
উত্তর: ‘নেকড়ে অরণ্য’
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস রচনায় শওকত ওসমান (১৯১৭-৯৮) এর অবদান অবিস্মরণীয়। তাঁর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের সংখ্যা চারটি। ‘জাহান্নাম হইতে বিদায়’ (১৯৭১), ‘নেকড়ে অরণ্য’ (১৯৭৩) ‘দুই সৈনিক’ (১৯৭২), ‘জলাঙ্গী’ (১৯৭৩)।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।