পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .

দয়াকরে অপেক্ষা করুন।

"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।

সহায়িকা


বাংলাদেশ বিষয়াবলী
  • প্রশ্ন: বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী “কোর্ট অব রেকর্ড” হিসাবে গণ্য- ৪৫তম বিসিএস

    (ক) হাই কোর্ট (খ) লেবার কোর্ট
    (গ) সুপ্রীম কোর্ট (ঘ) জজ কোর্ট
    close

    উত্তর: সুপ্রীম কোর্ট

    • touch_app আরো ...

      অনুচ্ছেদঃ ১০৮ কোর্ট অব রেকর্ড, সুপ্রীম কোর্ট একটি "কোর্ট অব্ রেকর্ড" হবেন এবং এর অবমাননার জন্য তদন্তের আদেশ দান বা দণ্ডাদেশদানের ক্ষমতাসহ আইন-সাপেক্ষে অনুরূপ আদালতের সকল ক্ষমতার অধিকারী থাকবেন।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: বাংলাদেশে মোট কতটি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে? ৪৫তম বিসিএস

    (ক) ৮ (আট) টি (খ) ৬ (ছয়) টি
    (গ) ৯ (নয়) টি (ঘ) ৭ (সাত) টি
    close

    উত্তর: ৮ (আট) টি

    • touch_app আরো ...

      বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৮টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৭টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা সম্পন্ন হয়েছে এবং ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা চলমান রয়েছে। ২৯ ডিসেম্বর, ২০২০ সালে বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ২০২১ - ২০২৫ মেয়াদে " চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়। তবে এটির কার্যকাল ধরা হয়েছে জুন, ২০২০ - জুলাই, ২০২৫ পর্যন্ত।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: বাংলাদেশের কয়টি জেলার সাথে ‘সুন্দরবন’ সংযুক্ত আছে? ৪৫তম বিসিএস

    (ক) ৭ (সাত) টি (খ) ৪ (চার) টি
    (গ) ৫ (পাঁচ) টি (ঘ) ৬ (ছয়) টি
    close

    উত্তর: ৫ (পাঁচ) টি

    • touch_app আরো ...

      সুন্দরবন বাংলাদেশে মূলত ৫টি জেলাকে স্পর্শ করেছে। জেলাগুলো হলো: খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী এবং বরগুনা । এর মধ্যে সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাট জেলায় বনের প্রধান অংশ অবস্থিত ।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা শহর কোন সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল? ৪৫তম বিসিএস

    (ক) ৪ (চার) নম্বর (খ) ২ (দুই) নম্বর
    (গ) ৫ (পাঁচ) নম্বর (ঘ) ৩ (তিন) নম্বর
    close

    উত্তর: ২ (দুই) নম্বর

    • touch_app আরো ...

      মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা শহর ২ নং (Sector 2) সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল । এই সেক্টরের অধীনে ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালী জেলার অংশবিশেষ এলাকা ছিল । মুক্তিযুদ্ধের অধিকাংশ সময় এই সেক্টরটির দায়িত্বে ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার ।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: ‘জয় বাংলা’ কে জাতীয় স্লোগান হিসাবে মন্ত্রিসভায় কত তারিখে অনুমোদন করা হয়? ৪৫তম বিসিএস

    (ক) ৩ মার্চ, ২০২২ (খ) ৫ মার্চ, ২০২২
    (গ) ২ মার্চ, ২০২২ (ঘ) ৪ মার্চ, ২০২২
    close

    উত্তর: ২ মার্চ, ২০২২

    • touch_app আরো ...

      ‘জয় বাংলা’কে জাতীয় স্লোগান হিসেবে মন্ত্রিসভায় ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে অনুমোদন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে ০২ মার্চ ২০২২ তারিখে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন কবে গঠিত হয়? ৪৫তম বিসিএস

    (ক) ৬ এপ্রিল ১৯৭২ (খ) ৮ এপ্রিল ১৯৭২
    (গ) ৯ এপ্রিল ১৯৭২ (ঘ) ৭ এপ্রিল ১৯৭২
    close

    উত্তর: ৮ এপ্রিল ১৯৭২

    • touch_app আরো ...

      বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (BPSC) ১৯৭২ সালের ৮ এপ্রিল গঠিত হয় । এটি বাংলাদেশের একটি সাংবিধানিক ও স্বাধীন প্রতিষ্ঠান, যা ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতির ৩৪ নং আদেশবলে প্রাথমিকভাবে দুটি আলাদা কমিশন হিসেবে যাত্রা শুরু করেছিল । প্রতি বছর ৮ এপ্রিল বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন দিবস হিসেবে পালিত হয় ।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: ‘e- TIN’ চালু করা হয় কত সালে? ৪৫তম বিসিএস

    (ক) ২০১৩ সালে (খ) ২০১৪ সালে
    (গ) ২০১৬ সালে (ঘ) ২০১৫ সালে
    close

    উত্তর: ২০১৩ সালে

    • touch_app আরো ...

      বাংলাদেশে ১ জুলাই, ২০১৩ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে ই-টিআইএন (e-TIN) বা ইলেকট্রনিক করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু করা হয় । জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) কর ব্যবস্থার আধুনিকায়নের লক্ষ্যে তৎকালীন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এই অনলাইনভিত্তিক সেবাটির উদ্বোধন করেন, যা করদাতাদের ঘরে বসে ১২ ডিজিটের টিআইএন সনদ পাওয়া সহজ করে দেয় ।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: কত সালে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনটি প্রবর্তন করা হয়? ৪৫তম বিসিএস

    (ক) ২০১২ সালে (খ) ২০১৪ সালে
    (গ) ২০১১ সালে (ঘ) ২০১৩ সালে
    close

    উত্তর: ২০১২ সালে

    • touch_app আরো ...

      মানিলণ্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০০২ বাংলাদেশের একটি আইন যা ২০০২ সালের ৭ নং আইন হিসাবে চিহ্নিত এবং ৭ই এপ্রিল, ২০০২ তারিখে আইন হিসাবে প্রচারিত। আইনটি ৩০শে এপ্রিল ২০০২ তারিখ থেকে কার্যকর হয়। এ আইনটি “মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ (সংশোধন) আইন” দ্বারা ২০০৩ সালে সংশোধন করা হয়। পরে, ২০১২ সালে এই আইনটি রহিত করা হয়।

      মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি পাস হয়


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: দেশের কোন জেলায় সর্ববৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত? ৪৫তম বিসিএস

    (ক) চট্টগ্রাম (খ) ফেনী
    (গ) নরসিংদী (ঘ) ময়মনসিংহ
    close

    উত্তর: ময়মনসিংহ

    • touch_app আরো ...

      বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের যৌথ উদ্যোগে এইচ ডি এফ সি সিন পাওয়ার লিমিটেড ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার সুতিয়াখালীতে ১৭৪ একর জমির ওপর ৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির পরিবেশ বান্ধব সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। যা দেশের সর্ববৃহৎ সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র

      বর্তমানে গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: বাংলাদেশে বন গবেষণা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত? ৪৫তম বিসিএস

    (ক) চট্টগ্রাম (খ) গাজীপুর
    (গ) কুমিল্লা (ঘ) রাজশাহী
    close

    উত্তর: চট্টগ্রাম

    • touch_app আরো ...

      বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের বনসম্পদ, যা প্রয়োজনের তুলনায় সীমিত, তার রক্ষণা-বেক্ষণ ও পরিচর্যা এবং নতুন বনাঞ্চল সৃষ্টি, এ সংক্রান্ত গবেষণা পরিচালনা করে থাকে। এটি সংক্ষেপে বিএফআরআই (BFRI=Bangladesh Forest Research Institute) নামে পরিচিত। এর প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামে অবস্থিত।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: বাংলাদেশের মৎস্য প্রজাতি গবেষণাগার কোথায় অবস্থিত? ৪৫তম বিসিএস

    (ক) ফরিদপুর (খ) চাঁদপুর
    (গ) ভোলা (ঘ) ময়মনসিংহ
    close

    উত্তর: ময়মনসিংহ

    • touch_app আরো ...

      বাংলাদেশের প্রধান মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (BFRI) ময়মনসিংহে অবস্থিত, যা মৎস্য গবেষণা ও প্রজাতির উন্নয়নে কাজ করে । তবে, ইলিশ মাছ নিয়ে গবেষণার জন্য চাঁদপুরে নদী কেন্দ্র এবং উপকূলীয় চিংড়ি গবেষণার জন্য বাগেরহাটে কেন্দ্র রয়েছে [৬]। এই গবেষণাগুলো বাংলাদেশে মৎস্য উৎপাদন ও প্রজাতি রক্ষায় প্রধান ভূমিকা পালন করে।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ কোনটি? ৪৫তম বিসিএস

    (ক) চীনামাটি (খ) প্রাকৃতিক গ্যাস
    (গ) চুনাপাথর (ঘ) কয়লা
    close

    উত্তর: প্রাকৃতিক গ্যাস

    • touch_app আরো ...

      বাংলাদেশের প্রধান ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস। এটি দেশের জ্বালানি চাহিদার সিংহভাগ পূরণ করে । এটি অত্যন্ত খাঁটি (৯৫-৯৯% মিথেন) এবং মূলত দেশের পূর্ব অঞ্চলে (সিলেট থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত) পাওয়া যায় ।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: ইউরিয়া সারের কাঁচামাল কী? ৪৫তম বিসিএস

    (ক) মিথেন গ্যাস (খ) ইলমেনাইট
    (গ) চুনাপাথর (ঘ) প্রাকৃতিক গ্যাস
    close

    উত্তর: মিথেন গ্যাস

    • touch_app আরো ...

      উৎসের কাঁচামাল: মিথেন গ্যাস


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: কোনটি বিচার বিভাগের কাজ নয়? ৪৫তম বিসিএস

    (ক) সংবিধান প্রণয়ন (খ) আইনের ব্যাখ্যা
    (গ) সংবিধানের ব্যাখ্যা (ঘ) আইনের প্রয়োগ
    close

    উত্তর: সংবিধান প্রণয়ন

    • touch_app আরো ...

      বিচার বিভাগের মূল কাজ আইন ব্যাখ্যা করা, বিচার করা ও সংবিধান রক্ষা করা। এর প্রধান কাজগুলোর মধ্যে আইন প্রণয়ন করা (যা আইন বিভাগের কাজ) বা আইন বাস্তবায়ন করা (যা শাসন বিভাগের কাজ) অন্তর্ভুক্ত নয় । এছাড়াও, সরাসরি অপরাধীদের গ্রেফতার করা বা পুলিশি কার্যক্রম চালানো বিচার বিভাগের কাজ নয় ।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility    
  • প্রশ্ন: পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ কত সালে জারি হয়? ৪৫তম বিসিএস

    (ক) ১৯৯১ সালে (খ) ১৯৮৫ সালে
    (গ) ১৯৮০ সালে (ঘ) ১৯৮১ সালে
    close

    উত্তর: ১৯৮৫ সালে

    • touch_app আরো ...

      বাংলাদেশে পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ (The Family Courts Ordinance, 1985) ১৯৮৫ সালে জারি করা হয় ।
      এ সম্পর্কে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
      কার্যকর: অধ্যাদেশটি ১৯৮৫ সালের ৩০ মার্চ গেজেটে প্রকাশিত হয় এবং ১৫ জুন ১৯৮৫ থেকে কার্যকর হয় ।
      আওতাভুক্ত বিষয়: এই আদালতের মাধ্যমে পাঁচটি পারিবারিক সমস্যার সমাধান করা হয়— বিবাহ বিচ্ছেদ, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার, দেনমোহর, ভরণপোষণ এবং সন্তানদের অভিভাবকত্ব ও তত্ত্বাবধান ।
      বর্তমান অবস্থা: বর্তমানে এই অধ্যাদেশটি রহিত করে 'পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩' জারি করা হয়েছে, যা ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩-এ প্রকাশিত হয় ।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

      visibility