পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .
দয়াকরে অপেক্ষা করুন।
"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।
প্রশ্ন: নিচের কোনটি বৃহৎ স্কেল মানচিত্র? ৪০ তম বিসিএস
| (ক) ১: ১০,০০০ | (খ) ১:১০০০,০০০ |
| (গ) ১: ১০০,০০০ | (ঘ) ১: ২৫০০,০০০ |
উত্তর: ১: ১০০,০০০
স্কেল অনুসারে মানচিত্র দুই প্রকারের - (ক)বৃহৎ স্কেলের মানচিত্র এবং (খ)ক্ষুদ্র স্কেলের মানচিত্র। নৌচলাচল সংক্রান্ত নাবিকদের চার্ট, বিমান চলাচল সংক্রান্ত বৈমানিকদের চার্ট, মৌজা মানচিত্র বা ক্যাডাস্ট্রাল মানচিত্র প্রভৃতি বৃহৎ স্কেলের মানচিত্র । একটি ছোট এলাকা অনেক বড় করে দেখানো হয় বলে মানচিত্রের মধ্যে অনেক জায়গা থাকে এবং অনেক কিছুর তথ্য এরূপ মানচিত্রে ভালভাবে দেখানো যায়। ভূচিত্রাবলি মানচিত্র, দেয়াল মানচত্র প্রভৃতি ক্ষুদ্র স্কেলের মানচিত্র। সমগ্র প্রথিবী বা মহাদেশ বা দেশের মতো বড় অঞ্চলকে একটি ছোট কাগজে দেখানো হয় বলে এ প্রকার মানচিত্রে বেশি জায়গা থাকে না। ফলে এ মানচিত্রে বেশি কিছু দেখানো যায় না। প্রশ্নে উল্লেখিত অপশনগুলোর মধ্যে ১:১০, ০০০ বৃহৎ স্কেলের মানচিত্র।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: সমবৃষ্টিপাত সম্পন্ন স্থানসমূহকে যোগকারী রেখাকে বলা হয়- ৪০ তম বিসিএস
| (ক) আইসোথার্ম | (খ) আইসোবার |
| (গ) আইসোহেলাইন | (ঘ) আইসোহাইট |
উত্তর: আইসোহাইট
আইসোথার্ম: আইসো অর্থ একই বা সমান এবং থার্ম অর্থ তামমাত্রা । একটি নির্দিষ্ট সময়ে বা কোন একটি নির্দিষ্ট সময়ে গড়ে মানচিত্রে একই তাপমাত্রার বিন্দুসমূহকে সংযোগকারী রেখাকে আইসোথার্ম বলে। আইসোবার: আইসো অর্থ একই বা সমান এবং বার অর্থ ভর। যে সকল মৌলের ভরসংখ্যা একই কিন্তু পারমানবিক সংখ্যা আলাদা তাদেরকে একে ওপরের আইসোবার বলে। যেমন K আর Ar এদের পারমানবিক সংখ্যা যথাক্রমে ১৮ ও ১৯ এবং ভরসংখ্যা উভয়েরই ৩৯. তাই এরা একে অপরের আইসোবার। আইসোহাইট: সমবৃষ্টিপাত সম্পন্ন স্থানসমূহকে সংযোগকারী রেখাকে আইসোহাইট বা সমবর্ষণ রেখা বলে। অর্থাৎ যেসব স্হানে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ সমান, মানচিত্রে সেসব স্থানকে এ রেখা দ্বারা যুক্ত করা হয়। এ রেখাগুলো সমোষ্ণরেখার মত আঁকাবাঁকা হয়। এরূপ মানচিত্রে দেখার সময় মনে রাখতে হবে যে, এক রেখা হতে অপর রেখা পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হঠাৎ কমে বা বেড়ে যায়না, তা ধীরে ধীরে কমে বা বাড়ে। আইসোহেলাইন: আইসো অর্থ একই বা সমান এবং হেলাইন অর্থ লবণাক্ততা। কোন জলীয় সিস্টেমে সমলবণাক্ততা বিশিষ্ট বিন্দুসমূহকে সংযোগকারী রেখাকে আইসোহেলাইন বলে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান কী ধরনের বনভূমি? ৪০ তম বিসিএস
| (ক) ক্রান্তীয় আর্দ্র পত্র পতনশীল জাতীয় | (খ) পত্র পতনশীল জাতীয় |
| (গ) ক্রান্তীয় চিরহরিৎ, আধা-চিরহরিৎ জাতীয় | (ঘ) ম্যানগ্রোভ জাতীয় |
উত্তর: ক্রান্তীয় চিরহরিৎ, আধা-চিরহরিৎ জাতীয়
