পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .
দয়াকরে অপেক্ষা করুন।
"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।
প্রশ্ন: উল্লিখিত কোন রচনাটি পুঁথি সাহিত্যের অন্তগর্ত নয়? ৪০ তম বিসিএস
| (ক) ইউসুফ জুলেখা | (খ) লাইলী মজনু |
| (গ) ময়মনসিংহ গীতিকা | (ঘ) পদ্মাবতী |
উত্তর: ময়মনসিংহ গীতিকা
১৯১৬ সালে ময়মনসিংহের কবি চন্দ্রকুমার দে প্রথম সেই এলাকার প্রচলিত পালাগান বা গাথাগুলি সংগ্রহ করেছিলেন | আচার্য দীনেশচন্দ্র সেনের উত্সাহে তা পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত হয় | এই সমস্ত পালা ময়মনসিংহ গীতিকা নামেই পরিচিতি লাভ করে |এটি লোকসাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: জীবনীকাব্য রচনার জন্য বিখ্যাত : ৪০ তম বিসিএস
| (ক) ফকির গরীবুল্লাহ | (খ) নরহরি চক্রবর্তী |
| (গ) বৃন্দাবন দাস | (ঘ) বিপ্রদাস পিপিলাই |
উত্তর: বৃন্দাবন দাস
বৃন্দাবন দাস একজন মধ্যযুগীয় এবং পদাবলী সাহিত্যের বিখ্যাত কবি ছিলেন। বর্ধমানের কাছে দেনুর গ্রামে ১৬ শতকের শুরুতে জন্ম। তাঁর রচিত শ্রীচৈত্যন্যদেবের জীবনী চৈত্যন্যভাগবত সবচেয়ে পুরোনো যা বৈষ্ণব সমাজে বেদব্যাস হিসাবে বিখ্যাত। তাঁর রচিত গোপিকামোহন কাব্যও বৈষ্ণব সমাজের আদরের বস্তু। তিনি কৃষ্ণকর্ণামৃতটীকা, নিত্যানন্দযুগলাষ্টক, রসকল্পসারস্তব, রামানুজগুরু - পরম্পরা প্রভৃতি কয়েকটি সংস্কৃত কাব্য রচনা করে যশ লাভ করেন।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: বৈষ্ণব পদাবলির সঙ্গে কোন ভাষা সম্পর্কিত? ৪০ তম বিসিএস
| (ক) অধিভাষা | (খ) ব্রজবুলি |
| (গ) সংস্কৃত ভাষা | (ঘ) সন্ধ্যাভাষা |
উত্তর: ব্রজবুলি
ব্রজবুলি মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের দ্বিতীয় কাব্যভাষা বা উপভাষা। ব্রজবুলি মূলত এক ধরনের কৃত্রিম মিশ্রভাষা। মৈথিলি ও বাংলার মিশ্রিত রূপ হলো ব্রজবুলি ভাষা। মিথিলার কবি বিদ্যাপতি (আনু. ১৩৭৪ - ১৪৬০) এর উদ্ভাবক। তার পদের ভাব ও ভাষার অনুসরণে বাংলা, উড়িষ্যা ও আসামে পঞ্চদশ শতাব্দীর শেষ ভাগে ব্রজবুলি ভাষার সৃষ্টি হয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: বাংলা আধুনিক উপন্যাস-এর প্রবর্তক ছিলেন– ৪০ তম বিসিএস
| (ক) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় | (খ) প্যারীচাঁদ মিত্র |
| (গ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর | (ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর |
উত্তর: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (২৬ জুন ১৮৩৮ - ৮ এপ্রিল ১৮৯৪) ছিলেন উনিশ শতকের বিশিষ্ট বাঙালি ঔপন্যাসিক। বাংলা গদ্য ও উপন্যাসের বিকাশে তার অসীম অবদানের জন্যে তিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অমরত্ব লাভ করেছেন। তাকে সাধারণত প্রথম আধুনিক বাংলা ঔপন্যাসিক হিসেবে গণ্য করা হয়। তিনি বাংলা ভাষার আদি সাহিত্যপত্র বঙ্গদর্শনের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। তিনি ছদ্মনাম হিসেবে কমলাকান্ত নামটি বেছে