পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .
দয়াকরে অপেক্ষা করুন।
"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।
প্রশ্ন: চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদ প্রকাশ করেন কে? ৪৫তম বিসিএস
| (ক) প্রবোধচন্দ্র বাগচী | (খ) প্রণয়ভূষণ বাগচী |
| (গ) যতীন্দ্র মোহন বাগচী | (ঘ) প্রফুল্ল মোহন বাগচী |
উত্তর: প্রবোধচন্দ্র বাগচী
চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদ ১৯৩৮ সালে ড. প্রবোধচন্দ্র বাগচী (পিসি বাগচী) কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশ করেন । মূল চর্যাপদ বা চর্যাগীতিকোষ তিব্বতি ভাষায় অনুবাদ করেছিলেন কীর্তিচন্দ্র । ড. প্রবোধচন্দ্র বাগচী তিব্বতি অনুবাদটি সংগ্রহ ও পরিশীলিত পাঠ আকারে প্রকাশ করেন, যা মূল চর্যপদের পদ সংখ্যা (৫১টি) নির্ধারণে সাহায্য করে ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: গীতগোবিন্দ’ কাব্যের রচয়িতা জয়দেব কার সভাকবি ছিলেন? ৪৫তম বিসিএস
| (ক) হর্ষবর্ধনের | (খ) শশাঙ্কদেবের |
| (গ) লক্ষ্মণ সেনের | (ঘ) যশোবর্মনের |
উত্তর: লক্ষ্মণ সেনের
'গীতগোবিন্দ' কাব্যের রচয়িতা কবি জয়দেব দ্বাদশ শতাব্দীতে বাংলার সেন বংশীয় রাজা লক্ষ্মণ সেন-এর সভাকবি ছিলেন । তিনি রাজা লক্ষ্মণ সেনের রাজসভার পঞ্চরত্ন বা পাঁচজন বিখ্যাত কবির মধ্যে অন্যতম হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: কবি যশোরাজ খান বৈষ্ণবপদ রচনা করেন কোন ভাষায়? ৪৫তম বিসিএস
| (ক) বাংলা | (খ) সংস্কৃত |
| (গ) ব্রজবুলি | (ঘ) হিন্দি |
উত্তর: ব্রজবুলি
প্রাচীন বাংলার প্রথম ব্রজবুলি পদ রচনা করেন যশোরাজ খান। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী রচনা করেছেন এ ভাষায়। বাংলার নবজাগরণের অন্যান্য ১৯ শতকের ব্যক্তিত্ব, যেমন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ও ব্রজবুলিতে লিখেছেন।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: নিচের কোন জন যুদ্ধকাব্যের রচয়িতা নন? ৪৫তম বিসিএস
| (ক) সৈয়দ নূরুদ্দীন | (খ) সৈয়দ সুলতান |
| (গ) সাবিরিদ খাঁ | (ঘ) দৌলত উজির বাহরাম খাঁ |
উত্তর: সৈয়দ নূরুদ্দীন
দৌলত উজির বাহরাম খাঁ, সাবিরিদ খাঁ, এবং সৈয়দ সুলতান মধ্যযুগের মুসলিম ঐতিহ্যভিত্তিক যুদ্ধকাব্য বা 'জঙ্গনামা' রচয়িতা হলেও সৈয়দ নূরুদ্দীন যুদ্ধকাব্যের রচয়িতা নন। তিনি এই ধারার কবি হিসেবে পরিচিত নন।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: কোনটি কবি জৈনুদ্দিনের কাব্যগ্রন্থ? ৪৫তম বিসিএস
| (ক) মক্কানামা | (খ) রসুল বিজয় |
| (গ) রসুলচরিত | (ঘ) মক্কা বিজয় |
উত্তর: রসুল বিজয়
জয়েন উদ্দীন (পঞ্চদশ শতক) মধ্যযুগের বাংলার একজন বিখ্যাত কবি। তিনি গৌড়ের সুলতান ইউসুফ শাহের (১৪৭৪ - ১৪৮১) সভাকবি ছিলেন। তার রসুল-বিজয় মৌলিক রচনা নয়, কোনো ফার্সি গ্রন্থের অনুসরণে লিখিত। তার এই কাব্যটি প্রাচীন বাংলা সাহিত্যে মুসলমান রচিত বিজয়-কাব্যধারার অন্যতম পথিকৃৎ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: “বিদ্যাসাগর ও বাঙালি সমাজ” গ্রন্হের রচয়িতা কে? ৪৫তম বিসিএস
| (ক) বিনয় বর্মণ | (খ) সুবিনয় ঘোষ |
| (গ) বিনয় ভট্টাচার্য | (ঘ) বিনয় ঘোষ |
উত্তর: বিনয় ঘোষ
“বিদ্যাসাগর ও বাঙালি সমাজ” গ্রন্থের রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট বাঙালি সমাজতাত্ত্বিক, গবেষক ও সাহিত্যিক বিনয় ঘোষ। বইটি ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলার সামাজিক ইতিহাসের ধারায় বিদ্যাসাগরের ভূমিকা নিয়ে একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: প্রথম সাহিত্যিক গদ্যের স্রষ্টা কে? ৪৫তম বিসিএস