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান শুধু যে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে অন্যন্য তা নয়, বরং দেশে যেটুকু বন এখনও অবশিষ্ট রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম। ১৯২৫ সালে বনায়ন করে সৃষ্ট বনরাজি এখন ঘন প্রাকৃতিক বনের আকার ধারণ করেছে। এর আয়তন ১২৫০ হেক্টর। জীববৈচিত্র্যে ভরপুর লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে দেখা মেলে নানা বিরল প্রজাতির পশু পাখির। সারা দুনিয়ার পাখি প্রেমিকরা দূর দূরান্ত হতে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে পাখি দেখতে ছুটে আসেন। এ বনের মধ্যে এবং আশেপাশে খাসিয়া ও টিপরা আদিবাসীরা বাস করেন। দূরত্ব: ঢাকা থেকে ১৬০ কিঃ মিঃ উত্তর পূর্বে দিকে অবস্থিত। রেল বা সড়ক পথে শ্রীমঙ্গল পৌঁছে গাড়িতে করে যেতে ১৫ - ২০ মিনিট লাগে। লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান ক্রান্তীয় চিরহরিৎ, আধা - চিরহরিৎ জাতীয় বনভূমি।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: বাংলাদেশে সংঘটিত বন্যার রেকর্ড অনুযায়ী (১৯৭১-২০০৭) কোন সালের বন্যায় সবচেয়ে বেশি এলাকা প্লাবিত হয়? ৪০ তম বিসিএস
| (ক) ২০০৭ | (খ) ১৯৮৮ |
| (গ) ১৯৯৮ | (ঘ) ১৯৭৪ |
উত্তর: ১৯৯৮
১৯৭৪ সালে ময়মনসিংহের প্রায় ১০, ৩৬০ বর্গ কিলোমিটার অঞ্চল বন্যা কবলিত হয়। ১৯৮৮ সালের আগস্ট - সেপ্টেম্বর মাসের বন্যায় ভয়ংকর বিপর্যয় দেখা দেয়। প্রায় ৮২, ০০০ বর্গ কিমি এলাকা (সমগ্র দেশের ৬০% এরও অধিক এলাকা) ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ধরনের বন্যা ৫০ - ১০০ বছরে একবার ঘটে। বৃষ্টিপাত এবং একই সময়ে (তিন দিনের মধ্যে) দেশের তিনটি প্রধান নদীর প্রবাহ একই সময় ঘটার (synchronize) ফলে বন্যার আরও ব্যাপ্তি ঘটে। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা শহরও প্লাবিত হয়। বন্যা স্থায়িত্ব ছিল ১৫ থেকে ২০ দিন। ১৯৯৮ সালের বন্যায় সমগ্র দেশের দুই - তৃতীয়াংশের বেশি এলাকা দুই মাসের অধিক সময় বন্যা কবলিত হয়। বন্যার ব্যাপ্তি অনুযায়ী এটি ১৯৮৮ সালের বন্যার সাথে তুলনীয়। ব্যাপক বৃষ্টিপাত, একই সময়ে দেশের তিনটি প্রধান নদীর প্রবাহ ঘটার ফলে ও ব্যাক ওয়াটার এ্যাফেক্টের কারণে এই বন্যা ঘটে। ২০০৭ সালের বন্যাকে “মহাবন্যা” বলা হয়। ২০০৭ সালের বন্যা হয় সেপ্টেম্বর মাসে। এতে দেশের ৪২ শতাংশ এলাকার ৬২ হাজার ৩০০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা প্লাবিত হয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত? ৪০ তম বিসিএস
| (ক) নয়াদিল্লি | (খ) ঢাকা |
| (গ) কাঠমুণ্ডু | (ঘ) কলম্বো |
উত্তর: নয়াদিল্লি
সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লীতে অবস্থিত । সার্ক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোতে অবস্থিত। সার্ক কৃষি কেন্দ্র ও আবহাওয়া কেন্দ্র বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত। সার্ক যক্ষা ও এইচ.আই.ভি/এইডস কেন্দ্র নেপালের রাজধানী কাঠমাণ্ডুতে অবস্থিত।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: নিচের কোনটি জলজ উদ্ভিদ নয়? ৪০ তম বিসিএস
| (ক) হিজল | (খ) করচ |
| (গ) ডুমুর | (ঘ) গজারী |
উত্তর: গজারী