নিয়েছিলেন। তাকে বাংলা সাহিত্যের সাহিত্য সম্রাট বলা হয়। বঙ্কিমচন্দ্র রচিত আনন্দমঠ (১৮৮২) উপন্যাসের কবিতা বন্দে মাতরম ১৯৩৭ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস কর্তৃক ভারতের জাতীয় স্তোত্র হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: কিন্তু আরম্ভের পূর্বেও আরম্ভ আছে। সন্ধ্যাবেলায় দীপ জ্বালার আগে সকালবেলায় সলতে পাকানো’- বাক্যদ্বয় কোন রচনা থেকে উদ্ধৃত? ৪০ তম বিসিএস
| (ক) শেষের কবিতা | (খ) যোগাযোগ |
| (গ) চোখের বালি | (ঘ) নৌকাডুবি |
উত্তর: যোগাযোগ
যোগাযোগ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি সামাজিক উপন্যাস। এটি ১৯২৯ সালে (আষাঢ়, ১৩৩৬ বঙ্গাব্দ) প্রকাশিত হয়। এটি প্রথমে ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের আশ্বিন মাস থেকে ১৩৩৫ বঙ্গাব্দের চৈত্র মাস পর্যন্ত বিচিত্রা মাসিকপত্রে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। প্রথম দুই সংখ্যায় এই উপন্যাসের শিরোনাম ছিল তিনপুরুষ। ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের অগ্রহায়ণ সংখ্যায় রবীন্দ্রনাথ এই উপন্যাসের শিরোনাম পরিবর্তন করে নতুন শিরোনাম দেন যোগাযোগ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস কোনটি? ৪০ তম বিসিএস
| (ক) একটি কালো মেয়ের কথা | (খ) আয়নামতির পালা |
| (গ) তেইশ নম্বর তৈলচিত্র | (ঘ) ইছামতী |
উত্তর: একটি কালো মেয়ের কথা
প্রকাশকালের দিক থেকে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম উপন্যাস তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের "একটি কালো মেয়ের কথা"। ১৯৭১ সালে এটি প্রকাশ পায়। গল্পের নায়ক ডেভিড আর্মস্ট্রং। ভারতের সীমান্ত পার হয়ে ঢোকার সময় স্পাই সন্দেহে ভারতীয় অফিসারের কাছে ধৃত ডেভিডের জবানবন্দি নিয়েই এই উপন্যাসটা রচিত।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ‘কালো বরফ’ উপন্যাসটির বিষয় : ৪০ তম বিসিএস
| (ক) ভাষা আন্দোলন | (খ) মুক্তিযুদ্ধ |
| (গ) তেভাগা আন্দোলন | (ঘ) দেশভাগ |
উত্তর: দেশভাগ
উত্তরটি সঠিক কারণ 'কালো বরফ' উপন্যাসটি মূলত দেশভাগের পটভূমিতে রচিত।
এটি ১৯৪৭ সালের ভারত-বিভাগ বা দেশভাগের প্রেক্ষাপটে মানুষের জীবন, সংস্কৃতি, এবং ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটগুলোকে তুলে ধরে। উপন্যাসটিতে দেশের বিভাজন ও এর ফলে মানুষের মানসিক যন্ত্রণার উল্লেখ রয়েছে, যা এই বিষয়কে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে।
অতএব, দেশভাগই এই উপন্যাসের মৌলিক বিষয়বস্তু।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ঢাকা প্রকাশ’ সাপ্তাহিক পত্রিকাটির সম্পাদক কে? ৪০ তম বিসিএস
| (ক) শামসুর রাহমান | (খ) রামানন্দ চট্টোপাধ্যায় |
| (গ) সিকান্দার আবু জাফর | (ঘ) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার |
উত্তর: কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
'ঢাকা প্রকাশ' সাপ্তাহিক পত্রিকার প্রথম ও প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন কবি কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার (Krishnachandra Majumder), যিনি ১৮৬১ সালে এটি প্রকাশ শুরু করেন; পরবর্তীতে দীননাথ সেন এবং মুকুন্দ বিহারী চক্রবর্তী এর মতো ব্যক্তিরাও সম্পাদনার দায়িত্বে ছিলেন
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ‘জীবনস্মৃতি’ কার রচনা? ৪০ তম বিসিএস
| (ক) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর | (খ) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় |
| (গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | (ঘ) রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন |
উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত আত্মজীবনীমূলক প্রবন্ধ গ্রন্হ - জীবনস্মৃতি (১৯১২)।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত আত্নজীবনীমূলক বর্ণনাধর্মী অসমাপ্ত রচনার নাম - আত্মচরিত।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেন কে? ৪০ তম বিসিএস
| (ক) প্রমথ চৌধুরী | (খ) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় |
| (গ) মাইকেল মধুসূদ্ন দত্ত | (ঘ) প্যারীচাঁদ মিত্র |
উত্তর: মাইকেল মধুসূদ্ন দত্ত
নীলদর্পণ নাটকটি লিখেন দীনবন্ধু মিত্র।
নাটকটি ১৮৬০ সালে ঢাকা থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়। বাংলাদেশের মেহেরপুর অঞ্চলের নীলকরদের অত্যাচার ও নীলচাষীদের দুঃখ - কষ্ট নিয়ে রচিত হয়েছে । এই নাটকটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ‘সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভালো হয়ে চলি’ চরণ দুটির রচয়িতা কে? ৪০ তম বিসিএস
| (ক) কাজী নজরুল ইসলাম | (খ) চণ্ডীচরণ মুন্শী |
| (গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | (ঘ) মদনমোহন তর্কালঙ্কার |
উত্তর: মদনমোহন তর্কালঙ্কার
মদনমোহন তর্কালঙ্কার বাংলা ভাষায় শিক্ষা বিস্তারের জন্য যথেষ্ট শ্রম ব্যয় করেন। তাঁর রচিত শিশুশিক্ষা গ্রন্থটি ঈশ্বরচন্দ্র কর্তৃক রচিত "বর্ণপরিচয়" গ্রন্থটিরও পূর্বে প্রকাশিত। তিনি 'শিশুশিক্ষা' পুস্তকটির 'প্রথম ভাগ' ১৮৪৯ সালে এবং 'দ্বিতীয় ভাগে' ১৮৫০ সালে প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে পুস্তকটির 'তৃতীয় ভাগ' এবং 'বোধোদয়' শিরোনামে 'চতুর্থ ভাগ' প্রকাশিত হয়। 'বাসব দত্তা' ও 'রসতরঙ্গিনী' নামে তাঁর দুটি গ্রন্থ ছাত্রাবস্থায় রচিত হয়। তাঁর রচিত 'আমার পণ' কবিতাটি বাংলাদেশে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বাংলা পাঠ্যবইয়ের অন্যতম একটি পদ্য এবং শিশু মানস গঠনের জন্য চমৎকার দিক - নির্দেশনা হিসেবে বিবেচিত। তাঁর বিখ্যাত কিছু পংক্তির মধ্যে রয়েছে: ‘পাখী সব করে রব, রাতি পোহাইল’; ‘সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারা দিন আমি যেন ভালো হয়ে চলি’; ‘লেখাপড়া করে যে/ গাড়ি ঘোড়া চড়ে সে’। তিনি ১৪টি সংস্কৃত বই সম্পাদনা করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থসমূহের মধ্যে রয়েছে: রসতরঙ্গিণী (১৮৩৪) বাসবদত্তা (১৮৩৬) শিশু শিক্ষা - তিন খণ্ড (১৮৪৯ ও ১৮৫৩)
