পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .
দয়াকরে অপেক্ষা করুন।
"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।
| (ক) বৃষ্টিপাত কমে যাবে | (খ) নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে |
| (গ) ক্রমশ উত্তাপ বেড়ে যাবে | (ঘ) উপরের সবগুলো |
বৃষ্টিপাত কমে যাবে
গ্রিন হাউস এফেক্টের কারণে বাংলাদেশে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, নিচু এলাকা প্লাবিত, সুন্দরবনের মতো বনভূমির ক্ষতি, লবণাক্ততা বৃদ্ধি, কৃষিতে বিরূপ প্রভাব, প্রাকৃতিক দুর্যোগের (বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড়) তীব্রতা বৃদ্ধি, বিশুদ্ধ পানির সংকট, এবং জীববৈচিত্র্যের হুমকিসহ নানা ধরনের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে, যা দেশের অর্থনীতি ও জীবনযাত্রাকে বিপর্যস্ত করবে।
সম্ভাব্য ক্ষতিসমূহ:
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও প্লাবন: তাপমাত্রা বাড়ার কারণে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে যাওয়ায় সমুদ্রের পানির উচ্চতা বাড়বে, ফলে বাংলাদেশের নিচু coastal অঞ্চল, বিশেষ করে সুন্দরবনের প্রায় ৭০% এলাকা প্লাবিত হয়ে যাবে।
কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা: লবণাক্ততা বৃদ্ধি, বন্যা ও খরা প্রবণতা বাড়ার কারণে ফসলের উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে, যা খাদ্য নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলবে।
প্রাকৃতিক সম্পদের বিনাশ: সুন্দরবনসহ অন্যান্য বনভূমি ধ্বংস হবে এবং অনেক দুর্লভ প্রজাতির প্রাণী ও উদ্ভিদ বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
বিশুদ্ধ পানির সংকট: লবণাক্ত পানির অনুপ্রবেশের ফলে ভূগর্ভস্থ মিঠা পানির উৎসগুলো দূষিত হবে, যা পানীয় জলের অভাব তৈরি করবে।
প্রাকৃতিক দুর্যোগের তীব্রতা: ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, খরা ও জলোচ্ছ্বাসের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের সংখ্যা ও তীব্রতা বাড়বে।
অর্থনৈতিক ক্ষতি: কৃষি, মৎস্য, পর্যটন ও অবকাঠামোগত ব্যাপক ক্ষতি হবে, যা দেশের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
জনস্বাস্থ্য: পানিবাহিত রোগ এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যগত সমস্যা বৃদ্ধি পাবে।
বাস্তুচ্যুতির ঝুঁকি: সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও ভূমিক্ষয়ের কারণে লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হতে পারে