পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .
দয়াকরে অপেক্ষা করুন।
"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।
প্রশ্ন: " সরল " শব্দের বিপরীতার্থক নয় নিচের কোনটি? ৩৯তম বিসিএস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)
| (ক) জটিল | (খ) গরল |
| (গ) বক্র | (ঘ) কুটিল |
উত্তর: গরল
সরল শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ 'গরল' বাদে অপশনের বাকি তিনটিই। তবে এরা ভিন্নার্থে ব্যবহৃত হয় । গরল হলো অমৃত শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত গ্রন্থ কোনটি? ৩৯তম বিসিএস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)
| (ক) পদ্মগোখরা | (খ) পদ্মাবতী |
| (গ) পদ্মরাগ | (ঘ) পদ্মমণি |
উত্তর: পদ্মরাগ
বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলো হলো মতিচূর (প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড), সুলতানার স্বপ্ন, পদ্মরাগ, এবং অবরোধবাসিনী। তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারীবাদী লেখক হিসেবে পরিচিত এবং তার রচনায় নারী জাগরণ ও শিক্ষার উপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: বিভক্তহীন নাম - শব্দকে কী বলে? ৩৯তম বিসিএস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)
| (ক) প্রাতিপাদিক | (খ) নাম -পদ |
| (গ) মৌলিক শব্দ | (ঘ) কৃদন্ত শব্দ |
উত্তর: প্রাতিপাদিক
বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপাদিক বলে। যেমন -
মিঠা + আই = মিঠাই, মধু + র = মধুর । এখানে 'মিঠা ও 'মধু প্রাতিপদিক।
যে শব্দ বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভেঙে আলাদা করা যায় না, সেগুলোকে
মৌলিক শব্দ বলে। মৌলিক শব্দগুলোই হচ্ছে ভাষার মূল উপকরণ। যেমন - গোলাপ, নাক,
লাল , তিন । কৃৎ প্রত্যয় যোগে গঠিত সাধিত পদকে কৃদন্ত পদ বলে। যেমন - রুট পড়্ + আ = পড়া
এখানে 'পড়া' শব্দটি কৃদন্ত শব্দ । উদাহরণ : রুট গম্ (ধাতু ) + তব্য = গন্তব্য ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: " তুমি তো ভারি সুন্দর ছবি আঁক। " বাক্যটিতে কোন প্রকারের অব্যয় পদ ব্যবহৃত হয়েছে ? ৩৯তম বিসিএস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)
| (ক) অনুসর্গ অব্যয় | (খ) অনুকার অব্যয় |
| (গ) পদান্বয়ী অব্যয় | (ঘ) অনন্বয়ী অব্যয় |
উত্তর: অনন্বয়ী অব্যয়
যেসব অব্যয় বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে কোনো সম্বন্ধ না রেখে স্বাধীনভাবে নানাবিধ ভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয় , তাদের অনন্বয়ী অব্যয় বলে। যেমন - আপনি যা জানেন তা তো ঠিকই ঘটে। এখানে 'তো' অনন্বয়ী অব্যয়। #যেসব অব্যয় অব্যক্ত রব, শব্দ বা ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয়, সেগুলোকে অনুকার অব্যয় বলে। যেমন - মেঘের গর্জন - গুড় গুড়। #যেসব অব্যয় শব্দ বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের বিভক্তির ন্যায় বসে কারকবাচকতা প্রকাশ করে, তাদের অনুসর্গ অব্যয় বলে। যেমন - ওকে দিয়ে এ কাজ হবে না। এখানে 'দিয়ে' অনুসর্গ অব্যয়। উল্লেখ্য অনুসর্গ অব্যয় 'পদান্বয়ী অব্যয়' নামেও পরিচিত।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: কোনটি অপাদান কারক? ৩৯তম বিসিএস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)