| (ক) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর | (খ) রাাজা রামমোহন রায় |
| (গ) মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার | (ঘ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় |
উত্তর: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক গদ্যকার মনে করা হয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: প্যারীচাঁদ মিত্রের ‘আলালের ঘরের দুলাল’ প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় কত সালে? ৪৫তম বিসিএস
| (ক) ১৯৭৮ সালে | (খ) ১৮৪৮ সালে |
| (গ) ১৮৬৮ সালে | (ঘ) ১৮৫৮ সালে |
উত্তর: ১৮৫৮ সালে
আলালের ঘরের দুলাল বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম সফল উপন্যাস। প্যারীচাঁদ মিত্র ওরফে টেকচাঁদ ঠাকুর (১৮১৪-১৮৮৩) ১৮৫৮ সালে এটি রচনা করেন। কলকাতার সমকালীন সমাজ এর প্রধান বিষয়বস্তু। উচ্চবিত্ত ঘরের আদুরে সন্তান মতিলালের উচ্ছৃঙ্খল জীবনাচার এতে বর্ণিত হয়েছে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: শচীন, দামিনী ও শ্রীবিলাস রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন উপন্যাসের চরিত্র? ৪৫তম বিসিএস
| (ক) নৌকাডুবি | (খ) ঘরে বাইরে |
| (গ) চতুরঙ্গ | (ঘ) চার অধ্যায় |
উত্তর: চতুরঙ্গ
শচীন (শচীশ), দামিনী ও শ্রীবিলাস রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত উপন্যাস 'চতুরঙ্গ'-এর প্রধান চরিত্র । ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত এই মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসে শ্রীবিলাস বর্ণনাকারী হিসেবে শচীশ ও দামিনীকে কেন্দ্র করে গল্পটি ফুটিয়ে তুলেছেন, যেখানে দামিনী একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও স্বতন্ত্র নারী চরিত্র ।
প্রধান চরিত্রসমূহ:
শ্রীবিলাস: উপন্যাসের কথক ও বর্ণনাকারী ।
শচীশ: শ্রীবিলাসের বন্ধু এবং দার্শনিক ।
দামিনী: একজন তরুণী বিধবা, উপন্যাসের অন্যতম মূল আকর্ষণ ।
জ্যাঠামশাই: শচীশের কাকা, একজন নাস্তিক ও মানবতাবাদী চরিত্র ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: ‘তুমি মা কল্পতরু আমরা সব পোষাগরু’– এই কবিতাংশটির রচয়িতা কে? ৪৫তম বিসিএস
| (ক) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর | (খ) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত |
| (গ) রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় | (ঘ) হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় |
উত্তর: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের (১৭৬০-১৮৬০ সাল ) সাহিত্যকর্মে মধ্যযুগের সাহিত্যের যেমন ছাপ আছে, সেই সাথে আধুনিক যুগের সাহিত্যের ছাপ একই সাথে পাওয়া যায় যদিও তিনি মধ্যযুগের কবি। দুইটা যুগের সন্ধিক্ষণের কবি হিসেবে ঈশ্চরচন্দ্র গুপ্তকে যুগসন্ধিক্ষণের কবি বলা হয়।
“তুমি মা কল্পতরু, আমরা সব পোষাগরু”— এই কবিতাংশটির রচয়িতা ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: মীর মশাররফ হোসেনের কোন গ্রন্হের উপজীব্য হিন্দু মুসলমানের বিরোধ? ৪৫তম বিসিএস
| (ক) গো-জীবন | (খ) বসন্তকুমারী নাটক |
| (গ) এর উপায় কী | (ঘ) ইসলামের জয় |
উত্তর: গো-জীবন