যে সমস্ত উদ্ভিদ পানিতে বা পানি যুক্ত স্থানে জন্মে তাদেরকে জলজ উদ্ভিদ বলে। এসব জলজ উদ্ভিদ নদী - নালা, খাল - বিল, ডোবা - পুকুর, হ্রদ - জলাশয় ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে জন্মে। যেমন - করচ, হিজল, ডুমুর, বরুণ, পিঠালি, অর্জুন, ছাতিম, গুটিজাম, কলমি, কচুরিপানা, বট বৃক্ষ ইত্যাদি । গজারি মূলত বৃক্ষ জাতীয় উদ্ভিদ। এর অপর নাম শাল। গাছ কাটার পর গোড়া থেকে চারা গজানোর কারণে এর নাম গজারি হয়েছে মনে করা হয়। বাংলাদেশের ভাওয়াল ও মধুপুরের গাজারি বনই দেশের বৃহত্ পত্রঝরা বনাঞ্চল। লাল মাটির পাহাড়, ছোট ছোট টিলা জমিতে গজারি ভালো জন্মে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: নিচের কোনটি মানবসৃষ্ট আপদ (hazard) নয়? ৪০ তম বিসিএস
| (ক) মহামারী | (খ) বায়ু দূষণ |
| (গ) কালবৈশাখী (Norwester) | (ঘ) দুর্ভিক্ষ |
উত্তর: কালবৈশাখী (Norwester)
নিচের অপশনগুলোর মধ্যে খরা (Drought), ভূমিকম্প (Earthquake), বন্যা (Flood), এবং কালবৈশাখী (Nor'wester) হলো প্রাকৃতিক আপদ (Natural Hazard), এগুলো মানবসৃষ্ট আপদ নয় ।
মানবসৃষ্ট আপদ (Man-made Hazards): যুদ্ধ, সন্ত্রাসবাদ, পারমাণবিক বিস্ফোরণ, শিল্প দুর্ঘটনা, এবং বিষাক্ত বর্জ্য নিঃসরণ ।
প্রাকৃতিক আপদ (Natural Hazards): খরা, ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, ভূমিকম্প, এবং ভূমিধস
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে কোন খাতে বেশি কর্মসংস্থান হয়? ৪০ তম বিসিএস
| (ক) নির্মাণ খাত | (খ) সেবা খাত |
| (গ) শিল্প কারখানা খাত | (ঘ) কৃষি খাত |
উত্তর: কৃষি খাত
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২০ অনুযায়ী, অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে কৃষিখাতে ৪০.৬%, শিল্পখাতে ২০.৪% এবং সেবা খাতে ৩৯% কর্মসংস্থান হয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের উপকূলীয় সমভূমিতে বসবাসকারী জনগোষ্ঠী যে ধরনের বন্যা কবলিত হয় তার নাম- ৪০ তম বিসিএস
| (ক) বৃষ্টিজনিত বন্যা | (খ) নদীজ বন্যা |
| (গ) আকস্মিক বন্যা | (ঘ) জলোচ্ছ্বাসজনিত বন্যা |
উত্তর: জলোচ্ছ্বাসজনিত বন্যা
আকস্মিক বন্যা:
বর্ষা মৌসুম ব্যতীত যেকোন মৌসুমী আকস্মিক বৃষ্টিপাত বা পাহাড়ি ঢালের ফলে যে বন্যার সৃষ্টি হয়, তাকে আকস্মিক বন্যা বলে। বাংলাদেশের সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, কিশোরগঞ্জ প্রভৃতি জেলায় আকাস্মিক বন্যা হতে দেখা দেয়। বোরো মৌসুমে এ ধরনের বন্যার ফলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়।
উপকূলীয় বন্যা বা জলোচ্ছ্বাসজনিত বন্যা: উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়, সুনামি বা জোয়ার - ভাটাজনিত কারণে যে বন্যা সৃষ্টি হয় তাকে উপকূলীয় বন্যা বা জলোচ্ছ্বাসজনিত বন্যা বলে। তাই বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে সমভূমিতে বসবাসকারী জনগোষ্ঠী সাধারণত জলোচ্ছ্বাসজনিত বন্যায় কবলিত হয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: একই পরিমাণ বৃষ্টিপাত অঞ্চলসমূহকে যে কাল্পনিক রেখার সাহায্যে দেখানো হয় তার নাম- ৪১ তম বিসিএস
| (ক) আইসোপ্লিথ | (খ) আইসোথার্ম |
| (গ) আইসোহ্যালাইন | (ঘ) আইসোহাইট |
উত্তর: আইসোহাইট