| (ক) বনে বাঘ আছে | (খ) ট্রেন স্টেশন ছেড়েছে |
| (গ) গৃহহীনে গৃহ দাও | (ঘ) জিজ্ঞাসিব জনে জনে |
উত্তর: ট্রেন স্টেশন ছেড়েছে
সঠিক উত্তর হল ট্রেন স্টেশন ছেড়েছে, কারণ এখানে 'ছেড়েছে' ক্রিয়াপদটি 'স্টেশন' থেকে বিচ্যুতি বা পৃথক হওয়া বোঝাচ্ছে, যা অপাদান কারকের (পঞ্চমী বিভক্তি) মূল ধর্ম; যেখানে 'হতে', 'থেকে', 'চেয়ে' বিভক্তি বা অনুসর্গ ব্যবহৃত হয়, যেমন 'গাছ থেকে পাতা পড়ে' বা 'ট্রেন স্টেশন থেকে ছেড়েছে' (এখানে 'থেকে' উহ্য)।
ব্যাখ্যা:
অপাদান কারক: যা থেকে কোনো কিছু উৎপন্ন, বিচ্যুত, বা গৃহীত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। এখানে 'থেকে' বা 'হতে' বিভক্তি (পঞ্চমী) যুক্ত থাকে।
ট্রেন স্টেশন ছেড়েছে: 'ছেড়েছে' ক্রিয়াটি 'স্টেশন' থেকে ট্রেনটির পৃথক হওয়া বা সরে যাওয়া বোঝাচ্ছে। যদিও 'থেকে' নেই, অন্তর্নিহিত অর্থ তাই, তাই এটি অপাদান কারক (পঞ্চমী বিভক্তি)।
গৃহহীনে গৃহ দাও: এটি সম্প্রদান কারক (চতুর্থী বিভক্তি), কারণ এখানে নিঃস্বার্থভাবে কাউকে কিছু দেওয়া হচ্ছে।
জিজ্ঞাসিব জনে জনে: এটি সম্বন্ধ পদ, কারণ 'জনে জনে' এখানে প্রশ্ন করার 'যোগ্যতা' বা 'কর্তা' বোঝাচ্ছে, যা বিভক্তিহীন সম্বন্ধ পদ (ষষ্ঠী বিভক্তির মতো)।
বনে বাঘ আছে: এটি অধিকরণ কারক, কারণ এখানে 'বনে' স্থান বোঝাচ্ছে
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: " বাঁধন হারা " কাজী নজরুল ইসলামের কোন ধরনের রচনা? ৩৯তম বিসিএস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)
| (ক) ভ্রমণ কাহিনী | (খ) কবিতা |
| (গ) নাটক | (ঘ) উপন্যাস |
উত্তর: উপন্যাস
কাজী নজরুল ইসলাম রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রোপন্যাস 'বাঁধন - হারা' (১৯২৭) ১৯২১ সালে 'মোসলেম ভারত' পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। এ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র : নুরুল হুদা, রাবেয়া, মাহবুবা। তার রচিত আরো দুটি উপন্যাস : মৃত্যুক্ষুধা ও কুহেলিকা ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: কোনটি ব্যতিহার বহুব্রীহির উদাহরণ? ৩৯তম বিসিএস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)
| (ক) অজানা | (খ) দোতলা |
| (গ) আশীবিষ | (ঘ) কানাকানি |
উত্তর: কানাকানি
যে বহুব্রীহি সমাসে দুটি একরুপ বিশেষ্য দিয়ে এক জাতীয় কাজ বোঝায় তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস বলে। যেমন: কানে কানে যে কথা = কানাকানি । আরো কয়েকটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস: হাতাহাতি হাসাহাসি , লাঠালাঠি, কোলাকুলি, চুলাচুলি। অন্যদিকে অজানা, দোতলা ও আশীবিষ যথাক্রমে নঞ্ , প্রত্যয়ান্ত ও ব্যধিকরণ বহুব্রীহি সমাস।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: " আগুন " -এর সমার্থক শব্দ কোনটি? ৩৯তম বিসিএস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)
| (ক) ভাতি | (খ) অনল |
| (গ) অংশ | (ঘ) জ্যোতি |
উত্তর: অনল
অগ্নি /বিশেষ্য পদ/ আগুন, অনল, পাবক, বহ্নি, হুতাশন, বৈশ্বানর।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: প্রতাপ আদিত্য কে ছিলেন? ৩৯তম বিসিএস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)
| (ক) বাংলার বারো ভুঁইঞাদের একজন | (খ) মোগল সেনাপতি |
| (গ) মোগল সেনাপতি | (ঘ) রাজপুত রাজা |
উত্তর: বাংলার বারো ভুঁইঞাদের একজন
বাংলার ইতিহাসে ষোড়শ শতক থেকে সপ্তদশ শতকের মধ্যবর্তী সময়ে বাংলার যেসব বড় বড় জমিদার মুঘলদের অধীনতা মেনে নেননি এবং শক্তিশালী সৈন্য ও নৌ - বহর নিয়ে স্বাধীনতা রক্ষার জন্য একজোট হয়ে মুঘল সেনাপতির বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তেন তারাই বার ভূইয়া নামে পরিচিত। যশোরের রাজা প্রতাপ্রাদিত্য বার ভূইয়াদের মধ্যে সর্বাধিক সম্পদশালী ও প্রভাবশালী ছিলেন। ১৬০০ খ্রিষ্টাব্দে প্রতাপের ক্ষমতা ও খ্যাতি পুরো ভারতবর্ষে ছড়িয়ে পড়েছিল।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: কোন শব্দটি উপসর্গ দিয়ে গঠিত হয়েছে? ৩৯তম বিসিএস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)
| (ক) আনন | (খ) সব গুলোই |
| (গ) আষাঢ় | (ঘ) আঘাটা |
উত্তর: আঘাটা
সঠিক উত্তর হলো আঘাটা, কারণ 'আঘাটা' শব্দটি বাংলা 'আ' উপসর্গ যোগে 'ঘাটা' শব্দের সাথে গঠিত হয়েছে, যেখানে 'আনন' এবং 'আষাঢ়' উপসর্গযুক্ত শব্দ নয়, তাই সবগুলো সঠিক নয়।
আঘাটা: 'আ' (উপসর্গ) + 'ঘাটা' = আঘাটা (উপসর্গ দিয়ে গঠিত)।
আনন: এটি একটি বিশেষ্য পদ (মুখ), উপসর্গ দিয়ে গঠিত নয়।
আষাঢ়: এটি একটি মাসের নাম, কোনো উপসর্গ যুক্ত নেই
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: "Hand out" - এর শুদ্ধ বাংলা পরিভাষা হচ্ছে: ৩৯তম বিসিএস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)
| (ক) জ্ঞাপনপত্র | (খ) হস্তপত্র |
| (গ) তথ্যপত্র | (ঘ) প্রচারপত্র |
উত্তর: জ্ঞাপনপত্র
"Hand out" —এর শুদ্ধ বাংলা পরিভাষা - জ্ঞাপনপত্র।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: স্বাধীনতা পদক প্রাপ্ত ব্যক্তিত্ব হলেন__ ৩৯তম বিসিএস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)
| (ক) সতীন সরকার | (খ) বাতিল করা হয়েছে” |
| (গ) সৈয়দ আলী আহসান | (ঘ) সৈয়দ শামসুল হক |
উত্তর: বাতিল করা হয়েছে”
প্রশ্নে উল্লিখিত চারজনই বিভিন্ন সময়ে স্বাধীনতা পদক লাভ করেছেন। যেমন: সৈয়দ আলী আহসান (১৯৮৭), শামসুর রাহমান (১৯৯১), সৈয়দ শামসুল হক (২০০০), যতীন সরকার (২০১০)। প্রশ্নটি সুনির্দিষ্ট না হওয়ায় পিএসসি কর্তৃক বাতিল করা হয়েছে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য কোন পদে বেশি বেশি দেখা যায়? সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য কোন পদে বেশি বেশি দেখা যায়?