মীর মশাররফ হােসেনের ‘গাে-জীবন’(১৮৮৯) একটি প্রবন্ধ পুস্তিকা। প্রবন্ধটির মূল বক্তব্য হলাে, কৃষিনির্ভর অর্থনীতিতে যে কোনাে কারণেই হােক গাে-হত্যা অনুচিত। স্বীয় বক্তব্যের সমর্থনে লেখক ধর্মগ্রন্থ এবং প্রাত্যহিক-বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে নানা যুক্তি ও তথ্য পরিবেশন করেছেন। হিন্দু ও মুসলমান এই দুই ধর্মাবলম্বীদের ঐক্যবদ্ধ করার মানসেই মশাররফ হােসেন এ প্রবন্ধ রচনা করেন। প্রবন্ধটি তৎকালে মুসলিম ধর্মীয় নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের মধ্যে যথেষ্ট প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়। এ কারণে ‘আখবারে এসলামিয়া' (১৮৮৪) পত্রিকা প্রতিবাদ প্রকাশ করে এবং লেখককে পরে মামলাতে জড়িয়ে পড়তে হয়। অবশেষে মৌলবাদী মুসলিমদের প্রবল চাপের মুখে তিনি ‘গাে-জীবন’ প্রত্যাহার করতে বাধ্য হন।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত বয়সে ছোটগল্পকার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন? ৪৫তম বিসিএস
| (ক) ১৬ বছর | (খ) ১৪ বছর |
| (গ) ১২ বছর | (ঘ) ১০ বছর |
উত্তর: ১৬ বছর
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মাত্র ষোলো (১৬) বছর বয়সে ছোট গল্পকার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। ১৮৭৭ সালে (১২৮৪ বঙ্গাব্দের শ্রাবণ-ভাদ্র সংখ্যায়) 'ভারতী' পত্রিকায় তাঁর প্রথম ছোটগল্প 'ভিখারিণী' প্রকাশিত হয় । যদিও সার্থক ছোটগল্পকার হিসেবে তাঁর যাত্রা শুরু হয় অনেক পরে, তবে ছোটগল্প রচনার শুরু ১৬ বছর বয়সেই ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: নিচের কোনটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্পগ্রন্থ নয়? ৪৫তম বিসিএস
| (ক) যাত্রাবদল | (খ) ইছামতি |
| (গ) মেঘমল্লার | (ঘ) মৌরিফুল |
উত্তর: ইছামতি
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্পগ্রন্থ : ‘মেঘমল্লার’ (১৯৩১), ‘মৌরীফুল’ (১৯৩২), ‘যাত্রাবদল’ (১৯৩৪), 'জন্ম ও মৃত্যু' (১৯৩৭), 'কিন্নরদল’ (১৯৩৮), ‘বেনীগীর ফুলবাড়ি’ (১৯৪১), ‘নবাগত' (১৯৪৪), ‘উপলখণ্ড' (১৯৪৪), 'বিধু মাস্টার’ (১৯৪৫), ‘ক্ষণভঙ্গুর (১৯৪৫), 'অসাধারণ' (১৯৪৬), ‘মুখোশ ও মুখশ্রী' (১৯৪৭), নীলগঞ্জের ফালমন সাহেব’ (১৯৪৮), 'জ্যোতিরঙ্গন’ (১৯৪৯), ‘কুশল পাহাড়ী’ (১৯৫০), ‘রূপ হলুদ' (১৯৫৭), 'ছায়াছবি’ (১৯৬০), 'অনুসন্ধান' (১৯৬০)।
ইছামতি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: ‘আমার পথ’ প্রবন্ধটি কাজী নজরুল ইসলামের কোন গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে? ৪৫তম বিসিএস
| (ক) রুদ্র-মঙ্গল | (খ) দুর্দিনের যাত্রী |
| (গ) রাজবন্দির জবানবন্দি | (ঘ) যুগ-বাণী |
উত্তর: রুদ্র-মঙ্গল
‘আমার পথ’ প্রবন্ধটি কাজী নজরুল ইসলামের ‘রুদ্র-মঙ্গল’ (১৯২৬) নামক প্রবন্ধ গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে । এটি তাঁর একটি অন্যতম উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ, যেখানে তিনি নির্ভীকতা, সত্যনিষ্ঠা এবং আত্মবিশ্বাসের কথা বলেছেন।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধে মোতাহের হোসেন চৌধুরী কাকে তপোবন-প্রেমিক বলেছেন? ৪৫তম বিসিএস
| (ক) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে | (খ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে |
| (গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে | (ঘ) জসীম উদ্দীনকে |
উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে
‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধে মোতাহের হোসেন চৌধুরী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে ‘তপোবন-প্রেমিক’ বলেছেন । প্রাচীন ভারতের তপোবন-জীবনের প্রতি রবীন্দ্রনাথের গভীর আকর্ষণ, প্রকৃতির সান্নিধ্য পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা এবং শান্তি নিকেতন প্রতিষ্ঠার কারণে লেখক তাঁকে এ বিশেষণে ভূষিত করেছেন ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibility