পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .

দয়াকরে অপেক্ষা করুন।

"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।

সহায়িকা

বিস্তারিত তথ্য


(ক) নীল আলোর বিক্ষেপণ অপেক্ষাকৃত বেশি বলে (খ) নীল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেমি বলে
(গ) নীল সমুদ্রের প্রতিফলনের ফলে (ঘ) নীল আলোর প্রতিফলন বেশি বলে
close

নীল আলোর বিক্ষেপণ অপেক্ষাকৃত বেশি বলে


আলোর বিক্ষেপণের কারণে আকাশ নীল দেখায়। সূর্যের আলোকরশ্মি যখন পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে, তখন বায়ুমণ্ডলের গ্যাসীয় অণু ও ধূলিকণা দ্বারা এটি বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে পড়ে। এই ছড়িয়ে পড়া আলোর মধ্যে নীল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম হওয়ায় এটি সবচেয়ে বেশি বিক্ষিপ্ত হয় এবং আমাদের চোখে দৃশ্যমান হয়। তাই পরিষ্কার আকাশকে নীল দেখায়।
আলোর বিক্ষেপণ: সূর্যের আলোতে নীল, বেগুনি, সবুজ, হলুদ, কমলা এবং লাল — এই সব রঙের আলো মিশ্রিত থাকে, যাদের তরঙ্গদৈর্ঘ্য ভিন্ন।
কম তরঙ্গদৈর্ঘ্য: নীল ও বেগুনি আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম, আর লাল ও কমলা আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি।
নীল আলোর আধিক্য: বায়ুমণ্ডলের গ্যাসীয় অণু (যেমন নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন) ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের নীল ও বেগুনি আলোকে সবচেয়ে বেশি বিক্ষিপ্ত করে।
চোখের সংবেদনশীলতা: বেগুনি আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য নীলের চেয়েও কম হলেও, মানুষের চোখ নীল আলোর প্রতি বেশি সংবেদনশীল, তাই আমরা আকাশকে নীল দেখি, বেগুনি নয়।