| (ক) বিশেষ্য ও বিশেষণ পদে | (খ) বিশেষ্য ও ক্রিয়া |
| (গ) ক্রিয়া ও সর্বনাম | (ঘ) বিশেষণ ও ক্রিয়া |
উত্তর: ক্রিয়া ও সর্বনাম
সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য সর্বনাম ও ক্রিয়াপদে বেশি দেখা যায়। সাধুরীতিতে ব্যবহৃত সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ চলিত রীতিতে পরিবর্তিত ও সহজতর রুপ লাভ করে। যেমন - ভাষারীতি : সর্বনাম বিশেষ্য ক্রিয়া সাধু: তাহারা ভাত খাইতেছিল তারা ভাত খাচ্ছিল
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: চর্যাপদে কোন ধর্মমতের কথা আছে? ৪০ তম বিসিএস
| (ক) খ্রিস্টধর্ম | (খ) প্যাগনিজম |
| (গ) বৌদ্ধধর্ম | (ঘ) জৈনধর্ম |
উত্তর: বৌদ্ধধর্ম
১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আবিষ্কৃত "চর্যাপদ" হল বৌদ্ধ সহজিয়া পন্থীদের দেহ সাধনার বই। চর্যাপদের ধর্মমত নিয়ে প্রথম আলোচনা করেন ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ১৯২৭ সালে। বৌদ্ধ ধর্মমতে - শূন্যতা + করূণা = বোধিসত্ত্বলাভ ইহ জগতের সবকিছুই মূল্যহীন এই উপলব্ধি হচ্ছে - শূন্যতা। আর বস্তু জগতের লোভ লালসা থেকে মুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে বলে - করূণা। এই দুয়ের সমন্বয়ে সাধনার চরম স্তরে পৌঁছানো যায়। অর্থাৎ বোধিসত্ত্ব লাভ হয়। ১ সংখ্যক চর্যায় লুইপা লিখেছেন, "কাআ তরুবর পঞ্চ বি ডাল চঞ্চল চিএ পইঠা কাল।।" অর্থাৎ দেহ হল তরুর মত পাঁচটা যার ডাল চঞ্চল চিত্তে প্রবেশ করে কাল। চর্যাপদে দেহ সাধনার কথা লেখা হয়েছে গূঢ় রহস্যপূর্ণ ভাষায় - যা সাধারণ মানুষের পক্ষে বোঝা প্রায় অসম্ভব।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: উল্লিখিতদের মধ্যে কে প্রাচীন যুগের কবি নন? ৪০ তম বিসিএস
| (ক) কাহ্নপাদ | (খ) শান্তিপাদ |
| (গ) রমনীপাদ | (ঘ) লুইপাদ |
উত্তর: রমনীপাদ
কাহ্নপাদ বা কাহ্ন পা বা কৃষ্ণপাদ বা কৃষ্ণাচার্য্য চুরাশিজন বৌদ্ধ মহাসিদ্ধদের মধ্যে একজন ছিলেন। তিনি চর্যাপদের তেরোটি পদ রচনা করেন। তবে কাহ্নপা রচিত ২৪তম পদটি পাওয়া যায়নি। চর্যাপদে শান্তি পার একটি পদ গৃহীত হয়েছে। শান্তি পা বিক্রমশিলা বিহারের দ্বারপণ্ডিত ছিলেন। দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান অতীশ তার শিষ্য। এগার শতকের প্রথমে তিনি জীবিত ছিলেন। তার চর্যাপদের ভাষা প্রাচীন মৈথিলি। শান্তি পা রত্নাকর শান্তির সংক্ষিপ্ত নাম। চর্যাপদের প্রথম এবং ঊনত্রিশতম পদ লুই পার রচনা ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।