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: জসীমউদ্দীনের রচনা কোনটি? ৪০ তম বিসিএস
| (ক) কাল নিরবধি | (খ) পথে প্রবাসে |
| (গ) যাদের দেখেছি | (ঘ) ভবিষ্যতের বাঙালী |
উত্তর: যাদের দেখেছি
জসীম উদ্দীনের আত্নকথা: যাদের দেখেছি ((১৯৫১) ঠাকুর বাড়ির আঙ্গিনায় (১৯৬১) জীবন কথা ( ১৯৬৪) স্মৃতিপট (১৯৬৪) স্মরণের সরণী বাহি (১৯৭৮)
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: কিন্তু মানুষ্য কখনো পাষাণ হয় না’ – উক্তিটি কোন উপন্যাসের? ৪০ তম বিসিএস
| (ক) বঙ্কিমচন্দ্রের ‘রাজসিংহ | (খ) শওকত ওসমানের ‘ক্রীতদাসের হাসি |
| (গ) শরৎচন্দ্রের ‘পথের দাবী | (ঘ) রবীন্দ্রনাথের ‘চোখের বালি |
উত্তর: বঙ্কিমচন্দ্রের ‘রাজসিংহ
"কিন্তু মনুষ্য কখনো পাষাণ হয় না" উক্তিটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'রাজসিংহ' উপন্যাস থেকে নেওয়া, যা মানুষের ভেতরের মায়া ও মমতার চিরন্তন রূপকে প্রকাশ করে, এমনকি কঠিন পরিস্থিতিতেও।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ইয়ংবেঙ্গল গোষ্ঠীভুক্ত ছিলেন কে? ৪০ তম বিসিএস
| (ক) মাইকেল মধুসূদন দত্ত | (খ) অক্ষয়কুমার দত্ত |
| (গ) কালীপ্রসন্ন সিংহ ঠাকুর | (ঘ) এন্টনি ফিরঙ্গি |
উত্তর: মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ইয়ং বেঙ্গল গোষ্ঠী ও হিন্দু কলেজ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ১৮১৭ খ্রিষ্টাব্দে হিন্দু কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। ইয়ংবেঙ্গলের প্রতিষ্ঠাতা - হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও(হিন্দু কলেজের শিক্ষক) ১৮৩১ সালে ইয়ংবেঙ্গল প্রতিষ্ঠিত হয়।ডিরোজিওর শিষ্যরাই ইয়ংবেঙ্গল নামে পরিচিত,ইয়ংবেঙ্গলরা মূলত ইংরেজ ভাবধারাপুষ্ট বাঙালী যুবক।ইয়ংবেঙ্গলের আদর্শ - আস্তিকতা হোক আর নাস্তিকতা হোক, কোন জিনিসকে পূর্ব থেকে গ্রহণ না করা; জিজ্ঞাসা ও যুক্তি দিয়ে বিচার করা।তারা সাহিত্যে যুক্তিশীলতা ও মানবিকতাকে বড় করে ফুটিয়ে তুলেছেন। ডিরোজিওর প্রধান গ্রন্থ – ‘The Fakeer of Jungkeera’ হিন্দু কলেজের মেধাবী ছাত্র ও সাহিত্যিকরা হলেন – প্যারীচাদ মিত্র, দক্ষিণারঞ্জন মিত্র, কালিপ্রসাদ ঘোষ, হরচন্দ্র ঘোষ, মাধবচন্দ্র মল্লিক, রামতনু লাহিড়ী প্রমুখ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি কোন সনে প্রথম প্রকাশিত হয়? ৪০ তম বিসিএস
| (ক) ১৯২৩ সন | (খ) ১৯২১ সন |
| (গ) ১৯১৮ সন | (ঘ) ১৯১৯ সন |
উত্তর: ১৯২১ সন
বিদ্রোহী কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালের ৬ জানুয়ারি 'সাপ্তাহিক বিজলী' পত্রিকায় এবং এটি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। কবিতাটি রচিত হয়েছিল ১৯২১ সালের ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে, যা বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী ১৩২৮ বঙ্গাব্দের ২২ পৌষ ছিল
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।