আইসোহাইটঃ ভূপৃষ্ঠের সর্বত্র বৃষ্টিপাতের পরিমাণ সমান নয়। কোথাও বেশি বৃষ্টিপাত হয়, কোথাও মাঝারি বৃষ্টিপাত হয় আবার কোথাও কম বৃষ্টিপাত হয়। ভূপৃষ্ঠের যে সব জায়গায় বার্ষিক বৃষ্টিপাতের পরিমাণ এক রকম, সেই সব জায়গাগুলিকে যে রেখার সাহায্যে যুক্ত করে মানচিত্রে দেখানো হয় তাকে সমবর্ষণরেখা (Isohyets) বা আইসোহাইট বলে। আইসোথার্মঃ সমবায়ুমণ্ডলীয় চাপসম্পন্ন স্থানসমূহকে যোগ করতে ব্যবহৃত রেখা। আইসোহেলাইনঃ সমুদ্রের বিভিন্ন স্থানের সমলবণাক্ততা নির্দেশ করতে মানচিত্রে যে রেখা ব্যবহার করা হয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন বসতি কোনটি? ৪১ তম বিসিএস
| (ক) পুণ্ড্রবর্ধন | (খ) পাহাড়পুর |
| (গ) ময়নামতি | (ঘ) সোনারগাঁ |
উত্তর: পুণ্ড্রবর্ধন
বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগরী বা বসতি হলো বগুড়ার মহাস্থানগড়, যা ঐতিহাসিকভাবে পুণ্ড্রবর্ধন নগর নামে পরিচিত । এটি খ্রিষ্টপূর্ব তৃতীয় শতকের (3rd century BCE) একটি প্রাচীন জনবসতি হিসেবে স্বীকৃত । করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত এই প্রাচীন স্থানটি বাংলাদেশের প্রথম ও প্রধান নগরসভ্যতা হিসেবে গণ্য করা হয় ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: নিচের কোনটি সত্য নয়? ৪১ তম বিসিএস
| (ক) গোবী মরুভূমি ভারতে অবস্থিত | (খ) ইরাবতী মায়ানমারের একটি নদী |
| (গ) থর মরুভূমি ভারতের পশ্চিমাংশে অবস্থিত | (ঘ) সাজেক ভ্যালি বাংলাদেশে অবস্থিত |
উত্তর: গোবী মরুভূমি ভারতে অবস্থিত
গোবী মরুভূমি (বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মরুভূমি) মঙ্গোলিয়া ও চীনে অবস্থিত। এই মরুভূমিটি এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে বড় মরুভূমি। এটি ১,৫০০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। আর এর আয়তন ১২ লক্ষ ৯৫ হাজার বর্গ কিলোমিটার।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: দক্ষিণ গোলার্ধে উষ্ণতম মাস কোনটি? ৪১ তম বিসিএস
| (ক) ফেব্রুয়ারি | (খ) জানুয়ারি |
| (গ) মে | (ঘ) ডিসেম্বর |
উত্তর: জানুয়ারি
দক্ষিণ গোলার্ধে উষ্ণতম মাস জানুয়ারি। আর উত্তর গোলার্ধের শীতলতম মাস হলো জানুয়ারি।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: মার্বেল কোন ধরনের শিলা? ৪১ তম বিসিএস
| (ক) মিশ্র শিলা | (খ) আগ্নেয় শিলা |
| (গ) পাললিক শিলা | (ঘ) রূপান্তরিত শিলা |
উত্তর: রূপান্তরিত শিলা
মার্বেল একটি রূপান্তরিত শিলা । এটি মূলত চুনাপাথর (Limestone) বা ডলোমাইট (Dolomite) নামক পাললিক শিলা থেকে উৎপন্ন হয় । মাটির গভীরে অতিরিক্ত তাপ এবং প্রচণ্ড চাপের কারণে এই শিলাগুলোর রূপান্তর বা "মেটামরফিজম" (Metamorphism) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চুনাপাথরের খনিজ উপাদানগুলি পুনর্স্ফটিকীকৃত হয়ে মার্বেলে রূপান্তরিত হয় ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: মধ্যম উচ্চতার মেঘ কোনটি? ৪১ তম বিসিএস
| (ক) নিম্বাস | (খ) কিউম্যুলাস |
| (গ) সিরাস | (ঘ) স্ট্রেটাস |
উত্তর: কিউম্যুলাস
মধ্যম উচ্চতার (সাধারণত ২,০০০ থেকে ৭,০০০ মিটার বা ৬,৫০০ থেকে ২০,০০০ ফুট) প্রধান মেঘগুলো হলো অল্টোকিউমুলাস (Altocumulus) এবং অল্টোস্ট্র্যাটাস (Altostratus) । এই মেঘগুলো সাধারণত জলীয় বাষ্প এবং বরফ কণা মিশ্রিত থাকে এবং আকাশ জুড়ে ছাই রঙের আস্তরণ বা ভেজা তুলার স্তূপের মতো দেখা যায় ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।